সার্চ ইঞ্জিন কি ? সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে ? – বাংলা আইটি ব্লগ

সার্চ ইঞ্জিন কি ? Search engine এর কাজ কি? বা কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে। সকল প্রশ্নের উত্তর আজকের আর্টিকেল থেকে পেয়ে যাবেন।

বর্তমানের সময় হল ইন্টারনেটের আর এই যুগ সকল তথ্য প্রাপ্তিকে খুব সহজ করেছে দিয়েছে। সে খবর আমরা সবাই জানি। এখন আর প্রাচীনকালের মতো ঘুরে ঘুরে কিংবা প্র্যাকটিকেল রিসার্চ করে তথ্য সংগ্রহ করতে হয় না।

আঙ্গুলের এক ক্লিকে প্রয়োজনীয় সকল তথ্যের ভান্ডার খুব সহজেই সামনে চলে আসে এখন। গুগল, ইয়াহু বিং ইত্যাদি নামকরা সার্চ ইঞ্জিন আমাদের সেই সূবর্ণ সুযোগ করে দিয়েছে।

সার্চ ইঞ্জিন কি
সার্চ ইঞ্জিন কি

আচ্ছা বলুন তো, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বড়লোকের কাতারে কারা আছে? বেশি টাকাপয়সার মালিকেরা? নাকি বেশি পরিমাণে তথ্য সংগ্রহ করতে পারা মানুষেরা?

একটু ভালোভাবে বিবেচনা করলেই বুঝতে পারবেন এই বড়লোকের কাতারে বেশি পরিমাণে তথ্য সংগ্রহে রাখা ব্যাক্তিদের ফেলা উচিত। কারণ তারা পরবর্তীতে তথ্যের সাহায্যে খুব সহজেই বাড়তি অর্থ ইনকাম করে আদতে থাকা বড়লোকদের কাতারে চলে আসবে।

অন্যদিকে কেবল অর্থ-সম্পদের দিকে এগিয়ে থাকা ব্যাক্তিদের কাছে কেবল অর্থের সমুদ্রই রয়েছে। যা তথ্যের অভাবে রিসাইকেলিং করতে না পারলে দ্রুত ফুরিয়ে যাবে। 

আচ্ছা, আমরা কি এই সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত জানি? এটি কি? এর কাজ কি? কিংবা সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে কেনো জানা জরুরি সে সম্পর্কে কি আমরা জানি?

না জেনে থাকলে চলুন আজ সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। আর যারা মোটামুটি জানে তারাও নতুন কোনো তথ্য সংগ্রহ করতে পারে কিনা দেখা যাক।

সার্চ ইঞ্জিন কি ? (What is Search Engine in bangla)

বর্তমানে দুই ধরণের মানুষ আছে। একদল সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে টুকটাক জানে কিংবা বিস্তারিত জানে। আরেকদল সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে কিছুই জানে না।

তবে না জেনেই জীবনে বহুবার ব্যবহার করেছে এবং করতেছে। আপনি যে দলেরই হোন না কেনো চাইলে আমার এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। আশা করি Search Engine নিয়ে অনেক ধরণের তথ্য জানতে পারবেন।

আমাদের আজকের এই টপিকটি হলো সার্চ ইঞ্জিন কি? তাহলে চলিন শুনি আসল কথা গুলা। সার্চ ইঞ্জিন হলো মূলত একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম। যার মূল কাজ হলো যাবতীয় সকল তথ্য জমা করা এবং গ্রাহকের প্রয়োজন অনুসারে সেই তথ্য তাদের সামনে উপস্থাপন করা।

আমরা মাকড়সার আকার সম্পর্কে জানি। এটি নেটের মতো ছড়িয়ে থাকে। ঠিক এই সার্চ ইঞ্জিনটিও এভাবে নেট দুনিয়ায় মাকড়সার মতো ছড়িয়ে তথ্য সংগ্রহ, একত্রীকরণ এবং উপস্থাপনের কাজ করে থাকে।

আপনার জন্য আরো পোস্ট…

সার্চ ইঞ্জিনে থাকা কোটি কোটি ওয়েবপেইজ হতে পারে আপনার তথ্যপ্রাপ্তির অন্যতম সেরা উৎস।

আমরা যারা তথ্য খুঁজে পাওয়ার জন্য ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল তাদের ক্ষেত্রে এই সার্চ ইঞ্জিনের গুরুত্ব কতটুকু তা সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত না জানলে বোঝা যাবে না।

আমরা সবাই যখন কোনোকিছু সার্চ করি তখন এই সার্চ ইঞ্জিন কোটি কোটি ওয়েবপেইজ থেকে সেরামানের তথ্য বা কন্টেন্ট আমাদের সামনে হাজির করে থাকে। 

ধরুন আপনি কন্টেন্ট রাইটিংয়ের বেসিক সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে সার্চ ইঞ্জিন মানে গুগলের শরণাপন্ন হলেন।

এক্ষেত্রে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় টপিকটি লিখে সার্চবারে ক্লিক করলেন। সাথে সাথে সেই সম্পর্কিত কন্টেন্ট আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি খুব সহজেই আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে নিতে পারেন। 

ইন্টারনেটের ভাষায় সার্চ করা টপিক বা প্রশ্নটাকে কিওয়ার্ড বলা হয়ে থাকে। অনেকেই এই কিওয়ার্ড সম্পর্কে জানেন না। অনেকে মনে করেন এটি জটিল কিছু একটা।

ফলে অজানা ভয় মনের মধ্যে গেঁথে এই টপিক নিয়ে ঘাটাঘাটি করার সাহস পান না। যাইহোক! যেহেতু আজ সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করছি সেহেতু এই সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কেও জেনে নেওয়া উচিত।

চলুন কিওয়ার্ড সম্পর্কেও হালকাভাবে জেনে নেওয়া যাক। হয়তো কাজেও লেগে যেতে পারে। 

কিওয়ার্ড কি ? (What is keyword in bangla)

সহজ কথায় বলতে গেলে কিওয়ার্ড হলো একটি শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা আমাদের তথ্য লাভের অন্যতম হাতিয়ার। এটি মূলত একটি ওয়েবপেইজের মূল বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে।

মূলত এই কিওয়ার্ডই আপনার সামনে ওয়েবসাইটের গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনার প্রয়োজনীয় কন্টেন্টগুলি শো করে। আরেকটু সহজ করে বললে বলতে হয় আমরা গুগলে যা লিখে সার্চ করি তাই কিওয়ার্ড। ৯ ধরণের কিওয়ার্ড আজকাল দেখা যায়।

একটি ওয়েবপেইজের সফল এসইওর ক্ষেত্রে এই কিওয়ার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। 

সার্চ ইঞ্জিন কি কাজ করে ? 

এই প্রশ্নের উত্তরটা খুব সহজ। সার্চ ইঞ্জিন আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করে। কোনো উদাহরণের সাহায্য ব্যাপারটা খোলাসা করা যাক।

আমরা অনেকসময় ঠিকানা হারিয়ে ফেলি বা নতুন কোনো জায়গা নিয়ে অপরিচিত ঠিকানা, বাড়ি, স্কুল খুঁজি। এক্ষেত্রে আমাদের উক্ত ঠিকানা খুঁজে পাওয়ার একমাত্র হাতিয়ার কি?

নিশ্চয় সেই ঠিকানা এবং আমাদের উপস্থিত বুদ্ধি বা পথচারীদের পথ দেওয়া প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য। এসব উপকরণ ছাড়া আমরা কখনোই ঠিকানা অনুযায়ী পৌঁছাতে পারবো না। 

ঠিক এই পথচারীদের ন্যায় সার্চ ইঞ্জিনও আমাদের তথ্য পেতে সাহায্য করে। আমরা যেই ঠিকানা ব্যবহার করি সেই ঠিকানাকে সার্চ ইঞ্জিনের ভাষায় কিওয়ার্ড বলা হয়।

এই কিওয়ার্ড হলো আপনার তথ্য খুঁজে পাওয়ার অন্যতম হাতিয়ার। আপনার কাজ শুধু প্রয়োজনীয় কিওয়ার্ড লিখে সার্চবারে ক্লিক করা। বাকি কাজ সার্চ ইঞ্জিনের।

এটি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যের উপর হাজার কন্টেন্ট হাজির করবে। আপনি চাইলে তার মাঝখান থেকে যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারেন।

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে?

সার্ভারে রয়েছে জমিয়ে রাখা কোটি কোটি ওয়েবপেইজ। এই সার্চ ইঞ্জিন এই জমিয়ে রাখা ওয়েবপেইজ থেকে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় কিওয়ার্ড অনুযায়ী কন্টেন্ট সামনে শো করে।

গ্রাহকের প্রয়োজনীয় এই তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সফটওয়্যারের হাত রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে এবং এর ভিন্নতাও রয়েছে। সেই অনুযায়ী এসব সফটওয়্যারেরও ভিন্নতা রয়েছে।

বিভিন্ন সফটওয়্যারের কাজ ভিন্ন ভিন্ন। কেনোটার সাথে কোনোটার কার্যক্রমই মিল নেই। 

কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন তথ্য সংগ্রহ করে?

সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে আমরা সকলেই কমবেশি জানলেও এর তথ্য সংগ্রহ করার প্রসেস সম্পর্কে জানি না। যারা জানি তারাও এই বিষয়ে মনে মনে অনেক ধোঁয়াশার সৃষ্টি করি।

আবার অনেকের মতে আমাদের প্রয়োজনীয় সকল কন্টেন্ট গুগলই তৈরি করে দেয়। যা একেবারেই ভুল ধারণা। যদিও এই ধারণা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

চলুন এবার সার্চ ইঞ্জিনের তথ্য সংগ্রহ করার প্রসেস সম্পর্কে যত প্রশ্ন আমাদের মনে রয়েছে তার উত্তর খুঁজে নিই। 

খুব সহজ কথায় সার্চ ইঞ্জিন ক্রলিং পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যগুলি সংগ্রহ করে রাখে। বর্তমানে যতগুলি সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে সবগুলোর ক্ষেত্রেই একই প্রসেস প্রযোজ্য।

আরো পড়ুন…

উক্ত ক্রলারটি লাইভ হয়ে একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এবং যতটুকু পারা যায় ততটুকু তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। পাশাপাশি কোনো ওয়েবসাইটে নতুন তথ্য যুক্ত হবার সাথে সাথেও ওয়েব ক্রলারের কার্যক্রম চলতে থাকে।

এমনকি আগের কোনো কন্টেন্ট এডিট করে যদি তা পাবলিশ করা হয় সেই আপডেট করার কন্টেন্ট মানে তথ্যটিও কিন্তু এই ওয়েব ক্রলার সংগ্রহ করে নেয়। 

সার্চ ইঞ্জিনের তথ্য সংগ্রহ করার ধাপগুলি কি কি? 

যারা মনে করেন সার্চ ইঞ্জিনের তথ্য সংগ্রহ করার পেছনে শুধুমাত্র ক্রলিং প্রসেসটি কাজ করে তাদের জন্য বলছি, আপনার এই ধারণা কিন্তু একেবারেই সঠিক নয়।

সার্চ ইঞ্জিনের তথ্য সংগ্রহ করার কাজটি বেশ কঠিন মনে হলেও বুঝতে পারলে কিন্তু খুব সহজ। আর যদি আপনি এর ধাপগুলি সম্পর্কে মোটামুটি জেনে ফেলতে পারেন তাহলে পুরো বিষয়টি আপনার কাছে আরো সহজ হয়ে যাবে।

আসুন সার্চ ইঞ্জিনের তথ্য সংগ্রহ করার ধাপগুলি সম্পর্কে জেনে নিই। 

ক্রলিং কি?

What is crawling in bangla? এটি হলো সার্চ ইঞ্জিনের তথ্য সংগ্রহ করার প্রথম ধাপ। ক্রলিং ছাড়া কখনোই কোনো কন্টেন্ট সার্চ ইঞ্জিনে শো করবে না। সার্চ ইঞ্জিনের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এই ক্রলিংটায় বেশ মূখ্য ভুমিকা পালন করে।

যখন কোনো ওয়েবসাইটে নতুন কোনো কন্টেন্ট পাবলিশ করা হয় তখন এই ক্রলিং সেই কন্টেন্ট এবং ইমেইজসহ পুরো ওয়েবপেইজটিকে খুঁজে বের করে। মূলত ইন্টারনেটে থাকা সকল কন্টেন্ট আবিষ্কার করা হয় এই ক্রলিং প্রসেসটির মাধ্যমে।

এমন কোনো ওয়েবসাইট নেই যেখানে ক্রলার ব্যবহৃত হয় না। সকল ওয়েবসাইটেই এটি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ওয়েবসাইটের সকল কন্টেন্ট লিষ্ট করে ৷ এর রোবটটি কন্টেন্টের ইমেইজ থেকে শুরু করে কিওযার্ডসহ সবকিছুই সংগ্রহ করে রাখে।

এক্ষেত্রে এই রোবটটি পেজের লে আউট, বিজ্ঞাপনের স্থান, কোথায় লিংক ব্যবহার করা হয়েছে তা কি কন্টেন্টের মধ্যে নাকি ফুটারে অদৃশ্যভাবে ইত্যাদি বিবেচনা করে তা সংগ্রহ করে। যদিও এটি তাদের অতিরিক্ত চাহিদা বা শর্ত।

ক্রলারের কাজ হলো প্রতিনিয়ত ওয়েবসাইট স্ক্যান করা। যার ফলে পরিবর্তনগুলি সাথে সাথে আপডেট হয়ে যায়। এটি আবার বিভিন্ন এডিটিংয়ের হার এবং আর্টিকেলের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে।

এখানে একটি তথ্য না জানেই নয় যে, আপনার ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট দেওয়া বন্ধ হয়ে গেলেও ক্রলার নিয়মিত আপনার সাইটে ভিজিট করবে এবং সংগ্রহ করার জন্য কন্টেন্ট খুঁজবে ৷ 

ইনডেক্সিং কি?

What is Index in bangla? সব কন্টেন্ট এলোমেলোভাবে আপনার সামনে হাজির হয়েছে। আপনি কোনোভাবেই প্রয়োজনীয় কন্টেন্টটি খুঁজে বের করতে পারছেন না। বের করা গেলেও ব্যাপারটা বেশ সময় সাপেক্ষ। এমনটা হলে কেমন হবে?

আপনি খুব বিরক্তবোধ করবেন এবং আশা হারিয়ে ফেলবেন, তাই তো? যদিও এমনটা হবার নয়! কারণ ইনডেক্সিং প্রসেসটি কখনোই এমনটা হতে দেয় না।

উপরের উদাহরণটি পড়ে আপনি নিশ্চয় ইনডেক্স করা সম্পর্কে কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন। আসুন বিস্তারিত জানা যাক।

ক্রলিং এর পর থাকা এই ইনডেক্সিং প্রসেসটি কন্টেন্টগুলিকে ডাটাবেজে একের পর এক ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজিয়ে রাখা হয়। যার ফলে আমরা কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দিলেই প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট পেয়ে যাই ৷ অসংখ্য কন্টেন্টকে লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখে এই ইন্ডেক্সিং প্রসেসটি।

যার মূল কারণ হলো ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে দ্রুত খুঁজে বের করতে পারা। 

সার্চ ইঞ্জিনের কি ফলাফল প্রদান করে?

এটি সার্চ ইঞ্জিনের প্রসেসগুলির মধ্যে সর্বশেষ ধাপ। আমরা কম বেশি এই প্রসেসটি সম্পর্কে জানি এবং অনেকেই তা এ-পর্যন্ত বহুবার ব্যবহার করেছি। আমাদের প্রয়োজনীয় কন্টেন্টগুলি কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে সার্চ রেজাল্টে শো করে এই প্রসেসটি।

সাথে কাজ করে বিভিন্ন প্রোগ্রাম, রোবট এবং হাইপারলিংক। যা কন্টেন্টকে কোয়ালিটি অনুযায়ী সার্চ রেজাল্টে শো করতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। যদিও সার্চ ইঞ্জিনের এই ধাপটি বেশ জটিল এবং খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে যারা ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করে তাদের ক্ষেত্রে এর গুরুত্বকে কখনোই অস্বীকার করা যায় না। এক্ষেত্রে ওয়েব ডেভলপার এবং সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারী উভয়কেই বেশ সতর্ক থাকতে হয়।

কারণ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করতে চাইলে কন্টেন্ট রেংকিংয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দিতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের রেংকিংয়ের ক্ষেত্রেও ভিন্ন ভিন্ন এলগরিদম রয়েছে। যা উক্ত সার্চ ইঞ্জিন সবসময় গোপন রাখার চেষ্টা করে।

ফলে খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষন করে সেই এলগরিদম খুঁজে বের করতে হয় এবং সে অনুযায়ী ওয়েবপেইজকে সাজাতে হয়। অতএব বুঝতেই পারছেন এর গুরুত্ব কতটুকু!

এবার চলুন পুরো ব্যাপারটির ছোট্ট একটি রিভিউ হয়ে যাক। এতে করে তা মনে রাখা খুব সহজ হবে। ধরুন,আপনি একটি লাইব্রেরিতে গেলেন এবং সিদ্ধান্ত নিলেন অনেকগুলি বই কিনবেন। এক্ষেত্রে আপনার বইগুলি খুঁজে পাওয়াটা হলো মূলত ক্রলিং।

সার্চ ইঞ্জিনে থাকা কোটি কোটি কন্টেন্ট থেকে ঠিক এভাবেই ক্রলার প্রয়োজনীয় কন্টেন্টগুলি সংগ্রহ করে। প্রিয় বইগুলি খোঁজে নেওয়ার পর আপনার মূল কাজ হলো কিনতে চাওয়া সবগুলি বইয়ের একটি ছোট্ট লিষ্ট করে ফেলা।

নতুবা গুলিয়ে ফেলতে পারেন। ঠিক তেমনি এই লিষ্ট করার কাজটি করে ইনডেক্সিং প্রসেসটি। এই প্রসেসের মাধ্যমে কোয়ালিটি অনুসারে সকল কন্টেন্ট সংগ্রহ করা হয়। সর্বশেষে আপনি নিশ্চয় বইগুলো বাড়িতে নিয়ে পড়বেন।

তবে পড়ার আগে নিশ্চয় লিষ্ট দেখে সিলেক্ট করবেন কোন বইটি পড়লে ভালো হবে বা কোন বইটি সবার আগে পড়া উচিত। অতঃপর বইটি পড়া শুরু করবেন। একইভাবে কাজ করে সার্চ ইঞ্জিনের এই সর্বশেষ ধাপ অর্থ্যাৎ ফলাফল প্রদানের প্রসেসটি। 

জনপ্রিয় কিছু সার্চ ইঞ্জিন

জনপ্রিয় সব সার্চ ইঞ্জিন আমাদের খুব সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমরা এসব সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করলেও অনেকেই এর ইতিহাস বা অনেককিছুই জানি না। যা জানা খুবই জরুরি। চলুন এসব সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।

গুগল সার্চ ইঞ্জিন

আমরা যারা কমবেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করি বা সার্চ ইঞ্জিনের উপর নির্ভরশীল তারা প্রায় সকলেই গুগল সম্পর্কে জানি। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এই যে আপনি সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কিত এই আর্টিকেলটি পড়ছেন এটিও কিন্তু গুগলের সাহায্যেই পড়ছেন।

এতেই এর জনপ্রিয়তা সম্পর্কে বোঝা হয়ে গেছে মোটামুটি। ল্যারি পেইজসের্গেই ব্রিন হলেন এই জনপ্রিয় গুগলের নির্মাতা। তাদের হাতেই তৈরি হয়েছিলো আজকের এই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনটি।

তারা যখন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি কোর্স করছিলো তখনকার একটি গবেষণা প্রকল্পে ব্যবহার করার জন্য তৈরি হয়েছিলো এই গুগল। পরবর্তীতে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছিলো তাদের আরেকজন বন্ধু গ্যারেজের হাত ধরে। 

গুগলকে আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন তথ্য জানার জন্য ব্যবহার করে যাচ্ছি। আচ্ছা, আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি এই গুগল নামটির উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে হতে পারে? বা আমরা কি জানি গুগল শব্দটির উৎপত্তি হওয়ার পেছনের কাহিনী সম্পর্কে?

অনেকেই হয়তো জানি না। তবে জেনে নেওয়া উচিত। মূলত ‘googol’ শব্দটি থেকে আমাদের আজকের এই গুগল বা Google শব্দটির উৎপত্তি। যারা এর মানে বুঝতে পারেন নি বা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে তাদের জন্য বলছি, এর মানে হলো টেন টু দি পাওয়ার একশো।

একটু সহজভাবে বলতে গেলে বলতে হয় ১ এর পেছনে ১০০ টি ০ থাকবে। 

এই গুগল আপনাকে হাজার হাজার সঠিক তথ্য জানাবে এবং খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। যদিও এর নিজের নামটিই ভুল। প্রতিষ্ঠাতারা চেয়েছিলেন এর নাম বাইনারী কোড সম্বলিত googol রাখতে।

প্ল্যান অনুযায়ী পরের বছর একটি ডোমেইন কেনা হয় কিন্তু সেই ডোমেইনের নামটা ভুলবশত Google নামে নিবন্ধিত হয়। ব্যাপারটা নিয়ে তারা যথেষ্ট মন খারাপ করলেও পরবর্তীতে এই ভুল নাম নিয়েই তারা যাত্রা শুরু করেন। যা বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে।

এই গুগল শব্দটির উদ্ভাবকের বয়স তখন ছিলো মাত্র ৯ বছর। অর্থ্যাৎ সে মাত্র ৯ বছর বয়সে এই শব্দটি আবিষ্কার করে ৷ খুব অবাক লাগছে তাই তো! আরো জেনে অবাক হবেন যে এই পুচকে গণিতবিদ ছিলো এডওয়ার্ড ক্যাসনার এর ভাইপো।

গাণিতিক ব্যাখ্যা সম্বলিত এই নামটি দেওয়ার পেছনে মূল কারণ ছিলো সার্চ ইঞ্জিনটি তৈরির পরে অনেক মানুষের এতে যুক্ত বা ব্যবহার করার বিষয়টি। প্রথম দিকে প্রাথমিক অবস্থায় এই গুগলের নাম দেওয়া হয়েছিলো ব্যাকরাব (backRub)। পরে তা পরিবর্তন করে গুগল রাখা হয়। 

ইয়াহু (Yahoo)

বর্তমানে জনপ্রিয় সব সার্চ ইঞ্জিনের প্রথমদিকেই জায়গায় পেয়েছে এই ইয়াহু নামক সার্চ ইঞ্জিনটি। পাশাপাশি এটিকে বেশ জনপ্রিয় বিষয় ডিরেক্টরি এবং ওয়েব পোর্টালও বলা চলে।

ইয়াহু সবসময় তার পোর্টালে থাকা অপেক্ষাকৃত ভালো এবং মানসম্মত অনুসন্ধান ফলাফলগুলি গ্রাহকের সামনে শো করার চেষ্টা করে। পাশাপাশি এটি আরো বেশকিছু সার্ভিস দিয়ে থাকে। যা একটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

মেইল, মানচিত্র, ভিডিও, খবর প্রয়োজনীয় সাইট ব্যবহার বা উপভোগের সুযোগ করে দেওয়ায় বর্তমানে অনেকেই সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে ইয়াহুর দিকেই বেশ ঝুঁকছে।

আপনি কি জানেন কখন এই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনটি তার যাত্রা শুরু করে? না জানলে তবে জেনে রাখুন, ইয়াহু তার যাত্রা শুরু করে ৯০ দশকের মাঝামাঝিতে। যার কার্যক্রম এখনো সফলতার সাথে চলমান।

তাই এটা বলা যায় যে ৯০ এর দশকে গুটিকয়েক কম্পিউটার ব্যবহার করা ব্যাক্তিরা এই ইয়াহু ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছেন। তখন অবশ্য গুগল যাত্রা শুরু করেনি। তাই প্রয়োজনের তাগিদে সকলকে এই ইয়াহুর শরণাপন্ন হতে হতো।

১৯৯৪ সালের দিকে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ২ ছাত্র জেরি ইয়াং এবং ডেভিড ফিলো একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে করেন। যার নাম ছিলো “জেরি’স গাইড টু দ্যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব”।

তখন অবশ্য সেটি অন্যান্য ওয়েবসাইটের ডিরেক্টরি হিসেবে কাজ করতো। প্রতিষ্ঠাতারা একটি বিশেষ কারণে সে বছরের মার্চ মাসেই ওয়েবসাইটটির নাম পরিবর্তন করে ফেলেন। নতুন নাম হিসেবে রাখা হয় “ইয়াহু”।

এর পরেরবার বছরই জানুয়ারীর মাঝামাঝিতে এই নতুন নামে ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করে ফেলা হয়।

একটা বিষয় খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখবেন, ৯০ দশকে ইয়াহু ব্যবহার করা ব্যাক্তিদের মধ্যে ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার নিয়ে একটু বাড়তি আবেগ কাজ করে।

আরো পড়তে পারেন…

সেসময় অর্থ্যাৎ ২০০০ সালের পর থেকে যেই জেনারেশনটি ইয়াহু ব্যবহার করছে মূলত তারাই এই ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারের প্রতি একটু বেশি পরিমাণেই আবেগি।

এই ম্যাসেঞ্জারটি যাত্রা শুরু করে ১৯৯৮ সালের দিকে। অবশ্য সেসময় যে এই ম্যাসেঞ্জারটির কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো না তাও নয়। মাইক্রোসফটের এমএসএন নামের ম্যাসেঞ্জারটি সেসময় ইয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী যোগাযোগ মাধ্যম ছিলো।

প্রচুর পরিমাণে তর্ক-বিতর্ক, কথা কাটাকাটি এমনকি ঝগড়াও হতো এই দুই ম্যাসেঞ্জার নিয়ে। যদিও তা বেশ উপভোগ্য ছিলো। তর্কে-বিতর্কে কোনো মাধ্যমকেই হারানো যেতো না। 

এবার চলুন ইয়াহু নামকরণ সম্পর্কে কিছু মজার এবং অজানা তথ্য জেনে আসি। ইয়াহু নামটি আট-দশটা প্রতিষ্ঠানের মতো কিন্তু হুট করে দেওয়া হয়নি। এটি একটি অর্থবহ বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ। যা আমরা অনেকেই এখনো পর্যন্ত জানি না ৷

জেনে রাখা ভালো Yahoo এর পূর্নরূপ হলো Yet Another Hierarchical Officious Oracle। এই বাক্যটিতে “Oracle” শব্দটিকে রেখে বোঝানো হয়েছে এটি সত্য এবং জ্ঞানের উৎস।

যদিও ফিলো এবং ইয়ানের মতে এই শব্দটি কৌতুকের ফসল। অর্থ্যাৎ তারা এটি মজা করে দিয়েছিলেন। আরো মজার ব্যাপার হলো তখনকার সময়ে ফিলোর বান্ধবী ফিলোকে মজা করে ইয়াহু ডেকে ক্ষেপাতো।

প্রথমদিকে অর্থ্যাৎ ২০০০ সালের দিকে গুগলের যাত্রা শুরু করার পর গুগলের সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতো ইয়াহু। এমনটা টানা ৪ বছর ধরে চলছিলো। পরবর্তীতে ইয়াহু নিজেই তাদের সার্চ ইঞ্জিন ডেভলপ করে তা সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে সক্ষম হয়।

পাশাপাশি তারা গুগলকে একটি অফার দেয়। সেটি হলো গুগলের জিমেইলের জবাব হিসেবে ইয়াহুর তাদের ইমেইল সার্ভিসে ব্যবহারকারীকে আনলিমিটেড স্টোরেজ দেওয়ার অফার।

খুব চাঞ্চল্যকর একটি তথ্য জেনে রাখুন আজ। অন্যান্য কোম্পানি বিশেষ করে মাইক্রোসফটের মতো যখন দেখছিলো ইয়াহুকে কোনোভাবেই দমানো যাচ্ছে না এবং এর জনপ্রিয়তা দিনদিন বেড়েই যাচ্ছে তখন তারা সিদ্ধান্ত নিলো ইয়াহুকে নিলামে বিক্রি করে দিবে।

মূলত ইয়াহু তখনকার ইমেইল সার্ভিস এবং যোগাযোগ মাধ্যম ম্যাসেঞ্জারের মতো সুযোগ-সুবিধা দেওয়ায় তা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। যা মাইক্রোসফট কোম্পানিসহ বেশকিছু বড় বড় কোম্পানি সহ্য করতে পারেনি।

২০০৮ সালে প্রায় ৪৪.৬ বিলিয়ন মূল্যে সেসময় ইয়াহুকে নিলামে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়। অর্থ্যাৎ এটি এর প্রস্তাবিত মূল্য ছিলো। কিন্তু অপ্রতিরোধ্য ইয়াহু সেটি সাথেসাথেই নাকোচ করে দিয়েছিলো।

তবে এই জনপ্রিয়তার মধ্যেও ইয়াহুকে অনেক ঝড়-ঝাপটা পার করতে হয়েছে ৷ অনেক খারাপ সময়ে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে যুদ্ধ করতে হয়েছে। ২০১২ সালে কালের শ্রেষ্ঠ খারাপ সময় পার করে এই ইয়াহু। কমে যায় মার্কেট ক্যাপিটাল। নেমে আসে দূর্দশা।

কয়েকবার হোচট খাওয়ার পরেও ইয়াহু কিন্তু দমে যায়নি। নিজের লক্ষ্যকে ঠিক রেখে যথেষ্ট চেষ্টা করে গেছে পূর্বের জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনার ৷ ইয়াহুর সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ম্যারিসা মেয়ার নতুনভাবে ইয়াহুকে গড়ে তুলতে উঠেপড়ে লাগেন।

বলা চলে হোচট খাওয়ার পর তিনিই ইয়াহুর জনপ্রিয়তা ফিরে আনতে কার্যকর এবং প্রধান ভুমিকা পালন করেন ৷ তিনি সে বছর অর্থ্যাৎ ২০১২ সালের জুলাইয়ের ১৬ তারিখ দায়িত্ব গ্রহন করেন। যদিও এর আগে তিনি লম্বা সময় ধরে গুগলে মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন।

এরপরই আসে ইযাহুর সুদিন। আস্তে আস্তে আবার ফিরে আসে তার জনপ্রিয়তা।

বলা হয়ে থাকে বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় এবং খুব পরিষ্কার একটি সার্চ ইঞ্জিন এই ইযাহু। তারা জানায় এই ভালো দিকটি আরো ভালো করার জন্য তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

অনলাইন মার্কেটিং নিয়ে…

৪.৬৮ বিলিয়ন ডলার বাৎসরিক রেভিনিউ এবং এর সর্বমোট সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া জানান দিচ্ছে এর জনপ্রিয়তার কথা। ম্যারিসা মেয়ার ইয়াহু ব্যবহারকারীদের আবেগ, অনুভুতি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে (ইয়াহু সম্পর্কিত) হতাশ করছেন না কোনোভাবেই। 

বিং (Bing Search Engine)

বিংয়ের উৎপত্তি হয় মূলত মাইক্রোসফটের ‘এমএসএন সার্চ’ বা ‘উইন্ডোজ লাইভ সার্চ’ থেকে। ২০০৯ সালের দিকে এই পরিবর্তনটি হয়। অর্থ্যাৎ মাইক্রোসফট থেকে পরিবর্তন করে সার্চ ইঞ্জিনটির নাম রাখা হয় বিং।

আচ্ছা বলুন তো, গ্রাহক দিনে যতক্ষণ পিসি ব্যবহার করে ততক্ষণ ঠিক কত সময় তারা ব্রাউজার ব্যবহার করে? মাইক্রোসফটের নিজস্ব তথ্যমতে এর উত্তর হলো, ৬০ শতাংশ সময়।

বুঝতেই পারছেন পিসি ব্যবহারেকালীন অর্ধেকের বেশি সময় গ্রাহক এই ব্রাউজার ব্যবহার করে। আপনি জানেন কি, Bing নামক সার্চ ইঞ্জিনটি মাইক্রোসফটের নিজস্ব অ্যালগোরিদম ব্যবহার করে।

মাঝেমধ্যে গুগলের মতো এটিও সার্চ ফলাফল হিসেবে উত্তরও সরবরাহ করে থাকে। একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন বিং এর হোমপেজের ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি প্রায় প্রতিদিনই পরিবর্তিত হয়। যা খুবই ইন্টারেস্টিং।

বিং নিজস্ব একটি স্লোগান ব্যবহার করে। যা খুবই অর্থবহ। স্লোগানটি হলো ‘বিং এন্ড ডিসাইড’- অর্থাৎ, Bing বিং এ সার্চ করুন এবং সিদ্ধান নিন।

ডাকডাক গো (DuckDuckGo)

ডাকডাক গো একটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম। যদিও বেশ ইন্টারেস্টিং নামটি। আজব হলেও সত্যি এটি ব্যবহারের সময় কোনো সার্চ গতিবিধিকে ট্র্যাক করে না। এর প্রাইভেসি পলিসি যথেষ্ট ভালো হওয়ায় সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

পাশাপাশি ব্যবহারের সময় এর নানানধরণের ফিচারসের কারণে এটি বেশ জনপ্রিয়। আপনি জেনে অবাক হবেন এটি ডিফল্টভাবে বিভিন্ন সার্চ লিকেজ প্রতিহত করতে সক্ষম।

মানে আপনি সার্চ করে যে লিংকে প্রবেশ করেন না কেনো তা কোনোভাবেই সেই ওয়েবসাইটটি জানতে পারবে না।  পাশাপাশি আপনি কি সার্চ করেছেন তাও জানতে পারবে না। তবে আমার কাছে এই সার্চ ইঞ্জিনের স্টপওয়াচ ফিচারটি খুব ভালো লাগে।

প্রয়োজনের সময় খুব সহজেই তা ব্যবহার করা যায় বলে এটি বেশি উপকারী একটি ফিচার। 

আমাদের শেষকথাঃ

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে এবং বেশকিছু জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের অদ্যোপান্ত সম্পর্কে জেনে নিলাম। আশা করি আমরা আর কখনোই এই ব্যাপারগুলি না জানার কারণে হীনমন্যতায় ভুগবো না।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাথে থেকে নিজের জীবনকে আরেকটু সক্রিয় করে তুলুন। আর অনলাইন জগতে নানা রকম আইটি তথ্য জানতে এবং অনলাইনে আয় নিয়ে সকল গাইডলাইন আমাদের বাংলা আইটি ব্লগ সাইটে পাবেন।

আমি নিলয় হাসান-এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি লেখালেখির কাজটাও করি। অনলাইনে প্রযুক্তির বিষয় নিয়ে যা জানি তা মানুষের মাঝে শেয়ার করার ইচ্ছায় এ ব্লগ টি তৈরি করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap