সফটওয়্যার কি ? সফটওয়্যার এর কাজ কি ও কত প্রকার? 

সফটওয়্যার কি? সফটওয়্যার এর কাজ কি? – এই তথ্য গুলো বিস্তারিত জেনে নেয়াটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

সফটওয়্যার কি ? সফটওয়্যার এর কাজ কি ও কত প্রকার? 
সফটওয়্যার কি ? সফটওয়্যার এর কাজ কি ও কত প্রকার?

কেননা, আজকের দিনে এসেও আপনি যদি সফটওয়্যার কি সে সম্পর্কে না জানেন। তাহলে এই প্রযুক্তির যুগে আপনি অনেক গুন পিছিয়ে থাকবেন। 

কেননা, এই ডিজিটাল সময়ে আমরা কমবেশি সবাই আধুনিক Electronic Device ব্যবহার করে থাকি।

আর এই ডিভাইস গুলো কে পরিচালনা করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি।

কিন্তুু দুঃখজনক হলেও সত্যে যে, আমরা অনেকেই সফটওয়্যার কি সে সম্পর্কে ক্লিয়ার ভাবে জানি না।

আর এই না জানা বিষয় গুলো কে জানিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যেই মূলত আজকের আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে ।

যদি আপনি Software এর আদ্যপন্ত সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে অবশ্যই আজকের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

⇒PRO TIPS: শুধু তাই নয়, সফটওয়্যার কে স্পর্শ করা যায় না কেন। সে নিয়ে যথেষ্ট ধারনা দেয়ার চেস্টা করবো। 

সফটওয়্যার কাকে বলে ? (What is software in Bangla)

সর্ব প্রথম আপনাকে জানতে হবে যে, সফটওয়্যার কাকে বলে। তাহলে এই রিলেটেড পরবর্তী আলোচনা গুলো আপনার বুঝতে অনেক সুবিধা হবে।

আর আপনার বোঝার সুবিধার জন্য যেটুকু করার দরকার। আমি তার কোনো কমতি রাখবো না।

যদি আমি Software কে সংঙ্গায়িত করি। তাহলে বলবো, চলমান সব ইলেকট্রনিক পন্য গুলো কে সঠিক ভাবে পরিচালনা করার জন্য।

আপনার জন্য আরো লেখা…

যেসব প্রোগ্রাম বা কোডিং এর প্রয়োজন হয়। তাকে সহজ কথায় বলা হয় সফটওয়্যার।

কিন্তুু এই কথায় আপনার চিড়ে নাও ভিজতে পারে। তাই বিষয়টা কে আরও একটু ক্লিয়ার করা উচিত।

দেখুন, হয়তবা বর্তমানে আপনি মোবাইল অথবা কম্পিউটারে এই লেখাটি পড়ছেন। এবং অবশ্যই আপনি কোনো না কোনো Browser এর মাধ্যমে অনলাইনে প্রবেশ করেছেন।

তো এই যে ব্রাউজার রয়েছে। মূলত একেই বলা হবে, Software

সফটওয়্যার এর কাজ কি?

উপরোক্ত আলোচনা থেকে সফটওয়্যার কাকে বলে। সে সম্পর্কে পরিস্কার একটা ধারনা পেয়ে গেছেন। তো এবার আপনাকে জেনে নিতে হবে যে, এই সফটওয়্যার এর কাজ কি?

অর্থ্যাৎ, কেন আমরা সফটওয়্যার ব্যবহার করবো? – চলুন এবার সে সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারনা নেয়া যাক। 

তো সফটওয়্যার এর মূল কাজ হলো, হার্ডওয়্যার কে পরিচালনা করা

অর্থ্যাৎ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যেসব Electronic Device ব্যবহার করি। সেইসব ডিভাইস গুলোকে সঠিক নির্দেশনা মতো কাজ করার উদ্দেশ্যেই Software ব্যবহার করা হয়।

যেমন ধরুন, আপনার হাতে একটি মোবাইল ফোন আছে। এখন আপনি চাচ্ছেন আপনার ফোনে গান শুনবেন।

এখন আপনি আপনার ফোন কে নির্দেশ দিলেন যে আপনার মেমোরি কার্ডে থাকা গান গুলো কে প্লে করার জন্য।

তখন সে আপনার ফোনে থাকা Music Player এর মাধ্যমে গান প্লে করবে। এবং আপনি তখন আপনার ফোনে গান শুনতে পারবেন।

তো আপনি যে আপনার নির্দেশ মোতাবেক আপনার ফোনটি কে ব্যবহার করছেন। এটা মূলত সম্ভব হচ্ছে আপনার ফোনে থাকা সফটওয়্যার এর মাধ্যমে।

আশা করি এই বিষয় টুকু সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারনা পেয়ে গেছেন।

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এই সফটওয়্যার আর হার্ডওয়্যার এর মধ্যে পার্থক্য কি? – চলুন এবার এই পার্থক্য সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

⇒Quick Note: সহজ কথায় কোনো ইলেকট্রিনক ডিভাইস কে সঠিক নির্দেশে কাজ করার জন্য সফটওয়্যার বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার এর মধ্যে পার্থক্য কি? 

যেহুতু আপনি Software এর অদ্যোপন্ত সমন্ধে জানতে এসেছেন। সেহুতু হার্ডওয়্যার সম্পর্কে জেনে নেয়াটাও অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

কেননা, আপনি যদি এই বিষয়টি সম্পর্কে পূর্নাঙ্গ ভাবে না জানেন। তাহলে আপনার জানা বিষয় গুলো অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

এ দুটির মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো, আপনি কখনও এই সফটওয়্যার কে স্পর্শ করতে পারবেন না।

কিন্তুু একজন মানুষ ইচ্ছে করলেই Hardware কে স্পর্শ করতে পারবে। কেননা, আপনার কম্পিউটারে থাকা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সার্কিট গুলো যদি হার্ডওয়্যার হয়।

তাহলে আপনি সহজেই এই সার্কিট গুলো কে স্পর্শ করতে পারবেন। কিন্তুু আপনি চাইলেও সেই কম্পিউটারে থাকা প্রোগ্রাম গুলো কে স্পর্শ করতে পারবেন না।

অপরদিকে এই স্পর্শ করা ছাড়াও আপনি আরও অনেক দিক থেকেই ভিন্নতা লক্ষ্যে করতে পারবেন।

যেমন, হার্ডওয়্যার এর মাধ্যমে কোনো একটি ডিভাইস এর পূর্নাঙ্গ রুপ দেয়া সম্ভব। আর সেই ডিভাইস কে পরিচালনা করার দায়িত্ব হলো সফটওয়্যারের ৷

তো এই দু একটি পার্থক্য থেকে আশা করা যায় যে, আপনার মধ্যে Hardware এবং Software এর মধ্যে থাকা পার্থক্য সমন্ধে কিছুটা হলেও অনুমান করতে পেরেছেন ৷

এখন চলুন এবার অন্য টপিকে ফিরে যাওয়া যাক। 

সফটওয়্যার কত প্রকার ও কি কি?

উপরের এই স্বল্প আলোচনা থেকে আপনি এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

যেমন, প্রথমে আপনি জেনেছেন যে, সফটওয়্যার কাকে বলে। এরপর আপনি জেনেছেন, Software এবং Hardware এর মধ্যে থাকা পার্থক্য সম্পর্কে।

তো এবার আপনাকে জানতে হবে যে, সফটওয়্যার কত প্রকার ও কি কি।

সত্যি বলতে আমরা যেমন প্রতিনিয়ত দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করি।

ঠিক তেমনি ভাবে কাজ ও গুনাগুন এর উপর ভিভি করে সফটওয়্যার কে ২ টি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন,

  • System Software এবং 
  • Application Software 

তো কাজের উপর নির্ভর করে আপনি সফটওয়্যার কে এই দুটি ভাগে ভাগ করতে পারবেন। কিন্তুু এই দুটি ভাগের মধ্যে কি কি আছে। এবার সে নিয়ে একটু বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো। 

What is System Software? | সিস্টেম সফটওয়্যার কাকে বলে? 

পৃথিবীতে যতো ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো System Software.

যাকে প্রধান অংশ বিবেচনা করা হয়ে থাকে। মূলত এই ধরনের সফটওয়্যার গুলোর মাধ্যমে কোনো একটি Language কে আলাদা একটি Language এ কনভার্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

যেমন ধরুন, আমরা মানুষরা একেক জন একেক ভাষায় কথা বলে থাকি। কেউ হিন্দিতে কথা বলে, আবার কেউ বাংলায় কথা বলে।

আবার কেউ কেউ ইংরেজি তে কথা বলে। কিন্তুু সমস্যা হলো, যেসব ভাষায় আমরা কথা বলি। সেই ভাষা গুলো কোনো মেশিন বুঝতে পারেনা।

কারন মেশিন শুধুমাএ একটি ভাষা বুঝতে পারে। যার নাম হলো, Machine Language. এবং আপনি যদি কোনো প্রোগ্রামিং রিলেটেড কাজ করেন।

তাহলে অবশ্যই আপনাকে মেশিন ল্যাঙ্গয়েজের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। অপরদিকে এই Language টি মানুষের কাছে সহজেই বোধগম্য হয়না।

তো এইসব ঝামেলা থেকে একেবারে রেহাই পাওয়ার জন্য সব ভাষাকে যেন মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে কনভার্ট করা যায়।

সেজন্য নতুন একটি সফটওয়্যার এর আর্বিভাব ঘটে। যাকে আমরা System Software বলে থাকি। 

সিস্টেম সফটওয়্যার এর বিশেষ কাজ কি? 

আপনার একটা বিষয় জেনে নেয়া উচিত। তাহলো প্রত্যেকটা সফটওয়্যার এর বিশেষ কিছু কাজ থাকে।

আর সেই Software গুলোকে শুধুমাএ ঐ বিশেষ কাজ এর জন্যই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যদি System Software এর দিকে লক্ষ্যে করেন। তাহলে আপনি বেশ কিছু কাজ দেখতে পারবেন ৷ যেমনঃ 

💡⇒ সিস্টেম সফটওয়্যার এর প্রধান কাজ হলো, আমরা যেসব হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। সেগুলো কে সুনির্দিষ্ট ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। যে কারনে মূলত সিস্টেম সফটওয়্যার ব্যবহার করা। 

💡⇒ এছাড়াও এই ধরনের সফটওয়্যার গুলো আপনার কম্পিউটার এর সাধারন কার্যকারিতা প্রদান করে থাকবে।

💡⇒ কোনো একটি কম্পিউটার এর শুরুতেই যে কাজটি করতে হয়। তাহলো Operating System কে ইনস্টল করা।

কেননা, আপনি যদি আপনার কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম কে ইনস্টল না করেন। তাহলে কিন্তুু আপনি অন্যান্য কোনো কাজ করতে পারবেন না। 

💡⇒ যখন Language Processing এর কাজ করা হয়। তখন এই সিস্টেম সফটওয়্যার বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমনটা আমি উপরে বলেছি যে, কম্পিউটার কিন্তুু মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ ছাড়া অন্য কোনো Language বুঝতে পারে না।

তো এই কাজের জন্য সিস্টেম সফটওয়্যার অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

💡⇒ এছাড়াও কম্পিউটার এর ক্ষেএে দুটি বিষয় দেখতে পাওয়া যায়। একটি হলো User Interface Software এবং অন্যটি হলো Hardware.

তো এই দুটো বিষয় এর মধ্যবর্তী হিসেবে সিস্টেম সফটওয়্যার অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। 

সিস্টেম সফটওয়্যার এর প্রকার গুলো কি ?

আপনি সিস্টেম সফটওয়্যার সম্পর্কে জানবেন। অথচ এর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানবেন না। এটা কি করে হয়! কেননা, প্রত্যেকটা বিষয় এর যেমন বিভিন্ন ভাগ আছে।

ঠিক তেমনি ভাবে এই System Software কে আরও কয়েক টি ভাগে ভাগ করা সম্ভব। চলুন এবার সেই বিভক্ত করা ভাগ গুলো সম্পর্কে একেবারে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা যাক।

তো আপনি যদি সিস্টেম সফটওয়্যার কে বিভক্ত করতে চান। তাহলে আপনার সামনে আরও ২টি ভাগ চলে আসবে ৷ যেমনঃ

  1. Computer Management এবং 
  2. Developing Software

এখন হয়তবা আপনার মনে একটু খটকা লাগতে পারে ৷ কেননা, হয়তবা আপনার এই সিস্টেম সফটওয়্যার এর দুটি ভাগ সম্পর্কে তেমন একটা ধারনা নাও থাকতে পারে।

তো চলুন এবার সিস্টেম সফটওয়্যার এর দুটি ভাগ সম্পর্কে ছোট্ট করে জেনে নেয়া যাক। 

1. What is Computer Management Software? 

আমরা যেসব কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি। সেগুলো কে প্রতিনিয়ত Optimise, Monitor, Manage করার প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আর সেই কাজ গুলো যে ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে করানো হয়। তাকে বলা হয়, Computer Management Software.

যার মাধ্যমে কোনো একটি কম্পিউটার এর কার্যক্ষমতা থেকে শুরু করে সিকিউরিটি পর্যন্ত এই যাবতীয় কাজ গুলো করা হয়ে থাকে।

এখন এই কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কে আবার ৩ টি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমনঃ

  1. Operating system 
  2. Device drivers
  3. System utility software

তো এবার এই কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার এর বাকি ৩টি ভাগ সম্পর্কে একটু জেনে নিবো। 

০১| Operating System 

কোনো একটি কম্পিউটার ডিভাইস কে সম্পূর্ন রুপে নিয়ন্ত্রণ করার কাজটি যে করে। তাকে বলা হয় অপারেটিং সিস্টেম। যাকে এক কথায় বলা হয় OS.

তো এই OS মূলত দুটি পার্ট কে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যার একটি হলো ইউজার (user) এবং অন্যটি হলো হার্ডওয়্যার।

আর এটা তো আমরা সবাই জানি যে, একটি কম্পিউটার ডিভাইস কে কোনো Operating System ছাড়া পরিচালনা করা সম্ভব না।

কেননা, যখন কম্পিউটার এ কোনো ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা থাকবে না। তখন আপনি সেই কম্পিউটারে কোনো কাজ করতে পারবেন না ৷

এখন হয়তবা আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এই অপারেটিং সিস্টেম আবার কি জিনিস। কিন্তুু এটা জানার জন্য তেমন কোনো রকেট সায়েন্স এর প্রয়োজন হবে না।

কারন আপনাকে যদি একটু উদাহরন দেয়া যায়। তাহলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন৷ তো এমন অনেক ধরনের উদারন রয়েছে। যেমনঃ

  1. Windows Os
  2. Mac Os
  3. Linux
  4. Ubuntu
  5. Android 

তো উপরোক্ত এই বিষয় গুলো আপনি আগে থেকেই জানেন। কিন্তুু অপারেটিং সিস্টেম বলাতে আপনার শুরুর দিকে একটু বুঝতে অসুবিধা হতে পারে।

কিন্তুু আমার বিশ্বাস যে, এখন আর অপারেটিং সিস্টেম চিনতে আপনার কোনো কষ্ট করতে হবে না। 

০২| Device Driver

উপরের আলোচিত আলোচনা গুলো থেকে আপনার Hardware এবং Software সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন।

তো এই দুটোর মধ্যে আরও একটি বিশেষ অনুবাদক মাধ্যম আছে। যাকে বলা হয়ে থাকে Device Driver. সাধারনত কোনো ডিভাইস কে প্রোপারলি ব্যবহার করার জন্য এই ধরনের Driver কে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

উদাহরন হিসেবে আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি। তাদের প্রায় সবাই কম্পিউটার ডিভাইস গুলোতে বিভিন্ন ধরনের Driver ব্যবহার করে থাকি। যেমনঃ 

  1. Hard Disk
  2. Keyboard 
  3. Mouse
  4. Digital Camera
  5. Web Cam

তো একটি কম্পিউটার কে সঠিক ভাবে পরিচালনা করার জন্য উপরোক্ত এই ড্রাইভার গুলো ব্যবহার করে থাকি। 

০৩| System utility software

কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার এর সর্বশেষ ভাগ এর নাম হলো System utility software. যেগুলো আপনার কম্পিউটার এর রক্ষণাবেক্ষণ করার কাজে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে।

তবে যখন কোনো নতুন কম্পিউটার নেয়া হয়। তখন অটোমেটিক্যালি ঐ ডিভাইসে পূর্বে থেকেই অনেক ধরনের System utility software দেয়া থাকে।

আপনি অনলাইন থেকে আয় করুন…

তবে আপনি চাইলে পরবর্তী সময়ে ঐ Software গুলো কে আরও বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

তো System utility software এর আওতায় এমন অনেক সফটওয়্যার এর উদাহরন রয়েছে। যেমনঃ

  1. Different Type Of Antivirus 
  2. Data Compressor 
  3. Disk Cleaner 
  4. Backup 
  5. Network Management 

এখন কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যেসব সফটওয়্যার আছে। তার সবগুলো নিয়ে উপরে বিশেষ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি উপরোক্ত এই আলোচনা গুলো আপনি ক্লিয়ার ভাবে বুঝতে পেরেছেন। 

2.What is Developing Software?

সাধারন অর্থে Develop কথাটির অর্থ হলো উন্নয়ন করা। আর যখন আপনি আপনার কাছে থাকা কম্পিউটার ডিভাইস এর উন্নয়নের লক্ষ্যে যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন ৷

তাকে বলা হবে, ডেভেলপিং সফটওয়্যার। কেননা, কার্য বিশেষে এই ধরনের সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

তবে এই developing software কে আবার মোট ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমনঃ 

  1. Programming Language 
  2. Translator 
  3. Linker
  4. Loader

কিন্তুু শুধুমাএ এই বিভক্ত করা ভাগ গুলোর নাম জেনে বসে থাকলে হবে না।

বরং এই ভাগ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে। চলুন এবার বিভক্ত করা এই ভাগ গুলো সমন্ধে একেবারে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেয়া যাক। 

১| What is Programming Language? 

সহজ কথায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা কম্পিউটার গুলো পরিচালনা করার জন্য যে সব Language ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

তাকে বলা হয়, Programming Language. অর্থাৎ, কোনো একটি কম্পিউটার ডিভাইস কিভাবে কাজ করবে। তার নির্দেশনা দেয়ার প্রক্রিয়ার জন এই প্রোগ্রামিং ল্যাংঙ্গুয়েজ গুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

তবে এই Programming Language গুলো কে আবার তিন টি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন,

  1. Machine Language 
  2. Assembly Language এবং 
  3. High Level Language 

তো এই ৩ প্রকার ল্যাংঙ্গুয়েজ সম্পর্কে আমি অন্য একটি আর্টিকেলে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেছি। তাই এগুলো নিয়ে আর বিস্তারিত আলোচনা না করাই উওম হবে।

এখন আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের Programming Language দেখতে পারবেন।

আর একেকটি ল্যাংঙ্গুয়েজ এর কাজ আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। তবে যতো প্রকার প্রোগ্রামিং ল্যাংঙ্গুয়েজ আছে।

সেগুলো কে বিশেষ কাজে High Level Language এ পরিনত করা হয়ে থাকে। যেমনঃ

  1. Python
  2. Java
  3. C
  4. C++
  5. Basic
  6. Cobol

এগুলো ছাড়াও আরও অনেক ধরনের ল্যাঙ্গুয়েজ আছে। যে গুলো কার্য বিশেষে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কেননা, প্রত্যেকটি প্রোগ্রামিং Language এর কাজ আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। 

০২| Translator 

ট্রান্সলেটর শব্দটি শোনার পর হয়তবা আপনি বুঝে গেছেন যে এই ধরনের সফটওয়্যার গুলো শুধুমাএ অনুবাদ করার ক্ষেএে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

আপনি আরো দেখুন…

যদি আপনি এমনটা ভেবে থাকেন। তাহলে বলবো আপনার ধারনা একেবারে ঠিক।

কেননা, আমরা পূর্বেই জেনেছি যে আমাদের ব্যবহার করা কম্পিউটার গুলো সব ধরনের ভাষা বুঝতে পারে না। কেননা, কম্পিউটার শুধুমাএ বাইনারি ভাষা কে ডিটেক্ট করতে পারে।

আর সে কারনে মূলত High Level Language এবং Assembly language কে অনুবাদ করার ক্ষেএে Translator ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

তবে এই Translator এর আবার ৩ টি আলাদা আলাদা ভাগ রয়েছে। যেগুলো হলো, 

  1. Assembler
  2. Compiler
  3. Interpreter 

তো কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংঙ্গুয়েজ কে মেশিন ল্যাংঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য উপরোক্ত এই তিনটি প্রকার এর মধ্যে যেকোনো এক বা একাধিক Translator কে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

০৩| Linker Software 

প্রোগ্রামিং করার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের Object গুলোকে একসাথে যুক্ত করার প্রয়োজন হয়ে থাকে। আবার কখনও কখনও বিভিন্ন ধরনের Programme কে যুক্ত করার প্রয়োজন হয় থাকে।

তো এগুলো কে বলা হয় Linker. এবং এই কাজ গুলোর জন্য যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, Linker Software. 

০৪| Loader Software 

ডেভলপিং সফটওয়্যার এর সর্বশেষে যেটি রয়েছে। তাকে বলা হয় Loader Software.

সাধারনত যেসব Excitable Programme গুলো কে আপনার মূল মেমোরি তে নিয়ে আসার জন্য এই ধরনের সফটওয়্যার গুলোর প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আর এই ধরনের সফটওয়্যার গুলোকে আপনার মেইন Memory তে নিয়ে আসার জন্য যে Load বা Re-Load এর প্রয়োজন হয়। তাকে বলা হয়, Loader Software. 

হয়তবা এই কথা গুলো আপনার মাথার উপর দিয়ে যেতে পারে। তাই বিষয়টা কে আরেকটু খোলাসা ভাবে আলোচনা করা উচিত। যেন আপনার বুঝতে সুবিধা হয়।

দেখুন, একটি সফটওয়্যার কিন্তুু বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। এবং সেগুলো কে আপনার কম্পিউটারে ব্যবহার করার জন্য. exe এক্সটেনশনে কনভার্ট করতে হয়।

এরপর আপনি সেগুলো কে আপনার কম্পিউটার ডিভাইসে ইনস্টল করতে পারবেন।

আর যখন আপনি আপনার ডিভাইসে ইনস্টল করবেন৷ তখন এই Programme গুলো আপনার মেমোরি তে এসে জমা হবে। মূলত এই ধরনের সফটওয়্যার গুলো কে বলা হয়ে থাকে Loader Software. 

সিস্টেম সফটওয়্যার এর উদাহরণ

উপরোক্ত আলোচনা থেকে আশা করা যায় আপনি সফটওয়্যার রিলেটেড অনেক অজানা তথ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

তো এবার আপনাকে জানতে হবে সিস্টেম সফটওয়্যার এর কিছু উদাহরন সম্পর্কে। কেননা, আপনি শুধু System Software সম্পর্কে জানবেন।

অথচ এর উদাহরন গুলো সম্পর্কে না জেনে থাকেন। তাহলে কিন্তুু আপনার জ্ঞান টুকু অসম্পূর্নই থেকে যাবো।

তো বেশ কিছু সিস্টেম সফটওয়্যার এর উদাহরন হলোঃ

  1. Android 
  2. Mac Os
  3. Windows Os (Win 7,8,9,10)
  4. Linux Os
  5. Network Management Software 
  6. Game Engines

তবে এগুলো ছাড়াও আরও অনেক ধরনের System Software আছে।

যেগুলো আপনি নিজে থেকেই রিসার্চ করে জানতে পারবেন। কিন্তুু অতিরিক্ত প্রয়োজন হলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি আর্টিকেল কে আপডেট করে দিবো। 

# What is Application Software? | এপ্লিকেশন সফটওয়্যার কাকে বলে? 

যখন কোনো একটি সফটওয়্যার কে শুধুমাএ নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

তাকে বলা হয় Application Software. কেননা, এই ধরনের সফটওয়্যার গুলো দিয়ে শুধুমাএ স্পেসিফিক কোনো একটি কাজ করা হয়ে থাকে। 

যেমন ধরুন, আপনি গান শোনার জন্য কোনো সফটওয়্যার কে ব্যবহার করছেন। তো এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি শুধু গান ই শুনতে পারবেন।

এর বাইরে আর কোনো কাজ করতে পারবেন না। ঠিক এই ধরনের সফটওয়্যার গুলোকে বলা হয়, এপ্লিকেশন সফটওয়্যার

তবে আপনি এই ধরনের অনেক সফটওয়্যার দেখতে পারবেন। যেমনঃ 

  1. Ms Word (Microsoft Office)
  2. Ms Excel
  3. Database Management 
  4. Multimedia এবং
  5. Internet Browser 

উপরে যে গুলো সফটওয়্যার এর নাম দেখতে পাচ্ছেন। সেগুলো মূলত Application Software এর উদাহরন।

আশা করি এই স্বল্প আলোচনা থেকে সফটওয়্যার এর দুটি ভাগ সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারনা নিতে পেরেছেন। তো চলুন এবার অন্য টপিকে আলোচনা করা যাক। 

এপ্লিকেশন সফটওয়্যার এর উদাহরণ

বর্তমান সময়ে এমন অনেক ধরনের Application Software আছে। যেগুলো শুধুমাএ স্পেসিফিক কাজ এর জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমনঃ 

  1. Ms Office 
  2. Ms Excel 
  3. Media Player 
  4. Internet Browser 
  5. Paint 
  6. Photoshop

আশা করি উপরোক্ত আলোচনা থেকে এপ্লিকেশন সফটওয়্যার গুলো সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারনা পেয়ে গেছেন। তো চলুন এবার অন্য টপিকে ফিরে যাওয়া যাক। 

সফটওয়্যার কিভাবে তৈরি করে?

আজকে আর্টিকেলের শুরুতেই বলছি যে, এই আর্টিকেলে আমি Software এর অদ্যোপন্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

আর সেই উদ্দেশ্য এবার আপনি একটা ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে পারবেন।

সেটি হলো, এই সফটওয়্যার গুলো কিভাবে তৈরি করা হয়ে থাকে। কেননা, এই বিষয়টি জানা আপনার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

তো চলুন এবার সে সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

হয়তবা এতক্ষনে আপনি জেনে গেছেন যে, Programming Language শুধু বাইনারি কোড গুলো কে ডিটেক্ট করতে পারে। যেমন, ০ থেকে ১ সংখ্যা দিয়ে যে কোড গুলো করা হয়।

কম্পিউটার শুধুমাএ সেইসব ভাষা বুঝতে পারে।

কিন্তুু এই কোড গুলো আবার মানুষের কাছে ততোটা সহজে বোধগম্য হয় না। সেজন্য যেকোনো ভাষা কে মেশিন ল্যাংঙ্গুয়েজে পরিনত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের অনুবাদক (Translator) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

যার ফলে আপনি যেকোনো ভাষাতে প্রোগ্রামিং করুন না কেন। অনুবাদক বা ট্রান্সলেটর আপনার সেই ভাষাকে মেশিন ল্যাংঙ্গুয়েজে পরিনত করে।

তো বর্তমান সময়ে এমন অনেক ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা রয়েছে। যেগুলোর মাধ্যমে Programming করা হয়ে থাকে। যেমনঃ

  1. Programming C
  2. C++
  3. Java 
  4. Python 
  5. Php
  6. SQL
  7. Javascript

এগুলো ছাড়াও আরও প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ আছে। এবং ভবিষ্যতে কাজের সুবিধার জন্য আরও নানা রকম এর Programming Language এর উদ্ভব হবে।

তবে উপরে যেগুলো আলোচনা করা হয়েছে। সেগুলো এখনও জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করে আছে।

আর আপনি এই যে Language গুলো সম্পর্কে জানতে পারলেন। মূলত এগুলোর মাধ্যমে প্রথমে কোডিং করা হয়। এবং এই কোডিং করার মাধ্যমে একটি সফটওয়্যার কে সম্পূর্ন করা হয়ে থাকে।

সবশেষে সেই Software গুলো কে আমরা আমাদের কম্পিউটার এ ব্যবহার করতে পারি। 

সফটওয়্যার ডাউনলোড করার উপায়

আপনি হয়তবা ভালো করেই জানেন যে, যখন আপনার প্রয়োজন অনুসারে কোনো Software ব্যবহার করার দরকার হবে। তখন কিন্তুু সবার আগে আপনাকে সেই সফটওয়্যার গুলো কে ডাউনলোড করতে হবে।

কেননা, আপনি যদি আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ডাউনলোড না করেন। তাহলে কিন্তুু আপনি সেগুলো কে আপনার মেমোরি তে নিয়ে আসতে পারবেন না।

আর যতক্ষণ আপনি আপনার মেমোরি তে নিয়ে আসতে পারবেন না। ততোক্ষন আপনি কোনো সফটওয়্যার কে ব্যবহার করতে পারবেন না।

তবে প্রশ্ন হলো যে কিভাবে আপনি আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারবেন।

চলুন এবার তাহলে জেনে নেয়া যাক কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে Software Download করার উপায় সম্পর্কে। 

কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সফটওয়্যার ডাউনলোড করার উপায় 

আমরা সবাই জানি যে, যখন আপনি কোনো কিছু ডাউনলোড করবেন৷ তখন আপনাকে কোনো না কোনো ওয়েবসাইট এ যেতে হবে।

তারপর আপনি আপনার কাঙ্খিত বিষয় গুলো কে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। ঠিক একইভাবে আপনি যদি সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে চান।

আপনি আরো পড়ুন…

তাহলেও কিন্তুু আপনাকে কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

সেজন্য সবার আগে আপনার Software Download Website List গুলো জেনে নিতে হবে।

তাহলে আপনি এই ওয়েবসাইট গুলো থেকে আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

তো এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখান থেকে আপনি খুব সহজে যে কোনো ধরনের কম্পিউটার সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারবেন। যেমনঃ

  1. Getitintopc.com
  2. FileHippo.com
  3. ZDNet Download
  4. Softpedia.com
  5. Tucows.com
  6. FreewareFiles.com
  7. Soft32

⚠️ Quick Alart: কম্পিউটার এর জন্য সফটওয়্যার ডাউনলোড করার সময় অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করবেন। কেননা, বিভিন্ন সাইটের সফটওয়্যার গুলো তে অনেক রকমের ম্যালওয়্যার ভাইরাস দেয়া থাকে।

যেগুলো আপনার ডিভাইস এর জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই অবশ্যই যাচাই বাচাই করে Software Download করে নিবেন। 

সফটওয়্যার নিয়ে আমাদের শেষকথা

আজকের এই সম্পূর্ন আর্টিকেলে আমি সফটওয়্যার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

সফটওয়্যার কি এবং সফটওয়্যার কত প্রকার এ সমস্ত খুটিনাটি বিষয় গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি বেশ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। তবে আরও কোনো সমস্যা থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন ৷

Bangla it blog এর সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। 

Related article

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখা কপি করবেন না!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap