অনলাইন বিজনেস কি? অনলাইনে বিজনেস শুরু করার উপায়

বর্তমান সময়ে অনলাইন বিজনেস এর চাহিদা দিন দিন হুহু করে বাড়ছে। বিশ্বের যতো গুলো বিজনেস করার পদ্ধতি আছে। তার মধ্যে Online Business সবক্ষেএে স্থান দখল করতে শুরু করছে।

আর সেজন্যই আমার বা আপনার মতো এমন অনেকেই আছেন। যারা অনলাইন কে কাজে লাগিয়ে বিজনেস করে প্রচুর পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারছে।

অনলাইন বিজনেস কি? কিভাবে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করব?
অনলাইন বিজনেস কি?

তাছাড়া নিজের ঘরে বসে ব্যবসা করার জন্য অনলাইন বিজনেসের কোনো বিকল্প নেই। এখানে আপনি স্বল্প পরিমান পুঁজি নিয়েই কোনো একটি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, অনলাইনের ব্যবহারকারী বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে। এখানে আপনি খুব সহজেই আপনার কাঙ্খিত কাস্টমারদের খুজে নিতে পারবেন।

পন্যের প্রচার বা প্রসার থেকে শুরু করে ডেলিভারি পর্যন্ত সবগুলো কাজ করতে পারবেন এই অনলাইনের মাধ্যমে।

যেহুতু আপনি এই আর্টিকেলটি এখনও পড়ছেন। সেহুতু ধরে নিবো যে, আপনিও অনলাইন এর মাধ্যমে ব্যবসা করতে চান। যদি তাই হয়, তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য অনেক হেল্পফুল হতে চলেছে।

আপনি আরো পড়ুন…

কারন আজকে আপনি অনলাইন ব্যবসা করার কিছু গোপন টিপস জানবেন। যা আপনার ভবিষ্যতের জন্য অনেক কাজে লাগবে।

[💡Read This: অনলাইন বিজনেস করে সফল হয়েছেন। আমি এমন কিছু ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেছি। এবং তাদের সফলতার পেছনে কোন কৌশল গুলো কাজে লেগেছে। সেগুলো আজকে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো।]

শুধু তাই নয়, আপনি যদি একজন বিগেনার লেভেলের হয়ে থাকেন। তাহলে কিভাবে আপনি অনলাইন ব্যবসা এর শুরু করবেন।

কিভাবে কাজ করতে হবে এবং কিভাবে আপনি ও অন্যদের মতো প্রচুর পরিমানে টাকা ইনকাম করবেন। (অনলাইন ব্যবসার কৌশল) তার সবগুলো কৌশল আজকে তুলে ধরবো।

তাই আপনিও যদি অনলাইন ব্যবসার বিস্তারিত জানতে চান। তাহলে একটু সময় নিয়ে আজকের সম্পূর্ন আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন ৷

তাহলে আজকের পর থেকে আপনার অনলাইন বিজনেস সিস্টেম গুলো সম্পর্কে আর কোনো অজানা বিষয় থাকবে না।

[💡NOTE: এমন অনেকেই আছেন যারা অনলাইন ব্যবসা করে নিজের সফল ক্যারিয়ার গড়তে পেরেছেন। আবার অনেকেই আছেন যারা, অনলাইন এ বিজনেস করতে গিয়ে ছিটকে পড়েছেন।]

তো কেন একদল মানুষ সফলতা পেয়েছে আর কেন একদল মানুষ সফলতা থেকে ছিঁটকে পড়েছে। তার সবগুলো বিষয় নিয়েও আজকে জানতে পারবেন। 

অনলাইন বিজনেস কি?

সহজ কথায় আপনি যখন অনলাইন এর মাধ্যমে কোনো ব্যবসা করবেন। তখন তাকে বলা হবে অলাইন বিজনেস।

অর্থ্যাৎ, নিজের ঘরে বসে ইন্টারনেট কানেকশন এর মাধ্যমে কোনো ব্যবসাকে পরিচালনা করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় অনলাইন বিজনেস

যেমন ধরুন, আপনার একটি মোবাইল এর শো রুম আছে। যেখানে কাস্টমাররা সরাসরি আপনার শো রুমে এসে মোবাইল কিনে নিয়ে যায়।

এখন আপনি চাচ্ছেন যে, কাস্টমাররা সরাসরি আপনার শো রুমে আসার পাশাপাশি আপনি অনলাইনের মাধ্যমে মোবাইল বিক্রি করতে। সেজন্য আপনি একটা ওয়েবসাইট তৈরি করলেন।

এবং সেই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন মডেলের ফোনের পিক এবং দাম সেট করে দিলেন।

এখন কাস্টমাররা আপনার সেই ওয়েবসাইটে এসে মোবাইল গুলো দেখবে। এবং কেনার জন্য আপনাকে সরাসরি অর্ডার করবে। এরপর আপনি কুরিয়ার করে সেই কাস্টমারকে মোবাইল ফোনটি পাঠিয়ে দিবেন।

মূলত এটিই হলো অনলাইন বিজনেস এর মূল প্রক্রিয়া।

আমরা সবাই জানি যে, বর্তমানে প্রযুক্তির খুব দ্রুত উন্নয়ন হচ্ছে। সেই সাথে আমরাও ক্রমে ক্রমে প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে কেনাকাটা পর্যন্ত সব কাজ এখন অনলাইন এর মাধ্যমে করতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি।

আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই ব্যবসা করার জন্য বেছে নিয়েছে অনলাইনকে। যেখানে নিজের ঘরে বসে কাজ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন অনেকেই ৷ 

কেন অনলাইন বিজনেস করবেন?

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ভাই বিজনেস করার এতো আইডিয়া আছে ৷ কিন্তুু আপনি আমাকে অনলাইনে ব্যবসা করার পরামর্শ কেন দিচ্ছেন? আর আমি যদি অনলাইনে বিজনেস করি, তাহলে কি কি বেনিফিট পাবো? 

এখন এই বিষয়টি বুঝতে হলে আপনাকে আরও একটু সময় ব্যয় করতে হবে। তাহলে কেন আপনার অনলাইনে বিজনেস করা উচিত। সে সম্পর্কে একটা ক্লিয়ার ধারনা পেয়ে যাবেন।

দেখুন, আপনি যদি অনলাইনে ব্যবসা করেন। তাহলে আপনি তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি পরিমানে বেনিফিট পাবেন। যেমন, 

Reason-1: Start Everywhere 

অনলাইনে ব্যবসা করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি আপনি যেকোনো স্থান থেকে করতে পারবেন। আপনি যদি চান তাহলে এই অনলাইন ব্যবসা বাংলাদেশ থেকেও করতে পারবেন।

আবার আপনি চাইলে অন্য কোনো দেশ থেকেও করতে পারবেন।

কারন, অনলাইনে কাজ করার বিশেষ গুন হলো এই কাজ গুলো আপনি ঘরে বসেই করতে পারবেন ৷ তার জন্য আপনাকে বাইরে কোথাও যেতে হবে না।

আর অনলাইন ব্যবসা করার জন্য আপনার কোনো অফিস বা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হবে না। আপনার হাতে শুধুমাএ একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই যথেষ্ট।

যার মাধ্যমে আপনার ব্যবসার পুরো কাজকর্ম গুলো পরিচালনা করতে পারবেন। 

Reason-2: Low Cost investment

সাধারনত কোনো ব্যবসা শুরু করার মূল সূএ হলো, আপনার পূর্বে থেকেই বিনিয়োগ করার মতো সামর্থ্য থাকতে হবে। অর্থ্যাৎ, যেকোনো ব্যবসাতে আপনাকে ইনভেষ্ট করতে হবে।

তবে এই কথাটার সাথে আমি পুরোপুরি একমত। কেননা, ইনভেস্টমেন্ট না থাকলে কোনো ব্যবসাকে দাড় কড়ানো অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে ৷

কিন্তুু আপনি যদি অনলাইনে বিজনেস করেন। তাহলে এখানে আপনাকে ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে তেমন চিন্তা করতে হবে না। তারমানে এই নয় যে, আপনি অনলাইনে বিনা ইনভেষ্টে ব্যবসা করতে পারবেন।

বরং এখানেও আপনাকে Invest করতে হবে। তবে তার পরিমান খুব স্বল্প।

মূলত যারা স্বল্প পুঁজিতে কোনো ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হতে চান৷ তাদের জন্য উপযুক্ত মাধ্যম হলো অনলাইন এর মাধ্যমে ব্যবসা করা। তাহলে আপনি এই সুযোগটি ভোগ করতে পারবেন। 

Reason-3: No Need Store

তো ইনভেষ্টমেণ্ট এর পরে আপনি অনলাইন বিজনেস করার সময় আরও একটি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন ৷ সেটি হলো আপনার কোনো প্রকার ঘর / দোকানের প্রয়োজন পড়বে না।

সাধারনত যখন আপনি অফলাইনে কোনো ব্যবসা করতে চাইবেন ৷ তখন আপনার ব্যবসার পন্য গুলো জমা করে রাখার জন্য একটি ঘর বা দোকানের প্রয়োজন পড়বে ৷ যেখানে আপনি আপনার ব্যবসার পন্য গুলোকে জমা করে রাখতে পারবেন।

আপনার জন্য আরো লেখা…

কিন্তুু আপনি যদি ব্যবসা করার জন্য অনলাইন কে বেছে নেন। তাহলে কিন্তুু আপনি এই ঝামেলা থেকে অনেকটা রেহাই পাবেন। কারন আপনি অনলাইনে যেকোনো পন্যের ব্যবসা করুন না কেন ৷

আপনাকে সেই পন্য গুলোকে স্টোর করে রাখার প্রয়োজন পড়বে না। 

Reason-4: Time Maintain 

একটু ভেবে দেখুন তো, যদি আপনি কোনো কোম্পানি তে জব করেন তাহলে আপনাকে কি করতে হবে ৷ নিশ্চই আপনাকে প্রতিদিন একটা রুটিন মাফিক চলতে হবে তাইনা?

যেমন, আপনাকে রোজ সকালে উঠতে হবে। এরপর অফিসে যেতে হবে। তারপর অফিসের সকল কাজ কর্ম করার পরে আবার অফিসের দেওয়া সময় অনুযায়ী বাড়িতে আসতে হবে।

এটা হলো আপনার দৈনন্দিন কাজের নিয়ম।

কিন্তুু আপনি যদি অনলাইন বিজনেস করেন। তাহলে আপনাকে এতো বেশি টাইম মেইনটেইন নিয়ে ভাবতে হবে না। যতোটা একটি অফিসে কাজ করার সময় ভাবতে হবে।

এখানে আপনি আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন। আপনি যদি চান যে, সারাদিন অন্য কাজ করে আপনি শুধু রাতে অনলাইনের কাজ করবেন ৷

সেক্ষেত্রেও আপনার কোনো প্রকার সমস্যা হবে না। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এখানে আপনি নিজেই আপনার কাজের সময় কে ভাগ করে নিতে পারবেন।

তারমানে আবার এটা ভাইবেন না যে, অনলাইন ব্যবসা করলে সময়ের কোনো মূল্য থাকে না। এখানেও আপনাকে যথাসময়ে কাজ করতে হবে। কিন্তুু অফিসে কাজ করার তুলনায় অনলাইনে একটু বেশি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। 

Reason-5: Accessories

যদি আপনি অফলাইনে ব্যবসা করতে চান। তাহলে সবার আগে আপনার ব্যবসার টার্গেট করা পন্য গুলোকে জমা করে রাখতে হবে। যেন কাস্টমার আপনার কাছে আসা মাএই সেই পন্য গুলোকে তাদের হাতে দিতে পারেন।

কিন্তুু অনলাইন ব্যবসার ক্ষেএে আপনি একটু ভিন্নতা লক্ষ্য করতে পারবেন। এখানে ব্যবসা করার জন্য আপনাকে পূর্বে থেকে কোনো পন্যে কে স্টোর না করলেও চলবে।

কারন কাস্টমাররা সবার আগে আপনার ওয়েবসাইটে এসে অর্ডার করবে। তারপর কিন্তুু আপনি সেই পন্যের ডেলিভারি দিবেন। সেক্ষেএে কোনো পন্যের অর্ডার পাওয়ার পরেও আপনি সেটিকে সংরক্ষণ করতে পারবেন। 

Reason-6: Close To Customar

আপনি জানলে অবাক হবেন কারন, Online Business করলে কাস্টমারদের খুব কাছাকাছি থাকা যায়। 

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ভাই অফলাইন বিজনেস করলে তো কাস্টমার সরাসরি আসতে পারবে ৷ কিন্তুু অনলাইনে তো কাস্টমাররা সরাসরি আসতে পারবে না।

তাহলে Close To Customers হলো কিভাবে? তাহলে শুনুন…..

আমি উপরেই বলেছি যে বর্তমান সময় হলো প্রযুক্তির যুগ। আমরা ক্রমে ক্রমে প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়ছি। আর এ নির্ভরশীলতা শুধু আপনার মধ্যে নয়, বরং প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যেই বিরাজ করছে।

তাই আগের দিনের তুলনায় ইন্টারনেট ব্যবহার কারীর পরিমান দিন দিন হুহু করে বাড়ছে। আর আপনি যদি এই Online User কে দিয়ে অনলাইন ব্যবসা করতে চান ৷

তাহলে খুব সহজেই আপনি এই কাস্টমার গুলোকে টার্গেট করতে পারবেন। 

Reason-7: Advertising

একটা বিষয় চিন্তা করে দেখুন তো, আপনি যখন ব্যবসা শুরু করবেন। তখন আপনি সেই ব্যবসার প্রচার কিভাবে করবেন?

কারন আপনি যে ব্যবসা শুরু করছেন, সেটি যদি কাস্টমাররা জানতে না পারে। তাহলে কিন্তুু আপনি তুলনামূলক কাস্টমার পাবেন না ৷

আর আপনি যদি সঠিক কাস্টমার না পান৷ তাহলে কিন্তুু আপনার সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুন কমে যাবে।

কিন্তুু আপনি যদি অনলাইন এর মাধ্যমে বিজনেস করেন। তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার ব্যবসার প্রচার করতে পারবেন।

এর পাশাপাশি আপনি অনলাইন এর মাধ্যমে খুব কম পরিমান অর্থ ব্যয় করেই প্রচুর পরিমান কাস্টমারদের কাছে আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানাতে পারবেন।

কারন তো আপনি জেনেই গেছেন। সেটি হলো বর্তমানে Internet User এর পরিমান অনেক গুন বেড়ে গেছে। এছাড়াও আপনার ব্যবসার প্রচার করার জন্য অনেক গুলো প্লাটফর্ম উন্মুক্ত রয়েছে।

আপনি আপনার ইচ্ছামতো যেকোনো একটি প্লাটফর্ম কে সিলেক্ট করে আপনার ব্যবসার পন্যের প্রচার করতে পারবেন।  

কারা অনলাইন বিজনেস করতে পারবে?

আচ্ছা একটা কথা বলুন তো, সবাই কি নদীতে সাঁতার কাটতে পারে? -পারে না তাইতো?

ঠিক একইভাবে আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়। যে সবাই কি অনলাইন বিজনেস করতে পারবে! তাহলে এর উওরটিও হবে -না, সবার জন্য অনলাইন বিজনেস নয়। বরং এখানেও আপনাকে দক্ষতার সাথে কাজ করে টিকে থাকতে হবে।

যারা মূলত অনলাইনে ব্যবসা করছে। আপনি যদি সেই মানুষ গুলোর থেকে একটু খোজ নিয়ে দেখেন, তাহলে আপনি দুটো বিষয় দেখতে পারবেন।

একটি হলো, কেউ অনলাইন কে কেন্দ্র করে স্বাবলম্বী হতে পেরেছে। আবার কেউ এই সেক্টরে আসার পরে ছিটকে পড়তে হয়েছে।

তো যারা সফলতা অর্জন করতে পেরেছে। তাদের গল্পটা বাদ দিলাম। কারন তাদের গল্প শোনার মতো অনেকেই আছে। কিন্তুু যারা এই সেক্টরে সফলতা পায়নি, যারা এই সেক্টরে কাজ করার সময় থেমে গিয়েছে ৷

তাদের এই ছিটকে পড়ার কারন কি? সেগুলো আমাদের খুজে নিতে হবে।

তো আপনি যদি আমাকে প্রশ্ন করেন যে, কারা এই Online Business করতে পারবে? তাহলে আমি এই উওরে বলবো, যে মানুষ গুলো সঠিক পদ্ধতিতে কাজ করতে পারবে ৷ মূলত তারাই অনলাইন এর মাধ্যমে বিজনসে করতে পারবে।

কারন আপনি তো জানেন প্রত্যেকটা কাজের একটা নির্দিষ্ট নিয়ম থাকে৷ আপনি যখন সেই কাজ টি করবেন৷ তখন আপনাকে সেই নিয়ম গুলো মেনে চলতে হবে।

এবং যে মানুষ গুলো এই নিয়ম গুলো মেনে চলবে ৷ একমাএ সেই মানুষ গুলো সফলতা অর্জন করতে পারবে। 

অনলাইন বিজনেস করার জন্য কি কি লাগে?

এবার এতোকিছু জানার পর আপনার ও অনলাইনের মাধ্যমে বিজনেস করার ভুত চাপতে পারে। তো এবার আপনাকে জেনে নিতে হবে যে, আপনি যদি এই সেক্টরে নিজেকে যুক্ত করতে চান।

তাহলে আপনার কোন কোন জিনিস গুলোর প্রয়োজন পড়বে।

তো কোনো একটি বিজনেস শুরু করার আগে আপনার কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস পএের প্রয়োজন হবে। যেমন, 

No-1: Smart Device

দেখুন চাঁদ দেখার জন্য যেমন রাতের প্রয়োজন হয়। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যদি অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা করতে চান ৷ তাহলে এখানেও আপনার কাছে উপযুক্ত ডিভাইসের প্রয়োজন পড়বে।

যেহুতু আপনি এই কাজ গুলো অনলাইন এর মাধ্যমে পরিচালনা করবেন ৷ সেহুতু আপনার কাছে একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর প্রয়োজ হবে।

যেখান থেকে আপনি আপনার ব্যবসার সমস্ত কাজ কর্মকে ঘর থেকেই পরিচালনা করতে পারবেন।

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ভাই আমার তো Computer বা Laptop কিছুই নাই। শুধু একটা মোবাইল আছে। আমি কি মোবাইল দিয়ে অনলাইন বিজনেস করতে পারবো না?

হুমমম আপনিও পারবেন। কারন আজকের দিনে মোবাইল গুলোতে এতোটাই এডভান্স ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। যার মাধ্যমে আপনি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর মতো মোবাইল দিয়েও অনলাইন বিজনেস করতে পারবেন।

কিন্তুু আপনি যদি মোবাইল দিয়ে এই কাজ গুলো করতে চান। তাহলে আপনার জন্য অনেক সীমাবদ্ধতা থাকবে। কারন মোবাইলে যতোই এডভান্স ফিচার যুক্ত করা হোক না কেন।

সেটি কিন্তুু কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর সমান হতে পারবে না।

আপনি আর পড়তে পারেন…

তবে কম্পিউটার নেই বলে টেনশন করার কোনো দরকার নেই। কারন অনলাইন বিজনেস করার যতোগুলো কাজ আছে। তার প্রায় ৭০% কাজ আপনি মোবাইল দিয়েই করতে পারবেন। 

No-2: Internet Connection

যেহুতু আপনি এই কাজ গুলো অনলাইন এর মাধ্যমে করবেন ৷ সেহুতু ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়া এসব কাজ করা অসম্ভব। তাই আপনি যে ডিভাইস গুলোতে কাজ করবেন।

সেই ডিভাইস গুলোতে অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। 

[💡NOTE: শুধু ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই হবে না। বরং সেই কানেকশন থেকে ব্রাউজিং থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ গুলো স্মুথলি করা যায়। সেই দিকটা ভালো ভাবে খেয়াল রাখতে হবে।]

কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব?

“অনলাইন ব্যবসা কিভাবে করব”- এবার হয়তবা আপনার মনে এমন প্রশ্ন জেগে থাকবে। আসলে এই বিজনেস সম্পর্কে তো অনেক কিছু জানলেন ৷ কিন্তুু এই অনলাইন বিজনেস এর শুরুটা কিভাবে করবেন।

সে সম্পর্কে যদি আপনার কোনো ধারনা না থাকে। তাহলে আপনার ভুল পথে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি পরিমানে থাকবে।

তো প্রত্যেকটা কাজের জন্য কিছু পদ্ধতি থাকে। এবং সেই পদ্ধতি অনুযায়ী কাজ করলে উক্ত কাজটি সম্পন্ন করতে হয়। ঠিক তেমনি আপনি যখন অনলাইন এর মাধ্যমে ব্যবসা করতে চাইবেন।

তখন আপনাকেও বেশ কিছু পদ্ধতি মেনে কাজ করতে হবে।

যখন আপনি অনলাইন এর মাধ্যমে একটি ব্যবসা করার চিন্তা করবেন। তখন আপনি নিজেই নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করবেন। যেমন, 

প্রশ্ন-১ঃ কি নিয়ে ব্যবসা করবেন?

সবার আগে আপনাকে খুজে নিতে হবে যে, আপনি আসলে কোন পন্যটি নিয়ে ব্যবসা করতে চান৷ সবার আগে সেই বিষয়টি ক্লিয়ার করে নিতে হবে।

কারন অনলাইনে ব্যবসা করার জন্য প্রচুর পরিমানে প্রোডাক্ট রয়েছে। এখন আপনি আসলে কোন পন্যটিকে সিলেক্ট করবেন। তা আপনাকে খুজে নিতে হবে।

এমনটা হতে পারে যে আপনি কোনো Electronics পন্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। অথবা মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহৃদ পোশাক বা খাবার নিয়েও ব্যবসা করতে পারবেন।

[💡PRO TIPS: অনলাইনে ব্যবসা করার জন্য সেই পন্য গুলিকে নির্বাচন করুন ৷ যে পন্যের প্রতি মানুষের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে।

মনে রাখবেন, আপনার সেই পন্যটি ভালো লাগছে কিনা সেটা বড় কথা নয় বরং কাস্টমারদের সেই পন্যের প্রতি চাহিদা আছে কিনা। সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।]

প্রশ্ন-২ঃ কার জন্য ব্যবসা করবেন? 

তো যখন ব্যবসা করার জন্য আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত পণ্যটি সিলেক্ট করতে পারবেন ৷ এরপর আপনার দ্বিতীয় ধাপ হলো, আপনি যে ব্যবসা করবেন।

কোন মানুষ গুলো সেই ব্যবসার কাস্টমার হবে আপনাকে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।

শুধু তাই নয়, আপনার টার্গেট করা কাস্টমার গুলোর বয়স কেমন হবে, তাদের আর্থিক অবস্থা কেমন হবে, সেই মানুষ গুলো অনলাইন এর মাধ্যমে পন্য কিনতে আগ্রহী হবে কিনা।

এই সব গুলো বিষয়ে ক্লিয়ার ধারনা রাখতে হবে। 

প্রশ্ন-২ঃ কোন প্লাটফর্মে বিজনেস করবেন?

তো যখন আপনি আপনার টার্গেটেড Product এবং Customers কে বুঝতে পারবেন। তখন আপনার তৃতীয় ধাপ হলো, আপনি আসলে কোন প্লাটফর্ম থেকে বিজনেস করতে চান। সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।

আপনি শুধু অনলাইনে বিজনেস করবেন এটা বলে চুপ থাকলে হবে না। কারন অনলাইন হলো বৃহৎ একটি প্লাটফর্ম। যার অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সেক্টর রয়েছে। যেমন, Facebook, Google,YouTube ইত্যাদি।

এখন আপনি আসলে কোন সেক্টরে বিজনেস করতে চান ৷ সেটি আপনাকে খুজে নিতে হবে। হতে পারে আপনি ফেসবুকে বিজনেস করতে পারেন, আবার আপনি চাইলে টুইটার এও বিজনেস করতে পারবেন।

[💡PRO TIPS: অনলাইনে ব্যবসা করার জন্য আপনি আসলে কোন সেক্টরকে বেছে নিবেন। সেটি নির্ধারন করার জন্য আপনাকে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

যেমন,

  • আপনার Target করা কাস্টমার গুলো কোন সেক্টর গুলোতে বেশি একটিভ থাকে। 
  • তারা যে সেক্টরে একটিভ থাকে। সেই সেক্টরটি বিজনেস করার জন্য উপযুক্ত হবে কিনা। 
  • ব্যবসা করার জন্য উক্ত সেক্টরে বিজ্ঞাপন প্রচার করার সুযোগ সুবিধা আছে কিনা। 

অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

যাক এবার আমরা আর্টিকেলের মূল পর্বে চলে এসেছি। আপনি এতোক্ষনে অনলাইন বিজনেস রিলেটেড অনেক বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তো এবার আপনি জানবেন অনলাইনে বিজনেস করার কিছু আইডিয়া সম্পর্কে।

তো আমরা যদি অনলাইন ব্যবসা কে বিভক্ত করি। তাহলে আমাদের সামনে বেশ কয়েকটি ভাগ চলে আসবে। যেমন, 

  1. Product Buy Sell
  2. Online Service 
  3. Own Creativity 

সত্যি বলতে অনলাইনে বিজনেস করার যতো গুলো পদ্ধতি আছে। সেই সবগুলো পদ্ধতিকে এই তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এবার এই পদ্ধতি গুলো সম্পর্কে একটু বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। 

Online Business | Product Buy Sell

যখন আপনি অনলাইন এর মাধ্যমে আপনার কোনো পন্যকে ক্রয় বা বিক্রয় করবেন ৷ মূলত সেই পদ্ধতি কে বলা হয়, Product Buy Sell Online Business.

এখানে আপনি চাইলেই আপনার কোনো পন্যেক বিক্রি করতে পারবেন। অপরদিকে আপনি অনলাইন থেকে কোনো পন্যকে ক্রয় করতে পারবেন।

বর্তমানে আপনি ফেসবুকে ঢুকলেই দেখতে পারবেন যে অনেকেই কিন্তুু মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহৃত পোশাক আশাক বিক্রি করে থাকে। মূলত এটাও হলো অনলাইন বিজনেস করার একটা টেকনিক।

ঠিক তেমনি আপনিও আপনার টার্গেট করা পন্য গুলোকে এভাবে অনলাইনে প্রচার করার মাধ্যমে সেল করতে পারবেন। এবং সেখান থেকে বেশ ভালো পরিমানে ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন।

তো অনলাইনে প্রোডাক্ট বাই সেল করা যায় এমন কিছু আইডিয়া হলো,

  • অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা 
  • রেস্টুরেন্টে এর ব্যবসা 
  • খুচরা যন্ত্রাংশের ব্যবসা
  • ইলেকট্রনিক পন্যের ব্যবসা 
  • এফিলিয়েট 
  • ই-কমার্স ব্যবসা

অনলাইন বিজনেস । অনলাইন সার্ভিস

এমন অনেকেই আছেন যারা অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস দিয়ে থাকেন৷ এই সার্ভিস গুলোও কিন্তুু অনলাইন ব্যবসা এর আওতায় পড়ে। আর বর্তমানে এই অনলাইন সার্ভিসের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

তো আপনার ভেতরে যদি সেরকম কোনো সার্ভিস প্রদান করার মতো দক্ষতা থাকে। তাহলে আপনিও সেই সার্ভিস প্রদান করে অনলাইন বিজনেসের মাধ্যমে প্রচুর পরিমানে অর্থ ইনকাম করতে পারবেন।

আজকের দিনে অনলাইন এ সার্ভিস প্রদান করা যায়। এমন কিছু কাজের নাম হলো, 

  • ওয়েব ডিজাইন 
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন 
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট 
  • ডোমেইন হোস্টিং ব্যবসা 
  • বিজ্ঞাপন স্ক্রিপ্ট / বিজ্ঞাপন তৈরি 
  • ফটো এডিটিং / ভিডিও এডিটিং 

অনলাইন ব্যবসায় নিজের ক্রিয়েটিভিটি

যদি আপনার ভেতরে কোনো প্রতিভা থাকে৷ তাহলে আপনি সেই প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা করতে পারবেন। আজকের দিনে যখন বেকারত্বের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সেই বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য অনেকেই এই ব্যবসার সাথে যুক্ত হতে পারছে।

তো অনলাইনে নিজের দক্ষতার বিনিময়ে ব্যবসা করা যায়। এমন কিছু পদ্ধতির নাম হলো, 

  • ব্লগিং 
  • ইউটিউবিং 
  • গুগল এডসেন্স 
  • ফেসবুক মার্কেটিং প্রোডাক্ট প্রমোশন 
  • ডিজিটাল মার্কেটিং 

অনলাইন বিজনেস ইউনিক আইডিয়া 

আপনি নামে মাএ বিনিয়োগ করে অনলাইনে ব্যবসা করতে পারবেন। এমন কিছু আইডিয়া সম্পর্কে এবার জেনে নিবো। যেগুলোতে আপনার খুব স্বল্প পরিমানে বিনিয়োগ করতে হবে।

এবং এর পাশাপাশি আপনি সেখান থেকে বেশ ভালো পরিমানে ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন।

তো স্বল্প বিনিয়োগ বেশি বেনিফিট পাওয়া যায়। এমন কিছু বিজনেস এর নাম হলো, 

Flipping Domain 

এই ব্যবসাটি অনেক বছর ধরেই চলে আসছে। এবং এখানে আপনি খুব কম টাকা বিনিয়োগ করে প্রচুর পরিমানে অর্থ ইনকাম করতে পারবেন।

তো এই ফ্লিপিঙ ডোমেইন কথাটির অর্থ হলো, আপনি ৮০০-১০০০/- দিয়ে একটি ডোমেইন কিনে নিবেন। এবং পরবর্তী তে সেই ডোমেইনটি কে ৫০ হাজার থেকে লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। 

E-Book Writing 

আমরা ধীরে ধীরে এতোটাই অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছি যে, বই পড়ার জন্যও এখন অনলাইনের উপর নির্ভর করে থাকি। আর সেই কারনে অনলাইনে ই-বুকের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে।

তো ই-বুকের ব্যবসা আপনি দুই ভাবে করতে পারবেন। প্রথমত আপনি নিজেই ই-বুক লিখে সেগুলো কে বিক্রি করতে পারবেন। দ্বিতীয়ত আপনি কম দামে ই-বুক কিনে নিয়ে পরবর্তীতে সেগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন। 

Course Creation 

কোনো কিছু শেখার জন্য বর্তমান সময়ে কোর্সের চাহিদা অনেক গুন বেড়ে গেছে। এমন অনেকেই আছেন যারা কোনো কিছু শেখার জন্য অনলাইন থেকে কোর্স কিনে নেয়। এরপর ঘরে বসে কোর্স দেখে সেই কাজ গুলো শিখে নেয়।

এখন আপনিও এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে কোর্স সেল করতে পারবেন৷ এবং এই কোর্স সেল করে ইনকাম করতে পারবেন। 

Online Teacher 

সবকিছু যখন অনলাইনে করা হচ্ছে, সেহুতু অনলাইন শিক্ষকতা কেন বাদ যাবে। আপনি জানলে অবাক হবেন যে, আজকের দিনে অনলাইন শিক্ষকতার চাহিদা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

তাই আপনিও এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। 

Drop Shipping 

আপনি জানলে অবাক হবেন কারন বর্তমানে ড্রপশিপিং ব্যবসার চাহিদা এখন তুঙ্গে রয়েছে। যেখানে আপনার কোনো প্রকার মুলধনের প্রয়োজন হবে না।

অপরদিকে বিনিয়োগ করার প্রয়োজন না থাকলেও আপনি এই ব্যবসা থেকে বেশ ভালো পরিমানে অর্থ আয় করতে পারবেন।

[PRO TIPS: “ড্রপশিপিং কি”- সে নিয়ে ইতিমধ্যেই আমার ওয়েবসাইটে একটি আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে৷ আপনি Drop Shipping করে ইনকাম করতে চাইলে এখানে ক্লিক করে সেই আর্টিকেলটি পড়ে নিতে পারবেন।

Virtual Assistant 

বাস্তবিক জীবনে যেমন বড় বড় কর্মকর্তরা নিজের কাজের সুবিধার জন্য সহকারী রাখে। ঠিক তেমনি আপনি চাইলে অনলাইন এর মাধ্যমেও ভার্চুয়াল এসিট্যন্টের কাজ করতে পারবেন।

আর একজন ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট এর ডিমান্ড কিন্তুু অনেক বেশি হয়ে থাকে। তাই চাইলে আপনিও এই কাজটি করতে পারবেন। 

Voice Artist 

অনলাইনে এখন ভয়েজ আর্টিষ্টের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এমন অনেকেই আছেন যারা নিজের রেকর্ড করা ভয়েস দিয়েও বেশ ভালো পরিমানে ইনকাম করতে পারছে।

আর একজন Voice Artist এর ডিমান্ড কিন্তুু অনেক বেশি হয়ে থাকে। এখানে আপনি প্রতি মিনিট ভয়েসের বিনিময়ে কিংবা প্রতি Word Voice এর বিনিময়ে ইনকাম করতে পারবেন। 

Photo & Video Sell

অনলাইন এর মাধ্যমে ফটো এবং ভিডিও বিক্রি। মূলত কয়েক বছর আগে এটি তেমন জনপ্রিয় ছিলো না। কিন্তুু যতোই দিন অতিবাহিত হচ্ছে, এর চাহিদা বেড়েই চলছে।

একজন ভালো ভিডিও গ্রাফার হোক কিংবা একজন ভালো ফটোগ্রাফার হোক। তারা এখান থেকে প্রচুর পরিমানে ইনকাম করতে পারবে ৷ 

Content Writing 

অনলাইন এর সবচেয়ে সম্মানজনক একটি ব্যবসা হলো কন্টেন্ট রাইটিং। যেখান থেকে প্রচুর পরিমানে ইনকাম করা সম্ভব। আপনি এখান থেকে দুই পদ্ধতিতে ইনকাম করতে পারবেন।

প্রথমত, আপনি নিজেই কন্টেন্ট লিখে তারপর সেই কন্টেন্ট গুলোকে সেল করতে পারবেন। অথবা আপনি অন্য কারও কাছ থেকে কন্টেন্ট কিনে নেয়ার পর সেটিকে বেশি দামে অন্যের কাছে বিক্রি করতে পারবেন। 

অনলাইন বিজনেস করতে ট্রেড লাইসেন্স লাগে কি?

হুমমম, অবশ্যই লাগে! কারন বিজনেস করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স অপরিহার্য একটি অংশ। তাই আপনি যদি অনলাইন ব্যবসা করতে চান। তাহলে আপনাকেও ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে।

কিন্তুু বাংলাদেশে এর তেমন কোনো বাধাধরা নেই। কারন আমার দেখা এমন অনেকেই আছেন যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই পুরোদমে ব্যবসা করে আসছে।

তবে যেহুতু আপনি অনলাইন ব্যবসা করবেন, সেহুতু আপনাকেও ট্রেড লাইসেন্স করা উচিত। তাহলে পরবর্তী তে আপনার কোনো প্রকার সমস্যা হবে না। 

আমাদের শেষকথা 

যাক আশা করা যায় অনলাইন বিজনেস নিয়ে আজকে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন। যদি আপনি এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ন পড়ে থাকেন ৷ তাহলে আমার বিশ্বাস Online Business নিয়ে আপনার মনে আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

কিন্তুু এরপরও যদি অনলাইন ব্যবসা নিয়ে আপনার মনে কোনো প্রশ্ন থাকে। তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি অপেক্ষায় থাকবো আপনার কমেন্টের জন্য। সাথে থাকুন বাংলা আইটি ব্লগের। ধন্যবাদ

Related article

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখা কপি করবেন না!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap