তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি ? সুবিধা ও অসুবিধা এবং গুরুত্ব কি?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি : (What is Information and communication technology in Bengali) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি আমাদের অনেকের মনে এই প্রশ্নটি জেগে থাকে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি ? সুবিধা ও অসুবিধা এবং গুরুত্ব কি?
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি

তো এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হলো, এমন কিছু প্রযুক্তির সমন্বয়। যা আমাদের মত মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা কে অনেক বেশি সহজ থেকে সহজতর করে দিয়েছে।

আর আমরা এই ধরনের প্রযুক্তি গুলো কে ব্যবহার করে। নিমিষেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে থাকা যে কোনো কিছুর খবরাখবর নিতে পারি।

আর যার ফলে আমরা এত কিছু করতে পেরেছি। তাকে বলা হয়ে থাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

প্রিয় পাঠক, আমরা সবাই জানি যে বর্তমান সময়ে আমরা উন্নত প্রযুক্তির যুগে বসবাস করছি। কেননা আজকের দিনে আমাদের হাতে রয়েছে স্মার্টফোন।

আপনার জন্য আরোও লেখা…

যার মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর পৃথিবী কে নিতে পেরেছি হাতের মুঠোয়। তবে আমরা যে ইন্টারনেট কে ব্যবহার করি, আমরা যে ইন্টারনেট এর দুনিয়া দেখতে পাই।

তার সম্পূর্ণটাই কিন্তু তথ্য বা ডেটা আদান প্রদানের উপর নির্ভর করে থাকে। আর এই ধরনের তথ্য বা ডেটা গুলো এখন আমরা খুব সহজেই গোটা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পারি।

যারা সম্পূর্ণ অবদান রয়েছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির। এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কাকে বলে এনং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইংরেজি কি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি?

আজকে আমরা এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানবো। তবে সবার আগে আমাদের জেনে নিতে হবে যে, এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি।

আর এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হল,  যে সকল উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে মানুষ এর যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ থেকে সহজতর হয়েছে। সেই সকল উন্নত প্রযুক্তি কে বলা হয়ে থাকে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। যার মাধ্যমে আপনি পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে বসে থেকে। পৃথিবীর অপর প্রান্তের যাবতীয় খোঁজখবর রাখতে পারবেন। এবং অতি দ্রুত যোগাযোগ করতে পারবেন। 

তো উপরে আমি আপনাকে বলেছিলাম যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মূলত ডাটা আদান প্রদান এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। অর্থাৎ কোন একজন ব্যক্তির ডেটা অন্য আরেকজন ব্যক্তির নিকট পৌঁছানো।

এবং সেই ব্যক্তির ডেটা গুলো আপনার নিকট পৌঁছে দেওয়া হল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম কাজ।

আর এই কাজটি সম্পন্ন করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

যেমন, ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং, ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, টেলি যোগাযোগ, নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ, অডিও ভিজুয়াল ইত্যাদি।

সুতরাং এটা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় যে, আইসিটি বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ফলে। আমাদের মানব জীবনে অনেক উন্নতি হয়েছে।

যার কারণে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার কাঠামো আরো বেশি মজবুত হয়ে হয়েছে। সে জন্য আমরা এখন খুব দ্রুত যোগাযোগ করতে পারি।

সেই সাথে আমাদের প্রয়োজনীয় ডেটা গুলো এক স্থান থেকে অন্য আরেক স্থানে স্থানান্তর করতে পারছি।

আশা করি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি সে সম্পর্কে আপনি সঠিক তথ্য জানতে পেরেছেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কাকে বলে?

যদিও বা উপরের আলোচনাতে আমি আপনাকে বলে দিয়েছি যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি। তবুও যদি আপনি সে সম্পর্কে ভালোভাবে না বুঝে থাকেন।

তাহলে শুনে নিন… তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি এই বিষয়টির সহজে উত্তর হল। আমাদের যোগাযোগ মাধ্যম কে আরও সহজ থেকে সহজতর করার জন্য।

বিভিন্ন ধরনের উন্নত প্রযুক্তির সমষ্টিকে বলা হয়ে থাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। যার মাধ্যমে আমাদের মত মানুষদের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো বেশি মজবুত হয়েছে।

যেমন ধরুন, আমরা এখন ইচ্ছে করলেই খুব সহজেই ফেসবুক কিংবা হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের সাথে নিমেষেই যোগাযোগ রাখতে পারি।

আর জেনে রাখা ভালো যে, এ গুলো হল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম অংশ। সেই সাথে বর্তমান সময়ে আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করি।

মূলত এটি হলো তথ্য ও প্রযুক্তির অন্যতম অংশ। যার মাধ্যমে আমরা আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা কে সহজ করতে পেরেছি। মূলত একেই বলা হয়ে থাকে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা ও অসুবিধা

এতক্ষনের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি। এবং সেখানে আমি আপনাকে বলেছি যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হলো এমন সব উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়।

যার ফলে মানুষ এর যোগাযোগ ব্যবস্থার কাঠামো আগের থেকে অনেক বেশি মজবুত হয়েছে।

তবে আপনি কি জানেন, এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বেশ কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে? যদি আপনি না জেনে থাকেন, তাহলে শুনুন…… 

আমরা বর্তমানে যে সকল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করি। সে গুলোর যেমন সুবিধা রয়েছে, ঠিক তেমনি ভাবে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের অসুবিধা।

আর যেহেতু আপনি এই ইন্টারনেটের যুগে বসবাস করছেন। সেহেতু অবশ্যই আপনি কোন না কোনভাবে এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার করছেন।

আর সে কারণে অবশ্যই আপনাকে এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা ও অসুবিধা গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতে হবে।

মূলত সে কারণেই এবার আমি আপনাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা ও অসুবিধা গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব।

চলুন সবার শুরুতেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা কি?

তো সবার শুরুতেই আমি আপনাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা গুলো সম্পর্কে জানিয়ে দিব। তবে এখানে একটা কথা বলে রাখা ভালো।

সেটি হল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা গুলো আসলে লিখে শেষ করা যাবে না। কেননা আমরা বর্তমান সময়ে এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপর এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি।

এর মূল কারণ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিভিন্ন রকমের সুবিধা রয়েছে। আর সেই সুবিধা গুলো হলোঃ

যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করে

আমরা অনেক সময় বলে থাকি যে, এখন মানুষ ডিজিটাল যুগে বসবাস করছি। তো এই ডিজিটাল যুগ বলার একমাত্র কারণ হলো, এখন উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে।

যার ফলে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সহজ হয়ে গেছে। যেমন ধরুন, এখন আপনি চাইলে বাংলাদেশ এর মধ্যে বসে থেকে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনলাইন কিংবা বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য যোগাযোগ করতে পারবেন।

আর সবচেয়ে অবাক করার মত বিষয় হলো যে, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যোগাযোগ করার জন্য। এখন খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন হয় না।

কেননা আমরা এখন নিমিষেই যে কোন দূরত্বে থাকা ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে পারছি। আর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যে সকল সুবিধা রয়েছে।

তার মধ্যে এটি হলো অন্যতম একটি সুবিধা। যা আমরা এখন পর্যন্ত ভোগ করছি।

বিশ্বায়ন এর সুবিধা

একটা বিষয় চিন্তা করে দেখুন, মনে করুন বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট নেই। সে ক্ষেত্রে আপনার যদি অন্য কোন দেশে অনুষ্ঠিত হওয়া মিটিং এ যুক্ত হতে চান।

তাহলে আপনাকে সেই দেশে যেতে হবে, তারপরে আপনি মিটিং এর মধ্যে যুক্ত হতে পারবেন। আর এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার অনেক বেশি অর্থ এবং সময় ব্যয় করার প্রয়োজন পড়বে।

অপরদিকে এখন কিন্তু আমাদের এই ধরনের অর্থ ব্যয় কিংবা সময় ব্যয় করার প্রয়োজন হয় না। কেননা আমরা এখন খুব সহজেই অনলাইন এর মাধ্যমে।

যেকোনো দেশের মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারি।

এক্ষেত্রে আপনি যদি বাংলাদেশ এর মধ্যে বসে থেকে আমেরিকা বা পৃথিবীর যেকোনো দেশের অনুষ্ঠিত হওয়া মিটিং এর সাথে যুক্ত হতে চান।

সেক্ষেত্রে আপনার কাছে একটি ডিভাইস থাকতে হবে। এবং সেই ডিভাইস এ ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে।

আপনি খুব সহজেই বিশ্বের যে কোনো দেশের মিটিং এর মধ্যে যুক্ত হতে পারবেন। কেননা, উন্নত প্রযুক্তির কারণে পৃথিবীটা এখন আমাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে।

যোগাযোগের খরচ কার্যকরীভাবে কমায়

দেখুন আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যে সকল সুবিধা গুলো লক্ষ্য করতে পারি। তাদের মধ্যে অন্যতম একটি সুবিধা হল, মানুষের যোগাযোগের জন্য খরচ কমিয়ে আসা।

কারণ এখন আমাদের অধিকাংশ প্রয়োজন গুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমেই সম্পূর্ণ হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে আর যাতায়াত করার প্রয়োজন পড়ে না।

আর আমরা চাইলে এখন আমাদের প্রিয় মানুষ গুলোর সাথে অনলাইন এর মাধ্যমে। ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতে পারি। প্রয়োজন হলে ভিডিও কলিং করে সরাসরি তাদের সাথে দেখা করতে পারি।

আর এই কাজ গুলো করার জন্য আমাদের খুব বেশি অর্থ ব্যয় করার প্রয়োজন পড়ে না। এর মূল কারণ হলো, বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা রয়েছে।

যার কারণে আমরা খুব স্বল্প পরিমাণ অর্থ ব্যয় করার মাধ্যমে। ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্ট হয়ে আমরা আমাদের যোগাযোগের যাবতীয় কাজ গুলো সম্পন্ন করতে পারছি।

যার ফলে আমাদের খরচ এর পরিমাণ তুলনামূলক ভাবে পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি কমে গেছে।

সারাক্ষণ যোগাযোগ মাধ্যমের উপলব্ধতা

মনে করুন, আপনি কাউকে কল করেছেন। সে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার সিম এর মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ব্যয় করতে হবে।

এবং অনেক সময় দেখা যায় যে, দীর্ঘ সময় কথা বলার ক্ষেত্রে। এই সিমের মধ্যে থাকা রিচার্জ এর লিমিট শেষ হয়ে যায়। এর ফলে আমাদের কে পুনরায় রিচার্জ করতে হয়।

এবং আপনি যদি ফোন কলের মাধ্যমে কোন ব্যক্তির সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতে চান। তাহলে কিন্তু আপনাকে অনেক বেশি পরিমাণ টাকা ব্যয় করার প্রয়োজন পড়বে।

কিন্তু আপনি যদি ফোন কল করার বিপরীতে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা ইমেইল এর মত প্ল্যাটফর্ম গুলো ব্যবহার করে। কারো সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা যোগাযোগ রাখেন।

আপনি আরোও দেখতে পারেন…

সে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার এত বেশি টাকা ব্যয় করার প্রয়োজন পড়বে না। বরং আপনার ডিভাইসের মধ্যে সামান্য ইন্টারনেট প্যাকেজ থাকলে।

আপনি সেটা দিয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতে পারবেন। এমনকি আপনি চাইলে ২৪ ঘন্টা তাদের সাথে কানেক্ট থাকতে পারবেন। যা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম একটি সুবিধা।

সাংস্কৃতিক ব্যবধান পূরণ

বর্তমান সময়ের মধ্যে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা রয়েছে। এবং আমরা চাইলে আমাদের ডিভাইসের মধ্যে ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে।

গোটা পৃথিবীর খবরা খবর রাখতে পারি। সে ক্ষেত্রে আমরা এখন শুধুমাত্র আমাদের সংস্কৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নই।

বরং আমরা এখন জানি যে, আমাদের সংস্কৃতি বাদে অন্যান্য দেশের মধ্যে কেমন সংস্কৃতি রয়েছে। আমরা সেগুলো সম্পর্কে জানতে পারি, সে গুলো নিয়ে চর্চা করতে পারি।

যার ফলে আমরা এখন যেকোন দেশের সংস্কৃতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারছি। এর পাশাপাশি আমরা এখন আমাদের মত প্রকাশ করতে পারি।

কেননা ইন্টারনেট এর ফলে এখন বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম রয়েছে। আমরা চাইলে সেই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো তে।

আমাদের নিজের বাক স্বাধীনতা প্রকাশ করতে পারি। যার ফলে এখন সাংস্কৃতিক ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।

আইটি কৌশলগত চিন্তা ভাবনা কে উৎসাহিত করে

যেহেতু সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। এবং সেই উন্নতি মানুষের উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে।

সেহেতু এটা নিশ্চিন্তে বলা যায় যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এখন আইটি কৌশলগত চিন্তা ভাবনা কে অনেক বেশি উন্নত করেছে।

কারণ এখন আমরা আমাদের অজানা বিষয় গুলো কে ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজে জেনে নিতে পারি। সে কারণে কাজের ক্ষেত্রে আমাদের আর তেমন একটা সমস্যা হয় না।

এর পাশাপাশি আমরা নিত্যনতুন কৌশল এবং চিন্তা ভাবনা করতে পারি। কেননা আমরা যখন কোন একটি কাজ করি।

তখন সেই কাজ সম্পর্কে অনলাইন থেকে যাবতীয় তথ্য গুলো সংগ্রহ করতে পারি। আর যখন আপনি কোন একটি কাজ করবেন এবং সেই কাজ সম্পর্কে আপনার যাবতীয় তথ্য গুলো জানা থাকবে।

তখন আপনি সেই কাজ টি সম্পন্ন করতে নতুন নতুন কৌশল এবং চিন্তা ভাবনার উদ্ভব ঘটাতে পারবেন।

আর এটি হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা গুলোর মধ্যে সেরা একটি সুবিধা। যা মূলত আমাদের আইটি কৌশলগত চিন্তা ভাবনা কে উৎসাহিত করে থাকে।

নতুন চাকরির সম্ভাবনা তৈরী করে

লেখাপড়া শেখার পরে আমাদের মূল টার্গেট হয় ভালো কোন চাকরি করা।

ঠিক তেমনি ভাবে বর্তমান সময়ে চাকরির ক্ষেত্রেও এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনেকটাই প্রভাব ফেলেছে। কেননা আগের যে কাজ গুলো মানুষ কে দিয়ে দিনের পর দিন করানো হতো।

সেই কাজ গুলো এখন মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ দিয়ে করা সম্ভব হচ্ছে।

ঠিক তেমনি ভাবে সময়ের সাথে সাথে এখন বিভিন্ন চাকরি প্রতিষ্ঠান গুলো তে রোবোটিক্স টেকনোলজি ব্যবহার করা হচ্ছে।

আর এই ধরনের রোবটিক্স টেকনোলজি কে ব্যবহার করার জন্য মানুষের সাহায্য পরিচালনা করা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে আপনি যদি টেকনোলজি সম্পর্কে ভালো জেনে থাকেন।

আপনার যদি টেকনোলজি সম্পর্কে ভালো দক্ষতা থাকে।

সে ক্ষেত্রে আপনি এই ধরনের আইডি সেক্টর গুলো তে চাকরি করতে পারবেন। যার ফলে বেকারত্ব নির্ভর দেশ গুলো এখন অনেকটাই নতুন চাকরির সম্ভাবনা তৈরি করতে পেরেছে।

শিক্ষাক্ষেত্রের ব্যাপক প্রসার

আইটি সেক্টর এর যতগুলো সুবিধা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, শিক্ষা ক্ষেত্র।

অর্থাৎ এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে শিক্ষা ক্ষেত্রে। কারণ অনলাইন হল বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বৃহৎ একটি তথ্য ভান্ডার।

আর অতীতের দিন গুলোর তুলনায় এখনকার দিনের কথা চিন্তা করলে। আপনি নিজে থেকেই দেখতে পারবেন যে, শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবদান কতটুকু রাখতে পেরেছে।

কারণ আগের দিন গুলো তে কোন একটি বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য বইয়ের মধ্যে খোঁজ করতে হতো।

আর এ কাজটি করার জন্য অনেক বেশি সময় ব্যয় করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখন আপনি যদি আপনার লেখাপড়া বিষয়ে কোন কিছু জানতে চান।

তাহলে কিন্তু আপনি কয়েক সেকেন্ডের মাধ্যে অনলাইনে আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

এর পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস, মাল্টি মিডিয়া ক্লাস এই যাবতীয় বিষয় গুলোর জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবদান অপরিসীম।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অসুবিধা 

উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি।

সেই সাথে আমি আপনাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা গুলো সম্পর্কে জানিয়ে দিয়েছি।

তো এই যাবতীয় বিষয় গুলো জানার পাশাপাশি এবার আপনাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অসুবিধা গুলো সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

কারণ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যেমন সুবিধা রয়েছে। ঠিক তেমনি ভাবে বেশ কিছু অসুবিধা রয়েছে। আর সে গুলো হলোঃ

  • শিক্ষার ক্ষেত্রে বাধার অবকাশঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি যেমন শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রেখেছে। সেই সাথে বেশ কিছু সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
  • কেননা বর্তমান সময়ে এমন অনেকেই আছেন, যারা মূলত আর্থিক সংকটের কারণে। এই ধরনের তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করতে পারে না।
  • এর পাশাপাশি অতিরিক্ত পরিমাণে ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারণে। শিশুদের শিক্ষা ক্ষেত্রে অমনোযোগী হওয়ার সম্ভাবনা ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • কাজের নিরাপত্তার অভাবঃ দেখুন বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান গুলো রোবটিক্স টেকনোলজির ব্যবহার করছে।
  • আর এর ফলে মানুষের কর্মক্ষেত্রের সম্ভাবনা এখন হুমকির মুখে পড়েছে। কেননা যে কাজ গুলো মানুষের দ্বারা করা হতো।
  • সে কাজ গুলো এখন এই ধরনের উন্নত টেকনোলজির মাধ্যমে করা হচ্ছে। যার ফলে অনেক মানুষ নিজের কর্মসংস্থান হারিয়ে ফেলছে।
  • সংস্কৃতির আগ্রাসনঃ ইন্টারনেট এর সহজলভ্যতা হওয়ার কারণে গোটা পৃথিবীটা এখন যেন একটা গ্লোবাল ভিলেজ এ রূপান্তর হয়েছে।
  • যার ফলে এই প্রভাব পড়েছে সংস্কৃতির উপর। কেননা একটি দেশের মধ্যে ছোট বড় অনেক ধরনের সংস্কৃতি থাকে। আর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নত হওয়ার কারণে।
  • ক্রমাগত ভাবে ছোট ছোট সংস্কৃতি গুলো কে গ্রাস করে। শুধুমাত্র বৃহৎ আকারের সংস্কৃতি গুলো বিদ্যমান থাকছে। যা মূলত সংস্কৃতির অগ্রসন এর মূল কারণ।
  • গোপনীয়তার নিরাপত্তহীনতাঃ আমরা যেহেতু ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন খুব সহজেই বিভিন্ন মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারি।
  • নিজের তথ্য গুলো আদান প্রদান করতে পারি। সেহেতু এই আদান প্রদান করা তথ্য গুলোর নিরাপত্তা নিয়ে। আমাদের মনে সর্বদাই একটা সংশয় থাকে।
  • অর্থাৎ আপনি যে তথ্য গুলো শেয়ার করলেন। সে গুলো গোপন থাকবে কিনা তা নিয়ে কিন্তু আমাদের একটা ভয় সব সময় থাকে।
  • প্রযুক্তির উপর নির্ভরতাঃ একটা কথা সর্বদাই মাথা রাখবেন। প্রযুক্তি যতটা উন্নত হবে, মানুষ ততটাই অলস হয়ে পড়বে।
  • কেননা ততক্ষণে মানুষ সম্পূর্ণ প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে থাকবে। আর যখন এমনটা ঘটতে থাকবে। তখন কিন্তু মানুষের জন্য তা কখনোই সুবিধার হবে না।
  • কেননা প্রযুক্তির যেমন ভালো দিক হয়েছে। ঠিক তেমনি ভাবে প্রযুক্তির অন্ধকার দিকও রয়েছে। যার ফলে আমরা মানুষ প্রযুক্তি নির্ভর হওয়ার কারণে। ক্রমাগতভাবে অন্ধকারের দিকেও যেতে পারি।

তো উপরে আপনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অসুবিধা গুলো দেখতে পাচ্ছেন। তবে এখানে শুধুমাত্র মেইন বিষয় গুলো কে তুলে ধরা হয়েছে।

এর বাইরে আপনি আরো অনেক ধরনের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অসুবিধা দেখতে পারবেন। যা নিয়ে আমি অন্য কোন আর্টিকেলে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব

দেখুন মানুষের জীবনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সময়। আর এই সময় কে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির কারণে।

কেননা আমরা এখন খুব সহজেই দূরবর্তী মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারছি। সেই সাথে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আমরা আমাদের অজানা বিষয় গুলো কে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাধ্যমে জানতে পারছি।

এছাড়া সময়ের সাথে সাথে এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গুলো তে রোবটিক্স টেকনোলজির ব্যবহার করা হচ্ছে।

এর কারণে মানুষের কোন একটি কাজ করতে যে পরিমাণ সময় ব্যয় করতে হয়।

যে পরিমাণ পরিশ্রম করতে হয়, তার থেকে খুব দ্রুত এবং কম পরিশ্রম ব্যয় করেই উক্ত কাজ গুলো সম্পন্ন করা সম্ভব। এর পাশাপাশি আমরা নিজের ঘরে বসে উন্নত তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে কেনাকাটা করতে পারছি।

যা মূলত উন্নত প্রযুক্তির অবদান। আর এ কারণে আমি বলব যে, সময় অনুযায়ী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নিয়ে আমাদের শেষ কথা

দেখুন এখন আপনি আমার এই লেখাটি নিশ্চয়ই মোবাইল অথবা কম্পিউটার থেকে পড়ছেন। আর এটা কিন্তু সম্ভব হয়েছে উন্নত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে।

কেননা আমরা এখন গুগলের মধ্যে অজানা বিষয় গুলো লিখে সার্চ করলেই। তাৎক্ষণিক ভাবে সেই বিষয় সম্পর্কে যাবতীয় তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারি।

আপনার জন্য আরোও লেখা…

আর সে কারণে আজকে আমি আপনাকে খুব সহজ ভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি।

মূলত আমরা এই ধরনের টেকনোলজি রিলেটেড যাবতীয় বিষয় গুলো নিয়ে প্রতিনিয়ত আর্টিকেল পাবলিশ করি। আর আপনি যদি একজন টেক লাভার হয়ে থাকেন।

তাহলে এই ওয়েবসাইট হবে আপনার জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। তাই চেষ্টা করবেন নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করার জন্য।

ধন্যবাদ! এতক্ষণ ধরে আমার এই লেখাটি পড়ার জন্য। আজ আর নয়, দেখা হবে অন্য কোনো আর্টিকেলে। সে পর্যন্ত সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap