VIVO কোন দেশের কোম্পানি । এই কোম্পানীর মালিক ও প্রতিষ্ঠাতা কে

VIVO কোন দেশের কোম্পানি : বর্তমান সময়ে ভিভো (VIVO) নামক এই স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানির ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয়তা রয়েছে।

VIVO কোন দেশের কোম্পানি । এই কোম্পানীর মালিক ও প্রতিষ্ঠাতা কে
VIVO কোন দেশের কোম্পানি

কারণ এই VIVO নামক কোম্পানি থেকে যে সকল স্মার্টফোন তৈরি করা হয়। সে গুলো আজকের দিনে গোটা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত রয়েছে।

যার কারণে আমরা অনেকেই জানতে চাই যে, VIVO কোন দেশের কোম্পানি। এবং এই ভিভো কোম্পানির মালিক কে। মূলত আজকে আমি এই বিষয় গুলো জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।

এর পাশাপাশি এই ভিভো কোম্পানি সম্পর্কে যে সকল অজানা বিষয় রয়েছে। তা আজকে উল্লেখ করার চেষ্টা করব।

তো আপনি যদি একজন ভিভো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন। এবং আপনি যদি এই ভিভো কোম্পানি সম্পর্কে জানতে চান।

তাহলে চেষ্টা করবেন আজকে পুরো আলোচনা টি মনোযোগ দিয়ে পড়ার। তাহলে আপনি ভিভো কোম্পানি সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারবেন।

VIVO কি?

ভিভো কোন দেশের কোম্পানি সেই বিষয় টি সম্পর্কে আজকে অবশ্যই বিস্তারিত আলোচনা করব।

তবে তার আগে আপনাকে জানতে হবে যে, ভিভো আসলে কি। আর VIVO হলো বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় একটি মোবাইল প্রস্তুত কারক কোম্পানি।

তবে আমরা অনেকেই মনে করি যে, এই কোম্পানি থেকে শুধুমাত্র স্মার্ট ফোন তৈরি করা হয়। যারা আসলে এমনটা ভেবে থাকেন, তাদের ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।

কারণ ভিভো কোম্পানি শুধুমাত্র স্মার্টফোন তৈরি করে না। বরং এই কোম্পানি থেকে আরও বিভিন্ন প্রকারে ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট তৈরি করা হয়।

যা গোটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে এই উৎপাদিত পণ্য গুলো সরবরাহ করা হয়ে থাকে। আর VIVO হল একটি চীনা কোম্পানি।

যে কোম্পানিটির সর্বপ্রথম যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালের শেষের দিকে।

VIVO কোন দেশের কোম্পানি?

আমরা যারা ভিভো কোম্পানির স্মার্টফোন ব্যবহার করি। তাদের মনে বারবার একটি প্রশ্ন জেগে থাকে। আর সেই প্রশ্নটি হল যে, VIVO কোন দেশের কোম্পানি।

তো আপনি যদি এই বিষয় টি সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে আমি আপনাকে বলব যে,  VIVO হল চীনা একটি কোম্পানি। এবং vivo নামক এই জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স কোম্পানির সদর দপ্তর চীনের মধ্যে অবস্থিত। ২০০৯ সালের মধ্যে চীন থেকে এই কোম্পানির সর্বপ্রথম সূচনা হয়। 

এবং তাদের সূচনা থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের স্মার্টফোন এবং ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন করে আসছে।

আর তাদের কোম্পানি থেকে উৎপাদিত হওয়া প্রোডাক্ট গুলো ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছে।

আমরা যেমন স্যামসাং, শাওমি সহ অন্যান্য কোম্পানি দেখতে পাই। ঠিক তেমনি ভাবে VIVO হল এইসব কোম্পানিদের মতো জনপ্রিয় একটি স্মার্ট ফোন প্রস্তুত কারক কোম্পানি।

আর যখন এই কোম্পানির সর্বপ্রথম যাত্রা শুরু হয়। তখন এই কোম্পানি থেকে বিভিন্ন প্রকার সফটওয়্যার এবং সফটওয়্যার নির্ভর পরিষেবা দিয়ে থাকত।

কিন্তু এই সকল পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি। তারা তাদের কোম্পানি থেকে আরও বিভিন্ন প্রকারের প্রোডাক্ট উৎপন্ন করার পরিকল্পনা করে।

যার ফলশ্রুতিতে ২০১২ সালের মধ্যে ভিভো কোম্পানি ভারতের মধ্যে এসে ব্যবসা করার চিন্তা ভাবনা করে। আর তারপরে অর্থাৎ ২০১৪ সালের পর থেকে ভিভো কোম্পানি কে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

কেননা ইতিমধ্যেই তারা তাদের কোম্পানি থেকে বিভিন্ন প্রকারের স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু করে দেয়।

এবং তাদের স্মার্টফোন গুলো গোটা এশিয়া মহাদেশের মধ্যে ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছিল।

কেননা বর্তমান সময়ে ভিভো হলো স্মার্ট ফোন তৈরি করার কোম্পানি হিসেবে অন্যতম।

VIVO কোম্পানির মালিক কে?

এতক্ষণের আলোচনা থেকে আপনি জানতে পারলেন যে। ভিভো কোম্পানি আসলে কি এবং এই vivo কোন দেশের কোম্পানি।

কিন্তু এখন যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয় যে। বলুন তো, ভিভো কোম্পানির মালিক কে। তাহলে কি আপনি সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবেন।

আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি যে। আপনাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন। যারা বলতে পারবে না যে, ভিভো কোম্পানির মালিক কে।

আর আপনার যাতে করে এই বিষয় টি অজানা না থাকে। সে কারণে এবার আমি আপনাকে vivo কোম্পানির মালিকের পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করব।

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক যে, ভিভো কোম্পানির মালিক কে। ভিভো কোম্পানির মালিক এবং এই ভিভো কোম্পানির সিইও এর নাম হল, Shen Wei.

মূলত ইনি হলেন সেই ব্যক্তি যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম ভিভো নামক একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা করেন।

এবং তার পরিকল্পনা অনুযায়ী 2009 সালের মধ্যে সর্বপ্রথম এই কোম্পানির যাত্রা শুরু হয়। তিনি তার এই কোম্পানির সদর দপ্তর চীনের মধ্যে অবস্থান করেন।

আর বর্তমান সময়ে আপনি যদি বিশ্বের সেরা মোবাইল প্রস্তুতকারক কোম্পানির তালিকা তৈরি করেন।

তাহলে অবশ্যই সেই তালিকার মধ্যে ভিভো কোম্পানির নাম দেখতে পারবেন। বর্তমান সময়ে ভিভো কোম্পানি থেকে স্মার্টফোন তৈরি করার পাশাপাশি।

বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স পণ্য তৈরি করার কাজ করে আসছে।

ভিভো কোম্পানির স্মার্টফোন কোন দেশে জনপ্রিয়?

আলোচনার শুরুতেই আমি আপনাকে জানিয়ে দিয়েছি যে, ভিভো কোন দেশের কোম্পানি। তো এই বিষয় টি জানার পাশাপাশি আপনাকে এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।

সেটি হল এই ভিভো কোম্পানির স্মার্টফোন গুলো বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছে। কিন্তু আমরা আসলে অনেকেই জানিনা যে।

vivo কোন কোন দেশের জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছে। এবং কোন দেশ গুলো তে এই ভিভো কোম্পানি স্মার্ট ফোন গুলো সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।

চলুন এবার তাহলে সে সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক। এবং জেনে নেওয়া যাক যে, ভিভো কোন দেশ গুলো তে তাদের ব্যবসা সফল ভাবে করতে পারে।

বিষয় টা সহজ করে বুঝিয়ে বলার জন্য আমি আমাদের বাংলাদেশের উদাহরণ দিবো। কারণ আমাদের বাংলাদেশের মধ্যে যত গুলো মোবাইল ব্যবহারকারী রয়েছে।

তার মধ্যে প্রায় অনেক মানুষ এখন ভিভো কোম্পানির স্মার্টফোন ব্যবহার করেম কারণ VIVO কোম্পানির স্মার্টফোন গুলো তে যে সকল ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়।

সেই ব্যাটারি গুলো অনেক দীর্ঘস্থায়ী হয়। যার ফলে একবার ফুল চার্জ দিলে, সেই চার্জ দিয়ে অনেকক্ষণ স্মার্টফোন গুলো ব্যবহার করা যায়।

আর সে কারণেই ভিভো কোম্পানির স্মার্টফোন গুলো ভারতের মধ্যে ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছে।

আর যেহেতু ভারতের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছে। সেহেতু মালয়েশিয়া, মায়ানমার, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম সহ।

আমাদের বাংলাদেশের মধ্যে ভিভো কোম্পানির ব্যবসা সফল ভাবে করতে পারে।

ভিভো কোম্পানির ইতিহাস

আলোচনার শুরু থেকে এই পর্যন্ত আমরা ভিভো কোম্পানি থেকে সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় জানতে পেরেছি।

যেমন, সবার শুরুতেই আমরা জেনেছি vivo কোন দেশের কোম্পানি। এবং এই ভিভো কোম্পানির মালিক কে। আর আপনি যদি উপরের আলোচিত আলোচনা গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন।

তাহলে আমার দীর্ঘ বিশ্বাস যে, এই বিষয় গুলো সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা চলে এসেছে।

তো আপনি যাতে করে এই ভিভো কোম্পানি সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারেন। সে কারণে এবার আমি আপনাকে vivo কোম্পানির ইতিহাস জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।

মূলত ভিভো কোম্পানির শুরু থেকে এই সফলতা পর্যন্ত। কতটা শ্রম দিতে হয়েছে, কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে তার বিস্তারিত বর্ণনা করার চেষ্টা করব।

চলুন এবার তাহলে ভিভো কোম্পানির ইতিহাস সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। ভিভো হলো এটি চীনা কোম্পানি।

আর এই কোম্পানির সর্ব প্রথম যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালে। কারণ সেই সময়ে চীনে বসবাস করা Shen Wei নামের একজন ব্যক্তির হাত ধরে।

এই জনপ্রিয় কোম্পানির যাত্রা শুরু হয়। আর যখন এই কোম্পানির যাত্রা শুরু হয়েছিল।

তখন উক্ত কোম্পানি থেকে বিভিন্ন প্রকার এর সফটওয়্যার এবং সফটওয়্যার রিলেটেড পরিষেবা প্রদান করা হতো।

কিন্তু সব কোম্পানি তাদের নিজস্ব কোম্পানি তে প্রোডাক্ট বৃদ্ধি করতে চায়। আর এই পদ্ধতি অনুসরণ করেছিলেন ভিভো নামক এই কোম্পানি টি।

কারণ তারা ইন্টারনেট সফটওয়্যার পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি। স্মার্টফোন প্রস্তুত করার কথা চিন্তা ভাবনা করেছিল।

সে কারণে তারা ২০১২ সালের মধ্যে ভারতে এসে তাদের ব্যবসা বৃদ্ধি করার চিন্তা ভাবনা করেন।

এবং মানুষের হাতে অনেক কোয়ালিটি সম্পন্ন স্মার্টফোন দেয়ার কাজ শুরু করেন।

তবে ভিভো কোম্পানি তাদের ভারতের মধ্যে ব্যবসার বৃদ্ধি করা শুরু করেছিলেন সেই সময় থেকে। যখন তারা আইপিএলের স্পন্সারশীপ নিয়েছিলেন।

কারণ ২০১৬ সালের অনুষ্ঠিত আইপিএল এর মধ্যে ভিভো কোম্পানির স্পন্সর এর কারণে। ইন্ডিয়ার বিভিন্ন মানুষ এই কোম্পানি সম্পর্কে জানতে পারে।

এবং তারা তাদের প্রয়োজনে স্মার্টফোন কেনার জন্য ভিভো কোম্পানিকে পছন্দ করতে শুরু করে। এর পাশাপাশি ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ব্রান্ড হিসেবে স্পন্সর শীপ নিয়েছিলেন।

যার কারণে তাদের গোটা বিশ্বব্যাপী পরিচিতি বৃদ্ধি পায়। এবং তারা তাদের কোম্পানি থেকে উৎপাদিত হওয়া স্মার্টফোন গুলোর বিক্রি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

এবং বর্তমান সময়ে আমরা বেশ ভালো করে দেখতে পাচ্ছি যে। গোটা বিশ্বের মধ্যে ভিভো কোম্পানির স্মার্টফোন গুলো সেই লেভেলের জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছে।

যা আসলে বলার অপেক্ষা রাখে না।

VIVO কোম্পানির জনপ্রিয় কিছু প্রোডাক্ট

ভিভো কোন দেশের কোম্পানি এবং এই ভিভো কোম্পানির মালিক কে। সে বিষয় গুলো জানার পাশাপাশি।

এবার আমি আপনাকে vivo কোম্পানির জনপ্রিয় কিছু প্রোডাক্ট এর সাথে, পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।

মূলত এই জনপ্রিয় প্রোডাক্ট গুলো গোটা বিশ্বব্যাপী ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এবং আপনি বেশ ভালো করেই দেখতে পারবেন যে।

আমাদের বাংলাদেশ এর মধ্যেও ভিভো কোম্পানির বিভিন্ন প্রকারের প্রোডাক্ট ব্যবহার করা হয়।

চলুন এবার তাহলে সেই ভিভো কোম্পানির সেরা প্রোডাক্ট গুলোর তালিকা দেখে নেওয়া যাক।

  1. VIVO X70 Pro+
  2. VIVO X80 Pro
  3. VIVO X60 Pro
  4. VIVO X70 Pro
  5. VIVO T1 (5g)
  6. VIVO iQoo 9 Pro Legend
  7. iQoo Neo 6
  8. VIVO V21
  9. VIVO V23 Pro
  10. VIVO X60+ Pro+

আমরা বেশ ভালো করে জানি যে, ভিভো কোম্পানি থেকে অনেক আকর্ষণীয় কোয়ালিটির স্মার্টফোন তৈরি করা হয়ে থাকে।

তবে ভিভো কোম্পানি থেকে যে সকল মডেলের স্মার্টফোন বর্তমান সময়ে ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছে।

সেই স্মার্টফোনের তালিকা গুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনি চাইলে ভিভো কোম্পানির এই স্মার্টফোন গুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আশা করি আপনার অনেক ভালো লাগবে।

VIVO কোম্পানি সম্পর্কে আমাদের শেষকথা

প্রিয় পাঠক, বর্তমান সময়ে আমরা অনেকেই ভিভো এর স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকি। সে কারণে এই কোম্পানি সম্পর্কে আমাদের বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন জেগে থাকে।

তার মধ্যে অন্যতম হলো VIVO কোন দেশের কোম্পানি এবং এই ভিভো কোম্পানির মালিক কে। তো এই বিষয় গুলো নিয়ে আজকে আমি বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

যে আলোচনার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন যে, ভিভো কোন দেশের কোম্পানি এবং এই ভিভো কোম্পানির মালিক কে।

আশা করি আজকের এই আলোচনা টি আপনার জন্য অনেক বেশি হেল্পফুল হবে।

এবং এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো কে সবার আগে পেতে চাইলে। অবশ্যই আমাদের ওয়েব সাইটে নিয়মিত ভিজিট করবেন।

এতক্ষণ ধরে এই আর্টিকেল টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি অসংখ্য ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap