ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার | ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলা কি কি এবং কিভাবে করতে হয়

ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার : যখন আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে যাবেন। ঠিক তখনই আপনার সামনে যে উপায় টি আসবে, সেটি হল ফ্রিল্যান্সিং আর ফ্রিল্যান্সিং কাজ কত প্রকারের হতে পারে ।

ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার | ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলা কি কি এবং কিভাবে করতে হয়
ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার

কারণ এই ফ্রীলান্সিং হলো এমন একটি মাধ্যম, যার সাহায্য আপনি বাস্তব জীবনের মতো অনলাইন প্লাটফর্ম চাকরি করতে পারবেন।

আর বাস্তব জীবনে একজন মানুষ যেমন চাকরি করে মাস শেষে বেতন পায়। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে সাপ্তাহিক কিংবা মাসিক ভিত্তিতে আপনার কাজের বিনিময়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

আর সে কারণেই এখনকার সময়ে অধিকাংশ মানুষ অনলাইন থেকে টাকা আয় করার জন্য ঝুঁকে পড়ছে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এর উপর।

আপনি যদি কয়েক বছর আগের কথা চিন্তা করেন। তাহলে কিন্তু সেই সময়ে ইন্টারনেট এতটা সহজলভ্য ছিল না। যার কারণে অনলাইন ইনকাম এর কথা তো দূরে থাক।

আমরা বুঝতেই পারতাম না যে, কিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু সময়ের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখন আমরা বুঝতে পারি যে ইন্টারনেট কিভাবে ব্যবহার করতে হয়।

এবং আমরা ইতিমধ্যেই জানতে পেরেছি যে। এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইন এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় করা সম্ভব।

কারণ আজকের দিনে আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন। যারা মূলত এই ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম কে কাজে লাগিয়ে নিজের সফল ক্যারিয়ার গড়তে পেরেছেন।

তবে ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সিং থেকে টাকা আয় করা যায় এ সম্পর্কে আমরা অধিকাংশ মানুষ বেশ ভালোভাবেই জানি।

কিন্তু এই ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার  বা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ  কত প্রকার ? সে সম্পর্কে আমরা এখনো অনেক মানুষ পরিষ্কার ভাবে তেমন কিছু জানি না।

কারণ আমরা সহজ ভাবে যে বিষয়টি জানি। সেটি হল যে, ফ্রিল্যান্সিং হলো অনলাইনে কাজ করার একটি প্লাটফর্ম।

এবং ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আমরা অনলাইনে কাজ করে টাকা আয় করতে পারবো। কিন্তু আপনার আরো একটা বিষয় জেনে রাখা উচিৎ।

যে অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম গুলোর মত ফ্রিল্যান্সিং এর অনেক গুলো প্রকারভেদ রয়েছে।

যেভাবে আমি আমার অন্য একটি আর্টিকেলে অনলাইন ইনকাম এর প্রকারভেদ গুলো কে ধাপে ধাপে আলোচনা করেছিলাম।

আপনার জন্য আরোও লেখা আর্টিকেল…

ঠিক তেমনি ভাবে আজকে আপনি জানতে পারবেন, ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার (kind of freelancing). কিভাবে  ফ্রিল্যান্সিং করতে হয়,  ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি করা লাগবে এই বিষয় গুলা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

কারণ ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সিং থেকে টাকা আয় করা যায় শুধুমাত্র এই বিষয় গুলো জানলে হবে না। বরং এই ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার সে সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।

আর আপনি যদি সেই ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার (kind of freelancing) এবং নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং কাজ, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ সহ ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি এ সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

সে সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে এই আর্টিকেল টি আপনার জন্য অনেক বেশি হেল্পফুল হবে। চলুন আর দেরি না করে সরাসরি মুল আলোচনা তে ফিরে যাওয়া যাক।

আর্টিকেল সূচি

ফ্রিল্যান্সিং বলতে কি বুঝায় ?

যদিওবা আমি আমার পূর্বের আর্টিকেল গুলোতে ফ্রীলান্সিং কি (What is freelancing) সে সম্পর্কে পরিস্কার ভাবে আলোচনা করেছি।

কিন্তু তারপরেও এই আর্টিকেলে আমি আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং বলতে কী বোঝায়। সে সম্পর্কে একটু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করব। কারণ যখন আপনি এই বিষয়টি সম্পর্কে সঠিক ভাবে জানতে পারবেন।

ঠিক তখনই আপনার পরবর্তী আলোচনা গুলো বুঝতে সুবিধা হবে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক যে, ফ্রিল্যান্সিং বলতে কি বুঝায় বা ফ্রিল্যান্সিং অর্থ কিএবং আমি চেষ্টা করব এই বিষয়টি কে খুব সহজ ভাবে আপনাকে বুঝিয়ে দেয়ার।

দেখুন ফ্রিল্যান্সিং হলো অনলাইনে ইনকাম করার অন্যতম একটি প্ল্যাটফর্ম। যেখানে আপনি আপনার বাস্তবিক জীবনের মত অনলাইনে চাকরি করতে পারবেন।

এবং বাস্তব জীবনে একজন মানুষ যেভাবে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার পরে মাস শেষে বেতন নিতে পারে। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যখন অনলাইনে কাজ করবেন।

তখন আপনি এই কাজের বিনিময়ে যে টাকা গুলো আয় করতে পারবেন। সেগুলো সাপ্তাহিক, দৈনিক অথবা মাসিক ভিত্তিতে নিতে পারবেন।

মূলত এই কাজের পুরো প্রক্রিয়া কে সংক্ষিপ্ত আকারে বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সিংযেমন ধরুন, আপনি একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার।

এবং আপনার ডিজাইন এর মধ্যে বিশেষ সৃজনশীলতা রয়েছে। এখন আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলো তে প্রবেশ করেন।

এবং সেই মার্কেট প্লেস গুলো তে আপনি আপনার ডিজাইনিং সার্ভিস প্রদান করেন। তাহলে কিন্তু আপনি আপনার ডিজাইন কে অনলাইন এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশি এবং বিদেশি মানুষের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।

আর সেই ডিজাইন সার্ভিস বিক্রি করে আপনি যে টাকা আয় করতে পারবেন। সেই টাকা আয় করার প্রক্রিয়া কে বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সিং

তবে শুধুমাত্র এই ডিজাইন নয়, বরং গ্রাফিক্স ডিজাইন বাদেও ফ্রিল্যান্সিং এর আরো অনেক গুলো কাজ রয়েছে।

যেমন ধরুন, web-development, ওয়েব ডিজাইন, এসইও, কনটেন্ট রাইটিং, অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট সহ আরো অনেক অনেক ধরনের ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ রয়েছে।

যে কাজ গুলো করার বিনিময়ে আপনি এই ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। আর যখন আপনি এই ধরনের কাজ গুলো অনলাইনের মাধ্যমে করবেন।

এবং সেই কাজের বিনিময়ে টাকা আয় করবেন। মূলত তাকেই বলা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। আশা করি ফ্রিল্যান্সিং বলতে কি বুঝায় সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়ে গেছেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি ?

আপনি হয়তোবা একটা বিষয় জেনে থাকবেন যে, সময়কে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন, অতীত, বর্তমান, এবং ভবিষ্যৎ।

তো আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং এর অতীত সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে কিন্তু শুরুর দিকে ফ্রিল্যান্সিং এতটা জনপ্রিয়তা ছিল না। যতটা আপনি আজকের দিনে দেখতে পাচ্ছেন।

কিন্তু বর্তমান সময়ে ক্রমাগত ভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, এই ফ্রিল্যান্সিং নামক প্ল্যাটফর্ম টি। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জেগে থাকতে পারে যে।

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতে এই ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয়তা থাকবে কি না। আর যদি কেউ আজকের দিনে ফ্রিল্যান্সিং নামক প্ল্যাটফর্ম এর সাথে যুক্ত হয়, তাহলে তার ভবিষ্যৎ কি হবে।

তো যদি আপনার মনে এই প্রশ্নটাই জেগে থাকে যে, ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি (Future of freelancing). তাহলে আমি আপনাকে বলবো যে, ফ্রিল্যান্সিং বর্তমান সময়ে যেমন জনপ্রিয়তা অর্জন করে আছে।

ঠিক তেমনি ভাবে ভবিষ্যতেও জনপ্রিয়তা বজায় রাখবে।

কারণ আমরা ক্রমাগত ভাবে অনলাইনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। আগের যে কাজ গুলো আমরা নিজের শারীরিক শক্তি ব্যয় করে সম্পন্ন করতাম।

সে কাজ গুলো এখন আমরা অনলাইনের মাধ্যমে করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। যে কারনে আমি আপনাকে এই কথাটা স্পষ্ট করে বলতে পারব যে।

ভবিষ্যৎ সময় ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয়তা কোন অংশেই কমবে না। বরং সময়ের সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং এর চাহিদা আরো বেশি বৃদ্ধি পাবে

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন?

উপরের আলোচনা থেকে আপনি জানতে পারলেন যে, ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি। আশা করি সেই আলোচনা গুলো খুব ভালো ভাবে বুঝতে পেরেছেন।

তো এখন অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকতে পারে যে। ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ যদি একটি নতুন মানুষ এই ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে কাজ করতে চায়।

তাহলে তার মধ্যে কি কি প্রয়োজন হবে। আপনার মনে যদি এই প্রশ্নটি জেগে থাকে। তাহলে আপনাকে আমি বলবো যে, একজন নতুন ব্যক্তি ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে কাজ করার জন্য। তার মধ্যে বেশকিছু বিষয় এর প্রয়োজন হবে। যেমন:

  1. একটি ভাল মানের ডিভাইস এর প্রয়োজন হবে। যেমন একটি ভালো মানের কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ এর প্রয়োজন হবে।
  2. এর পাশাপাশি সেই ভালো মানের ডিভাইসের সাথে একটি দ্রুত গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট কানেকশন এর প্রয়োজন হবে।
  3. ফ্রিল্যান্সিং এর সাথে অন্তর্ভুক্ত যে কোনো এক বা একাধিক কাজে নিজের মধ্যে দক্ষতা থাকতে হবে।
  4. যে ব্যক্তি ফ্রিল্যান্সিং করবে, তার মধ্যে ইংরেজি ভাষায় কথা বলার মত দক্ষতা থাকতে হবে।
  5. নিজের মধ্যে কমিউনিকেশন করার ক্ষমতা থাকতে হবে। অর্থাৎ একজন নতুন ব্যক্তির সাথে কিভাবে কথা বলতে হয়। সে সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
  6. গভীর রাত পর্যন্ত জেগে কম্পিউটারের স্ক্রিনের সামনে বসে কাজ করার মত ইচ্ছে থাকতে হবে।
  7. নিজের মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণে ধৈর্য থাকতে হবে। কারণ আপনার মধ্যে যদি ধৈর্য না থাকে। তাহলে কিন্তু আপনি ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।
  8. আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে যে ডলার আয় করবেন। সে গুলো আপনার দেশের কারেন্সি অর্থাৎ টাকায় রুপান্তর করার জন্য আপনার নিকট পেমেন্ট মেথড থাকতে হবে।

একজন নতুন ব্যক্তি যদি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এর সাথে যুক্ত হয়। তাহলে অবশ্যই সেই ব্যক্তির মধ্যে উপরোক্ত বিষয় গুলোর প্রয়োজন হবে।

কারণ এই বিষয় গুলো হলো একজন ফ্রিল্যান্সারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়। আর আপনার মধ্যে যদি এ গুলোর একটিও অনুপস্থিত থাকে।

তাহলে কিন্তু আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

আপনি আরোও পড়তে পারেন… 

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো?

আমাদের মনে যখন ফ্রিল্যান্সিং থেকে টাকা আয় করার চিন্তা আসে। ঠিক তখনই অধিকাংশ মানুষের মনের দুই ধরনের প্রশ্ন জাগে।

সেটা হলো যে, কিভাবে  ফ্রিল্যান্সিং করতে হয়, ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি করা লাগবে। তো প্রতিটা কাজের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ধাপ রয়েছে।

আপনি যদি একটি সরকারি কিংবা বেসরকারি চাকরি করতে চান। তাহলে কিন্তু প্রথমে আপনাকে লেখাপড়া করতে হবে। তারপরে আপনাকে চাকরির জন্য আবেদন করতে হবে।

এবং সেই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্তৃপক্ষের নিকট যদি আপনি উপযুক্ত বলে বিবেচিত হতে পারেন। তাহলে কিন্তু আপনাকে সেই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সুযোগ দিবে।

ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান। তাহলে কিন্তু আপনাকে বেশ কিছু ধাপ অনুসরণ করে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে।

এবং আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য এই ধাপ গুলো কে সঠিক ভাবে অনুসরণ করতে পারেন। তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজ ভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন।

কিন্তু আপনি যদি কোনো প্রকারে ধাপগুলো অনুসরণ করতে ব্যর্থ হয়ে যান। তাহলে কিন্তু এই ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার আপনার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে। চলুন এবার তাহলে জেনে নেয়া যাক কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়।

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে

প্রথমত আপনাকে দেখতে হবে যে বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলো তে কোন কাজের চাহিদা রয়েছে। এবং সেই কাজ গুলোর ভবিষ্যতে চাহিদা থাকবে কিনা।

এর পাশাপাশি যখন আপনি এই কাজ গুলো কে খুঁজে পাবেন। তখন আপনাকে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে যে। আপনি আসলেই সেই কাজ গুলো করতে পারবেন কিনা।

মূলত আপনাকে ফ্রীলান্সিং প্ল্যাটফর্মের এমন একটি কাজ খুঁজে নিতে হবে। যে কাজটি আপনি খুব সহজে করতে পারবেন এবং বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সেই কাজের ব্যাপক পরিমাণে চাহিদা থাকবে।

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি করা লাগবে

যখন আপনি এরকম একটি কাজ খুঁজে পাবেন। যে কাজের ভবিষ্যতে চাহিদা থাকবে। এবং আপনি খুব সহজেই সেই ফ্রিল্যান্সিং কাজটি করতে পারবেন।

তখন আপনার পরবর্তী ধাপ হবে সেই কাজের জন্য ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা। অর্থাৎ সেই কাজটি করার জন্য কোন ধরনের কম্পিউটার এর প্রয়োজন হবে সে গুলো আপনাকে সংগ্রহ করে নিতে হবে।

যেমন ধরুন, আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে চান। তাহলে কিন্তু আপনাকে অবশ্যই একটি ভালো মানের কম্পিউটার এর প্রয়োজন হবে।

কিন্তু আপনি যদি কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ করতে চান। তাহলে কিন্তু আপনার সাধারন মানের কাটা কম্পিউটার হলেই যথেষ্ট।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ নিয়ে ধারিণা রাখা

যখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য নির্দিষ্ট একটি কাজ খুঁজে পাবেন। এবং সেই কাজ করার জন্য ইকুইপমেন্ট গুলোকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

তাঁর পরবর্তী ধাপ হলো সেই কাজে নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা। যেমন ধরুন, আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করতে চান।

তাহলে কিন্তু শুরুতে আপনাকে এই গ্রাফিক্স ডিজাইন সেক্টরে নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ আপনি যদি নিজেকে গ্রাফিক্স ডিজাইনে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে না পারেন।

তাহলে কিন্তু অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে কোন মানুষ আপনাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করে না।

How To Start Freelancing

আর যখন আপনি উপরের সবগুলো ধাপ সঠিক ভাবে অতিক্রম করতে পারবেন। তারপর আপনার পরবর্তী কাজ হলো ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলো তে কাজের জন্য আবেদন করা।

কারণ এতদিনে আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর যে কাজে নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলেছেন। বর্তমান সময়ে সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার দক্ষতার বিনিময়ে সার্ভিস প্রদান করতে পারবেন।

এবং এই সার্ভিসের মাধ্যমে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় করতে পারবেন। মূলত এভাবেই শুরু করতে হয় ফ্রিল্যান্সিং।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য ইংরেজি শিক্ষা লাগে কি?

ফ্রিল্যান্সিং থেকে টাকা আয় করা সহ অন্যান্য কাজ গুলো কে আপনি যতটা গুরুত্ব দিবেন। ঠিক ততটা গুরুত্ব দিতে হবে ইংরেজি ভাষায় নিজেকে দক্ষ করার প্রতি।

কারণ আপনি যখন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলো তে কাজ করবেন। তখন আপনি লক্ষ্য করতে পারবেন যে। সেখানে যেসব ক্লায়েন্ট রয়েছে অর্থাৎ যারা আপনাকে কাজ দেবে, তাদের মধ্যে অধিক মানুষ বিদেশি।

অর্থাৎ তারা বিভিন্ন দেশ থেকে এসে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ গুলো দেবে। এখন একটা বিষয় চিন্তা করে দেখুন যে, সেই মানুষ গুলো কিন্তু আপনার বাংলা ভাষা জানবে না।

এবং তারা শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষায় কথা বলবে।

এখন আপনি যদি তাদের সঙ্গে কথা বলতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে হবে। আর সে কারণেই মূলত ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অবশ্যই আপনাকে ইংরেজি ভাষায় কথা বলার মত ক্ষমতা থাকতে হবে।

এবং কেউ যদি আপনাকে ইংরেজি তে কোন কিছু বলে। তাহলে সে কথার মানে বোঝার মতো দক্ষতা থাকতে হবে। কিন্তু আপনি যদি ইংরেজিতে দুর্বল হয়ে থাকেন।

এবং নিজের মনের ভাব কে ইংরেজিতে প্রকাশ করতে না পারেন। তাহলে কিন্তু এই ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম থেকে আপনাকে ছিটকে পড়তে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার | Kind Of Freelancing 

উপরের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা গুলো থেকে আপনি ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বিভিন্ন অজানা বিষয় জানতে পেরেছেন। যেমন সবার শুরুতেই আপনি জেনেছেন যে ফ্রিল্যান্সিং বলতে কি বুঝায়।

আপনি জানতে পেরেছেন ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি। এর পাশাপাশি আমি আপনাকে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি যে। একজন নতুন ব্যক্তি যদি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এর সাথে যুক্ত হতে চায়।

তাহলে সে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে। আশা করি উপরে আলোচিত বিষয় গুলো আপনি খুব সহজ ভাবে বুঝতে পেরেছেন।

তবে এখন আপনাকে যে বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। সেটি হল যে, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কত প্রকার।

দেখুন বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলো তে যে রকম প্রতিযোগিতা রয়েছে। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি এই ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলো তে বিভিন্ন প্রকারের কাজ দেখতে পারবেন।

এবং ফ্রিল্যান্সিং এর যেসব কাজ গুলো রয়েছে, সেসব গুলো কাজের ব্যাপক পরিমাণে চাহিদা রয়েছে। যেমন ধরুন আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনে কথা চিন্তা করেন।

তাহলে আপনি দেখতে পারবেন যে গ্রাফিক্স ডিজাইন সেক্টরে কিন্তু অনেক প্রতিযোগিতা রয়েছে। তবে এতো বেশি প্রতিযোগিতা থাকার পরেও আপনার একটা বিষয় দেখে ভালো লাগবে যে।

বর্তমান সময়ে এই গ্রাফিক্স ডিজাইনে প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে। আর এই কাজের ভিত্তিতে ফ্রিল্যান্সিং কে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।

এবার আমি সেই কাজ গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। যদি আপনি জানতে চান যে ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার। এবং ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকারের কাজ রয়েছে।

তাহলে আপনাকে নিজের আলোচিত আলোচনা গুলো তে ভাল ভাবে নজর রাখতে হবে। তাহলে আপনি এই বিষয়টি সম্পর্কে একেবারে পরিষ্কার ধারণা পেয়ে যাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ | Job of Freelancing

তো আপনি আসলে যে বিষয়টি জানার জন্য গুগলে সার্চ করেছিলেন। এবার আমি সেই বিষয় টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

মূলত আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন। যারা জানতে চান যে ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা হয়। এবং এই কাজের উপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্সিং কে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।

কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত অনেকেই জানিনা যে ফ্রিল্যান্সিং এ মোট কত ধরনের কাজ করা হয়ে থাকে। আর এই অজানা বিষয়টি কে জানিয়ে দেওয়ার জন্য এবার আমি সে বিষয় গুলো নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করব।

তাই অবশ্যই আপনি নিচের আলোচিত এই আলোচনা গুলো একটু হলেও মন দিয়ে পড়ার চেষ্টা করবেন।

কোডিং, প্রোগ্রামিং, ডেভেলপিং

আজকের দিনে একজন দক্ষতা সম্পন্ন কোডিং কিংবা প্রোগ্রামিং জানা মানুষদ এর ব্যাপক পরিমাণে চাহিদা রয়েছে।

কারণ একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে শুরু করে, আমাদের ফোনে ব্যবহার করা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস গুলো পর্যন্ত। প্রায় সব ক্ষেত্রেই এই কোডিং বা প্রোগ্রামিং এর প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আর যে কারণে অনলাইনে মার্কেটপ্লেস গুলো তে এই ফ্রিল্যান্সিং কাজ গুলো করার জন্য অনেক বেশি পরিমাণ টাকা দিয়ে ফ্রিল্যান্সারদের হায়ার করা হয়ে থাকে।

এবং সময়ের সাথে সাথে এই কাজের চাহিদা আরো ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রফেশনাল এসইও

বর্তমান সময়ে আপনার নিজের কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কে প্রচার করার জন্য সবচেয়ে সহজ একটি মাধ্যম হলো এসইও। যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ব্যবসা কিংবা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অনেক মানুষের নিকট পৌঁছাতে পারবেন।

তবে এর জন্য প্রয়োজন হয়ে থাকে একজন যোগ্যতা সম্পন্ন এসইও প্রফেশনাল ব্যক্তির। আর আপনি যদি একজন এসইও প্রফেশনাল হয়ে থাকেন।

সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলো তে আপনার এসইও এর সার্ভিস প্রদান করে প্রচুর পরিমাণ টাকা করে নিতে পারবেন।

ট্রান্সলেশন বা অনুবাদের কাজ

কোন একটি ভাষাকে অন্য আরেকটি ভাষায় রূপান্তর করাকে বলা হয়ে থাকে ট্রানসলেশন। আর আপনি যদি বিভিন্ন দেশের ভাষা জেনে থাকেন।

তাহলে কিন্তু এই কাজটি আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হবে বলে আমার মনে হয়। এবং অবাক করার মত বিষয় হল। এই কাজটি করে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলোতে অধিক পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন।

এবং অনলাইনে এই ধরনের কাজে দক্ষ ব্যক্তির অনেক চাহিদা রয়েছে। তাই এই সুযোগে কাজে লাগিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে থেকে আয় করতে পারবেন হাজার হাজার টাকা।

সোশ্যাল মিডিয়া স্পেশালিস্ট

বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আর সে কারণে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলো তে একজন দক্ষতা সম্পন্ন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার এর ব্যাপক পরিমাণ চাহিদা রয়েছে।

মনে করুন কোন একটি অনলাইন কোম্পানি আছে। এবং সেই কোম্পানি সম্পর্কে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে প্রচার করতে চান।

সেক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব কিছু স্পেশালিস্ট দক্ষতা থাকে। এবং সে দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আপনি কিন্তু সে মার্কেটিং থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন।

আর সবচেয়ে অবাক করার মত বিষয় হলো। বর্তমান সময়ে একজন দক্ষতা সম্পন্ন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর প্রচুর পরিমাণ টাকার বিনিময় হায়ার করা হয়ে থাকে।

আর সে সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে আপনি নিজেকে একজন দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়াতে স্পেশালিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।

মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট

সময় যত বেশি অতিবাহিত হচ্ছে, ঠিক তত বেশি মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে উঠছে। আর সেই সাথে বাড়ছে মোবাইল ফোনে অ্যাপ ব্যবহার করার সংখ্যা।

কেননা বর্তমান সময়ে একটি এন্ড্রয়েড ফোনকে পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন প্রকারের অ্যাপস প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আর সে কারণে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কম্পানি এই মোবাইল ফোনের জন্য নতুন নতুন অ্যাপস কে ডেভলপ করে আসছে। তবে এই অ্যাপস ডেভলপ করার জন্য প্রয়োজন হয় একজন দক্ষ অ্যাপস ডেভলপমেন্ট জানা ব্যক্তির।

আর আপনি যদি এই ধরনের ডেভলপমেন্ট এর কাজ জেনে থাকেন। তাহলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম থেকে কাজের কোন অভাব হবে না।

ক্যাড ও 3D মডেলিং

ফ্রিল্যান্সিং এর শুরু থেকে এখন অবধি যে কাজ এর ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয় তা রয়েছে, সেটি হল থ্রিডি মডেলিং।

তবে আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলো তে এই কাজটি করে টাকা আয় করতে চান।

তাহলে কিন্তু অবশ্যই আপনার ক্যাড সম্পর্কে উচ্চতর ডিগ্রি থাকতে হবে। এর পাশাপাশি এই কাজে আপনার পর্যাপ্ত পরিমাণে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলোতে ক্যাড ও 3D মডেলিং এর কাজ করতে পারবেন।

ব্লগিং এর কাজ করে

অনলাইন থেকে খুব কম সময়ের মধ্যে টাকা আয় করার জন্য অন্যতম একটি প্লাটফর্ম হল ব্লগিং। যেখানে আপনি টেক্সট কনটেন্ট পাবলিশ করে খুব কম সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন।

সবচেয়ে ভালো লাগার মত বিষয় হলো আপনি চাইলে বর্তমান সময়ে বাংলা ভাষাতে ব্লগিং করে টাকা আয় করতে পারবেন।

কেননা বর্তমান সময়ে একটি বাংলা ব্লগে গুগল এডসেন্সে অ্যাপ্রভাল নেওয়া সম্ভব। আর ইতিমধ্যেই আপনার মত এমন অনেক মানুষ আছেন।

যারা বাংলা ব্লগিং করে আয় করে আসছেন প্রচুর পরিমাণ টাকা।

গ্রাফিক ডিজানিং

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি কাজ হল গ্রাফিক্স ডিজাইন। আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে থাকেন।

এবং আপনার ডিজাইন এর মধ্যে যদি সৃজনশীলতা থাকে। তাহলে আপনি এই অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলো তে আপনার সেই ডিজাইনিং সার্ভিস প্রদান করে, আয় করতে পারবেন প্রচুর পরিমাণ টাকা। তবে বর্তমান সময়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন সেক্টরে অনেক প্রতিযোগিতা রয়েছে। কিন্তু এত বেশি প্রতিযোগিতা থাকার পরেও নিত্য নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সে কারণে আপনিও যুক্ত হতে পারেন এই গ্রাফিক্স ডিজাইন সেক্টরের সাথে।

ওয়েব ডিজাইন

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর পাশাপাশি আরো একটি কাজের চাহিদা রয়েছে, সেটি হল ওয়েব ডিজাইন। কোন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার আগে সেই ওয়েবসাইট এর ডিজাইন তৈরি করে নিতে হয়।

আর সে কারণে অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলো তে একজন দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার এর প্রচুর পরিমাণ চাহিদা রয়েছে।

তাই আপনি চাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইন এর কাজ শিখতে পারবেন। এবং ওয়েব ডিজাইন সার্ভিস প্রদান করে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলো তে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

এইচ.আর ম্যানেজমেন্ট

কোন একটি কোম্পানির জন্য এইচ আর অর্থাৎ হিউম্যান রিসোর্স সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ কারণ সেই কোম্পানিতে নিয়োগ প্রাপ্ত ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণ করা তাদের সিভি তৈরি করা।

এবং বেতন পরিচালনা করার জন্য এস আর এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে আর আপনি চাইলে এই এইচ আর এর কাজগুলো অনলাইনের মাধ্যমে খুঁজে নিতে পারবেন।

তবে এই কাজটি করার জন্য অবশ্যই আপনার পূর্ব করা থাকতে হবে এবং এই কাজে নিজেকে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে এই কাজটি করতে পারবেন।

কপিরাইটিং ও ফ্রিল্যান্সিং রাইটিং

আজকের দিনে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলোর মধ্যে সবচেয়ে মানসম্মত একটি কাজ হলো কপিরাইটিং কিংবা ফ্রিল্যান্সিং রাইটিং।

আপনার মধ্যে যদি লেখা লেখি করার দক্ষতা থাকে। এবং আপনি যদি কোন একটি বিষয়কে লেখার মাধ্যমে খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন।

তাহলে আপনার জন্য এই কাজ টি আপনার জন্য উপযুক্ত হবে বলে আমি মনে করি।

এবং আপনার লেখার ধরন যদি ভাল হয়, তাহলে আপনি এই ধরনের ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করে প্রচুর পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা কিভাবে তুলতে হয়?

একজন বাংলাদেশী হয়ে যখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করবেন। তখন আপনি প্রধান যে সমস্যায় ভুগবেন সেটি হল পেমেন্ট মেথডে।

কারণ অনলাইন এর বিভিন্ন মার্কেট প্লেস গুলো তে অধিকাংশ সময় পেপাল এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমাদের বাংলাদেশে পেপাল চালু নাই।

সেক্ষেত্রে আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় করা টাকা গুলো কে উত্তোলন করতে হবে।

যেমন আরো বেশ কিছু মানি ট্রান্সফার সার্ভিস রয়েছে। যেমন পেওনিয়ার, স্ক্রীল কিংবা ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

তবে আমাদের বাংলাদেশে যতগুলো ফ্রিল্যান্সার আছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম থেকে টাকা উত্তোলন করার জন্য ব্যাংক একাউন্ট কিংবা পেওনিয়ার ব্যবহার করে থাকেন।

আপনি আরোও দেখতে পারেন…

ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কিছু কথা

প্রিয় পাঠক, আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন। যারা আসলে জানতে চান যে ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার। তো সেই মানুষ গুলোকে জানিয়ে দেওয়ার জন্যই মূলত আজকের এই আর্টিকেল টি লেখা হয়েছে।

কেননা আজকের এই আর্টিকেলে আমি ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার সে সম্পর্কে ধাপে ধাপে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি এই আলোচনা থেকে ফ্রীলান্সিং কত প্রকার সে সম্পর্কে পরিস্কার ভাবে জানতে পেরেছেন।

আর আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত আরো অজানা বিষয় সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে অবশ্যই আমাদের সাথে থাকবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap