কন্টেন্ট রাইটিং কি ? কন্টেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায়

কন্টেন্ট রাইটিং কিঃ কন্টেন্ট রাইটিং বর্তমানে অনলাইন সেক্টরের সবচেয়ে সম্মানজনক একটি পেশা। আজকের দিনে এমন অনেক ব্যক্তিই আছেন, যারা কন্টেন্ট রাইটিং করেই নিজের একটা সফল ক্যারিয়ার গড়তে পেরেছে।

কন্টেন্ট রাইটিং করে আয় করারা উপায়
কন্টেন্ট রাইটিং

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এমন অনেক সেক্টর আছে, যেখানে আপনিও Content writing সার্ভিস প্রদান করে বিপুল পরিমানে অর্থ ইনকাম করতে পারবেন।

শুধু তাই নয়, যদি আপনি Content Writing এর হিডেন টিপস & ট্রিকস গুলো ভালোভাবে রপ্ত করতে পারেন। তাহলে আপনি নিজেই সেই Content গুলোতে আপনার পারসোনাল ব্লগ বা ওয়েবসাইটে পাবলিশ করতে পারবেন।

এবং সেই ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে ভিন্ন উপায়ে ইনকাম করতে পারবেন।

হ্যালো বন্ধু, স্বাগতম আপনাকে বাংলা আইটি ব্লগের নতুন একটি অনলাইনে ইনকাম করার আর্টিকেলে। আজকের আর্টিকেলে আপনি কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে A টু Z জানতে পারবেন।

শুরুতে একটা কথা বলে নেই যে, আমি নিজেও একজন Content Writer. আমার এই Writing ক্যারিয়ারে যা কিছু শিখেছি। সেগুলো আজকে তুলে ধরার চেস্টা করবো।

কন্টেন্ট রাইটিং কি?

যদি আমি সংঙ্গায়িত করি, তাহলে বলবো  “যখন কোনো নির্দিষ্ট বিষয়কে আপনি লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করবেন। মূলত তাকে বলা হয়, কন্টেন্ট রাইটিং”।

আপনি আরো পড়ুন…

সাধারনত যখন আপনি কোনো একটা নির্দিষ্ট বিষয়কে Script এর মাধ্যমে প্রকাশ করবেন, তখন তাকে বলা হবে, Content. যেমন আপনি বর্তমানে যে এই আর্টিকেলটি পড়ছেন। এটাও কিন্তু এক প্রকার কনটেন্ট।

আর যারা এই কন্টেন্ট গুলো Create করে। তাদেরকে বলা হয়, Content Creator. তবে একটা কথা মনে রাখবেন, যে কন্টেন্ট ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন,

  • Text Content
  • Video Content
  • Picture Content ইত্যাদি।

তো যখন আপনি কোনো বিষয়কে তুলে ধরার জন্য Text Script কে ব্যবহার করবেন ৷ তখন তাকে বলা হবে, কন্টেন্ট রাইটিং।

কেন কন্টেন্ট রাইটিং করবেন?

কোনো কাজ শুরু করার আগে আপনাকে জানতে হবে, কেন আপনি সেই কাজটি করবেন। যখন আপনি এর মূল কারনটি খুজে পাবেন। তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে, কেন আপনার কন্টেন্ট রাইটিং করা উচিত।

সাধারনত, যারা এই কাজের সাথে যুক্ত, মূলত তাদের দুইটি উদ্দেশ্য থাকে। যথাঃ-

  1. প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে এবং
  2. ইনকাম করার লক্ষ্যে।

হ্যাঁ, বর্তমানে আপনি যতো ধরনের কন্টেন্ট রাইটার পাবেন। তারা সবাই মূলত দুইটি কারনে এই কাজের সাথে নিজেকে যুক্ত করে।

প্রতিভা বিকাশে কন্টেন্ট রাইটিং

আপনার আশেপাশে কিংবা বন্ধুমহলে এমন অনেকেই আছেন, যারা লিখতে ভালোবাসেন। যাদের লেখার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়কে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। মূলত এই বিশেষ গুনটিকে তাদের ব্যক্তিগত প্রতিভা বললে তা মোটেও ভুল হবে না।

সেক্ষেত্রে যদি আপনারও সেরকম প্রতিভা থাকে। তাহলে আপনি খুব সহজেই সেই প্রতিভাকে বিকশিত করতে পারবেন ছোট্ট একটি ব্লগের মাধ্যমে।

সর্বপ্রথম আপনাকে একটি পারসোনাল ব্লগ তৈরি করতে হবে। তারপর সেই ব্লগে আপনি বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করতে পারবেন। এরফলে আপনার অনুসারীর সংখ্যা বাড়বে।

পাশাপাশি আপনার কন্টেন্ট রাইটিং এর দক্ষতাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।

ইনকাম করার জন্য কন্টেন্ট রাইটিং

আমি এই আর্টিকেলের শুরুতেই একটা কথা বলেছিলাম যে, বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে যতো প্রকার পেশা আছে। তার মধ্যে সবচেয়ে সম্মানজনক পেশা হলো,  Content Writing.

এটা কোনো গল্প নয়, সত্যি। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে একটু চোখ রাখেন। তাহলে দেখতে পারবেন, যারা এই পেশার সাথে যুক্ত, তাদের ডিমান্ড কিরকম।

তো এই ডিমান্ডের তাগিদে কিংবা ইনকামের জন্য অনেকেই এই পেশায় নিযুক্ত হয়ে থাকে। শুধু তাই নয়, আপনাকে এমন অনেক ব্যক্তির উদাহরণ দেখাতে পারবো।

যারা মূলত এই কনটেন্ট রাইটিং সার্ভিস প্রদান করে বিপুল পরিমানে ইনকাম করতে পারছে।

কারা কন্টেন্ট রাইটিং করতে পারবে?

আমি সবসময় আপনাদের একটা কথা বলি যে, সব কাজের জন্য সবাই উপযুক্ত না। কারন এমন অনেকেই আছেন যারা, খুব ভালো লিখতে পারে।

আবার এমন অনেকেই আছেন যারা মানসম্মত ডিজাইন করতে পারে।

মূলকথা হলো যে, অনলাইনের প্রতিটা সেক্টরে কাজ করতে হলে, আপনার ভেতরে কিছু গুনাবলি থাকতে হবে। ঠিক তেমনিভাবে যদি আপনি একজন Writer হতে চান।

সেক্ষেত্রেও আপনার ভেতরে অবশ্যই কিছু গুনাবলি থাকতে হবে। যেমনঃ

Writing Passion

কন্টেন্ট রাইটিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই Writing কে নিজস্ব Passion হিসেবে মনে করতে হবে ৷ অর্থ্যাৎ, লেখালেখির বিষয়টিকে যেন পেশা নয় বরং নেশায় পরিনত হয়।

দেখুন, কোনো একজন নতুন ব্যক্তি এই সেক্টরে আসলো। সেই ব্যক্তি শুরুর দিকে খুব মনযোগ সহকারে Writing করতে থাকলো ৷ কিন্তুু কোনো একটা সময় সেই ব্যক্তি এই রাইটিং উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে।

কিন্তুু আপনার মধ্যে যদি এরকম কোনো ইচ্ছা থাকে, যেভাবেই হোক আপনি লেখালেখির কাজটি অনবরত করতে পারবেন। এই কাজে আপনার কোনো ক্লান্তি আসবে না।

ইনকাম হোক বা না হোক, আপনি একাধারে লিখেই যাবেন। যদি আপনার মনে সেরকম চিন্তা ভাবনা থাকে। তাহলে Content Writing সেক্টরে আপনাকে স্বাগতম। সত্যি বলতে, এই সেক্টর শুধুমাত্র আপনার মতো মানুষের জন্যই উন্মুক্ত।

Focus on Writing Creativity

আপনার লেখার মধ্যে নির্দিষ্ট কোনো টপিকের মূল বিষয়বস্তুকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার নাম হলো, Creative Content writer. সেজন্য সর্বপ্রথম আপনার ভেতরে থাকা ক্রিয়েটিভিটি কে জাগিয়ে তুলতে হবে।

ক্রিয়েটিভি এমন একটি বিষয়, যে বিষয়টি ছাড়া আপনি মূল্যহীন। যেমন, আপনি কোনো সিনেমা হলে গেলে, তখনি সম্পূর্ণ সিনেমাটি দেখবেন। যখন আপনার সেই সিনেমাটি ভালো লাগবে, তাইনা?

আর সেই সিনেসাটি তখনি আপনার ভালো লাগবে। যখন সেখানে আপনি Creative কিছু খুজে পাবেন।

ঠিক একইভাবে যখন আপনার কন্টেন্টের মধ্যে ক্রিয়েটিভ কিছু যুক্ত করতে পারবেন। ঠিক তখনি কেউ আপনার লেখা কন্টেন্ট পড়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করবে।

কোনো ছোট্ট একটা বিষয়কে কিভাবে আপনার লেখার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলবেন। সেই কৌশল গুলোই হলো আপনার Writing Creativity.

Fast on Keyboard

যেহুতু এটি একটি Text Content, সেহুতু আপনাকে টাইপিং দক্ষতা বেশ পাকাপোক্ত হতে হবে। কারন, আগের দিনে মানুষ খাতা আর কলমকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিত। কিন্তুু সময় আজ বদলে গেছে।

মানুষ এখন নির্ভর করছে আধুনিক প্রযুক্তির উপরে ৷ তাই প্রযুক্তির এই আমুল পরিবর্তনের সাথে আপনাকেও এই পরিবর্তনের সাথে তাল মেলাতে হবে। অন্যথায় আপনাকে পেছনে ফেলে, বাকি মানুষরা সামনে চলে যাবে।

যেমন ধরুন, আপনি কোনো একটি প্রজেক্টে কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ পেলেন। এখন আপনার লেখার মান খুব ভালো কিন্তুু আপনি সময়মতো কন্টেন্ট সাবমিট করতে পারছেন না।

কারন আপনি Typing করতে অনেক সময় ব্যয় করছেন। এরফলে কিন্তুু সেই প্রজেক্টের Owner ভেবে নিবে, আপনি এই কাজের প্রতি উদাসিন। তাই আপনাকে আর কাজ না দিয়ে আবার অন্য কাউকে খুজে নিবে।

এটা খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয়। সেজন্য আপনার Writing Skill এর পাশাপাশি Typing Skill কে যথেষ্ট ইমপ্রুভ করতে হবে। রাইটিং স্কিলকে ইমপ্রুভ করার জন্য আপনাকে যথেষ্ট সময় ব্যয় করতে হবে।

Be Thinking

একজন সাধারন মানুষের চিন্তাধারা থেকে একজন লেখকের চিন্তাধারা কিন্তুু একটু ভিন্ন হতে হবে। প্রবাদে আছে, “অশিক্ষিত চক্ষু যেখানে ধুলিকনা দেখে, শিক্ষিত চক্ষু সেখানে হীরামানিক দেখে”।

যেমন সাংবাদিকদের কথা একটু চিন্তা করে দেখুন ৷ তারা ছোট্ট বিষয় গুলোকে খুব সুন্দরভাবে তাদের লেখার মধ্যে ফুটিয়ে তুলতে পারে।

ঠিক একইভাবে যেহুতু আপনিও একজন লেখক। এবং যখন আপনি কোনো টপিক সম্পর্কে লিখবেন। তখন আপনাকে সেই টপিক সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে হবে।

এরপর আপনার মনে যে ভাবনাটুকু লুকায়িত থাকবে। তা প্রকাশ করতে হবে আপনার লেখার মাধ্যমে।nতো আপাততো এই কয়েকটি গুগাগুন যদি আপনার মধ্যে থাকে।

তাহলে কন্টেন্ট রাইটিং সেক্টরে আপনাকে আরও একবার স্বাগতম জানানো উচিত। কারন আপনার ভেতরে যদি এই সমস্ত গুনাবলি বিদ্যমান থাকে।

তাহলে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারবো যে, আপনি কন্টেন্ট রাইটিং থেকে ভালো কিছু করতে পারবেন।

Learn Grammer Properly

একজন কন্টেন্ট রাইটার কতটুকু মানসম্মত, সেটা নির্ভর করবে তার Content এর উপর। এখন যদি আপনার কন্টেন্টের মধ্যে ব্যাকরন (Gramer) এর অমিল থাকে। তাহলে আপনার লেখা সেই কন্টেন্ট মাধুর্যতা হারিয়ে ফেলবে।

আপনি বাংলা ভাষায় কন্টেন্ট লিখবেন নাকি ইংরেজিতে কন্টেন্ট লিখবেন, সেটা বড় কথা নয়। কিন্তুু আপনাকে অবশ্যই ব্যাকরনবিধি মানতে হবে।

সেজন্য writing এর পাশাপাশি আপনাকে ব্যাকরন (Grammar) এর দিকে যথেষ্ট নজর দিতে হবে। তাই শুরুর দিকে আপনাকে যথেস্ট সময় ব্যয় করতে হবে।

কিভাবে কন্টেন্ট রাইটিং শুরু করবেন?

যদি আপনি এই আর্টিকেলটির শুরু থেকে এই পর্যন্ত একটু মনযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন। তাহলে আশা করা যায়, এতোক্ষনে আপনি কন্টেন্ট রাইটিং কি এবং কেন আপনাকে এই পেশায় আশা উচিত।

সে সম্পর্কে ষ্পষ্ট একটা ধারনা পেয়ে গেছেন। এবার আপনি জানবেন যে, আপনিও কিভাবে নিজেকে এই পেশার সাথে যুক্ত করবেন।

আপনার জন্য আরো লেখা…

তো সবার আগে আপনাকে নিজেকেই বুঝে নিতে হবে যে, আপনি আসলে এই পেশার জন্য কতটুকু উপযুক্ত। কারন আপনার মধ্যে যদি লেখালেখি করার আগ্রহ না থাকে। তাহলে রাইটিং সেক্টর আপনার জন্য না।

কারন আমি উপরে একটা কথা বলেছি যে, Writing Subject টাকে আপনাকে Passion হিসেবে ধরে নিতে হবে। তো ধরে নিলাম যে, উপরোক্ত সকল গুনাবলি আপনার মধ্যে বিরাজমান আছে ৷

কিন্তুু আপনি কিভাবে কন্টেন্ট রাইটিং শুরু করবেন?

তো সবার প্রথমে আপনার টার্গেটেড অডিয়্যান্সের কাছে পৌঁছাতে হবে। আর এই কাজের জন্য আপনাকে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গুলোতে প্রচুর লেখালেখি করতে হবে ৷

কারন সবার আগে আপনাকে বুঝে নিতে হবে আপনি যে অডিয়্যান্সকে টার্গেট করে লিখছেন। সেই লেখাগুলো আপনার অডিয়্যান্স কতটুকু Positively নিচ্ছে।

যখন আপনি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচুর পরিমানে লেখালেখি করবেন ৷ তখন অটোমেটিক আপনার লেখার মান বৃদ্ধি পাবে।

এর সাথে সাথে আপনার Content Writing এ যদি কোনো ত্রুটি থাকে ৷ তাহলে আপনি খুব সহজেই তা ইমপ্রুভ করতে পারবেন।

কন্টেন্ট রাইটিং শেখার উপায়

যদি আপনি এই সেক্টরে একবারে নতুন হিসেবে নিজেকে যুক্ত করতে চান। তাহলে সবার আগে আপনাকে Proper way তে কন্টেন্ট রাইটিং শিখতে হবে।

আপনি চাইলে ভিন্ন উপায়ে শিখতে পারবেন। তবে আমার দৃষ্টিকোন থেকে আপনি যদি ২ টি উপায় অবলম্বন করেন। তাহলে আপনি খুব দ্রুত Content Writing শিখতে পারবেন। যেমন,

  • From Course
  • Read Other Content
  • Improve Yourself

হ্যাঁ! শেখার জন্য আপনি যদি এই দুইটি উপায়ের মধ্যে যেকোনো একটি উপায় অবলম্বন করেন ৷ তাহলে আপনি খুব দ্রুত কন্টেন্ট রাইটিং শিখতে পারবেন।

Learn Content Writing From Course

বর্তমানে যেকোনো বিষয় সম্পর্কে শেখার জন্য অনলাইনে অনেক ধরনের কোর্স পাওয়া যায়। যে কোর্স গুলো কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা তৈরি করে থাকে।

তার মধ্যে কিছু কিছু কোর্স করার জন্য আপনাকে অর্থ প্রদান করতে হবে। কারন সেগুলো হলো, Paid Course.

এখন যদি আপনার মনে হয় যে, কোর্স করার জন্য আপনার তেমন সামর্থ্য বা ইচ্ছা কোনোটাই নেই। তাহলে আপনাকে অনলাইনে থাকা Free Course গুলো করতে হবে।

এরমানে আবার এটা ভাববেন না যে, ফ্রি কোর্সে মূল্যবান কিছু থাকেনা। যদি এমনটা ভাবেন, তাহলে আপনার ধারনা সম্পূর্ণ ভুল৷ কারন আমি ফ্রী কোর্স আর পেইড কোর্সের খুব একটা পার্থক্য দেখিনি।

[PRO Tips: তবে যদি আপনি কোনো অর্থ ব্যয় না করে Paid Course করতে চান। তাহলে Torrent এ গিয়ে একটু খোজা খুজি করলেই অনেক পেইড কোর্স খুজে পাবেন। যেগুলো নেয়ার জন্য আপনাকে কোনো প্রকার টাকা খরচ করতে হবে না]

Read Other Content

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট 10 Minute School একটা গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ পেয়েছি। তা হলো, ” যদি আপনি একজন রাইটার হতে চান। তাহলে আপনাকে আগে পাঠক হতে হবে”।

হুমমম, একজন রাইটার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই অন্যের লেখা পড়তে হবে। কারন কি? শুনুন….

আপনি যখন অন্যের লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। তখন কোনটা ভালো Content আর কোনটা নিন্ম মানের Content, তার পার্থক্যটা বোঝতে পারবেন।

নতুন অবস্থায় আপনার লেখার মান তেমন একটা ভালো নাও হতে পারে ৷ তাই বলে হতাশ হবেন না। মনে রাখবেন, আপনি যতো বেশি প্রাকটিস করবেন। আপনি ঠিক ততোবেশি শিখতে পারবেন।

কন্টেন্ট রাইটিং এর কিছু কৌশল

হ্যাঁ! আপনি যদি একজন গুণসম্পন্ন Content writer হতে চান। তাহলে আপনাকে কিছু কৌশল সম্পর্কে জানতে হবে। আর যখন সেই কৌশল গুলো আপনার কন্টেন্ট এর মধ্য প্রয়োগ করবেন।

তখন আপনার লেখা Content গুলো আরও মানসম্মত হবে। তো আপনার লেখা কন্টেন্টকে আরও মানসম্মত করার জন্য আপনাকে যে কৌশল গুলো জানতে হবে। সেই কৌশল গুলো হলো,

Target Content Reader Audience

আজকে যে কৌশল গুলো আপনাকে জানাবো। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো, Target Audience. কারন আপনার লেখা কন্টেন্ট গুলো, কোন বয়সের মানুষ পড়বে, তা আপনাকে পূর্বে থেকেই জেনে নিতে হবে।

একটু চিন্তা করে দেখুন, আপনি যদি আপনার অডিয়্যান্সকে ভালোভাবে বুঝতে না পারেন। আপনার অডিয়্যান্সের বয়স, লোকেশন,বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে না জানেন।

তাহলে আপনার কন্টেন্টে কোন কথা গুলো জরুরি, তা বুজবেন কিভাবে?

যেমন, একজন Tech Lover ভিজিটরের জন্য আপনার কন্টেন্ট এর ধরন যেমনটা হবে। অপরদিকে একজন Health Lover এর কন্টেন্টের ধরন আলাদাও হতে পারে।

আরেকটা বিষয় চিন্তা করে দেখুন যে, একজন ১৬ বছরেন মানুষে আপনার কন্টেন্ট পড়ার জন্য যে সময়টুকু ব্যয় করতে পারবে। ততোটা সময় একজন ৩০ বছরের মানুষের কাছে নাও থাকতে পারে।

তো সেজন্যই কন্টেন্ট লেখার আগে আপনাকে এই বিষয়টি সম্পর্কে অবশ্যই জেনে নিতে হবে। যে কোন শ্রেনীর মানুষ আপনার টার্গেটেড Audience.

Easy Readable

আমরা যখন কোনো কিছু লিখতে চাই। তখন শব্দ চয়ন করতে বেশ বড়সড় একটা ভুল করে ফেলি। আমরা এমন শব্দ গুলোকে ব্যবহার করি, যা অর্থগতভাবে একটি কঠিন।

কোনো পাঠক আপনার লেখা কতক্ষণ ধরে পড়বে। তা অনেকটাই নির্ভর করবে, আসলে আপনার কন্টেন্ট কতটুকু Readable তার উপর।

যেমন, আমি যদি কঠিন ডেফিনেশন দিয়ে কন্টেন্ট রাইটিং- সম্পর্কে আলোচনা করতাম। তাহলে কি আপনি এতক্ষন এই আর্টিকেলটি পড়তেন?  নিশ্চই না। কারন আপনি পড়বেন ঠিক, কিন্তুু আপনার বুঝতে সময় লাগবে।

কিন্তুু কোনো ভিজিটর এই সময়টা ব্যয় করতে চাইবে না। তাই আপনার লেখাতে সেই সব শব্দগুলোকে Choose করুন। যে শব্দ গুলো মানুষ খুব সহজেই বুঝতে পারে।

Content Customize

কি অবাক হলেন? এতোদিন হয়তবা Website Customize সম্পর্কে জানতেন। কিন্তুু আজকে আপনি কন্টেন্ট কাস্টমাইজ সম্পর্কে জানবেন। তবে এখানে আপনাকে Colourful ডিজাইনের কথা বলবো না।

বরং আপনার লেখা কন্টেন্টের কোথায় হেডিং থাকবে, হেডিং এরপরে কতগুলো শব্দ থাকবে, একেকটা হেডিংয়ে মোট কতগুলো Paragraph থাকবে ইত্যাদি বিষয় গুলোর মাধ্যমে আপনার কন্টেন্টকে সাজিয়ে তোলার নাম হলো, Content Customize.

তবে এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনার সম্পূর্ন কন্টেন্টকে ছোট ছোট Paragraph এ ভাগ করার।

কারন, যখন আপনার Paragraph গুলো অনেক বড় হবে। তখন পাঠকরা আপনার কন্টেন্ট পড়ার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। কিন্তুু যখন আপনি ছোট ছোট paragraph এ ভাগ করবেন।

তখন পাঠকরা আপনার সম্পুর্ন কন্টেন্ট পড়লেও বিরক্তবোধ করবে না।

Focus On Main Point

দেখুন, আপনি কি এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে এই পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন। তাহলে একটা বিষয় লক্ষ্য করতে পারবেন যে, আমি আপনাদের যতগুলো কথা বলছি। তার সবগুলোই “কন্টেন্ট রাইটিং”- কে টার্গেট করেই বলছি।

অর্থ্যাৎ, যখন আপনি কন্টেন্ট লিখবেন, তখন একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি। যেন কোনোভাবেই আপনার আলোচনা মূল টপিকের বাইরে না যায়।

যেমন, ছোটো বেলায় গরুর রচনা নিয়ে একটা কৌতুক শুনেছিলাম। সেটি হলো, একজন গরুর রচনা লিখতে লিখতে নদীর বর্ননাতে চলে গেছে। তো এই বিষয়টির দিকে যথেষ্ট খেয়াল রাখতে হবে।

মনে রাখবেন,  যখন আপনি কন্টেন্ট এর মধ্যে অহেতুক আলোচনা করবেন ৷ তখন ভিজিটর আপনার তাদের পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

কন্টেন্ট রাইটিং করে ইনকাম করার উপায়

আর্টিকেলের শুরুতেই আমি একটা করতে বলছি যে, Content writing হলো ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের সবচেয়ে সম্মানজনক একটি পেশা। আর এই পেশাটি সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডেবল।

যদি আমার এই কথায় আপনার কোনো দ্বিমত থাকে তাহলে শুনুন। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে গিয়ে একটু রিসার্চ করেন ৷ তাহলে দেখবেন writing category তে হিউজ পরিমানে জব এভিলেবল রয়েছে।

কন্টেন্ট রাইটিংকে আমি Demandable একটি পেশা বলছি, তার কিছু কারন আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি কারন হলো, কাজের বিনিময়ে টাকার পরিমান।

আপনি জানলে অবাক হবেন, একজন মানসম্মত writer তার লেখা 1k word এর কন্টেন্টের জন্য 1k-1.5k পর্যন্ত চার্জ নিয়ে থাকে ৷ সেদিক থেকে হিসেব করলে, প্রতি একটি শব্দ প্রতি ১ টাকা করে নেয়া হয়।

তাহলে একটু ভেবে দেখুন যখন আপনি একজন উচ্চ মানসম্পন্ন রাইটার হতে পারবেন। তখন আপনি কি পরিমান ইনকাম করতে পারবেন।

আমরা কি কি শিখলাম?

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা “কন্টেন্ট রাইটিং কি”? -সে সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পেয়েছি। এছাড়াও এই পেশাটি কতটুকু সম্মানজনক এবং ডিমান্ডেবল সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি।

আরো দেখতে পারেন…

ডোমেইন কি ? ডোমেইন কত প্রকার ? – ডোমেইন সম্পর্কে জানুন

ই-কমার্স কি ? কিভাবে ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করবেন ?

ওয়েব ডিজাইন কি ? | কিভাবে ওয়েব ডিজাইন শিখে আয় করবেন

শুধু তাই নয়, মূলত কোন মানুষ গুলো এই পেশার জন্য উপযুক্ত। সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

তবে এটুকুতেই সীমাবদ্ধ না থেকে, কিভাবে কন্টেন্ট রাইটিং শেখা যায়, রাইটিং এর কিছু কৌশল সহো আপনি কিভাবে এই পেশায় যুক্ত হয়ে বিপুল পরিমানে ইনকাম করতে পারবেন। সে সম্পর্কেও যথেষ্ট ধারনা পেয়েছি।

আমাদের শেষকথা

যদি আপনি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনযোগ সহকারে পড়ে থাকেন। তাহলে আমার বিশ্বাস ” কন্টেন্ট রাইটিং”- নিয়ে আপনি যথেষ্ট জানতে পেরেছেন।

এরপরও যদি আপনার কোনো সমস্যা হয়, বা কোনো কিছু জানার থাকে। তাহলে অবশ্যই একটা কমেন্ট করবেন। আমি যথাসাধ্য চেস্টা করবো আপনার সমস্যার সমাধান করার।

বাংলা আইটি ব্লগের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ

আমি নিলয় হাসান-এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি লেখালেখির কাজটাও করি। অনলাইনে প্রযুক্তির বিষয় নিয়ে যা জানি তা মানুষের মাঝে শেয়ার করার ইচ্ছায় এ ব্লগ টি তৈরি করা।

2 thoughts on “কন্টেন্ট রাইটিং কি ? কন্টেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায়”

  1. কেয়া সরকার

    ধন্যবাদ এত সহজভাবে উপস্থাপনা করার জন্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap