সার্ভে কি ? সার্ভে করে আয় করার উপায় – বাংলা আইটি ব্লগ

সার্ভে কিঃ অনলাইন সার্ভে এমন একটি সেক্টর, যেখানে আপনি ছোটো-ছোটো কিছু কাজ করে বিপুল পরিমানে অর্থ ইনকাম করতে পারবেন। বাড়িতে অযথা বসে না থেকে যদি স্বল্প কিছু কাজের মাধ্যমে ইনকাম জেনারেট করা যায়।

তাহলে তা মন্দ হবে না Survey থেকে আয় করলে। সার্ভে করে আয় করার উপায় জানলে আপনিও ইনকাম করতে পারবেন।

সার্ভে কি
সার্ভে কি

আমরা জানি যে, অনলাইনে ইনকাম করার অনেক গুলো উপায় রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো, ফ্রিল্যান্সিং। তবে আপনি জানলে অবাক হবেন যে, বর্তমানে সার্ভের চাহিদা আকাশচুম্বী।

যেখানে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার তরুন – তরুনী যুক্ত হচ্ছে এই সার্ভে সেক্টরে।

শুধু তাই নয়, আপনাকে এমন অনেক উদাহরন দেয়া যাবে। যারা শুধুমাএ সার্ভে সেক্টরে কাজ করেই, নিজের একটা সফল ক্যারিয়ার গড়তে পেরেছে।

যদি আপনি একজন স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন, কিংবা চাকরির অভাবে বাড়িতে বেকার বসে আছেন। তাহলে আপনার জন্য উপযুক্ত হবে সার্ভে সেক্টরে কাজ করা।

যদি আপনি এই সেক্টরে সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন। তাহলে আপনাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

হ্যালো বন্ধু, স্বাগতম আপনাকে বাংলা আইটি ব্লগের নতুন একটি অনলাইন ইনকাম এপিসোডে। আজকের আর্টিকেলে আমি সার্ভে রিলেটেড যাবতীয় তথ্য গুলো শেয়ার করার চেস্টা করবো।

যদি আপনিও এই সেক্টরে নিজেকে যুক্ত করতে চান।তাহলে অবশ্যই পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। 

সার্ভে কি? (what is Survey in Bangla)

সাধারন ভাষায় কোনো কিছু জরিপ করাকে বলা হয়, সার্ভে। এই জরিপ কোনো একটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে হয়না ৷ বরং ভিন্ন ভিন্ন টপিক নিয়ে জরিপ করা হয়ে থাকে।

এই জরিপে, আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্ন করা হবে। এবং আপনাকে সেই প্রশ্ন গুলোর সঠিক উওর দিতে হবে।

তবে আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে,”এই জরিপ গুলো কে করে “?

অনলাইন থেকে আয় করতে…

ওয়েল! বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি থেকে এই জরিপ গুলো করা হয়ে থাকে। তাদের কোম্পানির পন্য গুলো ব্যবহার করে মানুষ কতটুকু সেটিসফাইড। মূলত এই বিষয়টি জানার জন্য বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি গুলো এই জরিপ করে থাকে।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, এই জপিরের মাধ্যমে তাদের উৎপাদিত পন্য গুলো কোন শ্রেনীর মানুষ ব্যবহার করছে। এবং কোন বয়সের মানুষ ব্যাবহার করছে ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে অনুমান করা যায়। 

কারা সার্ভে করতে পারবে?

প্রশ্নঃ- সবাই কি সার্ভে করতে পারবে?

হুম যদি মনের ভেতর অদম্য ইচ্ছা থাকে। তাহলে সবাই সার্ভে করতে পারবে। তবে কিছু কিছু বিষয় আছে, যে বিষয় গুলো আপনার মধ্য থাকলে ভালো।

যেমন, সার্ভে করার জন্য আপনার তেমন শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। তবে আপনার মধ্যে টুকটাক ইংরেজি বোঝার মতো দক্ষতা থাকতে হবে।

কারন সার্ভেতে যে প্রশ্ন গুলো দেওয়া হয়। সেগুলো সম্পূর্ণ ইংরেজি ভাষায়। তাই এই কাজ করার জন্য একটু ইংরেজি জানা থাকলে, আপনার কাজ করতে সুবিধা হবে।

[TIPS:  যদি আপনি ইংরেজি না বুঝেন, তাহলে আপনি Google Translate ব্যবহার করতে পারবেন। Google Translate- এর মাধ্যমে, যে কোনো ভাষাকে অন্য ভাষাতে অনুবাদ করা যায় ]

[NOTE: সার্ভের কাজ গুলো মূলত USA মানুষদের জন্য বেশি হয়ে থাকে। আর তার জন্য আপনাকে একজন USA  নাম দিয়ে একাউন্ট করতে হবে ]

Survey করার জন্য আপনার মধ্যে  আরেকটি গুন থাকতে হবে। সেটি হলো, দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করার মতো ধৈর্য। হুমমম, এটি গুরুত্বপূর্ণ একটা পয়েন্ট।

সার্ভেতে যদি কাজ করতে চান। তাহলে আপনাকে বেশ বড় একটা সময় ব্যয় করতে হবে। কারন এখানে আপনি যতো বেশি সময় ধরে কাজ করবেন। আপনার ইনকাম করার পরিমান ঠিক ততোটাই বৃদ্ধি পাবে।

যারা পার্টটাইম হিসেবে Survey করতে চান। তাদের জন্য এটা তেমন কোনো সমস্যা না। কিন্তুু আপনি যদি সার্ভে করে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান। তাহলে আপনাকে দৈনিক ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রায় 6-8 ঘন্টা ব্যয় করতে হবে। 

Survey করার জন্য আপনার মধ্যে এই গুনটি থাকতেই হবে। যদি না থাকে তাহলে সার্ভে করে খুব বেশি কিছু করতে পারবেন না। সার্ভে করে আয় করার উপায় জানতে চাইলে আর্টিকেল সব টুকু না পড়লে কিছুই বোঝবেন না।

তো যাইহোক, যদি আপনি সার্ভে থেকে ইনকাম করতে চান। তাহলে আপনার মধ্যে উপরোক্ত গুনাগুন থাকলেই যথেষ্ট। 

সার্ভে করার জন্য কি দরকার হয়?

আর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনার হাতে একটা ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার থাকতে হবে। আর সার্ভের কাজ গুলো একটু Fast করতে হয়। আপনি যতো দ্রুত কাজ করবেন, আপনার ঠিক ততোটুকু ইনকাম হবে।

Survey করতে যা লাগবে আপনারঃ

  • Residential IP or VPS – আপনাকে কিনতে হবে যা সর্বনিম্ন দাম ১০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০+ টাকা
  • Pc/Laptop অথবা Mobile সাথে ইন্টারনেট লাগবেই।
  • Veryfied আমেরিকার Bank Account এবং Debit Card
  •  USA নাম্বার একাউন্ট ভেরিফিকেশন করার জন্য
  • ইংরেজী ভাল পারলে কথায় নাই
মোটামুটি এ কয়টি জিনিস যদি আপনি ব্যবস্থা করতে পারেন তবে আপনি সার্ভে কাজে অংশগ্রহন করতে পারবেন। এই সার্ভের কাজ গুলো কম্পিউটারে করা খুব ভালো। কারন বড় স্ক্রিনে চোখ রেখে, মাউস দিয়ে কাজ খুব দ্রুততার সাথে করা যায়।
এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে, “মোবাইল দিয়ে কি সার্ভে করা যাবে কিনা

হ্যাঁ! আপনি মোবাইল দিয়ে সার্ভে করতে পারবেন। কিন্তুু সার্ভে করার জন্য বেশ কিছু Tools এর প্রয়োজন হয়। যে গুলা মোবাইলে দ্রুত করতে ভেজাল মনে হবে।

তবে মোবাইল দিয়েও Survey এর কাজ করা যাবে।

তবে আমি বলছি না যে, আপনি একেবারেই পারবেন না। আপনি মোবাইল দিয়েই Survey এর কাজ করতে পারবেন।  তবে আপনাকে একটু বাড়তি কষ্ট করতে হবে, এই আরকি! 

সার্ভে করে কত টাকা ইনকাম করা যায়?

অনলাইনে কোন কাজ করে কত টাকা ইনকাম করা যায়। এটি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা ভালো। কারন আমাদের সবার একটাই উদ্দেশ্য থাকে৷ সেটি হলো, টাকা ইনকাম করা, তাইনা?

তাহলে শুনুন, আমার পরিচিত দুইজন বন্ধু আছে। তারা Survey job site এ কাজ করে। তাদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি। যদি আপনি দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘন্টা সময় দিতে পারেন। তাহলে চাকরির বেতনের সমান ইনকাম করতে পারবেন।

এখন এটা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করবে। আসলে আপনি কত ঘন্টা সার্ভে কাজ করতে পারবেন।

আপনার জন্য আরো…

তবে আপনি স্টুডেন্ট হয়ে থাকলে, আপনি এই কাজটি Part Time হিসেবে করতে পারবেন। পড়াশোনার পাশাপাশি একটু ইনকাম করতে পারলে। অন্ততপক্ষে আপনার পকেটমানি ম্যানেজ করতে পারবেন।

আর আপনি যদি Survey Job কে ফুল টাইম হিসেবে নিতে পারেন। তাহলে চোখ বন্ধ করে, মাসে ১০-১৫ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আমার মনে হয়, আপনার পকেট মানির জন্য এই টাকা পর্যাপ্ত। নাকি আপনার আরও বেশি টাকা লাগবে? -উওরটা কমেন্ট করে জানাবেন। 

কিভাবে সার্ভে শুরু করবো?

এতোক্ষন ধরে আমি আলোচনা করছি, সার্ভে কি এবং Survey করার জন্য কি কি দরকার হয়। এছাড়াও সার্ভে জব করে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আশা করি সে সম্পর্কেও ষ্পষ্ট ধারনা পেয়ে গেছেন।

এবার আলোচনা করবো, “কিভাবে আপনি সার্ভে সেক্টরে পা ফেলবেন“। তো আর দেরি না করে এবার এই বিষয়টি জেনে নেয়া যাক।

মনে রাখবেন, সার্ভে করার জন্য সর্বপ্রথম আপনার একটি Virtual IP থাকতে হবে। এটা খুব দুঃখজনক ব্যাপার যে, সার্ভে জবের জন্য বাংলাদেশ কে Allow করে না।

তাই আপনি বাংলাদেশে থাকার পরও যেন Survey করতে পারেন। তার জন্য আপনাকে IP কিনতে হবে। [Most Important]

এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে,  ip আবার কি জিনিস?  এইডা দিয়া কি করা যায়?  তাহলে শুনুন,

Ip কি? আইপি এর কাজ কি?

আপনি কি ভিপিএন চিনেন Vpn?  এর কাজ কি জানেন, আপনি বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেট চালাবেন। কিন্তুু আপনার লোকশন দেখাবে আমেরিকাতে। কি অদ্ভুত, তাইনা?

আমরা যে ইন্টারনেট ব্যবহার করি। তাদের সবার একটা পারসোনাল ip address আছে। যার মাধ্যমে বোঝা যায় আপনি আসলে কোন জায়গা থেকে ইন্টারনেট চালাচ্ছেন।

এখন আপনি তো জানেন, বাংলাদেশ থেকে সার্ভে করা যায়না। তাই আপনাকে এমন কিছু করতে হবে। যেন আপনার ip address কে পরিবর্তন করা যায়।

আর নিজের আইপি পরিবর্তন করার জন্য Virtual ip এর কোনো বিকল্প নেই। এখন, আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে, কিভাবে আপনি ip address পরিবর্তন করবেন।

এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শুরুর দিকে আপনাকে ১০০০-৩০০০ টাকা ব্যয় করতে হবে virtual ip কেনার জন্য। বাংলাদেশে এমন অনেক কোম্পানি আছে। যারা খুব ভালোমানের ip দিয়ে থাকে।

কিছু কিছু কোম্পানি আছে, যারা ip কেনার জন্য ১০০০/- টাকা নেয়। আবার কিছু কোম্পানি সর্বোচ্চ ৩০০০-৩৫০০/- টাকা নেয়। এখন আপনি কোন ধরনের ip address কিনবেন৷ সেটা সম্পূর্ন আপনার উপর নির্ভর করবে। 

কিভাবে সার্ভে থেকে ইনকাম করবেন?

যাক, আপনি এতোক্ষনে সার্ভে রিলেটেড অনেক কিছু জেনে গেছেন যে সার্ভে কি বা কি জন্য । এখন আপনি আসল টপিকে চলে এসেছেন। এবার আমরা জানবো যে, কিভাবে সার্ভে জব করে ইনকাম করা সম্ভব।

দেখুন, সার্ভে জবের মাধ্যমে ইনকাম করার জন্য। সবার আগে আপনাকে সেই ওয়েবসাইট গুলোকে খুজে নিতে হবে। যে ওয়েবসাইট গুলোতে Survey জব করা হয়।

এর পাশাপাশি কোন  ওয়েবসাইট থেকে বেশি ইনকাম করা যায়। এই বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে হবে।

যদি আপনি গুগলে সার্চ দেন, তাহলে অনেক গুলো Survey Website দেখতে পারবেন। কিন্তুু সাবধান!  হুট করে যেকোনো ওয়েবসাইটে কাজ করে। নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না।

এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে, যেখানে আপনাকে দিয়ে কাজ করানোর পর। তারা আপনাকে কোনো পেমেন্ট করবে না। তখন আপনার “সময় ও শ্রম”- দুটোই জলে যাবে।

তবে এটি নিয়ে টেনশন করার কিছু নেই। কারন আমি এখন আপনাদের বেশ কিছু Survey Website এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো। যে ওয়েবসাইট গুলো ভীষন জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত। যেখানে আপনার টাকা মেরে দেয়ার কোনো ভয় থাকবে না। 

কোন ওয়েবসাইটে সার্ভে করা যায়?

আমি শুরুতেই বলেছি যে, Survey Job করার জন্য অনেক ওয়েবসাইট আছে। আমি অনেক ঘাটাঘাটি করে, কয়েকটি ওয়েবসাইটের নাম লিষ্ট করছি। যেগুলো খুব জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত। 

এখানে Website গুলোতে আপনি অনেক সময় কাজ করতে পারবেন। অর্থ্যাৎ এখানে কোনো কাজের লিমিটেশন নেই। আপনি চাইলে আপনার ইচ্ছামত কাজ করতে পারবেন।

তবে রাতের বেলা কাজ করা সেফ, কারন আমাদের দিন আর আমেরিকার সময় রাত। তাই আমাদের দেশের সময় রাতের বেলা কাজ করা লাগবে। তানা হলে ওয়েবসাইট বোঝে যাবে আপনি অন্য দেশের মানুষ।

আর বোঝে ফেললে আপনার একাউন্ট ব্যান হয় যাবে। তো চলুন এবার সেরকম কিছু ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

Swagbucks

আমার দৃষ্টিকোন থেকে Swagbucks হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সার্ভে ওয়েবসাইট। Swagbucks এর প্রতিটি সার্ভে করার জন্য, আপনি মিনিমাম 0.50$ থেকে  5.00$ ইনকাম করতে পারবেন।

এখানে আপনাকে প্রতিটি সার্ভে করার জন্য সর্বনিন্ম ১০-২০ মিনিট এবং সর্বোচ্চ ৩০-৬০ মিনিট সময় ব্যয় করতে হবে।

সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এই সার্ভে ওয়েবসাইট থেকে খুব কম পরিমান ডলার হওয়ামাএ তা উইথড্র করা যায়। যেমন যদি আপনি টুকটাক কয়েকটা Survey করার পর সর্বনিন্ম 5$ ইনকাম করতে পারেন।

তাহলেও আপনি তা উওলন করতে পারবেন।

এছাড়াও এই ওয়েবসাইট থেকে উইথড্র করার পরবর্তী ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে আপনি পেমেন্ট পেয়ে যাবেন। এই দিকটা আমার কাছে খুব ভালো মনে হয়েছে।

যদি আপনি Swagbucks এ সার্ভে করে ইনকাম করতে চান। তাহলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

যেমন, নিয়ম অনুযায়ী এই ওয়েবসাইটে শুধুমাএ তারাই কাজ করতে পারবে। যারা মূলত Canada, Australia, UK, France, Germany তে বসবাস করে।

কিন্তুু আপনি তো বাংলাদেশী, তাই এখানে কাজ করার জন্য এইসব দেশের ip কিনে নিতে হবে। তাহলে আপনি Swagbucks এ সার্ভে করে ইনকাম করতে পারবেন। 

Inbox Dollars

সার্ভে জব করার জন্য দ্বিতীয় জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হলো, Inbox Dollars. এখানে আপনি একাউন্ট তৈরি করার সাথে সাথে বোনাস হিসেবে 5$ পাবেন।

অর্থ্যাৎ, শুধু আপনার জিমেইল দিয়ে একাউন্ট তৈরি করবেন। আর এই কাজের জন্যই আপনাকে ৫ ডলার বোনাস দিবে।

এখানে আপনি Survey করার পাশাপাশি রেফার করেও ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনার কোনো টিম থাকে। তাহলে এই পদ্ধতি থেকে আপনি প্রচুর পরিমানে ইনকাম করতে পারবেন।

কারন আপনি যখন একজনকে রেফার করার যুক্ত এই ওয়েবসাইটে যুক্ত করবেন। তখন সেই ব্যক্তি যতোদিন কাজ করে ইনকাম করবে। সেই পরিমানের উপর ভিওি করে Inbox Dollars আপনাকে আলাদাভাবে আরও ৩০% বোনান দিবে।

এছাড়াও এই ওয়েবসাইটে যখন আপনার ইনকাম ১০$ হবে ৷ আপনি তখনি সেই টাকা উইথড্র করতে পারবেন। এছাড়াও Inbox Dollars এ প্রতিটি সার্ভে করার জন্য। আপনি মিনিমাম ০.৫ থেকে ৫.০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।

inbox dollars এ কাজ করার জন্য আপনার বয়সসীমা অবশ্যই ১৮ বছরের উপরে হতে হবে। এবং U.S., Canada,  UK এর মতো দেশের ip ব্যবহার করতে হবে।

My Points

অন্যান্য ওয়েবসাইটের মতো My Points এর জনপ্রিয়তা কোনো অংশে কম না। হাজার হাজার মানুষ এ সার্ভে ওয়েবসাইটে কাজ করে ইনকাম করে।

এখানে আপনি Survey করে যা ইনকাম করবেন। সেই ইনকাম সরাসরি ডলারে যুক্ত হবে না ৷ প্রথমে আপনাকে সার্ভে করার পর Point হিসেবে যুক্ত হবে ৷ এরপর 100 পয়েন্ট হবে তখন আপনার একাউন্টে 1$ যুক্ত হবে। 

এখানে একেকটি সার্ভে করার জন্য ৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত সময় ব্যয় করতে হয়। এবং প্রতিটি সার্ভে করার জন্য আপনি 0.50$ থেকে 3.00$ পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। 

Pinecone Research

সার্ভে কাজ করে সবচেয়ে বেশি ইনকাম করার জন্য বেস্ট ওয়েবসাইট হলো, Pinecone Research. এখানে প্রতিটা সার্ভে করার জন্য আপনি মুটা-মুটি ভাল ইনকাম করতে পারবেন। 

তবে এই সাইটে কাজ করে বেশি ইনকাম করতে চাইলে আপনাকে পেইড মেম্বারশিপ নিতে হবে। কিন্তুু এটা বাধ্যতামূলক নয়, আপনি চাইলে Free Membership দিয়েও ইনকাম করতে পারবেন। কিন্তুু ফ্রি মেম্বারশিপে কাজের পরিমান একটু কম থাকে।

এখানে একেকটি সার্ভে সম্পন্ন করতে কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় ব্যয় করতে হয়। আর এই সাইটে আপনি কোনো প্রকার Sign Up বোনাস পাবেন না। 

Survey Junkie

যারা সার্ভে সেক্টরে একেবারেই নতুন। তাদের জন্য পারফেক্ট Survey Job Site হলো Survey Junkie. এখানে নতুনরা খুব সহজেই কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন।

এখানে আপনি নতুন একাউন্ট করার সাথে সাথেই 0.25$ ডলার ইনকাম করতে পারবেন। এছাড়াও প্রত্যেকটি সার্ভে করার জন্য আপনি মিনিমাম 0.25$ থেকে বড় বড় এমাউন্ট পর্যন্ত ইনকাম করা যায়।

আরো পড়ুন…

Survey Junkie-র রুলস অনুযায়ী, এখানে কাজ করার জন্য আপনার বয়স সর্বনিন্ম ১৮ বছর হতে হবে। এবং এই সাইটে আপনি মোবাইল কিংবা কম্পিউটার দিয়ে কাজ করতে পারবেন।

এই ওয়েবসাইটে আমি ২-৩ মাস ধরে কাজ করছি। তো কাজ করার সময় একটা বিষয় আমার কাছে ভীষন ভালো লেগেছে। সেটি হলো, এখানে আপনি কোনো Survey করার সময় যদি কোনো কারনে Disconnect হয়।

অর্থ্যাৎ আপনি যদি কোনো সার্ভে সম্পূর্ণভাবে শেষ করতে না পারেন। তাহলেও কিন্তুু আপনাকে কিছু পরিমান $ দিবে। যা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। 

Branded Surveys

সার্ভে সেক্টরে কাজ করেন, অথচ Branded Surveys এর নাম শুনেননি। এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যায়। জনপ্রিয়তার দিক থেকে Branded Surveys কোনো অংশে কম নয়।

এখানে আপনি মাএ ২০ থেকে ৩০০ মিনিট কাজ করে 2$-3$ পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। তবে এখানেও আপনি সরাসরি ডলার ইনকাম করতে পারবেন না। সবার আগে আপনাকে Point জমা করতে হবে।

যখন আপনি ১০০ পয়েন্ট আর্ন করবেন, তখন আপনার একাউন্টে 1$ জমা হবে। আর উইথড্র করার জন্য আপনার একাউন্টে মিনিমাম 10$ থাকতে হবে। অর্থ্যাৎ, Cash Out করার জন্য আপনাকে কমপক্ষে ১০০০ পয়েন্ট আর্ন করতে হবে।

তো আমি অনলাইন ঘাটাঘাটি করার পর আমার এই কয়েকটি Survey Site কে বিশ্বস্ত মনে হয়েছে। তবে এগুলো ছাড়াও আরও বেশ কিছু সার্ভে ওয়েবসাইট আছে। আপনি চাইলে সেই ওয়েবসাইট গুলোতেও কাজ করতে পারেন।

এমন কিছু সার্ভে ওয়েবসাইটের লিষ্ট নিচে দেওয়া হলো। 

Best Survey Website List

আপনি গুগলে সার্চ দিলে এমন ডজন খানেক ওয়েবসাইটের লিষ্ট দেখতে পারবেন। কিন্তুু ভুলেও সব ওয়েবসাইটে কাজ করে সময় নষ্ট করবেন না। কারন সব ওয়েবসাইটে কাজ করা গেলেও সবাই কিন্তুু বিশস্ততার সাথে পেমেন্ট করে না।

তো উপরোক্ত ওয়েবসাইট গুলো ছাড়াও আরও বেশ কিছু Survey Website আছে। যেগুলো তুলনামূলক ভাবে বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয়। এমন কিছু ওয়েবসাইট এর নাম হলো, 

  1. Toluna
  2. PrizeRebel
  3. Opinion Outpost
  4. Vindale Research
  5. OneOpinion
  6. RewardSurvey
  7. Harris Poll
  8. E-Poll
  9. MySurvey
  10. ClixSense
  11. Valued Opinions
  12. LifePoints
  13. Surveytime
  14. SURVEYEAH
  15. American Consumer Opinion

তবে একটা কথা মনে রাখুন যে, আমার কথা শুনে কিংবা অন্য কারও কথা শোনার পর৷ হুটহাট করে কোনো সার্ভে সাইটে কাজ শুরু করবেন না ৷

কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই সেই ওয়েবসাইট সম্পর্কে অনলাইনে Review দেখে নিবেন। তাহলে আপনার আর কোনো প্রকার চিন্তার অবকাশ থাকবে না। 

সার্ভে থেকে বেশি ইনকাম করার উপায়

এতোক্ষনে আপনি বুঝে গেছেন যে, সার্ভে করে ইনকাম করা যায়। কিন্তুু কিভাবে এই Survey Job করে বেশি পরিমানে ইনকাম করা যায়। সে বিষয়টিও আপনার জেনে রাখা উচিত।

কেননা, সব সেক্টরে কাজ করে ইনকাম করার জন্য কিছু টেকনিক অবলম্বন করতে হয়। তাই আপনি যদি শুধুমাএ সার্ভে থেকেই বিপুল পরিমানে ইনকাম করতে চান। তাহলেও আপনাকে বেশ কিছু টেকনিক অনুসরণ করতে হবে।

এখন আপনার আসলে কত টাকা ইনকাম ইনকাম হলে সেটি আপনার জন্য যথেষ্ট হবে। সেটি তো আমি বলতে পারবো না। তবে আপনি যদি দৈনিক ৬-৮ ঘন্টা সময় ব্যয় করে কমপক্ষে 20$ – 25$ ইনকাম করতে চান।

তাহলে আপনাকে কিছু ট্রিকস ফলো করতে হবে।

যেমন, এই সার্ভে সাইট গুলোতে রেফার করার জন্য একটি অপশন পাবেন। অর্থ্যাৎ আপনি আপনার লিংক থেকে যদি নতুন কোনো ব্যক্তিকে এসব ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে পারেন ৷

তাহলে কিন্তুু আপনি বিনা পরিশ্রমেই অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। সেক্ষেএে আপনার যদি কোনো Team থাকে। তাহলে আপনি এই সুযোগের সৎব্যবহার করতে পারবেন।

আর যদি আপনার কোনো টিম না থাকে। তাহলে আপনার আশেপাশে যে বন্ধু-বান্ধব আছে। তাদেরকে এই সার্ভে সম্পর্কে জানিয়ে এই কাজ গুলো করার জন্য উৎসাহ দিন।

আরেকটি বিষয় হলো, আপনি কখনোই একটি ওয়েবসাইটে কাজ করবেন না। অর্থ্যাৎ শুধ একটি সার্ভে সাইটের উপর ডিপেন্ড করবেন না। দিনে কমপক্ষে তিন থেকে চারটি সার্ভে সাইটে কাজ করার চেস্টা করবেন।

আপনি যদি দৈনিক ৮ ঘন্টা করে সময় দিতে পারেন। তাহলে প্রত্যেকটি সাইটে ২ ঘন্টা করে সময় দেয়ার চেস্টা করবেন।

তবে মনে রাখবেন, সার্ভে করে ইনকাম করার জন্য Time Spend খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই কাজ শুরু করার আগে এই দিকটি বিশেষভাবে মাথায় রাখবেন। 

বাংলাদেশ থেকে সার্ভে করে আয় করার উপায়

আমি উপরে যে ওয়েবসাইট গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। সেখানে দেখবেন যে, এসব সার্ভে জব শুধুমাত্র উন্নত দেশের মানুষদের জন্য হয়ে থাকে।

অর্থ্যাৎ যারা Us, Uk অথবা Canada র মতো দেশের নাগরিক। শুধুমাএ তাদের জন্যই এসব সার্ভে জব উন্মুক্ত।

খুব কম সংখ্যক ওয়েবসাইট আছে ৷ যেখানে পুরো world wide এর মানুষ কাজ করতে পারে। তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে যে, “বাংলাদেশ থেকে কিভাবে সার্ভে করা যায়?”

ওয়েল! সেজন্য আপনাকে এমন কিছু কাজ করতে হবে ৷ যার মাধ্যমে আপনি বাংলাদেশ থেকেই সার্ভে কাজ করবেন। কিন্তুু আপনার ip দেখাবে যে আপনি আমেরিকাতে বসে কাজ করছেন।

তো এই কাজটি করার জন্য আপনাকে অন্য কোনো দেশের ip কিনে নিতে হবে। এবং আপনার কেনা সেই ip টি অবশ্যই মানসম্মত হতে হবে। যেন কোনোভাবেই ধরা না পড়েন যে আপনি বাংলাদেশ থেকে এই কাজে যুক্ত আছেন।

আমাদের বাংলাদেশে এমন অনেক কোম্পানি আছে। যারা মূলত কমদামে খুব ভালো মানের ip provide করে থাকে। আপনি চাইলে মাসিক চুক্তিতে কিংবা বাৎসরিক চুক্তির মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে ভালো মানের ip কিনে নিতে পারবেন।

আইপি কেনার পর যখন আপনি সার্ভে জব শুরু করবেন ৷ তখন ভালোভাবে চেক করে নিবেন যে, আপনার কিনে নেয়া আইপি এড্রেসে টার্গেটেড লোকেশন দেখাচ্ছে কিনা।

আর কোম্পানি ভেদে আইপির মূল্যে কমবেশি হয়ে থাকে। কেউ একটি আইপির জন্য মাসিক ১০০০ টাকা নেয়। আবার অনেক কোম্পানি আছে যারা প্রতিমাসে ৩০০০ টাকা নেয়।

আপনার জন্য আরো আর্টিকেল…

এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ভিপিএন দিয়েই তো নিজের আইপি পরিবর্তন করা যায়। আমরা কি VPN দিয়ে সার্ভে করতে পারবো না? 

না ভাই!  আপনি ভিপিএন দিয়ে এসব ওয়েবসাইটে কাজ করতে পারবেন না। কারন এই ওয়েবসাইট গুলোতে এমন কিছু Programme Setup করা আছে। যার মাধ্যমে খুব সহজেই user ip detect করা যায়।

আর ভিপিএন এর আইপি একেক সময় একেক রকম হয়ে থাকে ৷ তাই আপনি যদি ভিপিএন দিয়ে কাজ করেন ৷ তাহলে আপনাকে খুব সহজেই শনাক্ত করতে পারবে।

কিভাবে সার্ভে থেকে পেমেন্ট নিবেন? 

সার্ভে থেকে ইনকাম করার পরে আপনার প্রয়োজন পড়বে সেই ইনকাম করা টাকা উইথড্র করার। এক্ষেএে প্রতিটা সার্ভে সাইটের পেমেন্ট মেথড ভিন্ন রকমের হয়ে থাকে।

তো কোনো সাইটে কাজ করার আগে আপনাকে জেনে নিতে হবে যে, সেই ওয়েবসাইট আসলে কোন মাধ্যমে পেমেন্ট করে।

এমন অনেক সার্ভে সাইট আছে যারা PayPal এর মাধ্যমে পেমেন্ট করে। আবার অনেক সাইট আছে যারা, MasterCard এর মাধ্যমে পেমেন্ট করে থাকে।

তবে বিষয়টা এরকম নয় যে, শুধুমাএ PayPal কিংবা MasterCard ছাড়া উইথড্র করা যাবে না। এগুলো ছাড়াও আরও বেশ কিছু পেমেন্ট মেথড আছে যেমন, Bank Transfer, Gift Card অথবা Coinbase এর মাধ্যমেও পেমেন্ট করে থাকে। 

বাংলাদেশ থেকে সার্ভে করার সমস্যা

অন্যান্য দেশ থেকে যদি আপনি survey job করতে চান। তাহলে আপনার তেমন কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তুু আপনি যদি বাংলাদেশি হয়ে থাকেন ৷

তাহলে আপনাকে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এবং যেভাবেই হোক আপনাকে সেই সমস্যা গুলোর সমাধান খুজে বের করতে হবে।

তো প্রথম সমস্যাটি হলো, Cash Out Problem. অর্থ্যাৎ আপনি যে টাকা গুলো ইনকাম করবেন ৷ সেই টাকা গুলো উওলন করতে আপনাকে বেশ সমস্যায় পড়তে হবে।

কারন এসব ওয়েবসাইট মূলত PayPal কিংবা MasterCard এর মাধ্যমে পেমেন্ট করে থাকে। কিন্তুু আমাদের দেশে PayPal সাপোর্ট করে না। এবং সবার কাছে MasterCard ও থাকেনা।

খন এই পরিস্থিতিতে আপনাকে বেশ সমস্যায় পড়তে হবে।

তবে টেনশনের কোনো দরকার নেই, কারন বাংলাদেশে এমন অনেক কোম্পানি আছে। যাদের কাছ থেকে আপনি এই cash-out করতে পারবেন।

কিন্তুু এর জন্য তাদেরকে কিছু পরিমান ভ্যাট প্রদান করতে হবে। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা প্রতিনিয়ত দেখতে পারবেন। সেটি হলো, Account Banned Problem.

হ্যাঁ! সার্ভে করার সময় একাউন্ট ব্যান হওয়ার সমস্যাটি খুব স্বাভাবিক। হয়তবা আপনি ৪-৫ দিন ধরে ইনকাম করলেন। এবং যখন আপনি সেই টাকা উইথড্র করতে যাবেন।

ঠিক তখনি আপনার একাউন্টটি ব্যান হতে পারে। এতে করে আপনার শ্রম ও সময় দুটোই জলে মিশে যাবে।

তবে একাউন্ট Banned হওয়ার বেশ কিছু কারন আছে। আমি অন্য কোনো আর্টিকেলে সে বিষয় গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। 

আমাদের শেষকথাঃ

আশা করি এতক্ষণে, সার্ভে রিলেটেড যাবতীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা পেয়ে গেছেন। সবার শেষে শুধু এইটুকুই বলবো যে, Survey সেক্টরে কাজ করেও আপনি একটা সফল ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

শুধু আপনার ভেতরে কাজ করার জন্য কিছু টেকনিক থাকতে হবে। যে টেকনিক গুলো প্রয়োগের মাধ্যমে এই সার্ভে ওয়েবসাইট গুলো থেকে প্রচুর পরিমানে ইনকাম করতে পারবেন।

অনলাইন থেকে ইনকাম করার আরো অনেক উপায় জানতে আমাদের বাংলা আইটি ব্লগ সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন। আর কোথাও বোঝতে সমস্যা হলে আমাদের কমেন্ট করে জানান।

আমি নিলয় হাসান-এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি লেখালেখির কাজটাও করি। অনলাইনে প্রযুক্তির বিষয় নিয়ে যা জানি তা মানুষের মাঝে শেয়ার করার ইচ্ছায় এ ব্লগ টি তৈরি করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap