এটিএম কার্ড কি ? | এটিএম কার্ড ব্যবহারের নিয়ম

এটিএম কার্ড কি : টাকা লেনদেন করার জন্য যে ইলেকট্রিক মেশিন টি ব্যবহার করা হয়। তাকে বলে Atm মেশিন। আমরা যেমন বিকাশে টাকা লেনদেন করি।

এটিএম কার্ড কি ? | এটিএম কার্ড ব্যবহারের নিয়ম
এটিএম কার্ড কি ? | এটিএম কার্ড ব্যবহারের নিয়ম

ঠিক একইভাবে আপনি ATM Card এর মাধ্যমে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে টাকা লেনদেন করতে পারবেন। 

কিন্তুু আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন। যারা এখনও জানেনা যে, এটিএম কার্ড কি, এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার নিয়ম গুলো কি কি?

সে জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি সেই উদ্দেশ্য লেখা হয়েছে।

কারণ ATM এবং Atm Card নিয়ে যতো গুলো জানা অজানা বিষয় আছে। তার সব খুটিনাটি নিয়ে আজকে বিষদ ভাবে আলোচনা করবো। তো চলুন সরাসরি মূল টপিকে ফিরে যাওয়া যাক। 

এটিএম কার্ড কি? (ATM Card)

এটি হলো এমন একটি কার্ড, যার মাধ্যমে আপনি পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে লেনদেন করতে পারবেন। মূলত আমরা পকেটে কিংবা মানিব্যাগে টাকা নিয়ে চলি।

কিন্তুু এর পরবর্তে আপনি একটা কার্ড নিয়ে চলবেন। এবং আপনার যতো টাকা আছে। সেগুলো ঐ কার্ডে জমা হয়ে থাকবে। মূলত এই ধরনের কার্ড গুলোকে বলা হয়, এটিএম কার্ড।

আপনি আরো দেখতে পারেন…

💥Hints: বর্তমানে প্রায় অনেক মানুষ এই ধরনের কার্ড ব্যবহার করে আসছে। কেননা, এই Atm Card দিয়ে টাকা লেনদেন করলে কোনো রিস্ক নেই।

এটিএম মেশিন কি?

এটিএম কার্ড আর এটিএম মেশিন এর মধ্যে বেশ পার্থক্য আছে। আমাদের মধ্যে অনেক মানুষ এই দুটো কে এক মনে করে। কিন্তুু কার্ড আর মেশিনের মধ্যে অনেক বিভেদ আছে।

যেমন, এটিএম কার্ডকে আপনার সাথে নিয়ে ঘুরতে পারবেন ৷ কেননা, এটা একটি ছোট্ট Card.

কিন্তুু আমরা যে এটিএম বুথ গুলো দেখতে পাই সেই বুথ গুলোতে এটিএম মেশিন থাকে। যেখানে আপনার Atm Card টির মাধ্যমে টাকা উওলন কিংবা জমা করে রাখতে পারবেন। 

ATM এর পূর্ণরূপ কি ?

আচ্ছা আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় যে, ATM এর পূর্নরুপ কি ? তাহলে কি আপনি এর উওরটা বলতে পারবেন? থাক! আপনাকে বলতে হবেনা।

বরং আমি ই বলছি। Atm full meaning হলো Automated Teller Machine.

এই মেশিনটি এতোটাই ক্ষমতা সম্পন্ন যে, এর মাধ্যমে আমরা যেকোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবো। আর এই মেশিনকে সরাসরি ব্যাংক এর সাথে কানেক্ট করা থাকে।

যার ফলে আপনি একেবারে কোনো রিস্ক ছাড়াই এর মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে পারবেন৷ 

এটিএম কার্ড কত প্রকার? 

প্রকারভেদে Atm Card কে দুই ভাবে ভাগ করা যায়। একটি হলো ক্রেডিট কার্ড এবং আরেকটি হলো ডেবিট কার্ড। জেনে রাখা ভালো যে, এই দুই ধরনের কার্ডের কাজ কিন্তুু ভিন্ন।

অর্থ্যাৎ একেকটি কার্ড একেক রকম কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

তো উপরে আপনি জানলেন যে, এটিএম কার্ড কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন, 

  • ক্রেডিড কার্ড এবং 
  • ডেবিট কার্ড

এখন বর্তমানে এমন অনেক মানুষ আছেন। যারা এই দুই ধরনের কার্ড সম্পর্কে তেমন কিছু জানেনা।

তাই এগুলো নিয়ে একটু স্বল্প আকারে আলোচনা করা উচিত। এতে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে। 

ক্রেডিট কার্ড কি ? 

যে কার্ডের মাধ্যমে আপনি আপনার জমাকৃত টাকার চাইতে আতিরিক্ত পরিমান টাকা লেনদেন করতে পারবেন। সেই Atm Card কে বলা হয় ক্রেডিট কার্ড।

যেমন ধরুন, আপনার একটি ব্যাংক একাউন্ট আছে এবং সেই একাউন্টে ১ লাখ টাকা জমা করা আছে।

এখন আপনি কেনাকাটা করতে গিয়ে দেখলেন যে আপনি ১ লাখ টাকার বেশি খরচ করে ফেলেছেন।

তো আপনি তখন ইচ্ছে করলে, ব্যাংক থেকে আরও অতিরিক্ত টাকা ধার হিসেবে নিতে পারবেন। তো এই ধরনের ATM Card গুলো কে বলা হয়, ক্রেডিট কার্ড।

ডেবিট কার্ড কি ?

আপনার এটিএম কার্ডে মোট যত টাকা জমা থাকবে। আর আপনি শুধুমাএ ঐ জমা টাকা গুলোই খরচ করতে পারবেন। এই ধরনের কার্ডকে বলা হয় ডেবিট কার্ড।

আপনি ক্রেডিট কার্ডে যে অতিরিক্ত টাকা ধার নেয়ার সুবিধা পাবেন। সেই সুবিধাটি Debit Card এ পাবেন না। 

এটিএম কার্ডের কাজ কি ?

ATM Card হলো এমন এক ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি যা আয়তনের দিক থেকে অনেক ক্ষুদ্র। এবং এই ডিভাইসে আপনি আপনার ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে পারবেন।

অর্থ্যাৎ, আপনাকে  আর পকেটে টাকা  নিয়ে ঘুরতে হবে না। কারন আপনার সব টাকা এটিএম কার্ডে জমা করে রাখতে পারবেন।

আগের দিনগুলোতে আমাদের ব্যাংকের সামনে লাইনে দাড়ানোর পর টাকা জমা করতে হতো।

কিন্তুু এখন আপনি এই এটিএম কার্ডের মাধ্যমে আপনার সময় ও সুবিধামতো টাকা জমা করে রাখতে পারবেন।

এছাড়াও যদি আপনার টাকা উওলন করার দরকার হয়ে থাকে। তাহলেও আপনি ATM Card এর মাধ্যমে টাকা Withdraw করতে পারবেন। 

কিভাবে এটিএম কার্ড পাব ?

যাক এবার কথা হলো, আপনি কিভাবে এটিএম কার্ড পাবেন। যদি আপনি শুধুমাএ একটি কার্ডের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে চান।

তাহলে আপনাকে বেশ কিছু কাজ করতে হবে। যেমনঃ

  • সবার আগে আপনাকে একটি Bank Account খুলতে হবে। এটা হতে পারে দেশের যেকোনো ধরনের ব্যাংক। 
  • এরপর সেই Bank থেকে একটি এটিএম কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।
  • মনে রাখবেন, এই কার্ড নেয়ার সময় আপনার অনেক প্রয়োজনীয় Documents জমা দেয়ার প্রয়োজন হবে। 
  • যখন ব্যাংক থেকে আপনাকে একটি Atm Card দেয়া হবে। তখন থেকে আপনি ঐ কার্ডের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে পারবেন।

 যদি আপনি আপনার Bank Account এর সাথে ATM কার্ডকে যুক্ত করাতে চান। তাহলে অবশ্যই এই বিষয়টি নিয়ে Bank কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে নিবেন। 

এটিএম কার্ড ব্যবহারের নিয়ম

আপনার কাছে যখন একটি ATM Card থাকবে। তখন আপনাকে অনেক নিয়ম মেনে চলতে হবে। যদি আপনি সেই নিয়ম গুলো অমান্য করেন।

তাহলে কিন্তুু নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হবেন। যেমনঃ

  • আপনার হাতে একটি এটিএম কার্ড দেয়ার সময় একটা গোপন Pin Verification Code দেয়া হবে। এই কোডটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি ছাড়া যেন অন্য কেউ জানতে না পারে। 
  • তো আপনি যখন এই কার্ড থেকে টাকা লেনদেন করবেন। তখন আপনাকে একটি ATM Machine এর নিকট যেতে হবে। মানে আপনাকে একটি এটিএম বুথে যেতে হবে। 
  • এরপর আপনার এটিএম কার্ডটি সেই বুথে কানেক্ট করে টাকা লেনদেন করতে পারবেন। 
  • তবে কিছু কিছু এটিএম মেশিন আছে। যেগুলো থেকে টাকা লেনদেন করার জন্য ATM Card কে সুইপ করাতে হয়। এ বিষয় টা মাথায় রাখবেন। 

এটিএম কার্ড ব্যবহারের নিয়ম আপনার কাছে অনেক কঠিন মনে হলেও। এই কাজটি তেমন কোনো কঠিন বিষয় নয়। বরং আপনি একবার Try করলেই সব নিজে থেকে বুঝতে পারবেন। 

এটিএম কার্ড দিয়ে কিভাবে টাকা তুলতে হয়? 

আপনার কাছে একটি ATM Card থাকা এরমানে হলো সেই এটিএম কার্ড দিয়ে কিভাবে টাকা তুলতে হয়।

সেটা জেনে রাখা অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কেননা, আপনি যদি ভুলভাবে এই Card গুলোকে ব্যবহার করেন। তাহলে আপনার কার্ড কে ব্লক করে দেয়া হবে। 

আপনি আরো পড়ুন…

তো যখন আপনি এটিএম কার্ড থেকে টাকা লেনদেন করবেন। তখন আপনাকে বেশ কিছু Step অনুসরন করতে হবে। যেমনঃ

  1. সবার আগে আপনাকে একটি ATM Machine এর কাছে যেতে হবে। এবং সেই মেশিনে আপনার কাছে থাকা Card টি প্লেস করতে হবে। 
  2. এরপর সেই মেশিনে আপনাকে বেশ কিছু নির্দেশনা দিবে। যেমন, আপনি টাকা Cash Out করবেন নাকি Cash In করবেন। 
  3. এছাড়াও আপনি আসলে কত টাকা লেনদেন করবেন। সেগুলো আপনাকে সিলেক্ট করে দিতে হবে। 
  4. এবং সম্পূর্ন প্রসেস কমপ্লিট হওয়ার পর আপনার গোপন Pin Code টি দিতে হবে। মনে রাখবেন, এই পিন কোডটি যেন গোপন থাকে।

বলা বাহুল্য যে, ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংকের এটিএম কার্ডে ভিন্ন ভিন্ন অপশন দেয়া থাকে।

তবে আপনি যদি এটিএম মেশিনে দেখানো অপশন গুলো দেখেন। তাহলে খুব সহজেই সবকিছু বুঝে নিতে পারবেন। 

এটিএম বুথ থেকে কত টাকা তোলা যায়?

এখন আরও একটা বিষয় আপনার জেনে রাখা উচিত। সেটি হলো এটিএম বুথ থেকে মোট কত বেশি টাকা উওলন করা সম্ভব। কেননা, এখানেও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

যেগুলো আপনাকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে। তো এবার সেই সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জেনে নিবো।

দেখুন, বর্তমান সময়ে প্রায় সব ব্যাংক গুলো এটিএম কার্ডের ব্যবস্থা করেছে। আর একেকটা ব্যাংকের একেক রকম টাকা উওলন করার সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

যেমন আপনি ডাচ বাংলা ব্যাংকে যে পরিমান টাকা উওলন করতে পারবেন। সেই পরিমান টাকা অন্য কোনো ব্যাংকে নাও তুলতে পারেন।

মূলত আপনি কি পরিমান টাকা এটিএম থেকে উওলন করবেন। সেটা নির্ভর করবে আপনি আসলে কোন ব্যাংক থেকে একাউন্ট চালু করেছেন।

তাই যখন আপনি এটিএম কার্ডের জন্য ব্যাংক একাউন্ট খুলবেন। তখন অবশ্যই এই বিষয়টি ভালোভাবে জেনে নিবেন। 

এটিএম কার্ডের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে করনীয়?

পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া কমন একটা বিষয়। আমরা প্রায় সবাই কারনে কিংবা অকারনে Password ভুলে যাওয়ার অভ্যাস আছে।

কিন্তুু একজন মানুষ যখন এটিএম কার্ডের পাসওয়ার্ড ভুলে যায়। তখন সে বুঝে উঠতে পারেনা যে, কি করলে তার হারিয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড টি ফেরত নিয়ে আসবে।

কিন্তুু মজার বিষয় হলো, যদি কোনো কারনে আপনি আপনার ATM Card এর পাসওয়ার্ড ভুলে যান ৷ তাহলে আপনি মোট দুইভাবে এই পাসওয়ার্ড টি ফেরত নিয়ে আসতে পারবেন। যেমনঃ

০১| সরাসরি ব্যাংকে যোগযোগ করতে হবেঃ যখন কোনো কারনে আপনি আপনার এটিএম কার্ডের গোপন পিন ভুলে যাবেন। তখন আপনার উচিত, কোনে দেরী না করে সরাসরি Bank এ গিয়ে যোগযোগ করা।

তাহলে তারা আপনার কাছে থেকে সকল ডকুমেন্টস নিয়ে আপনার একাউন্ট কে পুনরায় সচল করে দিবে।

০২| হেল্পলাইনে যোগযোগ করতে হবেঃ যদি আপনি সরাসরি ব্যাংকে যেতে না চান। তাহলে আপনি চাইলে ব্যাংকের হেল্পলাইনে Call করেও আপনার একাউন্ট কে পুনরায় সচল করে নিতে পারবেন।

বর্তমানে হেল্প লাইনে যোগাযোগ করার অনেক গুলো মাধ্যম রয়েছে।

যেমন, আপনি চাইলে ফোন কল কিংবা ব্যাংকের মেইন Website থেকেও পাসওয়ার্ড ফেরত নিয়ে আসতে পারবেন।

💥Hints: যখন আপনি পাসওয়ার্ড রিকভার করার জন্য তাদের নিকট যাবেন। তখন আপনাকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দেয়ার প্রয়োজন হবে।  কেননা, আপনি সেই এটিএম কার্ডের মালিক কিনা৷ তা আপনাকে প্রমান করতে হবে ৷ 

এটিএম কার্ডের সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি কি? 

এটিএম কার্ড ব্যবহার করার দিক থেকে আপনি বেশ কিছু সুবিধা অসুবিধা দেখতে পারবেন। তবে সবার ক্ষেএে এই সুবিধা ও অসুবিধা গুলো একই মনে নাও হতে পারে।

কিন্তুু আমার দিক থেকে এই দিকগুলো নজরে পড়েছে ৷ তাই এবার সেগুলো নিয়ে স্বল্প আকারে আলোচনা করবো।

  1. কার্ড ব্যবহার করার প্রধান সুবিধা হলো আপনি এই কার্ডের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে আপনার চাহিদা মতো লেনদেন করতে পারবেন ৷ 
  2. এর ফলে আপনাকে আর হ্যান্ড ক্যাশ নিয়ে ঘুরতে হবে না। বরং অসংখ্য টাকা আপনি এই কার্ডের মাধ্যমে আদান প্রদান করতে পারবেন ৷ 
  3. ডেভিড কার্ডের দিক থেকে তেমন কোনো অসুবিধা নেই। তবে ক্রেডিট কার্ডে আপনি আরও অতিরিক্ত টাকা উওলন করতে পারবেন। এতে করে আপনার ধার এর পরিমান অনেক গুন বেশি হবে। 
  4. যদি কোনো ক্রমে আপনার কার্ড এবং কার্ডে থাকা গোপন পিন কোডটি কেউ জেনে যায় ৷ তাহলে কিন্তুু সেই ব্যক্তি আপনার অজান্তেই সেই কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবে।

তো এটিএম কার্ড ব্যবহার করার সুবিধা অসুবিধা গুলো আমার দিক থেকে এই বিষয় নজরে এসেছে।

তবে এটা যে সবারই একইরকম মনে হবে। বিষয়ট আসলে এমন নয়। বরং এগুলো একেক জনের কাছে একেক রকম মনে হতে পারে। 

এটিএম কার্ড নিয়ে আপনি কি কি শিখলেন? 

এটিএম কার্ড নিয়ে আজকে অনেক বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে৷ যে বিষয় গুলো আপনার জেনে রাখাটা অতি গুরুত্বপূর্ণ। যেমনঃ 

  • এটিএম কার্ড কি 
  • Atm কি 
  • ডাচ বাংলা ব্যাংক এটিএম বুথ
  • এটিএম কার্ড কিভাবে টাকা তুলব
  • বিকাশ এটিএম ক্যাশ আউট চার্জ কত
  • এটিএম কার্ড দিয়ে কিভাবে টাকা তুলতে হয়
  • এটিএম থেকে কিভাবে টাকা তোলা হয়
  • বুথ থেকে টাকা তোলার নিয়ম
  • atm থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি
  • atm থেকে টাকা তোলার নিয়ম
  • এটিএম কার্ড ব্যবহারের নিয়ম

মূলত যদি আপনি এই আলোচিত বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে অবশ্যই উপরোক্ত তথ্য গুলো ভালোভাবে জেনে নিবেন। আশা করি সবকিছু সহজভাবে বুঝে উঠতে পারবেন। 

এটিএম কার্ড নিয়ে কিছু অজানা বিষয়াবলি 

ATM Card নিয়ে আরও কিছু অজানা বিষয় আছে। যা আপনার জেনে নেয়াটা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। মূলত আপনি যদি এই বিষয় গুলো জেনে রাখেন।

তাহলে পরবর্তী সময়ে আপনি এটিএম কার্ড রিলেটেড কোনো সমস্যা হয়। তখন আপনি নিজে থেকেই এই ধরনের সমস্যা গুলোর সমাধান করতে পারবেন।

০১| Cradit Card ব্যবহার করলে কোনো সুদ দিতে হবে? 

হুমমম! অবশ্যই সুদ দিতে হবে। কারন সুদ নেয়ার জন্যই ব্যাংক আপনাকে এই অতিরিক্ত টাকা ব্যবহার করার সুযোগ দিবে। আর এই সুদের পরিমান কিন্তুু একেক ব্যাংকে একেক রকমের হয়ে থাকে।

এ বিষয়ে আপনাকে সরাসরি ব্যাংকে আলোচনা করতে হবে। না হলে পরবর্তী সময়ে আপনাকে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

০২| ডেবিট কার্ড ব্যবহার করলে কি সুদ প্রদান করতে হবে? 

না! যদি আপনি ডেবিট কার্ড ব্যবহার করেন। তাহলে আপনি শুধুমাএ সেই পরিমান টাকা ব্যবহার করতে পারবেন। যতটুকু টাকা আপনার ব্যাংক একাউন্টে জমা হয়ে থাকবে।

আর এর থেকে আপনি বেশি টাকা ব্যয় করতে পারবেন না। আর যেহুতু আপনি শুধু আপনার নিজের জমা থাকা টাকা ব্যবহার করবেন। এর ফলে কোনো সুদ প্রদান করতে হবে না।

০৩| এটিএম কার্ড হারিয়ে গেলে করনীয় কি? 

যদি আপনার কোনো কারনে এটিএম কার্ড হারিয়ে যায়। তাহলে আপনার বেশ কিছু কাজ করতে হবে। যদি আপনি সেই কাজ গুলো সঠিকভাবে করতে পারেন।

তাহলে কিন্তুু আপনার কোনো প্রকার সমস্যা হবে না। তো যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে, আপনার এটিএম কার্ডটি হারিয়ে গেছে। তখন আপনার প্রধান কাজ হলো আপনার কার্ডটিকে ব্লক করে দেয়া।

আপনার জন্য আরো লেখা…

  • ডেবিট কার্ড কি ?
  • মাস্টার কার্ড কি?
  • ভিসা কার্ড কি ?

আর এই কাজের জন্য আপনাকে সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে। এবং আপনার কিছু দরকারি ডকুমেন্ট দিয়ে সেই কার্ড কে ব্লক করে দিতে হবে।  

এটিএম কার্ড নিয়ে আমাদের শেষকথা 

আজকের আর্টিকেলে আমি এটিএম কার্ড সম্পর্কে বিষদভাবে আলোচনা করেছি। আশা করি আপনার আর ATM Card নিয়ে কোনো অজানা বিষয় থাকবে না।

আর এটিএম কার্ড ব্যবহারের নিয়ম গুলোকে স্টেপ বাই স্টেপ বোঝানোর চেস্টা করেছি।

তবে এরপরও যদি আপনার এটিএম কার্ড রিলেটেড আরও কোনো অজানা বিষয় থাকে। তাহলে প্লিজ একটা কমেন্ট করে জানাবেন।

আমি যথাসাধ্য আপনার সমস্যার সমাধান করার চেস্টা করবো। Bangla it blog এর সাথে থাকার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

3 thoughts on “এটিএম কার্ড কি ? | এটিএম কার্ড ব্যবহারের নিয়ম”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HandsUp! কপি করা যাবে না বস!

Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap