নেটওয়ার্ক কি ? Network এর কাজ কি ? (Computer Network in bangla)

নেটওয়ার্ক কি : বর্তমানে আমরা ডিজিটাল যুগে বাস করছি। আর এই সময়ে নেটওয়ার্ক কি -তা জেনে নেয়াটা আমাদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

নেটওয়ার্ক কি ? Network এর কাজ কি ? (Computer Network in bangla)
নেটওয়ার্ক কি ? Network এর কাজ কি ? (Computer Network in bangla)

কেননা, আজকের এই ডিজিটাল যুগের পেছনে Network এর বিরাট একটা অবদান রয়েছে। যার ফলে আজকের বিশ্ব এতোটা উন্নত হতে পেরেছে।

যদি আপনি পূর্বের দিন গুলোর কথা চিন্তা করেন। তাহলে সেই সময়ে কোনো প্রয়োজনীয় তথ্য আদান প্রদান করার কাজটা অনেক কঠিন ছিলো।

কেননা, ঐ সময় গুলোতে কোনো দরকারি তথ্য একস্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছানোর একমাত্র মাধ্যম ছিলো চিঠি।

যা অনেক সময় সাপেক্ষ এবং অনেক সময় নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতেও ব্যার্থ হতো।

তবে এই সমস্যা থেকে পৃথিবীকে রেহাই দেবার জন্য আধুনিক বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত কাজ করে গেছে। আর তাদের প্রচেস্টায় আজকে আমরা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারছি।

যাকে কাজে লাগিয়ে মাত্র কয়েক মূহুর্তের মধ্যে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেকোনো ধরনের তথ্য কে আদান প্রদান করতে পারছি।

আপনি আরো দেখতে পারেন…

আর আজকের আর্টিকেলে আমি সেই বিষয় নিয়েই আলোচনা করবো। আজকে আপনি Network সম্পর্কে  বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারবেন।

যেমন, নেটওয়ার্ক কি (Network in bangla), কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কি, নেটওয়ার্ক কত প্রকার এবং নেটওয়ার্ক কিভাবে তৈরি হয়।

তাই চলুন এবার সরাসরি মূল টপিকে ফিরে যাওয়া যাক। 

নেটওয়ার্ক কি ? (What Is Network in Bengali)

Network কি – যদি এই বিষয়টিকে সহজভাবে বলি, তাহলে বলবো, যখন কোনো কানেকশন তৈরি করার উদ্দেশ্যে এক বা একাধিক কম্পিউটার কে জোড়া লাগানো হয়।

তখন উক্ত কানেকশন পদ্ধতিকে বলা হয়, নেটওয়ার্ক (Network).

তো এখন আপনার মনে প্রশ্ন জেগে থাকতে পারে যে, একটি কম্পিউটার এর সাথে অন্য কম্পিউটারের জোড়া লাগিয়ে কিভাবে কানেকশন তৈরি করে? –

সেজন্য বিষয়টিকে আর একটু সহজভাবে আলোচনা করা দরকার।

এই কানেকশনটি তৈরি করার জন্য দুটি কম্পিউটার কিংবা দুই লক্ষ কম্পিউটার যুক্ত থাকতে পারে। তবে যুক্ত থাকা এই কম্পিউটার গুলোকে এক কথায় বলা হয়ে থাকে নোড (Node).

আর একটি নেটওয়ার্ক কে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য Node অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই নেটওয়ার্ক এর মূল কাজ হলে ডাটা শেয়ার করা।

কেননা, এটি মূলত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা শেয়ার করে থাকে। যেমন, Router, Hub,Modem ইত্যাদি। 

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কি? (What is computer network?) 

উপরে আলোচিত আলোচনায় নেটওয়ার্ক কি – সে সম্পর্কে জানতে পারলেন। তো এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কি (What is Computer Network in Bengali) ?

কেননা, প্রসঙ্গটা যেহুতু নেটওয়ার্ক নিয়ে, সেহুতু Computer Network সম্পর্কেও বিস্তারিত জেনে রাখা আবশ্যক। তো চলুন এবার সে বিষয়ে জেনে নেয়া যাক।

সত্যি বলতে, যখন আপনি নেটওয়ার্ক কি এই সংঙ্গাটি জানতে পারবেন ৷ তখন আপনাকে আর আলাদা করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সংঙ্গা জানার প্রয়োজন হবে না।

কারণ, আপনি ইতিমধ্যে জেনে গেছেন যে, নেটওয়ার্ক কানেকশন প্রস্তুত করার জন্য Node এর প্রয়োজন হয়।

তো এই নোড এর মাধ্যমে যখন একাধিক কম্পিউটার কে যুক্ত করা হবে। তখন তাকে সহজভাবে বলা হবে সার্ভার (Server).

এই সার্ভারের কাজ হলো, অন্যান্য কম্পিউটারে থেকে আসা ডেটা গুলোকে নিজের কাছে জমা করা এবং প্রয়োজনের তাগিদে সেই ডেটা গুলো কে অন্য আরেকটি কম্পিটারে প্রেরন করা।

আর এই যে কাজের প্রক্রিয়া গুলো আছে। সেই সবগুলো প্রক্রিয়াকে একত্রে বলা হয়ে থাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। 

বিশ্বের সর্ব প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর নাম কি?

নেটওয়ার্ক কি এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কি – সে সম্পর্কে জানার পর এবার আপনার সাথে একটি মজার বিষয় শেয়ার করবো।

সেটি হলো, বিশ্বের সর্ব প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর নাম কি। তো চলুন এবার এই জেনারেল নলেজ সম্পর্কে একটু ধারনা নেয়া যাক।

এতে করে আপনার একটা বাড়তি বিষয়ে জানা থাকবে।

বলা বাহুল্য যে, বিশ্বে সর্বপ্রথম যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক আবিস্কার করা হয়েছিলো তার নাম ছিলো, “ARPANET”. হুমম!

এটি হলো আমাদের পৃথিবীতে সৃষ্টি হওয়া সর্বপ্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। এর অভ্যন্তরে Laege Scale, General Purpose, Computer Network বিদ্যমান ছিলো।

১৯৬৯ সালের ২৯ শে অক্টোবর, উক্ত সময়ে Node to Node এর মাধ্যমে সর্বপ্রথম একটি কম্পিউটার এর সাথে অন্য একটি কম্পিউটার এর মাধ্যমে যোগাযোগ সুনিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম একটি মেসেজ প্রেরন করা হয়েছিলো।

আর সেই মেসেজে যে লেখাটি ছিলো, সেটি হলো ” LOGIN”.

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কত প্রকার (Types Of Network)

সত্যি বলতে নেটওয়ার্ক এর অনেক গুলো প্রকারভেদ রয়েছে।

মূলত সেটি নির্ভর করবে লোকেশন, সাইজ এবং একটি কানেকশন তৈরি করার জন্য মোট কত গুলো কম্পিউটার কে একসাথে যুক্ত করা হচ্ছে তার উপর।

আপনি আরো দেখতে পারেন…

তো ক্ষেত্র বিশেষে Network কে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন, 

  1.  PAN (Personal Area Network) 
  2.   HAN (Home Area Network) 
  3.   LAN (Local Area Network)
  4.   WAN (Wide Area Network) 
  5.   MAN (Metropolitan Area Network) 

উপরে আমি মোট ৫ প্রকারের নেটওয়ার্ক নিয়ে কথা বলেছি।

এবার চলুন, এই 5 Kind Of Network সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। তাহলে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে। 

০১| PAN (Personal Area Network)

যেসব নেটওয়ার্কিং পদ্ধতি গুলো সীমিত আকারে তৈরি করা হয়। সেই Networking System কে বলা হয়ে থাকে PAN. অর্থ্যাৎ, পারসোনাল এড়িয়া নেটওয়ার্ক।

এই ধরনের নেটওয়ার্ক গুলো কে সাধারনত ব্যক্তিগত কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যা রেন্জের দিক থেকেও অনেকটা সীমিত।

এই Personl Area Network এর রেন্জ হলো মাত্র ১০ মিটার। যাকে কাজে লাগিয়ে কম্পিউটার, স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট এর মধ্যে ডাটা আদান প্রদান করা যাবে। 

০২| HAN (Home Area Network) 

যখন কোনো নির্দিষ্ট এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক কে বিস্তৃত করা হয় তখন সেই নেটওয়ার্ক কানেকশন কে বলা হয়, HAN.

এখন এই বিস্তৃত এলাকা আপনার নিজস্ব ঘর হতে পারে অথবা আপনার কোনো অফিস আদালতও হতে পারে।

আর এই Home Area Network (HAN) এর মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের মোবাইল, কম্পিউটার, প্রিন্টার ইত্যাদি ব্যক্তিগত ডিভাইস গুলোতে ডেটা স্থানান্তর করতে পারবেন। 

০৩| LAN (Local Area Network)

যখন কোনো নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নেটওয়ার্ক কানেকশন প্রদান করা হয়। তখন সেই ধরনের কানেকশন গুলো কে বলা হয়, LAN অর্থ্যাৎ, লোকাল এড়িয়া কানেকশন।

ই ধরনের নেটওয়ার্ক কানেকশন গুলো সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো অফিস আদালত, স্কুল কলেজ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

তবে স্থান ভেদে এই ধরনের Local Area Network গুলো বড় অথবা ছোটো হয়ে থাকে। আসলে এর পরিধি কতটুকু হবে, তা আপনার চাহিদার উপর নির্ভর করবে। 

০৪|  WAN (Wide Area Network) 

যখন কোনো বড় অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত স্থানে নেটওয়ার্ক কানেকশন প্রদান করা হবে। তখন সেই ধরনের নেটওয়ার্ক কে বলা হবে, WAN অর্থ্যাৎ, ওয়াইড এড়িয়া নেটওয়ার্ক।

তবে এই WAN কে আবার আলাদা ভাবে সংঙ্গায়িত করা যায় সেটি হলো, Wide Area Network হলো বিভিন্ন ছোট ছোট নেটওয়ার্ক এর সংযোগস্থল।

আজকের দিনে বিভিন্ন ধরনের WAN Network রয়েছে যেমন, পাবলিক পকেট নেটওয়ার্ক, লার্জ কর্পোরেট নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

০৫|  MAN (Metropolitan Area Network) 

ল্যান নেটওয়ার্ক থেকে কিছুটা বড় নেটওয়ার্ক কানেকশন এর নাম হলো, MAN.

একটি গোটা শহর জুড়ে বিস্তৃত থাকা কম্পিউটার গুলোর মধ্যে কানেকশন প্রদান করার জন্য MAN বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

অবাক করার মতো বিষয় হলো, Metropolitan Area Network ১০ কিঃমিঃ থেকে শুরু করে ১০০ কিঃমিঃ পর্যন্ত নেটওয়ার্ক কানেকশন কভার করতে পারে।

আর একটা বিষয় জেনে রাখা ভালো যে, কোনো বড় ধরনের নেটওয়ার্ক কানেকশন তৈরি করার জন্য মেট্রোপলিটন এড়িয়া নেটওয়ার্ক কে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

নেটওয়ার্ক কিভাবে তৈরি হয় ? | How to create network? 

আর্টিকেলের শুরুতে আপনি জানতে পেরেছেন যে, এক বা একাধিক কম্পিউটার এর সমন্বয়ে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়ে থাকে।

তো আপনি শুধুমাত্র একাধিক কম্পিউটার কে যুক্ত করলেই কোনো নেটওয়ার্ক তৈরি হবেনা।

বরং এর জন্য বিশেষ কিছু এলিমেন্ট এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। এবার আমি সেগুলোর সাথে আপনাকে পরিচয় করিয়ে দিবো।

তো চলুন এবার সেগুলো সম্পর্কে পরিস্কার ভাবে আলোচনা করা যাক। 

০১| Sender (সেন্ডার)

কোনো নেটওয়ার্ক তৈরিতে Sender সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কেননা, যখন আপনি আপনার কোনো প্রয়োজনীয় ডেটা কে অন্য কোনো স্থানে ট্রান্সফার করতে যাবেন।

ঠিক সেই সময়ে আপনার Network এর প্রয়োজন হবে। তাহলে বলা যায়, Sender হলো সেই ডেটা, যা নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে একটি ডিভাইস থেকে অন্য কোনো ডিভাইসে প্রেরন করা হয়ে থাকে। 

০২| Receiver (রিসিভার)

নেটওয়ার্ক কানেকশনে Receiver এর অনেক অবদান রয়েছে। কারন আপনি শুধু ডেটা পাঠাবেন কিন্তুু যাকে আপনি ডেটা সেন্ড করবেন, সে যদি উক্ত ডেটা কে না পায়।

তাহলে কিন্তুু সেই ডেটা কোনো কাজে আসবে না ৷ তাহলে বলা যায়, রিসিভার হলো সেই ডিভাইস যা Send করা ডেটা কে গ্রহন করার অপেক্ষায় থাকে। 

০৩| Message (মেসেজ)

যখন আপনি একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কোনো কম্পিউটারে ডেটা প্রেরন করবেন। যেমন, আপনার দরকারি কোনো Text, Documents, Video ইত্যাদি।

তো এই ডেটা গুলো মূলত মেসেজ আকারে প্রেরন করতে হবে। যার কারনে এই সেন্ডিং ডেটা গুলোকে বলা হয় মেসেজ। 

০৪| Protocol (প্রোটোকল)

কোনো একটি কম্পিউটার ডিভাইস এর সাথে খুব সহজেই অন্য আরেকটি কম্পিউটার ডিভাইস এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন।

কিন্তুু আপনি যদি এই দুই ধরনের ডিভাইস এর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে চান। তাহলে যে নামটি সবার শুরুতে আসবে, সেটি হলো Protocol.

এটি মূলত Sender এবং Receiver এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে থাকে। যার ফলে এটি অধিক পরিমান গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। 

০৫| Transmission Media (ট্রান্সমিশন মিডিয়া)

যদি নেটওয়ার্ক কানেকশন এর মধ্যে কোনো প্রকার Transmission Media না থাকে। তাহলে কিন্তুু একটি ডিভাইস থেকে অন্য কোনো ডিভাইসে ডেটা আদান প্রদান করা সম্ভব হবে না।

যার কারনে ডেটা স্থানান্তর করার জন্য ট্রান্সমিশন মিডিয়া এর প্রয়োজন হয়ে থাকে।

বর্তমান সময়ে আপনি বিভিন্ন ধরনের Transmission Media দেখতে পারবেন।

যেমন, Wires, Cable, Optical Fiber ইত্যাদি।

তো একটি নেটওয়ার্ক আসলে কিভাবে তৈরি হয়, তা নিয়ে আমি উপরে আলোচনা করেছি। আশা করি নেটওয়ার্ক সৃষ্টির বিষয়ে আপনি পরিস্কার একটা ধারনা পেয়ে গেছেন।

তো এবার আপনাকে জেনে নিতে হবে যে, নেটওয়ার্ক এর কাজ গুলো কি কি। চলুন এবার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

নেটওয়ার্ক এর কাজ কি ? (What Do Networks Do)

উপরের আলোচনা থেকে আপনি নেটওয়ার্ক কি ও কত প্রকার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

তো এবার আপনাকে আপনাকে জানতে হবে নেটওয়ার্ক এর কাজ সম্পর্কে।

কারণ, আমি উপরে একটা কথা বলেছি যে আজকের দিনের উন্নত বিশ্বের পেছনে Network এর একটা বিরাট অবদান আছে।

তো চলুন এবার তাহলে What do network do সম্পর্কে পূর্নাঙ্গ ভাবে আলোচনা করা যাক। 

  1. আমরা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমাদের প্রয়োজনীয় তথ্য আদান প্রদান করতে পারি। যেমন, খুব দ্রুততার সাথে Email, Message, Video Call এর মাধ্যমে সহজেই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে কমিউনিকেশন করতে পারি। 
  2. আমাদের সবারই নানা রকমের দরকারি ফাইল বা ডকুমেন্টস থাকে। তো নানা সময়ে এই ফাইল গুলো কে ট্রান্সফার করার প্রয়োজন হয়।
  3. আর বাস্তবিক জীবনে এই কাজটি করতে অনেক সময় এর প্রয়োজন হয়। কিন্তুু নেটওয়ার্ক কানেকশন এর বদৌলতে এই কাজ গুলো আমরা অনেক দ্রুততার সাথে করতে পারছি। 
  4. আপনি হয়তবা সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম এর নাম শুনে থাকবেন। তো আপনি এখনকার দিনে রিমোট সিস্টেম এর মাধ্যমে এই কাজ গুলো খুব দ্রুততার সাথে করতে পারবেন। 
  5. আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি, তাদের বিভিন্ন প্রকার ডেটা জমা হয়ে থাকে। তো বিভিন্ন সময়ে এই ডেটা গুলোকে দেখা, এডিট করা করার জন্য Access এর প্রয়োজন হয়ে থাকে।
  6. আর এই কাজটি আমরা নেটওয়ার্ক কানেকশন এর মাধ্যমে করতে পারছি। 

মূলত নেটওয়ার্ক কানেকশন এর মাধ্যমে আমরা কি কি কাজ করতে পারবো।

আপনি আরো লেখা দেখতে পারেন…

সেই সুবিধাজনক দিক গুলো নিয়ে উপরে আলোচনা করা হয়েছে। আর এগুলো হলো নেটওয়ার্ক এর মূল কাজ। 

নেটওয়ার্ক এর মধ্যে ব্যবহার হওয়া বিভিন্ন devices গুলো কি কি ? 

যখন একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তখন উক্ত Network Connection কে সফলভাবে কাজ করার জন্য আরো বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস এর প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আর এই সব গুলো ডিভাইস এর সমন্বয়ে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়ে থাকে। আর আমরা সেগুলো কে কাজে আমাদের ডেটা গুলো কে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত করতে পারি।

তো জানার বিষয় হলো, সেই ডিভাইস গুলো কি কি। 

  1. কম্পিউটার 
  2. সার্ভার 
  3. মেইনফ্রেম 
  4. স্মার্টফোন 
  5. ট্যাবলেট 
  6. পিডিএ’স
  7. ক্যামেরা 
  8. প্রিন্টার 
  9. ফ্যাক্স 
  10. ফায়ারওয়্যালস 
  11. ব্রীজ 
  12. রিপিটার 
  13. সুইচ 
  14. হাবস 
  15. রাউটার 
  16. কনসোল 

একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করার জন্য যেসব ডিভাইস এর দরকার হয় সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি।

 এগুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের ডিভাইস যুক্ত থাকে। তবে যেগুলো মূল যে Device গুলো আছে সেগুলো উপরে উল্লেখ করা আছে। 

নেটওয়ার্ক প্রটোকল কি | What is network protocol

যেহুতু আপনি নেটওয়ার্ক কি তা জানতে এসেছেন, সেহুতু নেটওয়ার্ক প্রটোকল কি সেটিও আপনাকে জেনে নিতে হবে।

কেননা, একটি নেটওয়ার্ক এর বিশেষ একটি ডিভাইস হলো, Protocol. সেজন্য নেটওয়ার্ক প্রটোকল কি তা জেনে নেয়াটা আপনার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ।

তো চলুন এবার সে বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

দেখুন, কোনো একটি কম্পিউটার এর সাথে অন্য কোনো কম্পিউটার কে যুক্ত করলেই নেটওয়ার্ক তৈরি হবে না। কেননা, এই যুক্ত হওয়ার পরেও আরো নানা রকম কার্য সম্পাদন করতে হবে।

যেমন, তার মধ্যে অন্যতম একটি কাজ হলো কমিউনিকেশন। যা ছাড়া নেটওয়ার্ক কখনই স্বয়ংসম্পূর্ণতা পাবেনা।

এছাড়াও একটি নেটওয়ার্কিং পদ্ধতি কে পরিচালনা করার জন্য যেসব নিয়ম নীতি কাজ করে। নেটওয়ার্কিং এর ভাষায় সেই নীতি গুলোকে বলা হয়, প্রোটোকল।

নিচে কিছু Network Protocol এর নাম দেয়া হলোঃ

  1. TCP
  2. IP
  3. IPX/SPX
  4. NetBEUI
  5. HTTP
  6. FTP

উপরে আপনি যা দেখতে পাচ্ছেন, সেগুলো মূলত বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক প্রোটোকল এর নাম। 

নেটওয়ার্ক উদ্দেশ্য কি ?

আমরা উপরের আলোচনা থেকে জেনেছি যে, দুই বা ততোধিক কম্পিউটার কে যুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

আর এই কম্পিউটার কে যুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য হলো আমার প্রয়োজনীয় রিসোর্স গুলোকে স্থানান্তরিত করা।

আর নেটওয়ার্ক এর বদৌলতে আমরা সেই রিসোর্স গুলো খুব দ্রুততার সাথে একস্থান থেকে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে স্থানান্তরিত করতে পারি। 

প্রাইভেট নেটওয়ার্ক কি? | What is private networking? 

যখন ব্যক্তি মালিকানাধীন হিসেবে আপনি কোনো নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করবেন। তখন সেই ধরনের Network কে বলা হয়, প্রাইভেট নেটওয়ার্ক।

এই ধরনের নেটওয়ার্ক গুলোর সিকিউরিটি অনেক ভালো হয়। তবে নিরাপত্তা অনেক ভালো হলেও ট্রাফিক অনেক কম থাকে। 

পাবলিক নেটওয়ার্ক কি? | What is Public Network? 

যখন সর্ব সাধারন এর জন্য কোনো নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। তাকে বলা হয়, Public Network. মূলত এটি সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

এবং কোনো মানুষ যদি সেই এলাকার মধ্যে যায় তাহলে সেই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারবে। 

আপনি আরো পড়তে পারেন…

নেটওয়ার্ক কি নিয়ে আমাদের শেষকথা

উন্নত বিশ্বে নেটওয়ার্ক যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সে নিয়ে আজকের আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

আশা করি আজকের আলোচিত নেটওয়ার্ক কি – তা বেশ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। আর এমন সব অজানা বিষয় সহজ ভাষায় জানতে হলে Bangla it blog এর সাথে থাকুন। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HandsUp! কপি করা যাবে না বস!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap