ডোমেইন কি ? ডোমেইন কত প্রকার ? – ডোমেইন সম্পর্কে জানুন

ডোমেইন কিঃ What is domain name in bangla. সাধারন অর্থে ডোমেইন হলো একটি নাম। যা কোনো একটি ওয়েবসাইটের পরিচয় বহন করে। যার সাহায্য কোনো ওয়েবসাইটকে সহজেই খুজে পাওয়া যায়। তবে সাধারণভাবে ডোমেইন একটি নাম হলেও, অর্থগত দিক থেকে বেশ ভিন্নতা খুজে পাবেন।

ডোমেইন কি ? ডোমেইনের কাজ কি?
ডোমেইনের খুটি-নাটি

সেই ভিন্নতাকে খুজে, তা সঠিকভাবে উপস্থাপন করার জন্যই আজকের এই আর্টিকেলটি লেখা শুরু করলাম। আজকের এই আর্টিকেলে আপনি জানতে পারবেন, ডোমেইন কি, ডোমেইন কত প্রকার, কেন ডোমেইন ব্যবহার করা হয় এবং ডোমেইন থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়।

একটি ডোমেইনের দাম কত বা প্রতি বছর রিনিউ করতে কত টাকা লাগবে। কিভাবে ডোমেইন কিনবেন।

ডোমেইন নিয়ে যত ধরনের প্রশ্ন আছে সকল প্রশ্নের উত্তরে আর্টিকেল মায়ের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন। এই সবগুলো বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। সেজন্য আপনাকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। 

ডোমেইন কি?

যখন আপনি কোনো একটি ওয়েবসাইট/ব্লগ তৈরি করবেন। তখন সবার আগে আপনার ডোমেইনের প্রয়োজন হবে। কারণ ডোমেইন মূলত কোনো ওয়েবসাইটের পরিচয় বহন করে। 

যেমন, আপনি বর্তমানে যে ওয়েবসাইটে এই আর্টিকেলটি পড়ছেন। সেই ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম হলো (www.banglaitblog.com). ঠিক এভাবেই পৃথিবীতে যতোগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের একটি করে ডোমেইন রয়েছে। যেমন, ফেসবুকের জন্য  facebook.com এবং গুগলের জন্য google.com. 

এখন জানার বিষয় হলো, একটি ডোমেইনে আপনি বেশ কিছু বিষয় দেখতে পারবেন। যেমন, আমার ওয়েবসাইট এর ডোমেইনের শুরুতে  “https” এরপর “Banglaitblog”  এবং সবশেষে দেখবেন (“.com“) তবে প্রশ্ন হলো, এখানে ডোমেইন কোনটি? তাইতো!

আপনার জন্য আরো আর্টিকেল…

তবে আমরা অনেক সময় ডোমেইন নামের আগে বা সাথে (“https”http” “www“) দেখত পায়। আপনাদের মনে মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগতে পারে এসব মানে কি? চলুন ডোমেইন কী জানার আগে (“https”http” “www“) কি জেনে নেয়।

http মানে কি?

http এর পূর্ণ অর্থ হলো Hyper text Transfer Protocol যা এক রকম প্রোটোকল যার দ্বারা  অনলাইনে বা ইন্টারনেটে কমিউনিকেশন করা যায়। প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট ভিজিট করার পর ব্রাউজারের ইউ আর এল এর ভিতরে ক্লিক করলে দেখবেন যে অটোমেটিক এই ফরমেটটি চলে এসেছে।

আপনাকে আলাদা ভাবে লিখতে হবেনা ব্রাউজার নিজে নিজেই এটা নিয়ে নিবে। আপনি যেকোন ওয়েবপেজের কোন লেখাতে ক্লিক করলে যদি নতুন পেজে চলে যান তার অর্থ হল হাইপারটেক্সটটিতে ক্লিক করেছেন।

আপনি যদি কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করার পর Url এর সাথে http দেখতে পান এবং তার বামপাশে কালো lock আইকন দেখা যায় তার মানে সেই ওয়েবসাইটে SSL (Secure Sockect Layer) ব্যবহার করা হয়নি।

সেi কালো লক আইকনে ক্লিক দেয়ার পর দেখতে পারবেন Not  Secure অর্থাৎ এই ওয়েবসাইটটি আপনার জন্য নিরাপদ নয় কেননা সেই ওয়েবসাইটে Data Encrypt ফর্মে  তথ্য স্থানান্তর করা হয় না।

তাহলে চলুন https কি জেনে নেওয়া যাক।

https মানে কি?

https মানে হল Hypertext Transfer Protocol Secure অর্থাৎ https  হলো http এর  Secure Version বলা হয়ে থাকে। HTTPS এর শেষে ‘S’  দ্বারা বোঝানো হয় যে এই ওয়েবসাইটটি  SECURE (নিরাপদ).

https আপনার ব্রাউজার আর ওয়েবসাইটের মাঝে সকল যোগাযোগ Encrypt করে। যা SSL (Secure Sockect Layer) ব্যবহারের দ্বারা ব্রাউজার এবং সার্ভারের মাঝে ইনক্রিপ্ট এর মত তথ্য স্থানান্তর করে থাকে।

যার কারণে সার্ভার এবং ব্যক্তির মাঝে যে ডেটা থাকে টা অন্য কেউ জানতে পারেনা।

যদি কোন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ভিজিট করার সময় URL বা লিঙ্কের শুরুতে দেখতে হবে https আছে কিনা। যদি থাকে তার মানে এই ওয়েবসাইটটি আপনার ডেটা SSL (Secure Sockect Layer) দিয়ে নিরাপত করা আছে।

আপনার ব্রাউজারের ADDRESS বারে URL বাম দিকে সবুজ রঙের একটি তালা আইকন দেখতে পাবেন। সেই তালা আইকনে ক্লিক দিয়ার পর SECURE লেখা দেখা যাবে। তার মানে সেই ওয়েবসাইট SSL দ্বারা সুরক্ষিত করা আছে।
আশা করি http এবং https এর মাঝে কি কি বেবধান বোঝতে পেরেছেন।

www মানে কি?

www এর মানে হলো  world wide web যা ডোমেইনের সাথে ব্যবহার করা দেখা যেত। আমরা ছোট থাকতে কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময়  www লিখে তার পর যে ওয়েবসাইটে যাব তার নাম লিখতাম।

তবে অনেক ব্লগে www সম্পর্কে  যা বলা হয়েছে তা হলো, পুরো পৃথিবীর মানুষকে একটি ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে ভিতরে প্রবেশ করানোর জন্য www ব্যবহার করা হয়েছিল।

কারন আমরা মনে করতাম www মানেই ইন্টারনেটের কিছু একটা হবে। সে জন্য ডোমেইনের আগে www ব্যবহার করা হত। তবে এখন আর www লেখা দরকার হয়না।

তবে ডোমেইনের শুরুতে www যে ব্যবহার করতেই হবে। এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আপনি ডিরেক্ট ডোমেইনের নাম ব্যবহার করে যে কোন ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারবেন।

সাবডোমেইন কি?

কোনো একটি ডোমেইনের নামের পূর্বে যখন কোনো কিছু বাড়তি অংশ জুড়ে দেওয়া হয়।তখন তাকে সাবডোমেইন (Sub Domain) বলা হয়ে থাকে। যেমন, একটি ডোমেইন দিয়ে উদাহরন দিয়ে বলি। এখানে, 

example.com

এখানে, example হলো ডোমেইনের নাম। এখন যদি আমরা এই নামের পূর্বে আরও বাড়তি অংশ যুক্ত করি। তাহলে সেই ডোমেইনটি ঠিক এরকম হবে, 

blog.example.com

এখানে, ডোমেইনের নামের পূর্বে blog যুক্ত করা হয়েছে। তারমানে এই ডোমেইনটিকে একটি সাবডোমেইন বলা যেতে পারে।ডোমেইনের নাম

কোনো একটি ডোমেইনের মূল অংশ হলো, Domain Name. কারন এই নামের মাধ্যমেই তার পরিচিতি বহন করবে। আপনি আপনার ইচ্ছামতো যেকোনো নাম দিতে পারেন। হতে পারে সেই নামটি আপনার নিজেরও হতে পারে, আপনার কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের নামেও হতে পারে। যেমন,

www.example.com

ডোমেইন এক্সটেনশন

এক্সটেনশন ছাড়া কোনো ডোমেইন পরিপূর্ণতা পায় না। কোনো একটি Domain এর নামের শেষে (.) এর পরে যা থাকে। তাকেই বলা হয় Domain Extension. বর্তমানে অনেক এক্সটেনশন প্রচলিত রয়েছে। তার মধ্যে কিছু জনপ্রিয় এক্সটেনশন হলো, 

  • (.com)
  • (.net)
  • (.org)
  • (.info)
  • (.co)

এগুলো ছাড়াও আরও অনেক extension রয়েছে। তবে ব্যবহারগত দিক থেকে উপরোক্ত এক্সটেনশন গুলো সর্বাধিক জনপ্রিয়। যেহুতু এতোকিছু জেনেই ফেললেন, সেহুতু এটাও জেনে রাখুন যে, কেন ডোমেইন ব্যবহার করতে হয়।

ডোমেইন ব্যবহার করা হয় কেন?

এবার আসা যাক মূল টপিকে, কেন আপনি ডোমেইন ব্যবহার করবেন। আর যদি Domain ব্যবহার না করা হয়, তাহলে কি কোনো সমস্যা হবে কিনা।

যদি এক কথায় উওর দেই, তাহলে বলবো কোনো ওয়েবসাইটের Access পাওয়ার জন্য ডোমেইন ব্যবহার করা হয়। তবে প্রশ্ন হলো, Domain ছাড়া কি কোনো ওয়েবসাইট এর এক্সেস পাওয়া সম্ভব না? – হ্যাঁ!  সম্ভব। এবার সে সম্পর্কে আলোচনা করবো।

দেখুন বর্তমানে লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট রয়েছে। এখন আপনি যদি স্পেসিফিক কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে চান। তাহলে কিভাবে সেই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন? সেটি কি আপনি জানেন?

কোনো ওয়েবসাইটকে খুজে পাওয়া এবং সেই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পেছনে IP Address সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একমাএ আইপি এড্রেসের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইটকে Detect করা সম্ভব।

আর আপনার ফোন বা কম্পিউটারে যেসব ব্রাউজার ব্যবহার করা হয়। তারা মূলত এই IP Address ডিটেক্ট করে কোনো Website কে খুজে পায়।

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, যদি IP Address দিয়েই কোনো ওয়েবসাইটে Access নেয়া যায়। তাহলে কেন আমরা ডোমেইন ব্যবহার করবো? -তাহলে শুনুন,

একটি IP Address ঠিক এরকম হয়,   

190.230.472.002

যেমন, গুগলের আইপি এড্রেস হলো

172.217.168.238

যদি আপনি এই Ip গুলো কোনো ব্রাউজারে লিখে সার্চ দেন। তাহলে সরাসরি সেই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবেন। কিন্তুু প্রশ্ন হলো, এতোগুলো আইপি আপনি মনে রাখবেন কিভাবে?

আপনি ফেসবুক ব্যবহার করেন, ইউটিউব ব্যবহার করেন আবার টুইটারও ব্যবহার করেন। তাই বলে কি এই সবগুলো ওয়েবসাইটের আইপি মুখস্থ করে রাখবেন? এটা কি সম্ভব? -না, এটা কখনই সম্ভব না।

এই অসম্ভব কাজটিকে সম্ভব করার জন্যই ব্যবহার করা হয় ডোমেইনের। আপনি শুধুমাএ ডোমেইন লিখে কোনো ব্রাউজারে সার্চ দেওয়ার পর।

সেই ব্রাউজার অটোমেটিক IP কে ডিটেক্ট করে আপনাকে সঠিক ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবে। মূলত এই সুবিধার জন্য ডোমেইন ব্যবহার করা হয়।

ডোমেইন কত প্রকার?

দেখুন অন্যান্য বিষয়ের মতো ডোমেইনকে ২ প্রকার বা ৩ প্রকার এভাবে ভাগ করা সম্ভব নয় ৷ কিন্তুু এরপরও ব্যবহারগত দিক থেকে ডোমেইনকে ৪ টি ভাগে বিভক্ত করা হয়ে থাকে। যেমন,

  • TLD Domain 
  • gTLD Domain 
  • SLD Domain
  • ccTLD Domain

এবার এই প্রকারভেদ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক ৷ যেন, ডোমেইন সম্পর্কে আপনার মনে কোনো ভ্রান্ত ধারণা না থাকে। 

TLD Domain কি? 

TLD এর পূর্নরুপ হলো, Top Level Domain. যে ডোমেইনের এক্সটেনশন গুলো টপ লেভেলের, সেই ডোমেইন গুলোকে বলা হয়, TLD Domain. এমন কিছু ডোমেইন এক্সটেনশন হলো,  (.com) (.net) (.info) (.org) ইত্যাদি ডোমেইন এক্সটেনশন গুলো হলো, TLD Domain এর আওতাভুক্ত। 

gTLD Domain কি?

gTLD এর পূর্নরুপ হলো, Generic Top Level Domain. যখন কোনো ডোমেইনের এক্সটেনশন, কোনো দেশকে ইন্ডিকেট করে না। সেই ডোমেইন এক্সটেনশন গুলোকে বলা হয় gTLD Domain.

এমন কিছু ডোমেইনের নাম হলো, (.com) (.info) (.org) ইত্যাদি ডোমেইন এক্সটেনশন গুলো হলো gTLD domain এর আওতাভুক্ত। 

SLD Domain কি?

SLD এর পূর্নরুপ হলো, Sub Level Domain. অর্থ্যাৎ, কোনো ডোমেইনে যেসব সাবডোমেইন যুক্ত করা হয়। সেই ডোমেইন গুলোকে বলা হয়, সাব লেভেল ডোমেইন। যেমন, www.blog.example.com এখানে (blog) হলো একটি সাবডোমেইন। 

ccTLD Domain কি? 

ccTLD এর পূর্নরুপ হলো, Country code top level domain.অর্থ্যাৎ, যখন আপনার ডোমেইনের এক্সটেনশন কোনো দেশকে টার্গেট করবে। সেই ডোমেইনকে বলা হয় ccTLD Domain.

যেমন, (.bd)= Bangladesh, (.pk)= Pakistan, (.us)= United States ইত্যাদি। 

এক্সপায়ার্ড ডোমেইন কি?

যেহুতু ডোমেইন সম্পর্কে জানতে এসেছেন, সেহুতু এক্সপায়ার্ড ডোমেইন সম্পর্কেও আপনার জেনে নেয়া উচিত। কারন এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

দেখুন, কোনো একটা সময়ে যদি কেউ ডোমেইন কিনে থাকে। এবং সেই ডোমেইনটি নিয়ে যদি সেই ব্যাক্তি কোনো কাজ করে। এবং একটা সময় সময় যদি সেই ব্যক্তি উক্ত ডোমেইনটি আর রিনিউ না করে,তাহলে সেই ডোমেইনটিকে এক্সপায়ার্ড ডোমেইন বলা হয়ে থাকে।

আরো পড়ুন…

এই ডোমেইনের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন, সেই ডোমেইনটি নিয়ে কেউ না কেউ আগে থেকেই কাজ করে রেখেছে। যার কারনে আপনি নিশ্চিন্তে সেটি কিনে নিতে পারবেন।

তবে এখানে কিছু অসুবিধাও রয়েছে, যেমন উক্ত ডোমেইনটিতে যদি কোনো প্রকার সমস্যা থাকে। যেমন, Google Penalty / Search engine banned /Crime /Sexual Content Published etc.

সেজন্য যখন আপনি এক্সপায়ার্ড ডোমেইন কিনবেন। তখন এই বিষয় গুলো ভালোভাবে নজরে রাখবেন। যাতে পরবর্তীতে আপনার ডোমেইন নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়তে না হয়।

আপনি কেন ডোমেইন কিনবেন?

এই প্রশ্নটা একটা সময় আমার মনেও জেগেছিলো। তখন আমি ভাবতাম, এতোকিছু থাকতে আমি কেন ডোমেইন কিনবো! এরপর অনেক ঘাটাঘাটি করে সেই প্রশ্নের মজার একটি উত্তর খুজে পেয়েছি।

সেই মজার বিষয়টি হলো, যখন আপনি একটি নামে ডোমেইন কিনবেন। এরপরে পৃথিবীর আর কেউ সেই নামে ডোমেইন কিনতে পারবে না। সে যেই হোক না কেন।

যেমন, আপনি একটি সিম কেনার পর, আপনাকে যে নম্বরটি দেয়া হবে। সেই নম্বরটি শুধুমাত্র আপনিই ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি ছাড়া সেই নম্বরটি কেউ ব্যবহার করতে পারবে না।

ঠিক সেরকম আপনি যখন কোনো একটি নামে ডোমেইন কিনবেন। আপনার পরবর্তীতে সেই নামে কেউ আর ডোমেইন কিনতে পারবে না।

এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে, সবকিছুই তো বুঝলাম। কিন্তুু কেন আমি ডোমেইন কিনবো? তাহলে শুনুন, ডোমেইন কেনার ভিন্ন ভিন্ন কারন রয়েছে। আপনি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য কিনতে পারবেন।

আবার এমন অনেক মানুষ আছে, যারা ভালো ভালো ডোমেইন গুলো কিনে রাখে। যাতে পরবর্তীতে সেই ডোমেইন গুলোকে বিক্রি করে বেশি টাকা ইনকাম করা যায়।

আবার কেউ কেউ শখের বশে ও ডোমেইন কিনে রাখে। আপনি যদি আপনার নিজের নামে ডোমেইন কিনে রাখেন। তাহলেও সেটা খারাপ কিছু নয়।

কিভাবে ডোমেইন কিনবেন?

সত্যি বলতে, এখন খুব সহজেই ডোমেইন কেনা যায়। কারন, আজকের দিনে বাংলাদেশেই এমন অনেক কোম্পানি আছে। যারা খুব স্বল্পমূল্য Domain রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে থাকে।

আর দেশি কোম্পানি হওয়ার ফলে, আপনি বিকাশের মাধ্যমেই টাকা Payment করতে পারবেন। এবার চলুন এবার জেনে নেই, দেশি বিদেশি কিছু ডোমেইন প্রোভাইডার এর সাথে পরিচিত হই। 

ডোমেইন কেনার দেশি ওয়েবসাইট

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক ভালো ভালো কোম্পানি আছে। যাদের কাছ থেকে আপনি ডোমেইন কিনতে পারবেন। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Company -র নাম হলো,

Exonhost 

আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বাংলাদেশের সেরা কোম্পানি হলো, Exonhost. এখান থেকে আপনি খুব সহজেই ডোমেইন কিনতে পারবেন। এই কোম্পানিটি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বস্ততার সাথে কাজ করে আসছে।

বাংলাদেশে যারা বড় বড় ব্লগার। তাদের অনেকেই এই কোম্পানি থেকে হোস্টিং+ডোমেইন সার্ভিস নিয়ে থাকে। এই ওয়েবসাইটের কাস্টমার সাপোর্ট এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বেশি থাকায় এখান থেকে আপনি ডোমেইন-হোস্টিং করতে পারেন।

Dianahost

যাদের ডোমেইন সম্পর্কে ভালো ধারনা নেই। তারা এই কোম্পানি থেকে ডোমেইন কিনে নেয়া উচিত। নতুন হিসেবে অনেক সুযোগ সুবিধা পাবেন এই কোম্পানি থেকে। কোন কার্ড অথবা অন্যান্য ব্যাংক জাতীয় সমস্যা এড়ানোর জন্য বিকাশ রকেট নগদ এর মাধ্যমেই ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই ডোমেইন-হোস্টিং ক্রয় করতে পারবেন।

HostarPlan

বলতে গেলে HosterPlan থেকে আমার সর্বপ্রথম ডোমেইন ক্রয় করা হয়েছিল এবং এই ওয়েবসাইট থেকে ডোমেইন কেনার পর ব্লগিং লাইফে এন্ট্রি করেছিলাম। কোনরকম কার্ড পেমেন্ট করা ছাড়াই বিকাশ রকেট এর মাধ্যমে যে কোন হোস্টিং এবং ডোমেইন কিনতে পারবেন খুব সহজেই।

ডোমেইন কেনার বিদেশি ওয়েবসাইট

যদি আপনি কোনো বিদেশি কোম্পানি থেকে ডোমেইন কিনতে চান। তাহলে আপনার কাছে Cradit Card অথবা MasterCard থাকতে হবে। যার মাধ্যমে আপনি লেনদেন করতে পারবেন।

ডোমেইন কেনার কিছু বিদেশি ওয়েবসাইট এর নাম হলো,

Namecheap

এই কোম্পানি থেকে খুব কমদামে Domain কিনতে পাওয়া যায়। এছাড়া স্পেশাল দিনগুলোতে এই কোম্পানিটি ডোমেইন কেনার জন্য অনেক টাকা ছাড় দিয়ে থাকে।

বিশ্বের বড় বড় ওয়েবসাইট এর ডোমেইন গুলো, এই কোম্পানি থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং কিনে থাকে। চাইলে আপনি Namecheap থেকে ডোমেইন কিনতে পারবেন।

Godaddy

বিশ্বের মধ্যে জনপ্রিয় আরেকটি কোম্পানির নাম হলো, Godaddy. লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট এর ডোমেইন কেনা হয়েছে, এই কোম্পানি থেকে। Godaddy বর্তমান সময়ে খুবই বিশ্বস্ত একটি অনলাইন কোম্পানি।

আপনি নিশ্চিতে এই কোম্পানি থেকে ডোমেইন কিনতে পারবেন। কিভাবে আপনি ডোমেইন কিনবেন। আশা করি এতোক্ষনে বুঝে গেছেন। 

ডোমেইন কিনতে সতর্কতা

দেখুন যখন আপনি ডোমেইন কিনবেন, তখন আপনাকে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। তা না হলে পরবর্তীতে যেকোন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।

সে সমস্যার জন্য আপনার শখের ডোমেইনটি তো হারাবেন সে সাথে সাথে আপনার জরিমানা হতে পারে অথবা কোন ভুলভাল ডোমেইন কেনার পর দেখবেন আপনার টাকাটি বানে ভেসে যাবে সেজন্য ডোমেইন কেনার আগে নিচের সতর্কতাগুলো অবলম্বন করবেন।

  • ডোমেইন রিনিউ
  • ডোমেইন ট্রেডমার্ক
  • ডোমেইন সিকিউরিটি 
  • ডোমেইন ট্রান্সফার

ডোমেইন রিনিউ কি?

ডোমেইন কেনার ক্ষেএে এই দুটো বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেন গুরুত্বপূর্ণ এবার সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা উচিত। কারন এমন অনেক কোম্পানি আছে যারা রিনিউ করতে ঝামেলা করে ৷

অর্থ্যাৎ রিনিউ যদি বেশি টাকা চার্জ করে থাকে ৷ যা অনেকেই সেই টাকা দিয়ে রিনিউ করতে পারেনা। এর ফলে আপনি আপনার ডোমেইনের মালিকানা হারাতে পারেন।

সত্যি বলতে ডোমেইনকে এককালীন টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব নয়। একটি ডোমেইন কেনার পরে, প্রতি ১ বছর পর আপনাকে পুনরায় টাকা দিতে হবে। আপনি যদি সেই টাকা না দেন, তাহলে আপনি আপনার ডোমেইন এর মালিকানা হারাবেন ৷

এখন কথা হলো, কোম্পানি ভেদে ডোমেইন এর দাম ও রিনিউ করার জন্য টাকার পরিমান একটু ভিন্ন হয়। কেউ রেগুলার প্রাইজে রিনিউ চার্জ করে, আবার কেউ ভালো সার্ভিস প্রদান করার কারনে বেশি টাকা চার্জ করে থাকে।

এখন মূল বিষয় হলো, গুটিকয়েক কিছু কোম্পানি আছে। যারা মূলত ব্যবসা করার উদ্দেশ্য মার্কেটে আসেনা। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো, বাটপারি করে মানুষের কাছ থেকে বেশি টাকা নেয়া।

তাই যখন আপনি ডোমেইন কিনবেন। তখন তার রিনিউ করার জন্য কত টাকা দিতে হবে। সেটি আগে থেকেই জেনে নিবেন। যেন পরবর্তীতে কোনো প্রকার সমস্যা না হয়।

ডোমেইন ট্রেডমার্ক কি?

ডোমেইন ট্রেডমার্ক সম্পর্কে খুব সতর্ক থাকতে হয়। কারন আপনি যদি কোনো ট্রেডমার্ক যুক্ত ডোমেইন কিনেন। সেক্ষেত্রে আপনার জেল বা জরিমানা হতে পারে। ট্রেডমার্ক নিয়ে আমাদের ব্লগে একটি আর্টিকেল রয়েছে চাইলে আপনি সেখান থেকে সমস্ত বিষয়গুলি পড়ে নিতে পারেন। 

ডোমেইন কেনার ক্ষেএে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Trademark. যদি আপনি কোনো ট্রেডমার্ক যুক্ত ডোমেইন কিনে থাকেন। সেক্ষেএে আপনার জেল বা জরিমানা হতে পারে। এই বিষয়টি খুবই সেনসিটিভ, তাই এই টপিকটা একটু মনোযোগ সহকারে দেখবেন।

দেখুন,যখন কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স সহো ডোমেইন কিনে নেয়। তখন সেই একই নামে আর কেউ ডোমেইন কিনতে পারবে না। কারন সেটি Trademark এর আওতায় পড়ে।

যেমন ধরুন, www.facebook.com একটি ট্রেডমার্ক যুক্ত ডোমেইন। এখন যদি আপনি এই একই নামে কোনো ডোমেইন কেনার চেস্টা করেন।যেমন, www.bnfacebook.com অথবা www.facebookbd.com তাহলে ফেসবুক আপনার নামে মামলা করার অধিকার থাকবে।

আর এই মামলা যদি খুব গুরুতর হয়, তাহলে আদালত আপনার নামে জরিমানা করতে পারে। আবার এর থেকেও বেশি কিছু হলে আপনার জেল ও হতে পারে। তাই ডোমেইন কেনার আগে অবশ্যই অবশ্যই ট্রেডমার্কের কথাটা মাথায় রাখবেন।  

ডোমেইন সিকিউরিটি কি?

সিকিউরিটি বিষয়টির সাথে আমরা সবার কমবেশি পরিচিত। যেহুতু আপনি অনলাইনে একটি প্রোডাক্ট কিনবেন। সেহুতু সেটি অবশ্যই সিকিউরিটি প্রটেক্ট থাকতে হবে। ডোমেইনের ক্ষেএেও সেই সিকিউরিটি বহাল থাকতে হবে।

আপনি একটি ডোমেইন কিনবেন, নিশ্চয়ই সেই ডোমেইনটি কয়েক বছর বা কয়েক যুগের জন্য কিনবেন, তাইনা? এখন আপনি যে কোম্পানির কাছ থেকে কিনবেন।

সেই কোম্পানি যদি আপনাকে সিকিউরিটি প্রদান করতে না পারে। তাহলে পথিমধ্যে আপনার বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা দিবে। তাই এই বিষয়টিতে একটু বিশেষভাবে নজরে রাখবেন। 

ডোমেইন ট্রান্সফার কি?

ডোমেইন ট্রান্সফার কি, আপনাকে সেটি আগে জানতে হবে। ধরুন আপনি কোনো একটি কোম্পানি থেকে ডোমেইন কিনলেন। এখন কোনো কারনে আপনি সেই কোম্পানিকে আপনার আর ভালো লাগলো না। তখন আপনার কেনা সেই ডোমেইনটিকে অন্য কোম্পানিতে ট্রান্সফার করতে পারবেন।

কিন্তুু সমস্যা হলো, কিছু কিছু কোম্পানি আছে। যারা ট্রান্সফারিং করার এই সুবিধা দিতে চায়না ৷ বেশি লাভের জন্য তারা তাদের ব্যবহারকারীদের হারাতে চায়না।

সেক্ষেত্রে তারা লাভবান হলেও, আপনি বিপাকে পড়ে যাবেন। কারন, যখন এমন কোনো বাধাধরা নিয়ম থাকবে। তখন আপনি তাদের সেই নিয়ম গুলো মানতে বাধ্য।

তাই আপনি যে কোম্পানি থেকে ডোমেইন কিনবেন। সেই কোম্পানি থেকে আগেই জেনে নিবেন। যে তারা ডোমেইন ট্রান্সফার করার সুযোগ সুবিধা দিতে পারবে কিনা।

আপাততো এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে যদি ডোমেইন কিনেন। তাহলে আপনার কোনো প্রকার সমস্যা হবেনা। এবার আমরা জানবো, আপনি কিরকম ডোমেইন কিনবেন এবং কিভাবে ডোমেইনের বিজনেস করে লাখো টাকা ইনকাম করবেন। 

কেমন ডোমেইন কিনবেন?

মনে রাখবেন, হুটহাট করে ডোমেইন কেনা মোটেই ভালো কাজ না। কেনার আগে আপনাকে ভাবতে হবে যে, কেন আপনি ডোমেইন কিনবেন। তবে বেশিরভাগ মানুষ ২টি উদ্দেশ্য কিনে থাকে। যেমন,

  • নিজের ব্লগের জন্য
  • টাকা ইনকামের জন্য

আবার এমন মানুষও আছে, যারা শখের বসে ডোমেইন কিনে থাকে। কিন্তুু আপনি আসলে কি জন্য কিনবেন। সেটা আপনাকে আগে থেকেই ঠিক করতে হবে। 

নিজের ব্লগের জন্য ডোমেইন 

যখন আপনি নিজের জন্য একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার কথা ভাববেন। তখন সবার আগে আপনাকে ডোমেইন নিয়ে ভাবতে হবে। কারন এটিই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর পরিচয় বহন করবে।

তো যখন আপনি ব্লগিং করার জন্য ডোমেইন কিনবেন। তখন আপনি যেকোনো ধরনের Extension কিনে নিতে পারবেন। যেমন, (.com) (.net) (.org) ইত্যাদি।

টাকা ইনকামের জন্য ডোমেইন

আপনি জানলে অবাক হবেন, বর্তমানে ডোমেইন বিজনেস করেও প্রচুর পরিমান টাকা ইনকাম করা সম্ভব। কিন্তুু প্রশ্ন হলো, এই ইনকাম আসলে কিভাবে হয়?

দেখুন, একটি ডোমেইন আপনি ১০০০ টাকা দিয়ে কিনে রাখলেন। এরপর সেই ডোমেইনটি বিভিন্ন মার্কেটে সেল করার জন্য বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে বিজ্ঞাপন দিলেন।

এখন সেই ডোমেইনটি যদি ভালো হয়। তাহলে কেউ না কেউ আপনার ডোমেইনটি বেশি দামে আপনার কাছ থেকে কিনে নিবে। মূলত এটিই হলো ডোমেইন বিজনেস করার প্রসেস।

ডোমেইন বিজনেস করে ইনকাম

যখন আমি ডোমেইন বিজনেস সম্পর্কে প্রথম শুনেছিলাম। তখন আমিও আপনার মতোই অবাক হয়েছিলাম। মনের মধ্যে একটা প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খাচ্ছিলো যে, কিভাবে ডোমেইনের বিজনেস করে ইনকাম করা সম্ভব।

এরপর এই বিষয় নিয়ে যখন রিসার্চ করা শুরু করি। তখন আমি রিতীমত অবাক হয়েছিলাম। কারন আপনি একটা ডোমেইন মাএ ১০০০ টাকা দিয়ে কিনে। সেই ডোমেইনটি ১ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। সত্যি বিষয়টা খুব অদ্ভুত মনে হয়েছিলো আমার কাছে ৷

যদি আপনি ডোমেইন বিজনেস করে লাখো টাকা ইনকাম করতে চান। তাহলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেমন,

  • ডোমেইন মার্কেটপ্লেস
  • ডোমেইন কোয়ালিটি

হুমম, ডোমেইন বিজনেস করার জন্য আপাততো এই কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখলেই যথেষ্ট।তো চলুন এবার সে বিষয় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

ডোমেইন মার্কেটপ্লেস

বর্তমানে অনলাইনে বেশ কয়েকটি ডোমেইন সেল করার মার্কেটপ্লেস আছে। যেখানে আপনি আপনার ডোমেইন খুব ভালো দামে সেল করতে পারবেন। এমন কিছু মার্কেটপ্লেসের নাম হলো, 

  1. Sedo
  2. Flippa
  3. Godaddy
  4. Namepros etc

আপনার কোনো ডোমেইন যদি বিক্রি করে বেশি টাকা দিতে করতে চান। তাহলে আপনি এইসব মার্কেট প্লেস থেকে সেটা করতে পারবেন ৷ কারন এসব ওয়েবসাইটে শুধুমাএ ডোমেইন কেনা-বেচার কাজ করা হয়ে থাকে।

সেজন্য সর্বপ্রথম আপনাকে হাই কোয়ালিটি ডোমেইন কিনতে হবে। এরপর সেই ডোমেইনকে এসব মার্কেটপ্লেসে লিস্টিং করতে হবে। এরপর বিভিন্ন বায়ার আপনার লিস্টিং করা সেই ডোমেইনটি বেশি দামে কিনে নিবে।

আরো পড়তে পাড়েন…

তবে এখানে একটা বিষয় আপনার জেনে নেয়া উচিত। এইসব মার্কেটপ্লেসে আপনি যে আপনার ডোমেইনকে লিস্টিং করে রাখবেন। সেজন্য আপনাকে বছর ভিত্তিক অথবা মাসিক ভিওিক কিছু পরিমান টাকা পে করতে হবে। 

ডোমেইন কোয়ালিটি কি?

যদি আপনি ডোমেইন বিজনেস করে ইনকাম করতে চান। তাহলে আপনার ডোমেইনটি অবশ্যই কোয়ালিটি সম্পন্ন হতে হবে। এখন জানার বিষয় হলো, একটি ডোমেইনে কি কি থাকলে সেই ডোমেইনকে কোয়ালিটি সম্পন্ন হিসেবে ধরা হবে।তাহলে শুনুন,

একটি ডোমেইনে যদি এই তিনটি বিষয় থাকে। তাহলে আপনার ডোমেইনটি কোয়ালিটি সম্পন্ন। যেমন, 

  • 3L/2L/4L Domain
  • Meaningful Domain
  • TLD Extension 

এখন জানার বিষয় হলো, এই 3L/4L অথবা Meaningful Domain আসলে কি জিনিস। চলুন এবার এই বিষয় গুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক। 

3L/2L/4L Domain

যদি আপনি ডোমেইন বিজনেস করে ইনকাম করতে চান। তাহলে আপনাকে ডোমেইনের Letter কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কারন মার্কেটপ্লেসে সবচেয়ে বেশি দামে এইসব ডোমেইন বিক্রি হয়ে থাকে।

যেমন, আপনি কাছে যদি কোনো ৩ অক্ষরের ডোমেইন থাকে, তাহলে সেই ডোমেইনকে বলা হবে 3L Domain. ঠিক এভাবেই আপনার কাছে যদি ২ অক্ষরের বা ৪ অক্ষরের কোনো ডোমেইন থাকে। তাহলে সেই ডোমেইনকে বলা হবে 2L Or 4L Domain.

সত্যি কথা বলতে, যদি আপনি এই টাইপের কোনো ডোমেইন কিনতে পারেন। তাহলে সেই ডোমেইনকে আপনি লক্ষ লক্ষ টাকাতেও বিক্রি করতে পারবেন। 

Meaningful Domain

ডোমেইন বিজনেস করার জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Meaningful Domain অর্থ্যাৎ অর্থবোধক ডোমেইন। এখন আপনি যদি আপনার ইচ্ছামতো ডোমেইন কিনে সেই ডোমেইনকে বিক্রি করতে চান। তাহলে আপনি আশানুরূপ ফল নাও পেতে পারেন।

অবশ্যই তা কোনো অর্থবোধক হতে হবে। এর পাশাপাশি আপনার ডোমেইনটি যদি কম শব্দের হয়। তাহলে আপনি খুব বেশি দামে তা বিক্রি করতে পারবেন। 

TLD Extension

এতোক্ষনে আপনিও বুঝে গেছেন যে, একটি ডোমেইনের ভিন্ন ভিন্ন Extension ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন,(.com) (.net) (.co) (.org) ইত্যাদি।

এখন প্রশ্ন হলো যে, এই সবগুলো এক্সটেনশন কি জনপ্রিয়? -না, সত্যি বলতে ভিন্ন ভিন্ন extension থাকলেও। এসবগুলো কিন্তু সমান জনপ্রিয় নয়।

দেখুন, এখনও অনেক মানুষ আছে যারা ডোমেইন বলতে শুধুমাএ (.com) কে বুঝে থাকে। আর এটা সত্যি যে, পৃথিবীতে যতো প্রকার extension আছে। তার মধ্যে (.com) সর্বাধিক জনপ্রিয়।

যদি আপনি এই বিজনেসে নিজেকে যুক্ত করতে চান। তাহলে আপনাকেও টপ লেভেল ডোমেইনকে প্রাধান্য দিতে হবে। তাহলে আপনার ডোমেইন বেশি দামে বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক অংশে বেড়ে যাবে৷ 

আমাদের শেষকথা

আশা করি এতোক্ষনে ডোমেইন সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়গুলো বুঝতে পেরেছেন। এছাড়াও কিভাবে ডোমেইন বিজনেস করে লাখো টাকা ইনকাম করবেন। সে বিষয়েও পূর্নাঙ্গ ধারনা পেয়ে গেছেন।

এরপরও যদি আপনার কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আমি যথাসাধ্য চেস্টা করবো আপনাদের হেল্প করার। আর টেকনোলজি বিষয়ক যে কোনো তথ্য সবার আগে পেতে চাইলে আমাদের সাথেই থাকবেন। ধন্যবাদ।

আমি নিলয় হাসান-এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি লেখালেখির কাজটাও করি। অনলাইনে প্রযুক্তির বিষয় নিয়ে যা জানি তা মানুষের মাঝে শেয়ার করার ইচ্ছায় এ ব্লগ টি তৈরি করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap