গুগল ড্রাইভ কি? গুগল ড্রাইভ কি নিরাপদ ? [বিস্তারিত জানুন]

গুগল ড্রাইভ কি : আমরা সবাই জানি যে বর্তমান সময়ে আমরা প্রযুক্তির যুগে বসবাস করছি। আর সেই সুবাদে আমরা সবাই পর্যায়ক্রমে অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়ছি।

কারনে কিংবা অকারনে আমরা প্রচুর পরিমান সময় অনলাইন এর মাধ্যমে ব্যয় করে আসছি। অপরদিকে যাদের অনলাইন সম্পর্কে টুকটাক ধারনা আছে। তাদের মধ্যে Google কে চিনে না।

গুগল ড্রাইভ কি? গুগল ড্রাইভ কি নিরাপদ ?
গুগল ড্রাইভ কি ? গুগল ড্রাইভ কি নিরাপদ ?

এমন মানুষকে খুজে পাওয়া মুশকিল। কারন আজকের দিনে অনলাইন জগতের প্রায় ৭০ শতাংশ জায়গা করে নিয়েছে গুগল নামক এই অনলাইন ভিওিক প্লাটফর্মটি।

কারন এই প্লাটফর্মের এমন অনেক ধরনের প্রডাক্ট রয়েছে যে Product গুলো ব্যবহার করার ফলে আমাদের অনলাইন জীবনকে সহজ থেকে সহজতর করা সম্ভব হয়েছে।

ঠিক তেমনি পথিবী খ্যাত এই জনপ্রিয় প্লাটফর্মটির একটি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট হলো, Google Drive. যার জনপ্রিয়তা সময় অতিবাহিত হওয়ার সাথে প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কেননা, অনলাইন ভিওিক স্টোরেজ হিসেবে গুগল ড্রাইভ হলো বর্তমান সময়ে সহজে বিশ্বস্ত একটি সেক্টর। যা আপনি নিশ্চিন্তে আপনার মোবাইল কিংবা কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারবেন। 

হ্যালো ভিয়ার,  ওয়েলকাম টু Banglaitblog এর “ গুগল ড্রাইভ কি “- নিয়ে লেখা নতুন একটি আর্টিকেলে।

আজকে আমরা গুগল ড্রাইভ কি থেকে শুরু করে কিভাবে আপনি Google Drive ব্যবহার করবেন। এবং গুগল ড্রাইভে ছবি রাখার নিয়ম সহো গুগল ড্রাইভ কি নিরাপদ নাকি অনিরাপদ।

এ সমস্ত জানা অজানা বিষয় রয়েছে তার প্রত্যেকটি বিষয় নিয়ে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো।

তাই যদি আপনার মনে গুগল ড্রাইভ সম্পর্কে জানার ইচ্ছে থাকে। যদি আপনি জানতে চান যে, গুগল ড্রাইভ কি তাহলে আজকের সম্পূর্ন আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

তাহলে আপনি অনেক অজানা তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন। 

গুগল ড্রাইভ কি ? ( what is drive google)

এই আর্টিকেলে আমরা অবশ্যই অন্যান্য টপিক গুলোকে কভার করবো। তবে সবার আগে আমাদের জেনে নিতে হবে যে, গুগল ড্রাইভ কি। যখন আপনি এই বিষয়টি বুঝতে পারবেন, তখন পরবর্তী আলোচনা গুলো আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

গুগল এর একটি অনলাইন ভিওিক প্রোডাক্ট এর নাম হলো G Drive. যে প্রডাক্টটি শুধুমাএ ক্লাউড স্টোরেজ বা অনলাইন ভার্চুয়াল মেমোরি কার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

আপনি আরো দেখুন…

আমাদের মোবাইল এর যেমন মেমোরি কার্ড থাকে। এবং প্রত্যেকটা মেমোরির সাইজ যেমন আলাদা আলাদা থাকে৷ ঠিক একইভাবে G Drive হলো তেমনি এক ধরনের মেমোরি কার্ড।

যা শুধুমাএ আপনি অনলাইন প্লাটফর্মে ব্যবহার করতে পারবেন।

গুগল সর্বপ্রথম ২০১২ সালে G Drive নামক এই অনলাইন প্রোডাক্ট এর সূচনা করেন ৷ তবে শুরুর দিকে মানুষ এ প্রোডাক্ট কে ব্যবহার করতে তেমন আগ্রহী না হলেও বর্তমান সময়ে কিন্তুু এই প্রোডাক্ট এর ব্যবহাকারীর সংখ্যা আকাশচুম্বী।

আপনি জানলে অবাক হবেন কারন, আজকের দিনে গুগল ড্রাইভ এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৫ বিলিয়ন এর গন্ডি পেরিয়ে গেছে। 

গুগল ড্রাইভের কাজ কি ?

উপরের আলোচনা থেকে আমরা গুগল ড্রাইভ কি সে সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারনা পেয়েছি। এখন আপনাকে জেনে নিতে হবে যে, এই গুগল ড্রাইভ এর কাজ কি। আর আমরা যদি এই অনলাইন প্রডাক্টটিকে ব্যবহার করি।

তাহলে কি কি সুবিধা ভোগ করতে পারবো। তো চলুন এবার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

দেখুন আমাদের প্রত্যেকের মোবাইল ফোন এর জন্য কিন্তুু মেমোরি কার্ড কিনে থাকি৷ কারন এই Memory Card গুলোতে আমরা আমাদের পছন্দের ফাইল, ছবি, গান ইত্যাদি গুলোকে মেমোরি কার্ডে সংরক্ষন করে রাখি।

এবং প্রয়োজন এর সময় সেগুলোকে মেমোরি কার্ড থেকে ব্যবহার করে থাকি।

ঠিক একইভাবে আমরা যদি Google Drive কে একটি অনলাইন মেমোরি কার্ড বলি। তাহলেও কিন্তুু তা ভুল হবে না। কারন G Drive কেও আপনি ফোনের মেমোরি কার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

যেখানে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল গুলোকে জমা করে রাখতে পারবেন। যেমন, আপনার পছন্দের Audio, Video, Image, App ইত্যাদি ৷

শুধু তাই নয়, এখানে আপনি আপনার পছন্দের ফাইল গুলো জমা করে রাখার পাশাপাশি আপনি সেগুলো নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যখন চাইবেন তখনি সেই ফাইল গুলোকে পুনরায় ফেরত নিয়ে আসতে পারবেন। 

তবে যদি আপনি গুগলের এই প্রডাক্টটি ব্যবহার করতে চান৷ তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনাকে ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্টেড হতে হবে।

কারন এটি যেহুতু একটি অনলাইন প্রোডাক্ট৷ সেহুতু আপনি এই প্রডাক্টটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়া ব্যবহার করতে পারবেন না। 

গুগল ড্রাইভ কত প্রকারের হয়ে থাকে ? 

সত্যি বলতে G Drive এর কোনো প্রকারভেদ নেই। অর্থ্যাৎ, এটি হলো গুগল এর ভার্চুয়াল স্টোরেজ ভিওিক একটিই প্রোডাক্ট। কিন্তুু আপনি যদি ব্যবহাকারীর দিক থেকে লক্ষ্য করেন।

তাহলে কিন্তুু আপনি এই অনলাইন স্টোরেজ কে প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত করতে পারবেন। যেমন,

G Drive Free Plan: মূলত গুগল তাদের ব্যবহারকারীর কথা চিন্তা করে এই প্ল্যানটি করেছে। যেখানে আপনি এই অনলাইন ক্লাউড স্টোরেজ এর 15 GB একেবারে বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন।

অর্থ্যাৎ, অনলাইন প্লাটফর্মে গুগল ড্রাইভ আপনাকে সর্বোচ্চ ১৫ জিবি স্টোরেজ দিবে। যার জন্য আপনাকে কোনো প্রকার অর্থ ব্যয় করতে হবে না। এবং এই নির্দিষ্ট পরিমান স্টোরেজ এ আপনার পছন্দমতো ফাইল গুলোকে সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।

G Drive Paid Plan: আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যারা মনে করেন যে গুগল ড্রাইভে শুধুমাএ ১৫ জিবি স্টোরেজ পাওয়া যায়। যা কিনা আপনি কোনো প্রকার টাকা খরচ ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন।

কিন্তুু অবাক করার মতো বিষয় হলো, এটি বাদেও গুগল তাদের ক্লাউড স্টোরেজ এ আরও এক প্রকার পেইড প্ল্যান এর ব্যবস্থা করেছেন। যেখানে আপনি আপনার প্রয়োজন মতো স্টোরেজকে বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

এবং সেই বাড়িয়ে নেয়া স্টোরেজ এর জন্য আপনাকে Pay করতে হবে। যাকে এক কথায় বলা হয়, G Drive Paid Plan.

গুগল ড্রাইভ এর ক্যাপাসিটি এবং মূল্য কত টাকা? 

তো উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানলাম যে, গুগল ড্রাইভ কি এবং গুগল ড্রাইভ এর কাজ কি। এবং এরপরে আমরা জানতে পারলাম যে, G Drive এর দুই ধরনের প্ল্যান রয়েছে। একটি হলো ফ্রি প্ল্যান এবং অন্যটি হলো পেইড প্ল্যান।

অর্থ্যাৎ, ফ্রি প্ল্যানে আপনাকে কোনো অর্থ ব্যয় করার প্রয়োজন হবে না। কিন্তুু আপনি যদি পেইড প্ল্যান ব্যবহার করেন। তাহলে কিন্তু আপনাকে বেশ ভালো পরিমানে গুগল কে পে করতে হবে।

এখন প্রশ্ন হলো, আপনি কেমন স্টোরেজ ব্যবহার করলে পরিমান পে করবেন? অর্থ্যাৎ গুগল কত জিবি অনলাইন স্টোরেজ এর জন্য কি পরিমান টাকা নিয়ে থাকে। চলুন এবার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

তো গুগল তাদের অনলাইন ভিওিক স্টোরেজ এর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্ল্যান তৈরি করে রেখেছে। এখন আপনি তাদের যে Storage Plan ব্যবহার করবেন। আপনাকে সেই অনুযায়ী গুগল কে পে করতে হবে। যেমন,

15 GB Storage Plan: এই প্ল্যানে আপনি সর্বমোট গুগল স্টোরেজ এর ১৫ জিবি ব্যবহার করতে পারবেন ৷ কিন্তুু এই প্ল্যানটি ব্যবহার করার জন্য আপনাকে কোনো প্রকার Pay করতে হবে না। কারন এটি সকল গুগল সার্ভিস ব্যবহাকারীদের জন্য একেবারে বিনামূল্যে ব্যবহার করার সুযোগ দিয়েছে গুগল। 

100 GB Storage Plan: গুগল তাদের অনলাইন ভিওিক স্টোরেজ এর জন্য আরও একটি প্ল্যান তৈরি করেছে। যেখানে আপনি মোট ১০০ জিবি পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।

আর আপনি যদি এই 100 GB Storage Plan টি ব্যবহার করতে চান। তাহলে আপনাকে প্রতি মাসে ১৩০/- এবং প্রতি বছরের জন্য ১৫৬০/- পে করতে হবে।

200 GB Storage Plan: যেহুতু এখানে আপনি দ্বিতীয় প্ল্যান এর চাইতে আরও বাড়তি ১০০ জিবির সুবিধা পাচ্ছেন ৷ সেহুতু এই প্ল্যানের জন্য আপনাকে একটু বেশি Pay করতে হবে।

আপনি যদি গুগল এর 200 GB Storage নিতে চান। তাহলে আপনাকে প্রতি মাসের জন্য ২১০/- দিতে হবে। যা পরবর্তী এক বছরের চার্জ হবে ২,৫২০/- টাকা দিতে হবে।

2TB Storage Plan: যদি আপনার উপরে থাকা স্টোরেজ প্ল্যান গুলো অনেক কম মনে হয়। তাহলে আপনি এই 2TB Storage প্ল্যানটি ব্যবহার করতে পারবেন।

তবে আপনি যদি এই ২ টেরাবাইট স্টোরেজ প্ল্যানের জন্য প্রতি মাসে ৬৫০/- টাকা চার্জ দিতে হবে৷ যা এক বছরে হবে ৭,৮০০/- প্রদান করতে হবে।

10TB Storage Plan: ২ টেরাবাইট স্টোরেজ এর মতো গুগল এর আরও একটি প্লান রয়েছে। সেটি হলো ১০ টেরাবাইট স্টোরেজ। যদি আপনি এই ধরনের প্লানটি ব্যবহার করেন।

তাহলে আপনাকে প্রতি মাসের জন্য ৩,২৫০/- টাকা চার্জ দিতে হবে। যা এক বছরে গড়ে দাড়াবে মোট ৩৯,০০০/- টাকা।

20TB Storage Plan: ২০ টেরাবাইট এর একটি স্টোরেজ প্লান রয়েছে। যা ব্যবহার করতে পারলে আপনি অনেক বেশি পরিমানে ফাইল রাখতে পারবেন ৷

কিন্তুু এই ধরনের বড় প্ল্যান ব্যবহার করতে হলে আপনাকে প্রতি মাসের জন্য ৬,৫০০/- টাকা দিতে হবে। যা এক বছরের গড় হবে ৭৮,০০০/- টাকা।

30TB Storage Plan:গুগল এর সর্বশেষ স্টোরেজ প্লানটি হলো ৩০ টেরাবাইট৷ এই ধরনের বড় Storage Plan ব্যবহার করতে হলে আপনাকে প্রতি মাসের জন্য ৯,৭৫০/- টাকা চার্জ দিতে হবে। যা এক বছরের গড় দাড়াবে ১১৭,০০০/- টাকা। 

আপনি আরো পড়ুন…

গুগল ড্রাইভ কি নিরাপদ?

আমি আর্টিকেল এর শুরু থেকে যে G Drive এর গুনগান গাইছি ৷ এটা দেখার পর আপনার মনে হতে পারে, এই যে Google Drive এটা কতটুকু নিরাপদ?

আর আপনি কেন গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করবেন? -তো চলুন এবার সে নিয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

সত্যি বলতে এই গুগলের অনলাইন স্টোরেজ আমাদের জন্য কতটুকু নিরাপদ। তা এক কথার মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব না ৷ তাই আমি বিভিন্ন দিক দিয়ে এই বিষয় টি আলোচনা করবো।

তাহলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যে, আমাদের ব্যক্তিগত ফাইল জমা রাখার জন্য গুগল ড্রাইভ কতটুকু নিরাপদ।

তো এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যার মাধ্যমে আপনি সেটি সম্পর্কে জানতে পারবেন। সেগুলো হলো,

  • দেখুন আপনি এই অনলাইন স্টোরেজ এ যেসব গুরুত্বপূর্ণ File গুলো রাখবেন ৷ সেগুলো কিন্তুু হারিয়ে যাওয়ার মতো কোনো সম্ভাবনা থাকবে না। অর্থ্যাৎ, আপনার সেই অনলাইন মেমোরি কার্ডে যেসব ফাইল রাখবেন।
  • সেগুলো ততোদিন সুরক্ষার সাথে জমা থাকবে ৷ যতোদিন এই গুগল কোম্পানি থাকবে। আর আপনি চাইলে এই সময় এর মধ্যে আপনার জমা করা ফাইল গুলো ডাউনলোড করতে পারবেন।
  • কোনো কারনে যদি আপনার মোবাইল ফোনটি নষ্ট হয়ে যায় কিংবা চুরি হয়ে যায়। তাহলে কিন্তু আপনার গুগল ড্রাইভে জমা করা ফাইল গুলো খুব সহজেই ফেরত আনতে পারবেন ৷
  • এজন্য আপনাকে শুধু অন্য একটি ফোনে আপনার Gmail দিয়ে লগ ইন করতে হবে। এরপর আপনি অন্য ফোন থেকেও আপনার গুগল ড্রাইভ একাউন্ট এর এক্সেস নিতে পারবেন।
  • অপরদিকে আপনি এখানে বিনামূল্যে ১৫ জিবি স্টোরেজ ব্যবহার করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে কোনো প্রকার টাকা খরচ করতে হবে না।
  • আপনার বর্তমান সময়ে আপনি প্রতি ১ টি Gmail Account এর জন্য গুগল ড্রাইভ এর ১৫ জিবি অনলাইন স্টোরেজ ব্যবহার করতে পারবেন। যা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে।
  • সবচেয়ে মজার ব্যাপার গুগল এতো বড় একটা সার্ভিস দেয়ার পাশাপাশি আমাদের হাতে থাকা Device গুলোকে অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন ৷
  • যার কারনে আপনি চাইলে মোবাইল, কম্পিউটার, পিসি, ল্যাপটপ, আইওএস যেকোনো ডিভাইস দিয়ে Google Drive ব্যবহার করতে পারবেন।
  • সবচেয়ে বড় কথা হলো, আপনি যে এই অনলাইন স্টোরেজ এ আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল গুলো রাখবেন। সেগুলো কিন্তুু Hack হওয়ার মতো কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।
  • কারন গুগল তাদের সিকিউরিটি কে এতোটাই কঠিন যে। সেগুলো কে হ্যাক করার জন্য অনেক বড় হ্যাকার এসে চেস্টা করার পরও ব্যর্থ হয়ে যাবেন। তাই আপনার গুরুত্বপূর্ণ File হ্যাক হওয়ার কোনো চিন্তা না করেও হবে।  

গুগল ড্রাইভ কিভাবে ব্যবহার করব ?

যদি আপনি গুগল ড্রাইভ এর ভার্চুয়াল স্টোরেজ এর সুযোগ ভোগ করতে চান৷ তাহলে আপনার বেশ কিছু ইকুইপমেন্ট এর প্রয়োজন হবে। যেমন, 

  • আপনার হাতের কাছে যেকোনো একটি ডিভাইস থাকতে হবে। যেমন, মোবাইল, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ।  
  • এরপর আপনার সেই ডিভাইসে অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। 
  • এরপর আপনার একটি Verified Gmail Account থাকতে হবে। মনে রাখবেন, যদি আপনার জিমেইল একাউন্ট না থাকে। তাহলে কিন্তুু আপনি গুগল এর এই প্রোডাক্টটি ব্যবহার করতে পারবেন না। 
  • তো যখন আপনার কাছে উপরোক্ত ইকুইপমেন্ট গুলো থাকবে৷ তখন আপনি মোবাইল এর জন্য এক ভাবে এবং কম্পিউটার এর জন্য আলাদা ভাবে G Drive Account তৈরি করতে পারবেন। চলুন এবার সেই পদ্ধতি গুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক। 

How To Create G Drive Account In Mobile? 

তো যদি আপনি মোবাইল ইউজার হয়ে থাকেন ৷ তাহলে আপনার ফোনে g drive ব্যবহার করার জন্য নিচের স্টেপ গুলো অবলম্বন করতে হবে। চলুন এবার সেই স্টেপ গুলো ভালোভাবে দেখে নেই৷ 

  • সবার আগে আপনার ফোনে থাকা Data Connection টি অন করে রাখতে হবে। 
  • এরপর আপনার ফোনের Gmail নামক একটি অপশন রয়েছে। সেখানে আপনার একটি Gmail Account দিয়ে লগ ইন করতে হবে। আর যদি আপনার কোনো একাউন্ট না থাকে। তাহলে Create a new account এ ক্লিক করার পর নতুন একটা জিমেইল একাউন্ট তৈরি করে নিবেন। 
  • এরপর আপনাকে সরাসরি Google Play Store এ যেতে হবে। এবং সার্চ করতে হবে ” Google Drive”.
  • এরপর সার্চ অপশনে যে এপসটি আসবে সেটিকে ডাউনলোড করে Install করবেন। 
  • সবশেষে আপনাকে আপনার জিমেইল একাউন্ট দিয়ে লগ ইন করার পরে আপনি সরাসরি ১৫ জিবি অনলাইন স্টোরেজ পাবেন। যেখানে আপনি আপনার ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ File গুলোকে জমা রাখতে পারবেন। 

💡 NOTE: এই কাজটি আপনি Google Chrome ব্রাউজার দিয়েও করতে পারবেন। কিন্তুু ব্রাউজার এর থেকে এপ ব্যবহার করাটা অনেক সহজ মনে হয়েছে আমার কাছে। 

How To Create G Drive Account In Pc/Laptop?

যদি আপনি কম্পিউটার দিয়ে এই কাজটি করেন। তাহলে আপনাকে কোনো প্রকার এপস ইনস্টল না করলেও চলবে। কারন এখানে আপনি ব্রাউজার থেকেই সব কিছু কন্ট্রোল করতে পারবেন।

আপনার জন্য আরো লেখা…

তো পিসি দিয়ে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করার জন্য আপনাকে নিচের স্টেপ গুলো ফলো করতে হবে। 

  • সবার আগে আগে আপনাকে একটি Browser এ যেতে হবে। এরপর সেখানে গিয়ে Google Drive লিখে সার্চ করার পর সবার প্রথমে থাকা ওয়েবসাইট এ প্রবেশ করতে হবে। 
  • এরপর আপনার Gmail account দিয়ে লগ ইন করার সাথে সাথে ১৫ জিবি ফ্রি স্টোরেজ পাবেন। 

আমাদের শেষকথা 

আশা করি গুগল ড্রাইভ কি সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। তার সাথে google drive নিয়ে আরো অনেক কথা আলোচনা করেছি। গুগল ড্রাইভ নিয়ে আপনার যদি কিছু জানার থাকে তাহলে নিচে কমেন্ট করুন।

এ ছাড়াও অনলাইন থেকে ইনকাম করা নিয়ে আমাদের ব্লগে থাকা লিখা গুলা পড়তে পারেন।

এমন সব নতুন নতুন তথ্য জানতে হলে Banglaitblog এর সাথে থাকুন। ধন্যবাদ। 

Related article

4 thoughts on “গুগল ড্রাইভ কি? গুগল ড্রাইভ কি নিরাপদ ? [বিস্তারিত জানুন]”

  1. অনেক অনেক ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা আর্টিকেল পাবলিশ করার জন্য।

  2. মুন্নি আক্তার

    Great post. Wonderful information and really very much useful. Thanks for sharing and keep updating Thank You so much for sharing this information. I found it very helpful.Thank you so much again.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখা কপি করবেন না!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap