মোবাইল ফোন দিয়ে 35 হাজার টাকা ইনকাম করুন – ফোন দিয়ে টাকা আয়

মোবাইল ফোন দিয়ে 35 হাজার টাকা ইনকাম : বর্তমান সময়ে আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন।

যারা মূলত মোবাইল ফোন দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে চায়। আর আপনিও যদি তাদের মধ্যে একজন হয়ে থাকেন।

মোবাইল ফোন দিয়ে 35 হাজার টাকা ইনকাম

তাহলে আজকের এই আর্টিকেল টি আপনার জন্য অনেক বেশি হেল্পফুল হবে। কারণ, আজকে আমি আপনাকে এমন কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে বলবো।

যে পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করতে পারলে। আপনি মোবাইল ফোন দিয়ে ৩৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে ইনকাম করতে পারবেন।

তাই আর বেশি ভূমিকা না রেখে চলুন, সরাসরি সেই মোবাইল দিয়ে অনলাইনে আয় করার উপায় গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। 

আর্টিকেল সূচি

ফোন দিয়ে কি আয় করা যায়?

আমরা অনেকেই মনে করি যে, মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা সম্ভব নয়। তো আপনি যদি এমনটা মনে করে থাকেন, তাহলে আপনার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।

কারণ, আপনার হাতে যদি একটি ফোন থাকে এবং আপনি যদি সঠিক পদ্ধতি গুলো সম্পর্কে জানেন।

আপনার জন্য আরোও আছে…

তাহলে কিন্তু আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব হবে।

কেননা বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট এর মধ্যে এমন অনেক পদ্ধতি রয়েছে। যে গুলো সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারলে।

আপনাকে আপনি ফিরে তাকাতে হবে না বরং যারা কম্পিউটার দিয়ে অনলাইনে কাজ করে। আপনি তাদের থেকেও কয়েক গুন বেশি টাকা আয় করে নিতে পারবেন।

আর সে কারণে আমি এই কথাটি বারবার বলি যে, অনলাইন ইনকাম করার জন্য কম্পিউটার বাধ্যতামূলক নয়।

বরং অনলাইনে ইনকাম করার জন্য আপনার ইচ্ছা এবং ডিভাইস থাকলেই যথেষ্ট। সেটা হতে পারে একটি ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার। আবার সেটা হতে পারে একটি এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন।

ইনভেস্ট না করে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

দেখুন, আমার ওয়েবসাইট এর মধ্যে যত গুলো অনলাইন ইনকাম রিলেটেড আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়েছে।

সে গুলোর কোন আর্টিকেলে আমি আপনাদের ইনভেস্ট করা ওয়েবসাইট কিংবা অ্যাপস এ কাজ করার পরামর্শ দেয়নি।

এর প্রধান কারণ হলো, আমি চেষ্টা করি আপনারা যাতে কোন প্রকার ইনভেস্ট করা ছাড়াই অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারেন।

এছাড়াও আমার নিজস্ব কোন প্লাটফর্ম না থাকার কারণে। আপনাদের অন্যান্য ইনভেস্টমেন্ট ওয়েবসাইট কিংবা অ্যাপস রেফার করতে ভয় লাগে।

এর কারণ হলো, বর্তমান সময়ে অধিকাংশ ইনভেস্টমেন্ট ওয়েব সাইট বা এপ্স গুলো স্ক্যাম করে। আর আমার কথায় যদি আপনি এই ধরনের প্রতারণার শিকার হন।

সে ক্ষেত্রে কিন্তু তার সম্পূর্ণ দায়ভার আমাকে নিতে হবে।

তো বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে আয় করার জন্য ইনভেস্ট করতে হবে এই ধারণা থেকে বাইরে চলে আসুন। কারণ, যদি আপনার ইনভেস্ট করার ইচ্ছা থাকে।

তাহলে আপনি আপনার মস্তিষ্ক এবং আপনার মূল্যবান সময় ইনভেস্ট করার আগ্রহ তৈরি করুন।

কেননা আপনি যদি সঠিক ভাবে আপনার মস্তিষ্ক এবং আপনার সময় ইনভেস্ট করতে পারেন। তাহলে কিন্তু আপনাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

বরং আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করে নিজের একটা সকল ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারবেন। আর আজকে আমি আপনাকে যে পদ্ধতি গুলো সম্পর্কে বলব।

সেই পদ্ধতি গুলো ফলো করে অনলাইন ইনকাম করতে আপনার কোন ধরনের ইনভেস্ট করার প্রয়োজন পড়বে না। 

কিভাবে মোবাইল ফোন দিয়ে 35 হাজার টাকা ইনকাম করা যাবে?

এতক্ষণের আলোচনা থেকে আমরা মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারলাম। তো এবার আমি আপনাকে সেই পদ্ধতি গুলো সম্পর্কে বলব।

যে পদ্ধতি গুলো ফলো করে মোবাইল ফোন দিয়ে ৩৫ হাজার টাকা ইনকাম (প্রতি মাসে) করা সম্ভব।

আর আপনিও যদি এই পরিমাণ টাকা অনলাইন থেকে আয় করতে চান। সে ক্ষেত্রে আপনাকে নিচের আলোচিত আলোচনা গুলো তে চোখ রাখতে হবে। 

মোবাইল দিয়ে ইউটিউব থেকে আয় করুন

বর্তমান সময়ে আপনি যদি মোবাইল থেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে চান। তাহলে আপনার জন্য অন্যতম একটি উপায় হবে, ইউটিউব প্লাটফর্মে কাজ করা।

কেননা আজকের দিনে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হল, ইউটিউব। যেখানে আপনি একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কাজ করতে পারলে। আপনার সফল একটা ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব।

তবে আপনি যদি মোবাইল দিয়ে youtube থেকে টাকা আয় করতে চান। সেক্ষেত্রে আপনাকে বেশ কিছু নিয়ম মানতে হবে। আর সেই নিয়ম গুলো নিচে ধাপে ধাপে দেখিয়ে দেওয়া হল। যেমন,

  1. আপনার মোবাইল ফোনে একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট লগইন করা থাকতে হবে।
  2. তারপর আপনাকে এই লিংকে ক্লিক করতে হবে।
  3. এবার আপনি সবার উপরে ডান পাশে একটি প্রোফাইল আইকন দেখতে পারবেন। আপনাকে সেই আইকনে ক্লিক করতে হবে।
  4. সেখানে আপনি আপনার জিমেইল আইডি দিয়ে লগইন করুন।
  5. তারপর যখন আপনি পুনরায় ইউটিউব এর মধ্যে প্রবেশ করবেন। তখন সেই প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করলে “Your Channel” নামের একটি অপশন দেখতে পারবেন। 
  6. তো উক্ত অপশনে ক্লিক করার সাথে সাথে আপনি আপনার সদ্য তৈরি করা ইউটিউব চ্যানেলে প্রবেশ করতে পারবেন।

আপনি যদি উপরের এই পদ্ধতি গুলো সঠিক ভাবে ফলো করতে পারেন।

তাহলে আপনি খুব সহজে মোবাইল দিয়ে ইউটিউব এর মধ্যে একটি চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন।

আর তারপর আপনাকে সেই চ্যানেলের মধ্যে একটি “Youtube Channel Logo” এবং একটি “Youtube Channel Banner” সেট করে দিতে হবে।

আর উক্ত কাজ গুলো করার পরে আপনাকে ভিডিও তৈরি করতে হবে। এরপর সেই ভিডিও গুলো আপনার চ্যানেলের মধ্যে আপলোড করতে হবে।

ইউটিউব থেকে টাকা আয় বিস্তারিত পড়ুন= ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়

আর আপনি যেন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করতে পারেন। সে কারণে এবার আমি আপনাকে বেশ কিছু android apps এর নাম সাজেস্ট করব।

যে গুলো দিয়ে মোবাইল এর মাধ্যমে খুব সুন্দর সুন্দর ভিডিও এডিটিং করা যায়।

মোবাইল দিয়ে ইউটিউব ভিডিও এডিটিং করার অ্যাপস 

এবার আমি আপনাকে কিছু অ্যাপসের তালিকা প্রদান করব। যে অ্যাপস গুলো দিয়ে আপনি খুব সহজেই মোবাইল দিয়ে প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন।

আর সেই অ্যাপস গুলো হল,

  1. InShot – Video Editor
  2. GoPro Quik
  3. Adobe Premiere Rush
  4. iMovie
  5. Video Editor
  6. ActionDirector – Video Editing
  7. Magisto Video Editor & Maker
  8. VivaVideo

উপরের তালিকা তে আপনি বেশ কিছু android অ্যাপস এর নাম দেখতে পারছেন। মূলত এই অ্যাপস গুলো দিয়ে আপনি আপনার নতুন ইউটিউব চ্যানেলের জন্য প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিট করতে পারবেন।

মোবালের জন্য ভিডিও এডিটর এপস= মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার সেরা ৮টি এন্ড্রয়েড অ্যাপস

আর পরবর্তী সময়ে সেই ভিডিও গুলো আপনার ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করতে পারবেন। 

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ইউটিউব থেকে আয় করবেন?  

সত্যি বলতে যখন আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকবে। এবং আপনার ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিও গুলো দেখার মত অনেক দর্শক থাকবে।

তখন আপনি বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে সেই ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। আর সেই পদ্ধতি গুলো হলো, 

  1. গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে পারবেন, 
  2. পেইড স্পন্সরশিপ থেকে টাকা আয় করতে পারবেন,
  3. প্রোডাক্ট প্রমোশন করে টাকা আয় করতে পারবেন,
  4. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করতে পারবেন,
  5. নিজের প্রোডাক্ট সেল করে টাকা আয় করতে পারবেন,

উপরের তালিকা তে মাত্র কয়েকটি youtube চ্যানেল থেকে আয় করার পদ্ধতি শেয়ার করা হয়েছে।

তবে এর বাইরে আরও এমন অনেক পদ্ধতি রয়েছে। যে গুলোর মাধ্যমে একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় করা সম্ভব।

মোবাইল দিয়ে ইউটিউব থেকে আয় করা টাকা কিভাবে উইথড্র দিবো? 

আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে youtube থেকে যে পরিমাণ টাকা ইনকাম করবেন। সেই সমস্ত টাকা গুলো আপনি খুব সহজেই উইথড্র দিতে পারবেন।

সে জন্য আপনার একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর প্রয়োজন পড়বে। আর আপনার ব্যাংক একাউন্টের মধ্যে প্রতি মাসে ইউটিউব থেকে আয় করা টাকা গুলো উত্তোলন করে নিতে পারবেন। 

মোবাইল দিয়ে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করুন 

বর্তমান পৃথিবীতে মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। আর সে কারণে ফেসবুক থেকে প্রতি নিয়ত নতুন নতুন আয় করার পদ্ধতি উন্মুক্ত হয়েছে।

আর অবাক করার মত বিষয় হলো যে, আপনার হাতে যদি একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোন থাকে। তাহলে আপনি সেই মোবাইল দিয়ে খুব সহজেই ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

আপনি আরোও দেখুন…

তবে জানার বিষয় হলো যে, কিভাবে মোবাইল দিয়ে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করা সম্ভব।

আর আপনি যদি এই বিষয় টি সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে নিচে উল্লেখিত পদ্ধতি গুলো ফলো করুন। তাহলেই আপনি আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে ফেসবুক থেকে হাজার হাজার টাকা আয় করে নিতে পারবেন। যেমন, 

  1. আপনি যদি ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে চান। তাহলে সর্ব প্রথম আপনার একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। 
  2. এছাড়াও সেই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট টি আপনার মোবাইল লগইন করতে হবে। 
  3. তারপর আপনাকে এই লিংকে ক্লিক করতে হবে। 
  4. মূলত এটি হলো ফেসবুকের অফিসিয়াল একটি লিঙ্ক। যেখানে আপনি নতুন একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করতে পারবেন। 
  5. এবার আপনি আপনার ফেসবুক পেজের নাম, বিস্তারিত তথ্য এবং ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে কন্টিনিউ করলে একটি ফেসবুক পেজ তৈরি হবে। 
  6. তারপর আপনাকে আপনার নতুন তৈরি করা ফেসবুক পেজে প্রোফাইল পিকচার এবং কভার পিকচার সেটআপ করে দিতে হবে।

মূলত আপনি যে নতুন ফেসবুক পেজ তৈরি করলেন। আপনাকে সেই পেজের মধ্যে ভিডিও আপলোড করতে হবে। আর যখন আপনার ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিও গুলো প্রচুর পরিমাণ মানুষ দেখবে।

তারপর আপনি ফেসবুক মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে সেই ভিডিও গুলো থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করবো?

যখন আপনার নতুন তৈরি করা ফেসবুক পেজের মধ্যে ভিডিও আপলোড করবেন।

এবং যখন আপনার সেই ভিডিও গুলো মিলিয়ন মিলিয়ন দর্শক দেখবে। তখন আপনি বিভিন্ন উপায়ে সেই ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

আর সেই উপায় গুলো নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। যেমন, 

  1. আপনি ফেসবুক মনিটাইজেশন থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। 
  2. সেই ফেসবুক পেজে পেইড স্পনসরশীপ থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। 
  3. বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট সেল করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। 
  4. আপনার পেজে অন্যান্য ফেসবুক পেজ শেয়ার করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। 
  5. অন্যান্য কোম্পানির প্রোডাক্ট প্রমোশন করে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

উপরে আপনি যে পদ্ধতি গুলো দেখতে পাচ্ছেন। সেই পদ্ধতি গুলোর মাধ্যমে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করা যায়।

আর আপনিও চাইলে আপনার মোবাইল থেকে এই পদ্ধতি গুলো ফলো করে। ফেসবুক পেজের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। 

ফেসবুক পেজ টাকা থেকে আয় করা নিয়ে বিস্তারিত এখানে

মোবাইল দিয়ে ফেসবুক গ্রুপ থেকে টাকা আয় করুন 

আমি উপরের আলোচনা তে আপনাকে একটা কথা বলেছিলাম। আর সেই কথাটি হল, বর্তমান সময়ে ফেসবুকে বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা আয় করা সম্ভব।

তাই উপরের আলোচনায় আমি আপনাকে দেখিয়ে দিয়েছি যে, কিভাবে আপনি ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করতে পারেন।

তো এবার আমি আপনাকে জানিয়ে দিব, কিভাবে ফেসবুক গ্রুপ থেকে টাকা আয় করা যায়।

সেজন্য আপনাকে একটি ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করতে হবে। আর সেই গ্রুপের মধ্যে আপনাকে প্রতিনিয়ত পোস্ট করতে হবে।

এর পাশাপাশি আপনাকে সেই গ্রুপে প্রচুর পরিমাণ মেম্বারদের ইনভাইট করতে হবে। এভাবে যখন আপনার ফেসবুক গ্রুপের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মেম্বার যুক্ত হবে।

তারপর আপনি সেই ফেসবুক গ্রুপ থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

তো এখন হয়তো বা আপনি ভাবছেন যে, কিভাবে একটি ফেসবুক গ্রুপ থেকে টাকা আয় করা যায়।

আর আপনি যদি এই বিষয় টি জানতে চান। তাহলে নিচের তালিকায় দেখুন যে, কিভাবে ফেসবুক গ্রুপ থেকে আয় করা যায়।

  1. প্রথমত ফেসবুক গ্রুপ ভাড়া দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন। 
  2. বিভিন্ন ধরনের প্রমোশনাল কনটেন্ট এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। 
  3. এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করার সুযোগ থাকবে।
  4. এছাড়াও নিজস্ব প্রোডাক্ট কিংবা কোর্স সেল করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে।

তবে এখানে একটা কথা বলে রাখা ভালো। সেটি হল, ফেসবুক গ্রুপ থেকে আপনি ফেসবুক মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন না।

আর ফেসবুক গ্রুপ থেকে যদি টাকা আয় করতে হয়। তাহলে অবশ্যই আপনার গ্রুপের মধ্যে লক্ষ লক্ষ একটিভ মেম্বার যুক্ত থাকতে হবে। 

ফেসবুক থেকে আয় করা টাকা কিভাবে উইথড্র করবো? 

ফেসবুক থেকে আপনি যে পরিমাণ টাকা উপার্জন করতে পারবেন। সে গুলো আপনি খুব সহজেই উইথড্রো দিতে পারবেন।

সেজন্য আপনার একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে হবে। আর যখন আপনার ফেসবুক থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উপার্জন হবে।

তারপর ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সেটা অটোমেটিক ভাবে আপনার ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়ে দিবে। 

ব্লগিং করে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করুন 

বর্তমান সময়ে আপনি যে আমার এই লেখাটি পড়ছেন। মূলত সেটি আমার তৈরি করা একটি ব্লগ। যেখানে আমি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয়ে আর্টিকেল পাবলিশ করি।

আর আমার এই লেখা গুলো আপনারা যত বেশি মানুষ পড়বেন। সেই মানুষ গুলো কে কাজে লাগিয়ে আমি বিভিন্ন ভাবে ব্লগিং থেকে টাকা আয় করি।

তো আপনি যদি চান তাহলে আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে খুব সহজে ব্লগিং করতে পারবেন। আর সেই ব্লগিং করার মাধ্যমে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করে নিতে পারবেন।

কিন্তু আপনি যদি মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে চান। তাহলে আপনাকে বেশ কিছু নিয়ম ফলো করতে হবে। যেমন,

আপনি মোট দুই (০২) টি প্ল্যাটফর্ম থেকে ব্লগিং করতে পারবেন। আর সেই প্ল্যাটফর্ম গুলো হল,

  1. ওয়ার্ডপ্রেস থেকে ব্লগিং করতে পারবেন।
  2. গুগল ব্লগার থেকে ব্লগিং করতে পারবেন।

তবে আপনি যদি আপনার মোবাইল থেকে ব্লগিং করতে চান। তাহলে আপনাকে উপরের যে কোনো একটি প্ল্যাটফর্ম বাছাই করতে হবে।

আর এই প্লাটফর্ম দুটো উপর ভিত্তি করে আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন কাজ করতে হবে। তো এবার আমি চেষ্টা করব আপনাকে সেই কাজ গুলো সম্পর্কে স্বল্প আকারে ধারণা দেয়ার জন্য। 

কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করবেন? 

মূলত আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস থেকে মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করতে চান। সেক্ষেত্রে আপনাকে হোস্টিং কিনতে হবে এবং ডোমেইন কিনতে হবে।

তারপর আপনাকে এই দুটোর মাধ্যমে একটি ব্লগ তৈরি করে নিতে হবে। আর যখন আপনি সফল ভাবে একটি ব্লগ তৈরি করবেন।

আপনি আরোও পড়তে পারেন…

তারপর আপনাকে উক্ত ব্লগের মধ্যে নিয়মিত কন্টেন্ট পাবলিশ করতে হবে। এভাবে যখন আপনি আপনার ব্লগের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ কনটেন্ট পাবলিশ করবেন।

আর আপনার সেই কনটেন্ট গুলো পড়ার জন্য অনেক মানুষ আসবে। তখন আপনি সেই মানুষ গুলো কে কাজে লাগিয়ে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আপনার ব্লগটি মনিটাইজ করে ইনকাম করতে পারবেন।

তো যদি আপনি মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে ব্লগ তৈরি করতে চান। তাহলে এখানে ক্লিক করুন।  

কিভাবে গুগল ব্লগার থেকে মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করবেন? 

যদি আপনি কোন প্রকার অর্থ খরচ না করে ব্লগিং শুরু করতে চান। সে ক্ষেত্রে আপনার জন্য উপযুক্ত হবে, গুগল ব্লগার।

কেননা এই প্লাটফর্ম থেকে ব্লগিং শুরু করার জন্য আপনাকে তেমন কোনো অর্থ খরচ করার প্রয়োজন পড়বেনা।

তবে আপনি যদি একটা ডোমেইন কিনে নিয়ে ব্লগিং শুরু করেন। সে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনি আলাদা বেনিফিট পাবেন।

আর আপনি যদি গুগল ব্লগার থেকে ব্লগিং শুরু করতে চান। তাহলে ফ্রিতে ব্লগ সাইট খুলার সহজ উপায় জেনে নিতে পারেন।

ব্লগিং করে কিভাবে টাকা আয় করা যায়? 

যখন আপনি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগিং প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত থাকবেন। তখন আপনি এমন অনেক উপায় খুজে পাবেন।

যে উপায় গুলোর মাধ্যমে আপনি ব্লগিং থেকে হাজার হাজার টাকা আয় করে নিতে পারবেন। আর সে গুলোর মধ্যে কিছু টাকা আয় করার উপায় নিচে উল্লেখ করা হলো। যেমন,

  1. গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে মনিটাইজ করে। 
  2. ব্যাকলিংক বিক্রি করে। 
  3. প্রোডাক্ট এর প্রমোশন করে। 
  4. স্পন্সরশীপ এর মাধ্যমে। 
  5. কোর্স সেল করার মাধ্যমে। 
  6. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

মূলত একটি ব্লগ থেকে কি কি পদ্ধতি তে ইনকাম করা যায়। সেই পদ্ধতি গুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এর বাইরে এমন আরো অনেক উপায় রয়েছে।

যে উপায় গুলোর সাহায্য ব্লগিং করে টাকা আয় করা যায়।  

আপনার জন্য আমাদের কিছুকথা

আমাদের মধ্যে যে সকল মানুষ মোবাইল ফোন দিয়ে ৩৫ হাজার টাকা ইনকাম করতে চায়। তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেল টি অনেক হেল্পফুল হবে।

কারণ আজকে আমি আপনার সাথে মোট তিন (০৩) টি টাকা আয় করার উপায় শেয়ার করেছি। আপনি যদি সেই উপায় গুলো সঠিক ভাবে ফলো করতে পারেন।

তাহলে আপনি প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

আর আপনি যদি এই ধরনের অনলাইন ইনকাম রিলেটেড আরও অজানা তথ্য জানতে চান।

তাহলে আমাদের সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ, এতক্ষণ ধরে আমার লেখা আর্টিকেল টি পড়ার জন্য। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top
Scroll to Top
Share via
Copy link