আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে। আউটপুট ডিভাইস কত প্রকার | Output device in Bengali

আউটপুট ডিভাইস কি বা আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে ? কোন একটি কম্পিউটারের অন্যান্য ডিভাইস গুলোর তুলনায় আউটপুট ডিভাইস বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে। আউটপুট ডিভাইস কত প্রকার ও কি কি
আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে

একজন ব্যবহারকারী তার কম্পিউটার কে নির্দেশ মতো ব্যবহার করার জন্য যে সব নির্দেশনা প্রদান করে।

সেই নির্দেশনা গুলোর ফলাফল কে সহজ কথায় বলা হয়ে থাকে আউটপুট। আর এই আউটপুট প্রদর্শনের জন্য বিভিন্ন প্রকারের ডিভাইস এর প্রয়োজন হয়।

এবং সেই ডিভাইস গুলো কে বলা হয়ে থাকে আউটপুট ডিভাইস

আজকের আর্টিকেল এর মূল আলোচিত বিষয় হল আউটপুট ডিভাইস নিয়ে।

মূলত আউটপুট ডিভাইস কী (What is output device in bangla), আউটপুট ডিভাইস এর কাজ কি, এই সমস্ত বিষয় গুলো নিয়ে আজকের আর্টিকেল এর বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব।

তো যদি আপনি আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে (output device কি) সে সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে অবশ্যই আজকের পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

আপনার জন্য আরোও লেখা…

তাহলে আপনার মনের ভেতরে থাকা output device ki  এই বিষয়টি একবারে পরিষ্কার হয়ে যাবে। চলুন এবার তাহলে মৌল আলোচনাতে ফিরে যাওয়া যাক।

আউটপুট ডিভাইস কি | What is output device in Bengali

কোন একটি আউটপুট ডিভাইস এর মূল কাজ হলো বিভিন্ন শব্দ, বিভিন্ন ইনফরমেশন, ডাটা এবং মেমোরিকে প্রদর্শন করা।

তো এইসব ভিন্ন ভিন্ন বিষয় কে যখন প্রদর্শিত করার জন্য বিভিন্ন প্রকার ডিভাইস এর ব্যবহার করা হয়। সেই সমস্ত ডিভাইস কে একত্রে বলা হয়ে থাকে আউটপুট ডিভাইস।

আর সে কারণেই আমরা আমাদের কম্পিউটার গুলো তে আউটপুট প্রদর্শনের জন্য বিভিন্ন রকমের আউটপুট ডিভাইস ব্যবহার করে থাকি।

ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে

একটি ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস এমন কিছু যা আপনাকে বাইরের বিশ্বের সাথে যোগাযোগ করতে দেয়। এটি একটি কীবোর্ড এবং মাউস থেকে ফোন এবং ট্যাবলেটে যেকোনো কিছু হতে পারে ৷

ইনপুট ডিভাইসগুলি আপনাকে পাঠ্য টাইপ করতে বা কম্পিউটার স্ক্রিনে কী ঘটছে তা নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়।

যখন আউটপুট ডিভাইসগুলি আপনাকে কম্পিউটারের স্ক্রিনে কী ঘটছে তা দেখতে দেয় বা আপনি কী করছেন তা কাউকে বলতে দেয়।

ইনপুট কাকে বলে

ইনপুট হল সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে।

এটি সাধারণত অক্ষর, সংখ্যা বা অন্যান্য চিহ্নের আকার নেয় যা একটি কীবোর্ড, মাউস, টাচ স্ক্রীন বা অন্যান্য ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে প্রবেশ করা হয়।

অন্যভাবে বলা যায়, ইনপুট হল সমস্ত তথ্যের সমষ্টি যা একটি মেশিন বা কম্পিউটার একটি কাজ সম্পাদন করার সময় সাহায্য করে।

এতে সেন্সর, ব্যবহারকারীর ইনপুট এবং সিস্টেম কমান্ডের ডেটা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইনপুট টেক্সট, ছবি, শব্দ এবং গতি সহ বিভিন্ন আকারে আসতে পারে।

ইনপুটগুলির উদ্দেশ্য হ’ল সিস্টেমটিকে তার পছন্দসই কাজটি সম্পাদন করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা।

উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি একটি ওয়ার্ড প্রসেসরে একটি নথি তৈরি করেন আপনি নথিতে যে পাঠ্যটি টাইপ করেন সেটি একটি ইনপুট হিসাবে বিবেচিত হয়।

একবার সিস্টেমে ইনপুট প্রবেশ করানো হলে এটি বিভিন্ন উপায়ে প্রক্রিয়াকরণ এবং আউটপুট করা যেতে পারে।

আউটপুট কাকে বলে ?

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে এই বিষয়টি জানার আগে আপনাকে আরও একটি বিষয় জেনে নিতে হবে আর সেটি হল আউটপুট আসলে কি।

তো সহজ কথায় বলতে গেলে যখন আমরা আমাদের কোনো নির্দেশ  কম্পিউটার ডিভাইস গুলো কে প্রদান করি।

তখন সেই কম্পিউটার গুলো আমাদের নির্দেশ মোতাবেক যেসব কাজের ফলাফল ডিসপ্লে তে প্রদান করে সেগুলো হলো অউটপুট।

যেমন ধরুন আপনি আপনার কম্পিউটার ডিভাইসে একটি গান চালু করার নির্দেশ দিলেন। এবং তাৎক্ষণিক ভাবে আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে গানের শব্দ অথবা দৃশ্যসহ দেখতে পাচ্ছেন।

মূলত এটাই হলো এক ধরনের আউটপুট। ঠিক একইভাবে যখন একটি কম্পিউটার কে তার নির্দেশ মোতাবেক কোন ফলাফল প্রদান করে তখন সেটা কে বলা হয় তাকে আউটপুট।

ইনপুট ডিভাইস কাকে বলে?

একটি ইনপুট ডিভাইস হল যেকোন পেরিফেরাল (কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের টুকরো) যা একটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সিস্টেম।

যেমন একটি কম্পিউটার বা অন্যান্য ধরনের তথ্য যন্ত্রে ডেটা এবং নিয়ন্ত্রণ সংকেত প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।

ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে কীবোর্ড, মাউস, ট্র্যাকবল স্ক্যানার, ডিজিটাল ক্যামেরা, জয়স্টিক এবং মাইক্রোফোন।

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে?

যখন আমরা আমাদের কাজের জন্য একটি কম্পিউটারে ইনপুট প্রদান করি। তখন সেই ইনপুট কে প্রসেস করে উক্ত কম্পিউটারটি আউটপুট প্রদান করে।

এবং সেই আউটপুট গুলো কিন্তু বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়ে থাকে। আর সে কারণে আমরা সেই আউটপুটকে গ্রহণ করার জন্য বিভিন্ন রকমের ডিভাইসকে ব্যবহার করে থাকি।

আর একটি কম্পিউটারে আমরা যেসব ডিভাইস আউটপুট গ্রহণের জন্য ব্যবহার করে থাকি, সেই সব গুলো ডিভাইস কে একত্রে বলা হয়ে থাকে কম্পিউটার আউটপুট ডিভাইস।

বিষয়টিকে যদি আরটু সহজভাবে বলতে গেলে, কোন একটি কম্পিউটারের বিশেষ হার্ডওয়ার এর উপাদান হলো আউটপুট ডিভাইস।

যেমন ধরুন প্রিন্টার এর কথা, কোন একটি প্রিন্টার কোন কিছুকে প্রিন্ট করার জন্য সর্বপ্রথম আমরা আমাদের ডাটা গুলো কে প্রদান করি।

এবং সেই ডাটা গুলো প্রদান করার পর উক্ত ডিভাইসের মাধ্যমে আউটপুট পাওয়া যায়। তো সে ক্ষেত্রে প্রিন্টার হলো একটি আউটপুট ডিভাইস।

আউটপুট ইউনিট কাকে বলে?

কোন একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়ার এর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে। আর একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়ার এ বিভিন্ন রকমের ডিভাইস গুলো কে ইউনিট সিস্টেমে ভাগ করা হয়ে থাকে।

যেমন প্রথমত আপনি দুইটি ইউনিট দেখতে পারবেন। একটি হলো আউটপুট এবং অন্যটি হলো ইনপুট। তো এরকম বিভিন্ন ইউনিট গুলো কে মূলত একত্রে বলা হয়ে থাকে কম্পিউটার ইউনিট।

আর এই ইউনিট গুলোর মাধ্যমে মূলত কোন একটি কম্পিউটার এর কোনো কাজ প্রসেসিং হয়। এবং সেসব কাজ এর ফলাফল প্রদর্শিত হয়।

আউটপুট ডিভাইস এর কাজ কি?

উপরের আলোচনা থেকে আপনি জানতে পারলেন আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে। আশা করি এ বিষয়ে আপনার মনে আমার কোন প্রকার সন্দেহের অবকাশ নেই।

তো এবার আপনাকে জেনে নিতে হবে যে, আমরা আমাদের ব্যবহার করা কম্পিউটার গুলো তে যেসব আউটপুট ডিভাইস ব্যবহার করি।

আসলে এসেই ডিভাইস গুলোর কাজ কি এবং কিভাবে এই আউটপুট ডিভাইস গুলো কাজ করে থাকে। চলুন এবার তাহলে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

আপনি হয়তো বা জেনে থাকবেন যে একটি সিপিইউ মূলত বাইনারি কোডের মাধ্যমে কাজ করে থাকে।

তবে এই ধরনের কোড আমাদের মত সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য হবে না এটাই স্বাভাবিক। তবে এই ধরনের কোড অথবা বাইনারি সংখ্যা গুলো কে এমনভাবে ইউজারের কাছে প্রকাশ করা হয়।

আপনি আরোও পড়তে পারেন…

যাতে করে সাধারন মানুষ সেই ফলাফল গুলো সহজে বুঝতে পারে। এবং এই কাজটি সহজ ভাবে পড়ার জন্য মূলত বিভিন্ন ধরনের আউটপুট ডিভাইস ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

আউটপুট ডিভাইস কত প্রকার ও কি কি?

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে এই বিষয়টি জানার পাশাপাশি আপনাকে আরও একটি বিষয় জেনে নিতে হবে। সেটি হল যে আউটপুট ডিভাইস কত প্রকার ও কি কি।

কারণ বর্তমান সময়ে আপনি বিভিন্ন ধরনের আউটপুট ডিভাইস দেখতে পারবেন। তবে প্রকারভেদ এর দিক থেকে আউটপুট ডিভাইস কে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমনঃ

  • ভিজুয়াল আউটপুট ডিভাইস
  • ডেটা আউটপুট ডিভাইস
  • প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস
  • সাউন্ড আউটপুট ডিভাইস

উপরে আপনি চার প্রকার আউটপুট ডিভাইস সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তবে এই আউটপুট ডিভাইস গুলোর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানলে হবে না।

বরং এই আউটপুট ডিভাইস গুলোর মধ্যে কি কি অন্তর্ভুক্ত আছে সে সম্পর্কেও আপনার জেনে নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি একটা বিষয়।

চলুন এবার তাহলে সেই প্রকারভেদ এর আওতাভুক্ত ছোট ছোট ডিভাইসগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

01- Visual Output Device (ভিজুয়াল আউটপুট ডিভাইস কি)

একটি ভিজ্যুয়াল আউটপুট ডিভাইস হল যেকোনো ডিসপ্লে ডিভাইস যা টেক্সট গ্রাফিক্স বা ভিডিও দেখাতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ ভিজ্যুয়াল আউটপুট ডিভাইস হল মনিটর এবং প্রজেক্টর।

মনিটরগুলি সাধারণত কম্পিউটারের সাথে ব্যবহার করা হয় যখন প্রজেক্টরগুলি বড় প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয় । যেমন –  শ্রেণীকক্ষ বা সম্মেলন কক্ষে।

যা থেকে কোন কিছু দৃশ্যমান হয় তাকেই বলা হয়ে থাকে ভিজুয়াল আউটপুট ডিভাইস। আর এমন ভিজুয়াল আউটপুট ডিভাইস গুলোর মধ্যে অন্যতম ২টি ডিভাইস হলোঃ  মনিটর এবং প্রজেক্টর।

02- Data Output Device (ডেটা আউটপুট ডিভাইস কি)

একটি ডেটা আউটপুট ডিভাইস এমন যেকোনো ডিভাইস যা একটি কম্পিউটার থেকে অন্য ডিভাইস বা অবস্থানে ডেটা পাঠাতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

এতে প্রিন্টার প্লটার এবং ড্রাইভের মতো ডিভাইস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যা অপসারণযোগ্য মিডিয়াতে ডেটা সঞ্চয় করে। ডেটা আউটপুট ডিভাইসগুলিকে কখনও কখনও পেরিফেরাল ডিভাইস হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

কারণ এগুলি প্রায়শই একটি সম্পূর্ণ সিস্টেম তৈরি করতে ইনপুট ডিভাইসের মতো অন্যান্য ডিভাইসের সাথে একত্রে ব্যবহৃত হয়।

আপনার ব্যক্তিগত ডেটা নিয়ে যেসব আউটপুট ডিভাইস ব্যবহার করা হয়ে থাকে, সেগুলো কে বলা হয় ডেটা আউটপুট ডিভাইস

আর এমন ডিভাইসের মধ্যে অন্যতম একটি আউটপুট ডিভাইস হলোঃ GPS. 

03- Printer Output Device (প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস কি)

বাজারে বিভিন্ন ধরণের ডেটা আউটপুট ডিভাইস পাওয়া যায়। প্রিন্টার হল সবচেয়ে সাধারণ ধরনের আউটপুট ডিভাইসগুলির মধ্যে একটি।

এগুলি পাঠ্য নথি, গ্রাফিক্স এবং ফটো তৈরি করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রিন্টারগুলি বিভিন্ন আকার এবং রঙে আসে এবং বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সহ ক্রয় করা যেতে পারে।

একটি প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস একটি মেশিন যা কাগজে মুদ্রিত পাঠ্য বা চিত্র তৈরি করে।

প্রথম প্রিন্টারগুলি 1400 এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং তারপর থেকে তারা বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে।

আজ বাজারে সাধারণ কালো এবং সাদা ডিভাইস থেকে শুরু করে আরও জটিল রঙের মডেল পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার পাওয়া যায়।

প্রিন্টারগুলি সাধারণত একটি কালি কার্টিজ থেকে কাগজের টুকরোতে কালি স্থানান্তর করতে রোলারগুলির একটি সেট ব্যবহার করে কাজ করে।

কালি তারপর কাগজ দ্বারা শোষিত হয় যা পছন্দসই মুদ্রণ উত্পাদন করে। কিছু প্রিন্টারও প্রিন্ট তৈরি করতে লেজার ব্যবহার করে যা প্রথাগত প্রিন্টারদের তুলনায় দ্রুত এবং উচ্চ মানের হতে পারে।

প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস এর মধ্যে অন্যতম দুটি উদাহরণ হলোঃ Printer, Plotter.

04- Sound Output Device (সাউন্ড আউটপুট ডিভাইস কি)

একটি সাউন্ড আউটপুট ডিভাইস হল কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের একটি অংশ যা ডিজিটাল শব্দগুলিকে বাজানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সঙ্গীত চলচ্চিত্র গেম বা অডিওর অন্যান্য ফর্মের আকারে হতে পারে।

সবচেয়ে সাধারণ ধরনের সাউন্ড আউটপুট ডিভাইস হল স্পিকারগুলির একটি সেট যা সাধারণত 3.5 মিমি অডিও জ্যাকের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।

অন্যান্য ধরনের সাউন্ড আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে রয়েছে হেডফোন ইয়ারবাড এবং ব্লুটুথ স্পিকার।

কোনটি কম্পিউটারের সাউন্ড কে আদান-প্রদান করার জন্য যেসব ডিভাইস কে ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেইসব ডিভাইস গুলো কে বলা হয় সাউন্ড আউটপুট ডিভাইস।

আর এরকম সাউন্ড আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে অন্যতম তিনটি উদাহরণ হলঃ headphone, speaker, sound card. 

কিছু আউটপুট ডিভাইস এর উদাহরন 

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে এবং আউটপুট ডিভাইস এর প্রকারভেদ গুলো কি কি সে সম্পর্কে আপনি উপরের আলোচনা থেকে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

তো এবার আপনাকে জেনে নিতে হবে আউটপুট ডিভাইস এর কিছু উদাহরণ সম্পর্কে। নীচে আমি বেশ কিছু জনপ্রিয় আউটপুট ডিভাইস এর উদাহরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

তাই অবশ্যই আপনি নিজের আলোচিত আলোচনা গুলো একটু হলেও মন দিয়ে পড়ার চেষ্টা করবেন।

০১| মনিটর (Monitor)

কোন একটি কম্পিউটারের মূল যতগুলো আউটপুট ডিভাইস আছে তার মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম আউটপুট ডিভাইসের নাম হল মনিটর।

কারণ একটি কম্পিউটারে যত কাজ সম্পন্ন হয় সে সবগুলো কাজ কিন্তু আমরা মনিটরের স্ক্রিনে আউটপুট হিসেবে দেখতে পাই।

আর সে কারণে মনিটরকে কোনটি কম্পিউটারের ভিজুয়াল ডিসপ্লে ইউনিট বলা হয়ে থাকে।

০২| প্রিন্টার (Printer)

প্রিন্টার হলো কোনটি কম্পিউটার এর অন্যতম আউটপুট ডিভাইস। যে ডিভাইসটির মাধ্যমে কোন Soft Copy কে Hard Copy তে পরিবর্তন করা হয়ে থাকে।

যখন আমাদের ব্যবহার করা কম্পিউটার গুলো থেকে কোনপ্রকার ডাটা প্রিন্ট করার প্রয়োজন হয়, তখন মূলত সেই ডাটা গুলো কে কাগজের মাধ্যমে বাইরের ছাপিয়ে নেওয়া হয়।

তাই প্রিন্টার হলো একটি কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস গুলোর মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম।

০৩| প্রজেক্টর (Projector)

মনিটর যেমন কোন একটি কম্পিউটারের ভিজুয়াল ইউনিট ঠিক তেমনিভাবে প্রজেক্টর ও কিন্তু তার চিত্র এবং সাউন্ড এর মাধ্যমে কোন কিছুকে প্রদর্শন করে থাকে।

আপনার কম্পিউটারে থাকা কোন প্রোগ্রাম কি আপনি এইধরনের প্রজেক্টর এর মাধ্যমে প্রদর্শন করতে পারবেন।

আর সে কারণেই মূলত প্রজেক্টর কে একটি আউটপুট ডিভাইস হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

০৪| ইয়ারফোন (Earphone)

ইয়ারফোন নামক আউটপুট ডিভাইস টি সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। কারণ আমাদের কম্পিউটার ডিভাইস থেকে শুরু করে আমাদের ব্যবহার করা মোবাইল পর্যন্ত প্রায় সবগুলো ডিভাইসেই ইয়ারফোন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

আর গুরুত্বপূর্ণ এই আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে কোন সিস্টেম থেকে আসার সাউন্ড কে শুনতে পাওয়া যায়।

এবং অন্যান্য output device গুলোর মধ্যে ইয়ারফোন হল সবচেয়ে পরিচিত একটি আউটপুট ডিভাইস।

10 টি আউটপুট ডিভাইসের নাম

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে আশা করি উপরের আলোচনা থেকে আপনি সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়ে গেছেন।

আপনাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মূলত 10 টি আউটপুট ডিভাইসের নাম সম্পর্কে জানতে চায়।

তাই এবার আমি নিজে মোট 10 টি আউটপুট ডিভাইসের নাম এর সাথে আপনাকে পরিচয় করিয়ে দিবো।

  1. মনিটর
  2.  প্রিন্টার
  3.  অডিও স্পিকার
  4.  জিপিএস
  5.  ব্রেইল রিডার
  6.  ফ্লোটার
  7.  সাউন্ড কার্ড
  8.  ভিডিও কার্ড
  9.  প্রজেক্টর
  10.  ইয়ারফোন

আপনার সুবিধার জন্য আমি উপরে মোট 10 টি আউটপুট ডিভাইসের নাম উল্লেখ করেছি। তবে এগুলো ছাড়াও কোন একটি কম্পিউটার ডিভাইসে আরো ভিন্ন ভিন্ন আউটপুট ডিভাইস রয়েছে।

আউটপুট ডিভাইস কি নিয়ে আমাদের শেষকথা 

কোন একটি কম্পিউটারের ভিতরে সংঘটিত কার্যাবলীর ফলাফল প্রদান করার জন্য আউটপুট ডিভাইস গুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।

মূলত যদি একটি কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস না থাকতো তাহলে আমরা কম্পিউটারের কোন কাজটি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারতাম না।

আপনি আরোও দেখতে পারেন…

আর সে কারণেই মূলত আজকের আর্টিকেলে আমি আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

যদি আপনি এরকম অজানা বিষয় গুলোকে খুব সহজ ভাষায় জানতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের সাথে থাকবেন।

আর আর্টিকেলের এই পর্যন্ত আসার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।আশা করি এভাবেই আপনি আমাদের পাশে থাকবেন আগামী দিন গুলোতে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HandsUp! কপি করা যাবে না বস!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap