নতুন ব্লগ আর্টিকেল লেখার আইডিয়া বের করার উপায়

ব্লগ আর্টিকেল লেখার আইডিয়া : একজন ব্লগার তার ব্লগিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করা। আমিও একজন ব্লগার এবং আমাকেও এই সমস্যাটি প্রতিনিয়ত ফেস করতে হয়।

হ্যাঁ! আপনি আর্টিকেল তো লিখবেন। কিন্তুু সমস্যা হলো, কোন বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন। সেই বিষয় গুলো খুজে পাওয়াটা বেশ কষ্টকর হয়ে পড়ে।

আর্টিকেল লেখার আইডিয়া বের করার উপায়
আর্টিকেল লেখার আইডিয়া

তাই এই সমস্যার সমাধান খুজে বের করাটা আমার জন্য অনিবার্য একটা বিষয় হয়ে পড়েছিলো। কারন আমার ব্লগে যদি নিয়মিত কন্টেন্ট পাবলিশ না করি। আমার ব্লগকে আপডেট না রাখি। তাহলে কিন্তুু আমার ব্লগের অপটিমাইজেশনে বেশ নেগেটিভ ইফেক্ট ফেলবে।

সেজন্যই আমি যথেষ্ট রিসার্চ করি এই সমস্যার সমাধান খুজে বের করার জন্য। এবং অবশেষে বিভিন্ন সোর্স থেকে নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া সম্পর্কে কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হই। এবং আজকে সেই আইডিয়া গুলোই শেয়ার করবো আপনার সাথে।

তো আপনি যদি আমার মতো একজন ব্লগার হয়ে থাকেন। তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। কেননা, আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি আপনার ব্লগে নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া সম্পর্কে জানতে পারবেন।

যা আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারকে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। 

আর্টিকেল লেখার আইডিয়া কি?

একটি ব্লগকে আপডেট রাখার জন্য নিত্যনতুন আর্টিকেল পাবলিশ করতে হয়। এবং আপনি সেই আর্টিকেল যে টপিকের উপর কেন্দ্র করে লিখবেন। মূলত সেই টপিককে বলা হয় আর্টিকেল লেখার আইডিয়া

মনে করুন আপনার একটি টেক রিলেটেড ব্লগ আছে। আপনি সেই ব্লগে যে যে টপিকের উপর আর্টিকেল পাবলিশ করবেন। সেই টপিককে বলা হবে আর্টিকেল আইডিয়া

আপনি আরো পড়ুন…

ভিজিটররা আপনার ব্লগে কেন আসবে, সেই ভিজিটর গুলো কি কি জানার জন্য আপনার ব্লগে আসছে ইত্যাদি বিষয় গুলো আপনাকে ডিটেক্ট করতে হবে। এবং সেই বিষয় গুলোর উপরে আপনাকে আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে।

এরফলে আপনার ব্লগে যে ভিজিটর গুলো আসবে। তারা খুব সহজেই তাদের কাঙ্ক্ষিত সমস্যার সমাধান খুজে পাবে। এবং অপরদিকে আপনিও আপনার ব্লগের জন্য রেগুলার ভিজিটর পেয়ে যাবেন। 

কেন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করবেন? 

দেখুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করাটা অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আর একজন ব্লগার হিসেবে আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে।

কেননা, আপনি যদি আপনার ব্লগে নতুন নতুন আর্টিকেল পাবলিশ না করেন। তাহলে ভিজিটররা আপনার ব্লগের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। কারন যখন ভিজিটররা আপনার ব্লগে এসে নতুন কিছু জানতে পারবে না।

তখন তারা আর আপনার ব্লগে আসতে চাইবে না। যার কারনে আপনার ব্লগে যেসব একটিভ অডিয়্যান্স থাকবে। তারা ডেথ অডিয়্যান্সে পরিনত হবে।

এছাড়া যেহুতু আপনি একজন ব্লগার, সেহুতু এসইও অপটিমাইজেশন সম্পর্কেও আপনার কিছুটা ধারনা আছে। এবং এই SEO Optimization এর দিক থেকে যদি বলা যায়। তাহলে গুগল কিন্তুু সেইসব ব্লগ বা ওয়েবসাইট কে বেশি প্রাধান্য দেয়। যারা নিয়মিত আপডেটেট থাকে।

এখন আপনি যদি আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে না পান। তাহলে আপনার ব্লগে নতুন আর্টিকেল পাবলিশ করতে ব্যার্থ হবেন ৷ অপরদিকে আপনার শখের ব্লগটিও আপডেট বিহীন অবস্থায় পড়ে থাকবে।

এবং এর ফলে গুগলের কাছে আপনার ব্লগ সম্পর্কে নেগেটিভ সিগন্যাল প্রদান করবে। যার দরুন আপনার ব্লগের এসইও অপটিমাইজেশনে বেশ বিরুপ প্রতিক্রিয়া শুরু হবে। যা একজন ব্লগারের জন্য কখনই কাম্য নয়।

তাই এইসব সমস্যাকে দুরে ঠেলে দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করতে হবে। এবং এর পাশাপাশি আপনার সাধের ব্লগটিকে আপডেট রাখতে হবে। 

কিভাবে আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে পাবেন?

আমরা এতোক্ষন থেকে জানলাম যে, “আর্টিকেল লেখার আইডিয়া কি” এবং কেন আমাদের “আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করতে হবে”।

তো এবার আমরা মূল টপিকে ফিরে আসবো। এবার আপনি জানতে পারবেন, আপনার ব্লগকে আপডেট রাখার জন্য আপনি কিভাবে নতুন নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে পাবেন।

এই কাজটি আপনি মোট দুই ভাগে করতে পারবেন। যথাঃ

  1. ম্যানুয়ালি
  2. টুলস এর মাধ্যমে

হুমম, আপনি মূলত এই কাজটি দুইভাবে করতে পারবেন। তো চলুন এবার আমরা প্রত্যেকটি বিষয় স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো। 

ম্যানুয়ালি আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করার উপায়

তো যখন আপনি নিজে থেকে কোনো কাজ করবেন। এবং কোনো প্রকার রোবোটিক হেল্প নিবেন না। তখন সেই কাজটিকে বলা হয়, ম্যানুয়ালি।

তবে আমার দৃষ্টিকোন থেকে এই কাজটি আপনি যদি ম্যানুয়ালি করেন। তাহলে আপনি তুলনামূলক বেশি বেনিফিট পাবেন। কারন এতে আপনি কিওয়ার্ড সিলেকশন এর পাশাপাশি মানুষ আসলে কোন টপিক গুলো সম্পর্কে জানতে চায়। তা নিয়ে একটা ক্লিয়ার ধারনা পেয়ে যাবেন।

তো চলুন এবার আমরা জেনে নেই যে, কিভাবে আপনি ম্যানুয়ালি আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে পাবেন। 

পুরাতন ব্লগ থেকে আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে পাওয়া

সত্যি বলতে আমি যখন ব্লগে কন্টেন্ট লেখার আইডিয়া খুজে পাইনা। তখন বেশিরভাগ সময় এই টেকনিক অবলম্বন করে থাকি। এবং এখনও এই টেকনিক কাজে লাগিয়ে আমার ব্লগকে প্রতিনিয়ত আপডেট রাখতে সক্ষম হয়েছি।

দেখুন, প্রবাদে আছ যে “একজন ভালো লেখক হতে চাইলে সবার আগে আপনাকে একজন ভালো পাঠক হতে হবে”। এবং এই প্রবাদে বিশ্বাস রেখে আপনার নিস রিলেটেড ওয়েবসাইট গুলোতে যে আর্টিকেল গুলো পাবলিশ করা হয়।

সেগুলো প্রতিনিয়ত পড়তে হবে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ” ভাই আমি যদি অন্যের ব্লগ পড়ি, তাহলে বেনিফিট কি পাবো “?

ওয়েল! ভাই আপনি যখন অন্যের আর্টিকেল পড়বেন। তখন আপনি ভালো লেখক হতে পারবেন কিনা, সেটা পরবর্তী বিষয়। কিন্তুু আপনি যে আর্টিকেল লেখার আইডিয়া পাবেন, সে বিষয়ে আমি একেবারে নিশ্চিত।

যেমন ধরুন, আপনি একটা ব্লগে ” ইউটিউব ইনকাম“- সম্পর্কে একটি আর্টিকেল পড়লেন। এখন আপনি কিন্তুু সেখান থেকে আরও বেশ কিছু আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

আমি যখন এমন একটি আর্টিকেল পড়েছিলাম। তখন আমি বেশ কিছু কনটেন্ট লেখার আইডিয়া খুজে পেয়েছিলাম। যেমন, “ইউটিউব ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয়“, “ইউটিউব এর নিয়ম কানুন” এবং “কিভাবে ইউটিউব এর টাকা হাতে পাওয়া যায়” ইত্যাদি।

তাই যে ব্লগ বা ওয়েবসাইট গুলো আপনার নিস রিলেটেড। সেই ব্লগগুলোতে আপনাকে প্রতিনিয়ত একটিভ থাকতে হবে। এবং এর পাশাপাশি আপনাকে সেই ব্লগের পুরাতন এবং নতুন পাবলিশ করা আর্টিকেল গুলো নিয়মিত পড়তে হবে। 

Quora থেকে আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করা

যারা Quora সম্পর্কে জানেন, তারা ইতিমধ্যেই বুঝে গেছেন যে আমি কি বলতে চাচ্ছি। আর যারা Quora সম্পর্কে কিছুই জানেন না। তাদের জন্য এটি একটি বোনাস টিপস হতে যাচ্ছে।

শুনুন, Quora হলো বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে অন্যতম একটি প্রশ্ন এবং উওর এর ওয়েবসাইট। যেখানে আপনার বা আমার মতো সাধারনত মানুষরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে পোষ্ট করে। এবং কেউ না কেউ সেই সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে।

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে “এই প্রশ্ন এবং উওর এর ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে কন্টেন্ট লেখার আইডিয়া খুজে পাবেন”?

তাহলে শুনুন, এই ওয়েবসাইটে নানা রকমের মানুষ নানান ধরনের প্রশ্ন করে থাকে। এখন এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে আপনাকে নতুন কন্টেন্ট লেখার আইডিয়া খুজে বের করতে হবে।

যেমন ধরুন আপনার টেকনোলজি নিয়ে ব্লগ আছে। এখন আপনি সেই Quora নামক ওয়েবসাইটে গিয়ে টেক রিলেটেড যেসব প্রশ্ন আছে। সেই প্রশ্ন গুলোকে নোট করে রাখতে হবে। এবং সেই প্রশ্ন গুলোকে একটি কিওয়ার্ড হিসেবে ধরে নিতে হবে।

যখন আপনি এরকম কিওয়ার্ড গুলোকে কালেক্ট করতে পারবেন। তখন কিন্তুু আপনি খুব সহজেই অনেক নতুন নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

[💡NOTE: যখন আপনি এই ওয়েবসাইট থেকে কিওয়ার্ড কালেক্ট করবেন। তখন যদি সেই কিওয়ার্ড গুলোর Search Volume চেক করেন। তাহলে অনেক সময় এই কিওয়ার্ড গুলোর তেমন সার্চ ভ্যালু লক্ষ্য করতে পারবেন না ]

তবে সার্চ ভলিউম এর দিকে না তাকানোই উচিত হবে। কারন এই প্রশ্নের উওর গুলো মানুষ আগে গুগলে সার্চ করে। যখন গুগল থেকে তারা আশানুরুপ সমাধান পায়না। তখন কিন্তুু Quora এর মতো ওয়েবসাইট গুলোতে গিয়ে সমাধান খোজার চেস্টা করে। 

[💡PRO TIPS: এখন যদি আপনি সেই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে আপনার ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করেন। তাহলে কিন্তুু সেই কিওযার্ডে আপনার আর্টিকেলটি খুব সহজেই সার্চ ইঞ্জিনে Rank করাতে পারবেন ]

বিভিন্ন Forum এবং Community থেকে আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করা

যখন আমি আমার ব্লগের জন্য কোনো প্রকার কন্টেন্ট লেখার আইডিয়া খুজে পাইনা। তখন আমি নিজেও এই টেকনিক ফলো করে থাকি। আর এই টেকনিকটি আমার কাছে ভীষন কার্যকারী বলে মনে হয়।

দেখুন বর্তমানে অনলাইনে কিন্তুু এমন অনেক Forum এবং Community আছে। যেখানে মানুষ বিভিন্ন টপিকে আলোচনা করে থাকে। আপনি জানলে অবাক হবেন কারন আমরা যেমন সুযোগ পেলেই Facebook বা Youtube এ ঢুকে পড়ি।

আপনি আরো দেখুন…

ঠিক তেমনি এমন অনেক মানুষ আছে যারা ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া বাদেও বিভিন্ন ফোরাম বা কমিনিটিতে একটিভ থাকে। তারমধ্যে অন্যতম হলো, Yahoo Answer. হ্যাঁ! এটি আমার খুব পছন্দের একটা কমিউনিটি।

আপনি যেমন যেমন একটু আগে জানলেন যে, Quora (কোয়ারা) থেকে মানুষ বিভিন্ন টপিকে প্রশ্ন করে।

ঠিক তেমনি Yahoo Answer হলো বিরাট একটা অনলাইন কমিউনিটি। যেখানে অনেক মানুষ এসে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা লিখে পোষ্ট করে। এবং সেই সমস্যার সমাধান কেউ না কেউ এসে থাকে।

তো এখন আপনি যদি সেই প্রশ্ন গুলোকে নোট করে রাখেন। এবং তারা যে বিষয় গুলো সম্পর্কে এসব ফোরাম বা কমিউনিটিতে এসে জিজ্ঞেস করে। আপনি যদি সেই প্রশ্ন গুলোর উওর লিখে আপনার ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করেন। তাহলে কিন্তুু আপনি অনেকভাবে বেনিফিট পেয়ে যাবেন।

যেমন, সেই ফোরাম গুলোতে যারা পোষ্ট করে। সেই পোষ্টে আপনার আর্টিকেলের লিংক শেয়ার করতে পারবেন। এবং সেই লিংক থেকে ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন। এর পাশাপাশি আপনি আপনার ব্লগের এসইও করার জন্য যে ব্যাকলিংক এর প্রয়োজন হয়। আপনি সেখান থেকে ব্যাকলিংক ও পেয়ে যাবেন। 

নিজের ব্লগের কমেন্ট থেকে আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করা

আরেকটি অন্যতম উপায় হলো, নিজের ব্লগের কমেন্ট থেকে আইডিয়া খুজে বের করা। এবং যারা বর্তমানে বড় বড় ব্লগার। তারাও মূলত এই টেকনিক ব্যবহার করে থাকে। তো তারা যদি এই টেকনিক ব্যবহার করতে পারে। তাহলে আপনি কেন পারবেন না?

দেখুন, আপনার ব্লগটি যদি কিছুদিনের পুরাতন হয়ে থাকে। তাহলে অবশ্যই আপনার পাবলিশ করা আর্টিকেল গুলোতে কেউ না কেউ তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন নিয়ে কমেন্ট করে থাকবে।

এখন প্রশ্ন হলো যে, আপনি কি শুধু সেই কমেন্ট গুলোর রিপ্লে দিয়েই বসে থাকবেন? না, কখনই বসে থাকা যাবে না। বরং আপনার আর্টিকেলে যারা কমেন্ট করে। তারা কিন্তুু কোনো রোবট নয় বরং সেও কিন্তুু আপনার মতোই একজন মানুষ।

আর সেই মানুষের মনের ভেতরে জাগা প্রশ্নকে আপনার কখনই অবহেলা করা উচিত নয়।

দেখুন, আপনার ব্লগে যে কমেন্ট গুলো আসবে। আপনাকে সেই কমেন্ট গুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সেই কমেন্ট গুলো কোথায় নোট করে রাখতে পারেন। 

এবং পরবর্তীতে সেই প্রশ্ন গুলো এক করার পরে একটা পূর্নাঙ্গ আর্টিকেলের রুপ দিতে পারবেন। এর ফলে যে ভিজিটর আপনার ব্লগে এসে কমেন্ট করবে। সে তার সমাধান খুজে পাবে এবং আপনার ব্লগের প্রতি তার ভালোবাসাও বেড়ে যাবে।

যার দরুন আপনি আপনার ব্লগের জন্য কিছু একটিভ ভিজিটর পেয়ে যাবেন। আর আপনি আনার ব্লগে যতোবেশি একটিভ ভিজিটরের সংখ্যা বাড়াতে পারবেন। আপনার ব্লগের কমিউনিটি ততোবেশি বৃহৎ হবে। 

Google Search থেকে আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করা 

আপনি যাহাই করেন না কেন, গুগল বৈকি আপনি কোনো কাজ পূর্নাঙ্গভাবে করতে পারবেন না। স্যরি! একটু ফান করলাম। তবে হ্যাঁ! আপনি যদি একজন ব্লগার হয়ে থাকেন। তাহলে আপনাকে অন্য সবকিছুর চাইতে গুগল মামাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে।

কারন, আমাদের ব্লগে যে ভিজিটর গুলো আসে। তাদের বেশিরভাগ ভিজিটর কিন্তুু এই Google Search Engine থেকেই আসে। কারন, গুগল হলো এমন একটি সার্চ ইঞ্জিন। যেখানে আপনি কোনো প্রশ্ন লিখে সার্চ করলে। আপনি কখনোই নিরাশ হয়ে ফিরবেন না।

এই গুগল মামা সর্বোচ্চ চেস্টা করবে আপনার প্রশ্নের সঠিক উওর দেয়ার। আর সেজন্যই আপনার ব্লগের নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে নেয়ার জন্য অবশ্যই এই গুগল মামাকে কাজে লাগাতে হবে।

দেখুন, আপনি যদি এই মূহুর্তে গুগলে গিয়ে “অনলাইন ইনকাম“- লিখে সার্চ করেন। তাহলে সবার উপরে কিছু ওয়েসাইট এর লিংক দেখবেন। এবং আপনি যদি একটু নিচের দিকে স্ক্রল করেন। তাহলে ঠিক নিচের পিকচারের মতো কিছু কিওয়ার্ড দেখতে পারবেন। 

কিওয়ার্ড খোজার উপায়
গুগল থেকে কিওয়ার্ড বের করা

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ” এগুলো আসলে কি”?

ভাই এই কিওয়ার্ড গুলো হলো আপনার মূল হাতিয়ার। যার মাধ্যমের আপনি আপনার ব্লগের জন্য নতুন নতুন কন্টেন্ট লেখার আইডিয়া খুজে পাবেন। তো যখন আপনি গুগলে অনলাইন ইনকাম লিখে সার্চ করবেন।

তখন এই অনলাইন ইনকাম রিলেটেড আরও যে বিষয় গুলো জানার জন্য মানুষ গুগলে সার্চ করে। সেই বিষগুলোই আপনি দেখতে পারবেন। এখন আপনি যদি এই বিষয় গুলোকে নিয়ে আলাদা ভাবে আপনার ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করেন।

তাহলে কি আপনার লাভ হবে নাকি ক্ষতি হবে?

আপনি অবশ্যয় পড়ুন…

অবশ্যই লাভ হবে, কারন কেউ না কেউ এই কথা গুলো লিখে গুগলে সার্চ করেছে বলেই কিন্তুু গুগল এই কিওয়ার্ড গুলোকে এভাবে দেখাচ্ছে।

আর আপনি যদি এই কিওয়ার্ড গুলোকে নিয়ে আলাদাভাবে আর্টিকেল পাবলিশ করেন। তাহলে সেই আর্টিকেলকে আপনি খুব দ্রুত সার্চ ইঞ্জিনে Rank করাতে পারবেন। এর ফলে আপনার ব্লগে খুব কম সময়েই প্রচুর পরিমানে ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন। 

Facebook Group থেকে আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে বের করা 

বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহার করেনা এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল। শুধু ব্যবহারের মধ্যেই আর সীমাবদ্ধ নাই রে ভাই। এখন তরুন প্রজন্ম দৈনিক ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৬ ঘন্টাই ফেসবুকে কাটিয়ে দেয়।

তো কে কত ঘন্টা ফেসবুক ব্যবহার করছে। সেটা নিয়ে আমাদের না ভাবলেও চলবে। বরং এই ফেসবুক থেকেও কিন্তুু আপনি আপনার ব্লগের জন্য নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে পেতে পারেন খুব সহজে।

আরে ভাই কোনো কিওয়ার্ডের সার্চ ভ্যালু থাক বা না থাক৷ সেটা নিয়ে এতো চিন্তা করার দরকার নেই। হয়তবা এখন সেই টপিকে ২ / ১ জন সার্চ করে। তাই বলে কি আজ থেকে ২ বছর পর কেউ সেই টপিকে সার্চ করবে না?

অবশ্যই করবে, কারন যতোদিন পৃথিবী থাকবে। ততোদিন এই পৃথিবীতে মানুষ থাকবে। আর যতোদিন মানুষ থাকবে, ততোদিন তাদের সমস্যা আঠার মতো লেগে থাকবে। বোঝেন নাই ব্যাপারটা?

টুলসের মাধ্যমে কন্টেন্ট লেখার আইডিয়া খুজে বের করা 

তো সর্বশেষ ধাপ হলো, টুলস ব্যবহার করা। আমি আপনাদের অনেকবার বলেছি যে, টুলস হলো এমন একটি জিনিস। যার মাধ্যমে আপনার যে কাজটি করতে ১ ঘন্টা সময় লাগবে। সেই কাজটি আপনি কোনো টুলসের সাহায্য ১ মিনিটেই করতে পারবেন।

কি অবাক হলেন?  না ভাই, এখানে অবাক হওয়ার মতো কিছুই নাই।

কারন, শুধু আপনার দিক থেকে কথাটা বলি নাই। কারন বর্তমানে বিশ্বের যেসব বড় বড় ব্লগ আছে। সেই ব্লগের মালিকদের দিকে তাকালেই দেখতে পারবেন তারাও কিন্তুু হরহামেশাই কোনো না কোনো টুলসের মাধ্যমে এই কাজগুলি করে থাকে।

তো আপনি যদি এই টুলস গুলোকে ব্যবহার করে আপনার ব্লগের জন্য নতুন কন্টেন্ট লেখার আইডিয়া খুজে পেতে চান। তাহলে আপনাকে একটি গোপন টেকনিক অবলম্বন করতে হবে।

আর সেই গোপন টেকনিকটি হলো, Competitor Research. অর্থ্যাৎ, আপনি যে নিস নিয়ে ব্লগ তৈরি করেছেন৷ সেই একই নিসে যে ব্লগ গুলো আছে। তারাই হলো আপনার কম্পিটিটর। আর তাদেরকে রিসার্চ করে আপনাকে নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া খুজে নিতে হবে।

সেজন্য আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে। প্রথমত, যারা আপনার কম্পিটিটর তাদের Domain এর লিংককে কপি করে কোনো টুলসে গিয়ে সার্চ করতে হবে।

এরপর আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে, তারা কোন কোন কিওয়ার্ডে Rank করে আছে। এবং সেই কিওয়ার্ড গুলোকে আপনাকে নোট করে রাখতে হবে। এরপর সেই কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে আপনাকে নতুন আর্টিকেল লিখতে হবে। এবং সেই আর্টিকেল গুলোকে আপনার ব্লগে পাবলিশ করতে হবে। 

আমাদের শেষকথা 

শেষকথা বলতে কিছুই নাই। কারন যে টিপসগুলো শেয়ার করার প্রয়োজন, সেগুলো উপরেই আলোচনা করেছি। আপনি যদি এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন।  তাহলে আশা নয় বরং বিশ্বাস করবো যে, নতুন আর্টিকেল লেখার আইডিয়া সম্পর্কে আপনার মনে কোনো প্রশ্ন থাকবে না। 

আপনার জন্য আরো লেখা…

কারন আমি এই ওয়েবসাইটে যা কিছুই শেয়ার করি। সেখানে আমার সর্বোচ্চ টিপসগুলো দেয়ার চেস্টা করি। কারন আপনাদের ভালোবাসাই আমার প্রাপ্তি।

তবে সবশেষে একটা কথাই বলবো, “বাংলা আইটি ব্লগের সাথে থাকুন”। ধন্যবাদ 

আমি নিলয় হাসান-এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি লেখালেখির কাজটাও করি। অনলাইনে প্রযুক্তির বিষয় নিয়ে যা জানি তা মানুষের মাঝে শেয়ার করার ইচ্ছায় এ ব্লগ টি তৈরি করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap