NID Card হারিয়ে গেলে কি করবেন | জাতীয় পরিচয় হারিয়ে গেলে কি করবেন [রি-ইস্যু সমাধান]

NID Card হারিয়ে গেলে দুঃখটা যে কতটা কষ্টদায়ক। তা শুধুমাএ সেই মানুষটা অনুভব করতে পারবে। যার অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো কারনে অতি প্রয়োজনীয় NID Card টি হারিয়ে গেছে।

NID Card হারিয়ে গেলে কি করবেন | জাতীয় পরিচয় হারিয়ে গেলে কি করবেন [রি-ইস্যু সমাধান]
NID Card হারিয়ে গেলে কি করবেন | জাতীয় পরিচয় হারিয়ে গেলে কি করবেন
কেননা, আপনার মতো আমিও একদিন এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম।

আর যখন আমি আমার এই অতি প্রয়োজনীয় NID Card টি হারিয়ে ফেলেছিলাম। তখন আমিও ঠিক আপনার মতো দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম।

কিন্তুু দিশেহারা হয়ে পড়লে তো আর হারানো এনআইডি কার্ড টি ফিরে পাবো না। সেজন্য কিভাবে সেই হারিয়ে যাওয়া NID Card টি কে ফিরে পাওয়া যায়।

আপনি আরো পড়ুন…

তা নিয়ে বিশেষভাবে রিসার্চ করতে শুরু করি।

যেহুতু অনলাইন সম্পর্কে আমার অনেক আগে থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা ছিলো ৷ তাই এই সমস্যার সমাধান পেতে খুব আমাকে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি।

আর সেই সুবাদে বেশ কিছু ধাপ অনুসরন করে আমি বেশ সহজভাবেই আমার হারিয়ে যাওয়া Nid Card টিকে আবার ব্যাক নিয়ে আসি।

আর এই ধাপ গুলো অনুসরন করতে আমার যতটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছে। আজকে সেই অভিজ্ঞতা টুকু শেয়ার করবো আপনার সাথে। যদি আপনারও আমার মতো NID Card হারিয়ে যায়।

তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য অনেক বেশি হেল্পফুল হবে।

কেননা, আজকের আর্টিকেল এ আমি হারিয়ে যাওয়া এনআইডি কার্ড পুনরায় ব্যাক পাওয়ার যে সমস্ত ধাপ রয়েছে।

তার প্রত্যেকটি ধাপ সম্পর্কে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো।

তাই আপনার প্রতি একটাই রিকুয়েস্ট থাকবে, সেটা হলো আজকের এই মূল্যবান আর্টিকেলটি একেবারে মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

নাহলে এমন অনেক বিষয় আছে, যেগুলো আপনার অজানাই থেকে যাবে ৷ 

আর্টিকেল সূচিঃ

NID Card হাড়িয়ে গেলে কি করনীয়?

তো এখন মূল বিষয় হলো যে, যদি একজন মানুষ এর ভুলবশত তার Nid Card টি হারিয়ে ফেলে। কিংবা কোনো কারনে তার জাতীয় পরিচয়পএ টি হারিয়ে ফেলে।

তাহলে সেই মানুষটি তার প্রয়োজনীয় জাতীয় পরিচয় পত্রটি   ফেরত নেয়ার জন্য কি কি পদক্ষেপ নিতে পারবে।

কেননা, আপনার যদি এই মূল্যবান বস্তুটি হারিয়ে যায়। তাহলে কিন্তুু চুপটি মেরে বসে থাকলে হবে না।

বরং এই কার্ডটি কে ফেরত আনার জন্য যা কিছু করার দরকার ৷ তার সব গুলো পদক্ষেপ সঠিকভাবে করতে হবে।

⚠️ALART: যদি কোনো কারনে আপনার মূল্যবান এনআইডি কার্ডটি হারিয়ে যায়। তাহলে যথা সম্ভব দ্রুত সেই কার্ডটি রিকভার করার চেস্টা করবেন ৷

কেননা, কোনো খারাপ ব্যক্তির কাছে যদি আপনার এনআইডি কার্ডটি থাকে ৷ তাহলে সেই ব্যক্তি আপনার অনেক বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারবে।

তো আপনার জাতীয় পরিচয় পএ হারিয়ে গেলে আপনার কি কি ক্ষতি হতে পারে। সে নিয়ে একটু পরে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

তবে সবার আগে আপনাকে জেনে নিতে হবে যে, NID Card হারিয়ে যাওয়ার পর আপনার প্রধান পদক্ষেপ গুলো কি কি।

এখন আপনি যখন জানতে পারবেন যে, আপনি আপনার এনআইডি কার্ডটি হারিয়ে ফেলেছেন ৷ তখন আপনাকে বেশ কিছু ধাপ অনুসারন করতে হবে। যেমনঃ 

০১| থানায় জিডি করতে হবে 

যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ফলে আপনার NID Card হারিয়ে যায়। তাহলে আপনাকে কোনো দিক বিবেচনা না করে সরাসরি থানায় যেতে হবে।

এরপর আপনার নিকটস্থ থানাতে গিয়ে জিডি করতে হবে। কেননা, আপনি যদি এই কাজটি না করেন ৷ তাহলে কিন্তুু আপনি নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

যেমন, আপনার হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড দিয়ে যদি কেউ খারাপ কিছু করার চেস্টা করে ৷ তাহলে আপনার নিকট একটি প্রমান থাকবে।

কেননা, আপনি তো হারিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে আপনার নিকটস্থ থানাতে জানিয়েছেন ৷ যার ফলে আপনার পুলিশি ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনা অনেক অংশে কমে যাবে।

আর যদিও আপনার কার্ড দিয়ে কেউ খারাপ কিছু করতে চায় ৷ তাহলে আপনি সাথে সাথে আপনার কাছে থাকা জিডির কপিটি দেখাতে পারবেন ৷

এর ফলে কেউ আপনার কোনোরুপ ক্ষতি করতে পারবে না। বলা যায়, এই কাজটি করলে আপনার ই সুবিধা হবে।

তবে এখন জানার বিষয় হলো যে, কিভাবে আপনি থানাতে গিয়ে জিডি করবেন।

এবং এই জিডি করার জন্য আপনার কত টাকা পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে। তো চলুন এবার সে নিয়ে একটু বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

NID Card হারিয়ে যাওয়ার পর কিভাবে থানায় সাধারণ ডায়েরী/GD করব?

তো আপনি উপরোক্ত আলোচনা থেকে জানতে পারলেন যে, একজন ব্যক্তি যখন দূভাগ্য জনকভাবে তার আইডি কার্ড হারিয়ে ফেলে।

তাহলে তার নিজস্ব নিরাপওা থেকে শুরু করে অন্যান্য বাহ্যিক কারনে সবার আগে তাকে থানায় জিডি করতে হবে। এখন আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন।

যারা মূলত এই জিডি করার বিষয়টি সঠিকভাবে জানে না

আর এই মানুষ গুলো আসলে কিভাবে থানায় জিডি করবে। এবং জিডি করার পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে। এবার সে নিয়ে স্বল্প আকারে আলোচনা করার চেস্টা করবো।

তো চলুন এবার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

  • সবার আগে আপনার নিকটস্থ থানায় যেতে হবে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, জিডি করার জন্য কোন থানাতে যাওয়া উচিত? -সেক্ষেএে আমি বলবো আপনার নিজস্ব থানা তে গিয়ে জিডি করলে অনেক ভালো হবে।
  • তবে সেটি যদি সম্ভব না হয়, তাহলে আপনি বর্তমানে যে থানার অন্তর্ভুক্ত এলাকাতে থাকবেন। সেখানেই জিডি করা উচিত। 
  • এরপর যখন আপনি আপনার নিকটস্থ থানায় যাবেন। তখন আপনাকে ডায়েরী করার জন্য একটি সাদা কাগজ প্রদান করা হবে। যেখানে আপনার নিজের স্বাক্ষর থাকবে। 
  • মনে রাখবেন, প্রথমে আপনাকে সাদা কাগজ দেওয়া থাকলেও পুলিশ কিন্তুু সেই কাগজে আপনার হারিয়ে যাওয়া NID Card সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য লিপিবদ্ধ করবে। 
  • এখন উক্ত কাগজে আপনার স্বাক্ষর প্রদান করার পরে আপনাকে ঐ কাগজের দুটি কপি নিয়ে রাখতে হবে। কেননা, এই কপি করার কাগজ গুলো আপনাকে আরও একটি জায়গাতে প্রদান করতে হবে। 
  • এরপর আপনার পরবর্তী কাজ হলো, সেই কপি গুলো থানার ডিউটি অফিসারকে গিয়ে জমা দেওয়া। 
  • এখানে একটা কথা বলে রাখা ভালো যে, আপনার ডায়েরি করার একটি কপি অবশ্যই আপনার সাথে রাখবেন। কেননা, পরবর্তী সময়ে আপনার কাছে থাকা ডায়েরির কপিটি অনেক কাজে দিবে। 

💡Look At Me: এখন হয়তবা অনেকের মনে আরও একটি প্রশ্ন জাগতে পারে যে, আপনি থানায় যাওয়ার পর যে জিডি করবেন। সেই ডায়েরিটি সম্পূর্ন হয়েছে কিনা, তা বুঝবেন কিভাবে।

তো এবার সে নিয়ে একটু জেনে নিন।

💡HINTS: যখন আপনি হারিয়ে যাওয়া NID Card সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে থানা তে জিডি করবেন ৷ তখন সেই জিডি তে GD Number, Duty Officers Name, Date & Time, Signature ইত্যাদি সঠিকভাবে আছে কিনা। তা অবশ্যই ভালোভাবে চেক করে নিবেন। 

যদি এই বিষয় গুলো আপনার ডায়েরীতে বিদ্যমান থাকে। তাহলে বুঝে নিবেন যে, আপনি সঠিকভাবে হারিয়ে যাওয়া পরিচয়পত্র এর জন্য জিডি করার কাজটি সম্পন্ন করতে পেরেছেন। 

NID Card হারিয়ে যাওয়ার পর রি-ইস্যু সমাধানের জন্য কি কি কাগজপএ লাগবে? 

আমরা যারা থানা অথবা আদালত নিয়ে একটু কম ধারনা রাখি। তাদের মনে নানাবিধ প্রশ্ন জাগতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম একটি প্রশ্ন হলো যে, একজন ব্যক্তির যদি জাতীয় পরিচয়পএ হারিয়ে যায়।

তাহলে জিডি করার জন্য তাকে কি কি কাগজ পএ সংগ্রহ করতে হবে। তো আমার মনে হয় যে, এবার এ বিষয়টি নিয়েও একটু ক্লিয়ার ধারনা নেওয়া উচিত।

তো মজার বিষয় হলো যে, আপনি যখন এনআইডি রি-ইস্যুর জন্য জিডি করবেন। তখন আপনার তেমন কোনো কাগজ পত্রের প্রয়োজন হবে না।

আপনাকে যদি কেউ কোনো কাগজ পত্রের কথাও বলে থাকে। তাহলে এগুলো নিয়ে আপনার তেমন কোনো টেনশন করার প্রয়োজন হবে না। 

তবে আপনি রি-ইস্যুর জন্য যে জিডির কপিটি রাখবেন। সেটিতে যদি আপনার নিকটস্থ নির্বাচন কমিশন অফিস কতৃক সত্যায়িত করতে পারেন।

তাহলে খুব ভালো হবে। কিন্তুু এই কাজটি যে বাধ্যতামুলক, তা আমি বলবো না। আপনি যদি উক্ত কাজটি করতে নাও পারেন। তাহলেও কিন্তুু আপনার কোনো প্রকার সমস্যা হবে না। 

NID Card হারিয়ে যাওয়ার পর রি-ইস্যু সমাধানের জন্য জিডি করতে কত টাকার প্রয়োজন হবে? 

আমি উপরেই একটা কথা বলেছি যে, এমন অনেক মানুষ আছেন। যারা মূলত থানা, আদালত সম্পর্কিত বিষয় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানেন না।

তো এই মানুষ গুলোর মনে আরও একটি প্রশ্ন জাগতে পারে। তাহলো, একজন মানুষ যদি থানায় সাধারন ডায়েরি করে। তাহলে তার কত টাকা খরচ হবে।

যেহুতু এটা একটা টাকা পয়সার বিষয় ৷ সেহুতু আমার মনে হয় এই বিষয়টি নিয়েও একটা ক্লিয়ার ধারনা রাখা উচিত।

তো শুরুর দিকে আপনাকে একেকজন একেক রকম টাকার পরিমান এর কথা বলবে। আপনার সেই কথায় কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

কেননা, একটি জিডি করার জন্য প্রাথমিক অবস্থাতে আপনার ২৩০ টাকা থেকে ২৫০/- এর মতো প্রয়োজন হবে। তবে সময় পরিবর্তন এর সাথে সাথে এই টাকার পরিমান কম বা বেশি হতে পারে ৷ তবে এর পরিমান অতি অল্প।

তবে আমি যতদূর জানি থানায় সাধারণ ডাইরি করতে কোন টাকা লাগে না ।

💡NOTE: যদি আপনি এই জিডি করার কাজটি অতি দ্রুততার সাথে করতে চান। সেক্ষেত্রে আপনার এই খরচ এর পরিমান একটু বেশি হবে। কারন এই কাজ গুলোর করার জন্য একটু বেশি করে চার্জ নেওয়া হয়ে থাকে ৷

তবে আমার মনে হয় আপনার এই কাজটিতে একটু বেশি টাকা খরচ করে। কাজটা দ্রুততার সাথে করলে ভালো হবে।

💡HELP BOX: একটি সাধারন জিডি করলে একজন মানুষ কে কি পরিমান টাকা ব্যয় করতে হবে। তা সম্পর্কে আপনি নিজেই একটা ক্লিয়ার ধারনা নিতে পারবেন।

আপনি নিজে GD- এর নমুনা কপি জমা দিলে কোন টাকা লাগার কথা না । তবে তাদের দ্বারা GD- এর নমুনা কপিতে লেখা লেখির জন্য ১০০-২৫০ টাকা ফি দেওয়া লাগতে পারে।

সাধারণ ডায়েরী/GD- এর নমুনা কপি ডাউনলোড করুন 

যেহুতু আইনি বিষয় গুলো নিয়ে আমাদের সবার তেমন একটা ধারনা থাকে না। সেহুতু আপনার সুবিধার কথা চিন্তা করে একটা জিডি কপির নমুনা দিচ্ছি ৷

যেন আপনি থানাতে জিডি করার সময় এই নমুনা দেখে অনুমান করতে পারেন। যে আপনি কি সঠিকভাবে থানায় গিয়ে Nid Card হারানোর জিডি করতে পারছেন কিনা।

তো একটি সাধারন জিডি এর নমুনা দেখতে কেমন হয়। সেটি সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা নেওয়ার জন্য নিচের পিকচার এর দিকে ভালো ভাবে লক্ষ্য করুন। 

সাধারণ ডায়েরী কপি বা NID GD Copy
সাধারণ ডায়েরী কপি বা GD Copy

আশা করা যায়, আপনি যদি উপরোক্ত পিকচার এর দিকে ভালোভাবে লক্ষ্য করেন। তাহলে জিডি কপির নমুনা রিলেটেড সমস্ত ধোঁয়াশা একেবারে পরিস্কার হয়ে যাবে।

💡PRO TIPS: যদি আপনার সমস্যার সমাধান খুব দ্রুততার সাথে পেতে চান। তাহলে আপনার প্রয়োজনে আপনি উপরোক্ত জিডি কপির নমুনা পিকচারটি ফোনে ডাউনলোড করে রাখতে পারবেন।

এতে করে আপনাকে আর দ্বিতীয়বার এই পিকচারটি খুজতে হবে না। এবং আপনার প্রয়োজন অনুসারে এই নমুনাটি ব্যবহার করতে পারবেন। 

GD Formate Download Docx file

তো আপনি যদি উপরোক্ত কাজ গুলো সঠিকভাবে করতে পারেন। তাহলে ধরে নিবেন যে আপনি জাতীয় পরিচয় পএ হারানোর পর প্রথম যে পদক্ষেপটি আছে।

তা আপনি একেবারে সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছেন।

আপনার জন্য আরো দেখুন…

এখন আপনাকে পরবর্তী ধাপ গুলো সঠিকভাবে অনুসরন করতে হবে। এখন জানার বিষয় হলো যে, Nid Card হারিয়ে যাওয়া বা কোনো কারনে নষ্ট হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গুলো কি কি।

তো চলুন এবার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

জাতীয় পরিচয় পত্র রি-ইস্যু কিভাবে আবেদন করব?

তো এবার আসা যাক মূল আলোচনায়। এতোক্ষন থেকে আপনি এনআইডি কার্ড হারানোর পর প্রথম পদক্ষেপ গুলো জানতে পারলেন।

আশা করি আপনি উপরোক্ত আলোচনা গুলো বেশ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। আর যদি না বুঝে থাকেন। তাহলে আপনাকে অনুরোধ করবো পুনরায় আরেকবার পড়ার।

নাহলে অনেক বিষয় সম্পর্কে আপনার অজানাই থেকে যাবে।

এখন যদি আপনার মূল্যবান Nid Card টি নষ্ট হয়ে যায় কিংবা হারিয়ে যায় ৷ তাহলে আপনাকে নেই কার্ডটি রি-ইস্যু করার জন্য আপনাকে আবেদন করতে হবে ৷

এবং এই কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য আপনাকে বেশ কিছু ধাপ অতিক্রম করতে হবে। চলুন এবার সেই ধাপ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেয়া যাক।

হারিয়ে যাওয়া জাতীয় পরিচয় পএের রি-ইস্যু করার জন্য আবেদন করতে হলে আপনাকে সবার আগে একটি লিংকে প্রবেশ করতে হবে।

💡Apply Link:- পরিচয় পত্রের রি-ইস্যু করার জন্য আবেদন ওয়েবসাইট

Nid Card রি-ইস্যুর জন্য আবেদন করার পদ্ধতি 

Nid card  হারিয়ে গেলে করনীয় হিসেবে আপনাকে বেশ কিছু ধাপ অতিক্রম করতে হবে। তো সবার আগে আপনাকে উপরে দেওয়া লিংকটি তে ক্লিক করতে হবে।

এরপর আপনাকে পরবর্তী ধাপ গুলো অনুসরন করতে হবে। নিচে সেই ধাপ গুলো স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করা হলো। 

  • যদি আপনি উপরের লিংকটি তে ক্লিক করেন। কিংবা কোনো Browser থেকে এই সাইটে প্রবেশ করেন। তাহলে আপনি নিচের পিকটার এর মতো একটি ইন্টারফেস দেখতে পারবেন। 
Nid Card রি-ইস্যুর জন্য আবেদন করার পদ্ধতি 
Nid Card রি-ইস্যুর জন্য আবেদন করার পদ্ধতি
  • এরপর আপনি নিচের পিকচারে মার্ক করা অংশের মতো “রেজিষ্টেশন করুন নামক একটি অপশন দেখতে পারবেন। আপনাকে সেই অপশনে ক্লিক করতে হবে।
  • কারন যেহুতু আপনি এর আগে উক্ত সাইটে প্রবেশন করেন নাই। সেহুতু আপনাকে নতুন করে Registration করতে হবে। 
  • এখন আপনি যখন উপরে দেখানো অপশনটি তে ক্লিক করবেন। তখন আপনাকে আপনার NID card এ থাকা নম্বর এবং জন্ম তারিখ দেয়ার জন্য খালি বক্স দেওয়া হবে।
nid রেজিষ্টেশন
nid রেজিষ্টেশন
  • আপনাকে একেবারে সঠিক তথ্য দিয়ে উক্ত বক্স গুলো পূরন করে নিতে হবে। মনে রাখবেন, এই তথ্য গুলো যেন কোনো ভাবেই ভুল না হয়। 
  • এর পর আপনার বর্তমান ঠিকানা সহ কিছু তথ্য পুরণ করে সাবমিট দিলে রেজিষ্টেশন হয়ে যাবে।

তো প্রাথমিক অবস্থাতে NID Card রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে আপনাকে উপরোক্ত কাজ গুলো অবশ্যই বেশ মনোযোগ দিয়ে করতে হবে।

এখন আপনি যদি nid card  হারিয়ে গেলে করনীয় কাজ গুলো সঠিকভাবে করতে চান। তাহলে আপনাকে কিছু পরিমান টাকা প্রদান করতে হবে।

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড যদি রি-ইস্যু করতে হয়। তাহলে এখানে আপনার কত টাকা খরচ করতে হবে। তো চলুন এবার সে নিয়ে একটা ক্লিয়ার ধারনা নেয়া যাক। 

NID Card রি-ইস্যু করতে কত টাকা খরচ হবে?

টাকার বিষয়টি সম্পর্কে আপনাকে একটা ক্লিয়ার ধারনা নিতে হবে। কেননা, আমরা সবাই জানি যে টাকা ছাড়া কোনো কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।

আর আমি আপনাকে আগেই বলেছি যে, আপনার nid card  হারিয়ে গেলে করনীয় কাজ গুলো সম্পন্ন করতে বেশ কিছু টাকা খরচ করতে হবে।

তো এখন জানার বিষয় হলো যে, এই NID Card রি-ইস্যু করতে আপনার মোট কত টাকা খরচ হবে? – চলুন এবার সে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। 

এখন ভালো লাগার মতো বিষয় হলো যে, Nid Card রি-ইস্যু করতে আপনার খুব বেশি টাকার প্রয়োজন হবে না। এই কাজটি করতে হলে আপনার মোট ২৩০/- এর মতো প্রয়োজন হবে।

অর্থ্যাৎ, আপনি যদি তাদেরকে দুইশত তিরিশ টাকা প্রদান করেন। তাহলে কিন্তুু আপনি কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই উক্ত কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন।

⇒নোটঃ NID Card reissue করার জন্য কত টাকা লাগবে বিস্তারিত এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।

তবে এই টাকার পরিমান শুনেই আপনার চলে যাওয়া উচিত নয় ৷ কেননা, এই টাকা আপনি কাকে দিবেন, কিভাবে দিবেন। সে সম্পর্কে যদি পরিস্কার ধারনা না নেন।

তাহলে কিন্তুু মাঝপথে গিয়ে আপনি দিশেহারা হয়ে পড়বেন ৷

কেননা, আমাদের এনআইডি সংশোধন করার জন্য অফিশিয়াল ওয়েবসাইট রয়েছে। সেটা কিন্তুু সিম্পলভাবে ডিজাইন করা হয়নি।

অর্থ্যাৎ, হুট করে একজন নতুন মানুষ এই সাইটে প্রবেশ করার পর কিছুই বুঝতে পারবে না।

কিন্তুু আমি চাইনা যে, আপনিও অন্যান্য মানুষের মতো পেমেন্ট করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন ৷ তাই আমি আপনাকে Payment Mathod টি স্টেপ বাই স্টেপ বুঝিয়ে দিবো।

কারন আপনি হলেন আমার ওয়েবসাইট এর একজন নিয়মিত পাঠক। তো চলুন এবার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

কিভাবে NID Card এর রি-ইস্যু পেমেন্ট পরিশোধ করবেন?

তো Payment Mathod টি আহামরি কিছু না। তবে এ বিষয়ে না জানলেও আপনার নানাবিধ সমস্যা হবে। কেননা, এই কাজটি করতে গেলে আপনাকে বেশ কিছু ধাপ অতিক্রম করতে হবে। যেমনঃ

  • সবার আগে আপনি কোন মাধ্যমে টাকা দিতে চান। তা আপনাকে পূর্বে থেকেই নিশ্চিত করতে হবে। যেমন, আপনি কি Bkash না রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন। তা আপনাকে পূর্বে থেকেই নির্ধারন করে নিতে হবে। 
  • তো ধরে নিলাম যে আপনি বিকাশ থেকে এই পেমেন্ট টি করতে চান। তাহলে সবার আগে আপনাকে আপনার মোবাইল থেকে Bkash App টি অপেন করতে হবে। 
  • যখন আপনি আপনার মোবাইল থেকে বিকাশ এপস ওপেন করবেন ৷ তখন আপনাকে Bill-Pay নামক অপশনটি তে ক্লিক করতে হবে। বলে রাখা ভালো যে, এখানে আপনি ভুলেও Cash out বা Send মানিতে ক্লিক করবেন না। 
  • এবার আপনার বিলার আইডি হিসেবে “1000”- টাইপ করবেন। এবং যখন আপনি বিলার আইডি প্রবেশ করাবেন ৷ তখন আপনাকে আপনার এনআইডির নম্বরটি বসিয়ে দিতে হবে। 
  • তো উপরোক্ত কাজ গুলো করার পরে আপনি কি কারনে এই টাকা গুলো প্রদান করছেন ৷ তা আপনাকে নিচে থাকা Drop Down মেনু থেকে নির্বাচন করে নিতে হবে। 
  • এবার যেহুতু আপনি Nid Card রি-ইস্যুর জন্য পেমেন্ট করবেন ৷ সেহুতু অবশ্যই ড্রপ ডাউন মেনুতে উক্ত অপশনটি সিলেক্ট করে রাখবেন। 
  • সবশেষে আপনাকে আপনার মোবাইল নম্বর টি প্রদান করতে হবে। মনে রাখবেন, আপনার দেয়া এই মোবাইল নম্বরটি যেন কোনো ক্রমেই ভুল না হয়। 
  • উপরোক্ত কাজ গুল করার পর আপনার বিল পে করার কাজ গুলো সম্পন্ন হবে। 

তো আপনি যদি উপরোক্ত ধাপ গুলো সঠিকভাবে করতে পারেন। তাহলে আমার বিশ্বাস যে আপনার বিল পে করার টাকা গুলো একেবারে সেফলি নির্বাচন কমিশন এর রেজিস্ট্রার করা নম্বরে টাকা চলে যাবে।

এবং যখন তাদের নম্বরে আপনি টাকা প্রদান করবেন। তখন আপনি খুব সহজেই nid card  হারিয়ে গেলে করনীয় কাজের জন্য আবেদন করতে পারবেন ৷ 

জাতীয় পরিচয় পত্র রি-ইস্যুর আবেদন করার পদ্ধতি 

তো যখন আপনি উপরোক্ত ধাপ গুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন করবেন ৷ তখন ধরে নিবেন যে আপনি রি-ইস্যু করার প্রায় অর্ধেক কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছেন।

এখন আপনাকে বদবাকি কাজ গুলো সম্পন্ন করতে হবে। আর সেই কাজ গুলো করার জন্য আপনাকে পরবর্তী ধাপ গুলো বেশ সর্তকতার সহিত অনুসরন করতে হবে। যেমনঃ 

  • যখন আপনি সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন ৷ তখন আপনি রি-ইস্যু নামক নতুন একটি অপশন দেখতে পারবেন ৷ এবার আপনাকে নতুন সেই অপশনটি তে ক্লিক করতে হবে। 
  • এরপর আপনি সবার উপরে ডান পাশে Edit নামক একটি অপশন দেখতে পারবেন ৷ আপনাকে সেই ইডিট নামক অপশনে ক্লিক করতে হবে। 
  • এখন আপনি সবার শুরুতে যে জিডি করছিলেন। সেই জিডির নমুনা কপিতে যে GD Number,  NID Number, GD Date, Name of the police officer এই যাবতীয় তথ্য গুলো দিতে হবে। 

💡ALART: মনে রাখবেন আপনি এখানে যে তথ্য গুলো দিবেন ৷ সেগুলো কিন্তুু অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই লক্ষ্য রাখবেন, যেন এই তথ্য গুলোতে কোনো প্রকার ভুল না থাকে ৷

  • যখন আপনি উপরোক্ত তথ্য গুলো দিয়ে খালি বক্স গুলো পূরন করবেন। তখন আপনাকে “পরবর্তী” নামক অপশনটি তে ক্লিক করতে হবে। 
  • পরবর্তী অপশনে ক্লিক করার পর আপনাকে বেশ কিছু অপশন দেখাবে। যেমন, আপনি যে পূর্বে টাকা পেমেন্ট করছিলেন। তার বিস্তারিত দেখতে পারবেন। 
  • এর পরবর্তী ধাপে আপনার কাছে যে জিডি করার কপিটি থাকবে। তা স্ক্যান করে পিকচারটি পাঠিয়ে দিতে হবে। 
  • এরপর আপনার যাবতীয় তথ্য গুলো অনলাইন এর মাধ্যমে তাদের কাছে প্রেরন করতে হবে। 
  • এই কাজটি করার পর আপনাকে একটা রিসিভ কপি দেওয়া হবে। আপনি অবশ্যই সেই কপিটা ডাউনলোড করে রাখবেন৷ কেননা, এই কপিটা আপনার পরবর্তী সময়ে অনেক কাজে লাগবে।

ব্যাস! আপনি যদি উপরোক্ত ধাপ গুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারেন। তাহলে আপাততো আপনার কাজ শেষ।

এবার যা করার তা নির্বাচন কমিশন করবে ৷ আর আপনার শুধু একটি কাজ থাকবে, তাহলো অপেক্ষা করা ৷ কেননা, এই কাজ গুলো একটু হলেও ধীর গতিতে হয় ৷

আর সেজন্য আপনার অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প উপায় থাকবে না। 

নতুন রি-ইস্যু করা NID কত দিন সময় লাগবে?

তো এখন যে বিষয়টি জানা অতি গুরুত্বপূর্ণ। তা হলো, রি-ইস্যু করার জন্য আপনি যে আবেদন করলেন। এখন পুনরায় সেই NID Card টি পেতে হলে আপনাকে মোট কতদিন অপেক্ষা করতে হবে?-

তো চলুন এবার সে নিয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

সত্যি বলতে এই কাজ গুলো অনেক ধীর গতিতে হলেও আপনি খুব দ্রুততার সাথে আপনার হারিয়ে যাওয়া Nid card রি-ইস্যু করতে খুব বেশি একটা সময় লাগবে না।

যদি আপনি সঠিকভাবে Apply (আবেদন) করেন। তাহলে খুব বেশি হলেও ৩ থেকে ১০ দিন কার্যদিবস এর মধ্যে রি-ইস্যু এর কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।

এবং আপনি আবেদন করার সময় যে Mobile Number টি দিয়েছিলেন। সেই নম্বরে একটি মেসেজ যাবে। এবং আপনাকে যাবতীয় তথ্য গুলোর আপডেট দেওয়া হবে।

এবং আপনার ফোনে এই মেসেজটি আসা পর্যন্ত আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য্য সহকারে অপেক্ষা করতে হবে।  

NID রি-ইস্যু কার্ড কিভাবে পাবো?

তো সর্বশেষ যে প্রশ্নটি আপনার মনে জাগবে। তা হলো আপনি যে এতো কষ্ট করে হারিয়ে যাওয়া NID Card এর রি-ইস্যু করবেন৷ সেই কার্ডের জন্য আপনি যে এতো গুলো কাজ করলেন।

সেই কাজের বিনিময়ে আইডি কার্ড টি কিভাবে আপনার হাতে নিতে পারবেন। তো চলুন এবার সে নিয়ে একটু বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

এখন আপনি আবেদন করার পর যখন আপনার প্রদান করা মোবাইল ফোনে এসএমএস আসবে। তখন আপনাকে পুনরায় নির্বাচন কমিশন এর ওয়েবসাইট যেতে হবে এবং পুনরায় লগ ইন করতে হবে।

এবং যখন আপনি পুনরায় Log in করবেন। তখন আপনি আপনার NID Card টি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এবং সেই কপিটি কে স্ক্যান করে পরবর্তীতে ব্যবহার করতে পারবেন। 

আপনি কি কি জানতে পারলেন? 

আজকের আর্টিকেলে আমি nid card  হারিয়ে গেলে করনীয় বিষয় গুলো কে ধাপে ধাপে বুঝিয়ে বলার চেস্টা করেছি। এবং এই মূল্যবান ধাপ গুলো যেন আপনি ভুলে না যান ৷

সেজন্য এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলোকে স্বল্প আকারে পৃনরায় আরেকবার রিপিড করবো।

তো আজকে জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে করনীয় রিলেটেড এমন অনেক অজানা বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। যেমনঃ

  • পুরাতন আইডি কার্ড ডাউনলোড
  • আইডি কার্ড বের করার নিয়ম
  • ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার
  • অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন
  • স্মার্ট কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয় কি
  • পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড
  • পুরাতন আইডি কার্ড বের করার নিয়ম
  • কিভাবে অনলাইন থেকে স্মার্ট কার্ড ডাউনলোড করবেন দেখুন
  • অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন
  • নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে
  • জাতীয় পরিচয় পত্র pdf
  • ভোটার তথ্য
  • হারানো ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড
  • জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই
  • ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে বের করার নিয়ম
  • জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফরম ১

তো আমি আবারও বলছি যে, আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে করনীয় কাজ গুলো করতে হলে উপরোক্ত বিষয় গুলো সম্পর্কে একটা ক্লিয়ার ধারনা থাকতে হবে।

আপনার জন্য আরো আর্টিকেল…

যদি আপনি অলসতা করে উপরোক্ত বিষয় গুলো মনোযোগ সহকারে না পড়েন৷ তাহলে এমন অনেক বিষয় থাকবে, যেগুলো আপনার অজানাই থেকে যাবে। 

Nid Card হারিয়ে গেলে করনীয় নিয়ে আমাদের শেষকথা

আজকের আর্টিকেলে আমি Nid Card হারিয়ে গেলে করনীয় বিষয় গুলোর প্রতিটা ধাপ স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করেছি। আশা করি জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে করনীয় ধাপ গুলো আপনি বেশ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন।

এরপরও যদি আপনার nid card  হারিয়ে গেলে করনীয় বিষয় নিয়ে কোনো রকম প্রশ্ন থাকে। বা কোনো কিছু বুঝতে না পারেন। তাহলে প্লিজ কমেন্ট করে জানাবেন।

আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো আপনার সমস্যার সমাধান করার।

আর এমন সব হেল্পফুল আর্টিকেল পেতে চাইলে Bangla it blog এর সাথেই থাকবেন ৷ ধন্যবাদ

5 thoughts on “NID Card হারিয়ে গেলে কি করবেন | জাতীয় পরিচয় হারিয়ে গেলে কি করবেন [রি-ইস্যু সমাধান]”

  1. ভালো লাগলো। ভালোই গুছিয়ে লিখেছেন। ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HandsUp! কপি করা যাবে না বস!

Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap