অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম – Online Clothing Business

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা : প্রায় অনেক বছর আগে থেকেই মানুষ অনলাইনে কাপড় এর ব্যবসা করে আসছে।

যে কারণে Online Clothing Business এই শব্দগুলো বহুল প্রচলিত।

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম - Online Clothing Business
অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম

তাছাড়া বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট এর সহজলভ্যতার কারণে এই নানা ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া গুলোর সাহায্যে এখন যে কোনো ধরনের মানুষ অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করতে পারছে।

তবে অনলাইনে এতো বেশি কাপড়ের ব্যবসায়ী দেখে মোটেও হতাশ হবেন না। 

কারণ,বর্তমানে যেমন ঘরে বসে কাপড়ের ব্যবসা বা অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসায়ীদের সংখ্যাটা বেড়ে উঠেছে।

ঠিক তেমনি ভাবে কাস্টমাদের কাপড়ের উপরে চাহিদাও অনেক গুন বেড়ে গেছে।

এর প্রধান কারণ হলো, সমাজে বসবাস করা প্রতিটা মানুষের পোশাক আশাক এর প্রয়োজন হয়ে থাকে।

ছেলে কিংবা মেয়ে, শিশু কিংবা বয়স্ক আমাদের সব ধরনের মানুষের জন্য কাপড় হলো অন্যতম একটি অংশ। 

আর বর্তমান সময়ে অনলাইনে বিলিয়ন বিলিয়ন ইউজার রয়েছে। আর এই সবগুলো মানুষের কিন্তুু কাপড় এর প্রয়োজন হয়ে থাকে।

এখন আপনি যদি এই বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষের মধ্যে মাত্র কয়েক লাখ মানুষ কে টার্গেট করে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেন। 

তাহলে অনলাইনে শুরু করা এই Online Clothing business আপনাকে অনেক দুর পর্যন্ত নিয়ে যাবে। যেটা আপনি কল্পনাই করতে পারবেন না।

আপনি আরো জানতে পারেন…

তবে জানার বিষয় হলো যে কিভাবে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করে সফল হওয়া যায়। এবং অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম গুলো কি কি।

আর আজকে আমি মূলত কিভাবে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করা যাবে এই বিষয় গুলো নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করবো।

যদি আপনার অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা বা অনলাইনে জামার ব্যবসা করার ইচ্ছে থাকে তবে আজকের পুরো লেখাটি মন দিয়ে পড়ার চেস্টা করবেন ৷ 

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করা যায় কি ?

হুমমম, অবশ্যই আপনি অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করতে পারবেন ৷

আমি আপনাকে এমন অনেক মানুষের উদাহরন দিতে পারবো, যারা মূলত দীর্ঘ সময় ধরে অনলাইনে কাপড় এর ব্যবসা করে আসছে।

এর কারণ হলো মানুষ এখন ক্রমাগত ভাবে অফলাইন মার্কেটের উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

কারণ আজকের দিনে আপনি অনলাইনে নিজের ঘরে বসে কাপড়ের অর্ডার করবেন ৷

আর নির্দিষ্ট সময়ে সেই কাপড় আপনার বাড়িতে এসে দিয়ে যাবে।

আর এই সুযোগ সুবিধা গুলোর কারণে মানুষ এখন কাপড় কেনার জন্য অনলাইন প্লাটফর্ম কে বেছে নিয়েছে।

 এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আপনি কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করে দিতে পারবেন ৷

এবং আপনি যদি অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম গুলো মেনে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারেন ৷

তবে এই ব্যবসা থেকে আপনি মোটামুটি অনেক টাকা প্রফিট অর্জন করতে পারবেন। 

কিভাবে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করা যাবে ?

How to start clothe business: যেহুতু আপনি অনলাইন প্লাটফর্ম কে কাজে লাগিয়ে এই কাপড়ের ব্যবসা করবেন।

সেহুতু আপনাকেও পুরোপুরি ভাবে Online এর উপর নির্ভর করতে হবে। আর সেজন্য আপনাকে অনলাইন এর বিভিন্ন মাধ্যমকে কাজে লাগাতে হবে।

তবে এখন জানার বিষয় হলো যে, কিভাবে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করা যাবে? এবং online clothing business ideas সম্পর্কে জানতে পারবেন এই আর্টিকেলের ভিতরে।

আবার অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে যে how much does it cost to start an online clothing store ?

কাপড়ের ব্যবসা থেকে কি লাভ করা যাবে ? is clothing business profitable ? is online clothing business profitable ?

তো চলুন এবার সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

আপনি চাইলে অনলাইনে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন পদ্ধতিতে অনলাইনে Clothing Business শুরু করতে পারবেন।

আমি যদি গুগলে online clothing business plan pdf লিখে সার্চ দেন তাহলে অনেক পিডিএফ ফাইল পাবেন।

যেখান থেকে অনলাইন কাপড়ের ব্যবসা সম্পর্কে জানতে পারবেন। ব্যবসাকে অনলাইনের মাধ্যমে সবার কাছে পরিচিত করতে চান।

তাহলে how to promote online clothing business লিখে সার্চ দিলে হাজার হাজার তথ্য পেয়ে যাবেন।

তবে নিচে আমি বেশ কিছু sample business plan for online clothing store নিয়ে কথা বলবো। 

এই উপায় গুলো জানার পর আপনার কাছে যে মাধ্যমটি উপযুক্ত বলে গন্য হবে।

আপনি সেই উপায় কে অনুসরণ করে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করে দিতে পারবেন। 

০১| ফেসবুকে কাপড়ের ব্যবসা

বর্তমান সময়ে ফেসবুক ব্যবহার করেনা, এমন মানুষের সংখ্যা মাত্র হাতে গোনা।

আর সেই কারনে ফেসবুক কে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া তৈরি হচ্ছে এবং অনেকেই ফেসবুকে ব্যবসা করার নিয়ম খুজে।

তবে কাপড়ের ব্যবসার আইডিয়া টা অনেক পুরাতন হলেও এই ব্যবসাটির এখনও অনেক বেশি জনপ্রিয়তা আছে।

কারণ কাপড় হলো আমাদের প্রত্যেকটা মানুষের অপরিহার্য একটি অংশ।

তে আপনি চাইলেও ফেসবুকে একটা FB Page তৈরি করে উক্ত পেজে আপনার কাপড় বিক্রি করতে পারবেন ৷ সেজন্য আপনাকে কাপড়ের বিভিন্ন ছবি দিয়ে পোষ্ট করতে হবে।

এর পাশাপাশি আপনি Facebook Live থেকে আপনার কাপড়ের গুনাগুন নিয়ে লাইভ করতে পারবেন।

এবং এর মাধ্যমে কাস্টমাররা আপনার কাপড় সম্পর্কে জানতে পারবে।

এবং তাদের কাছে যদি আপনার কাপড় ভালো লাগে তবে তারা আপনার কাপড় কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করবে। 

০২| ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে কাপড়ের ব্যবসা

অনলাইনে কোনো ব্যবসা অথবা গার্মেন্টস কাপড়ের ব্যবসা শুরু করার জন্য ওয়েবসাইট বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

কারণ এর মাধ্যমে আপনি একবারে আলাদা ভাবে আপনার অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে পারবেন ৷

ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যদি কোনো কাপড়ের ব্যবসা শুরু করতে চান। তবে আপনারও উচিত নিজের একটি Website তৈরি করা।

এবং সেই ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে কাপড় বিক্রি করা৷ যদিওবা একটি ওয়েবসাইট কে পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন বিষয় জানতে হবে।

তবুও যখন আপনি এই ব্যবসা শুরু করবেন। তখন নিজে থেকে সব কিছু বুঝতে পারবেন। 

অনলাইনে কোন কোন কাপড়ের ব্যবসা করতে পারবেন ? 

যেহুতু আমি উপরেই বলেছি যে কাপড় হলো আমাদের সবার জন্য অপরিহার্য একটি অংশ।

যাকে ছাড়া সমাজে কেউ চলতে পারবে না। তবে আপনি যখন এই কাপড় কে কেন্দ্র করে কোনো বিজনেস শুরু করবেন।

তখন আপনার সামনে একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খাবে। আর সেই প্রশ্ন টি হলো, অনলাইনে কোন কোন কাপড়ের ব্যবসা করা যাবে।

তো চলুন এবার সে বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

আপনি চাইলে কাস্টমাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কাপড়ের ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। যেমনঃ

  • পাইকারি কাপড়ের ব্যবসা
  • বাচ্চাদের কাপড়ের ব্যবসা
  • শাড়ি কাপড়ের ব্যবসা
  • ছিট কাপড়ের ব্যবসা
  • জামা কাপড়ের ব্যবসা
  • মেয়েদের কাপড়ের ব্যবসা 
  • ছেলেদের কাপড়ের ব্যবসা 

তো এগুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কাপড়ের ব্যবসা করার উপায় আছে।

যখন আপনি নিজে থেকে এই ব্যবসা শুরু করবেন।

তখন আপনি কাস্টমারের প্রয়োজন অনুসারে এই অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার অনেক আইডিয়া পেয়ে যাবেন। 

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম

যদি আপনি কোনো ব্যবসা শুরু করতে চাইবেন। তখন কিন্তুু আপনাকে সেই ব্যবসা সম্পর্কিত বিভিন্ন নিয়ম নীতি মেনে কাজ করতে হবে ৷

ঠিক একইভাবে আপনি যখন অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করতে চাইবেন, তখনও কিন্তুু আপনাকে অনেক নিয়ম কানুনের দিকে যথেষ্ট নজর দিতে হবে।

চলুন এবার তাহলে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম গুলো সম্পর্কে স্টেপ বাই স্টেপ জেনে নেয়া যাক। 

আপনার জন্য আরো লেখা…

০১| কাপড়ের উৎস নির্ধারন 

যখন আপনি কাপড়ের ব্যবসা শুরু করবেন, তখন সবার আগে আপনাকে যে দিকটা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।

সেটি হলো আপনার কাপড়ের উৎস কোথায় হবে। অর্থ্যাৎ, আপনি যে কাপড় দিয়ে অনলাইনে ব্যবসা করবেন সেই কাপড় গুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করবেন।

কারণ এই স্টেপে আপনাকে এমন জায়গা থেকে কাপড় কিনতে হবে। যেখানে অনেক কম দামে ভালো কোয়ালিটির কাপড় পাওয়া যাবে।

কিন্তুু আপনি যদি হুট করে যেখান থেকে কাপড় কিনে নেন তাহলে আপনাকে অনেক বেশি দাম দিতে হবে আর সেইসাথে কাপড়ের কোয়ালিটি নিয়ে একটা সন্দেহ কাজ করবে। 

০২| কাপড়ের ব্রান্ড নির্ধারন করা 

আপনি কোন জায়গা থেকে কাপড় সংগ্রহ করবেন তা নির্নয় করার পর আপনাকে আরো একটি কাজের দিকে বেশ খেয়াল রাখতে হবে।

সেটি হলো আপনার নিজস্ব একটা ব্রান্ড নির্ধারন করা।

যখন কোনো কাস্টমার আপনার কাছ থেকে কাপড় কিনবে, তখন তাদের কাছে উক্ত কাপড়ের ব্রান্ড সম্পর্কে জেনে নেয়াটা অতি জরুরী ৷

আর যখন আপনি আপনার নিজের তৈরি করা ব্রান্ড কে একবার জনপ্রিয় করে তুলতে পারবেন।

তখন মানুষ সরাসরি এসে আপনার দেয়া ব্রান্ডের কাপড় কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করবে। 

০৩| মার্কেটিং নির্ধারন করা 

যখন নতুন অবস্থায় অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করবেন। তখন মানুষের কাছে আপনার নামটা তেমন পরিচিতি লাভ করবে না, এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তুু মানুষ যদি আপনাকে অনলাইনে খুজে পেতে না পায় তাহলে আপনি কিন্তুু আশানুরূপ কাপড় সেল করতে পারবেন না।

আর যদি আপনি কাপড় সেল করতে না পারেন, তবে এই ব্যবসা থেকে আপনি কোনো বেনিফিট পাবেন না।

তাই অনলাইনে বিচরন করা মানুষ গুলো যেন আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানতে পারে, আপনার কাপড় সম্পর্কে জানতে পারে।

এই জন্য আপনাকে পেইড প্রমোশন করানোর মাধ্যমে মার্কেটিং করতে হবে। আর আপনার সেই ব্যবসার থাকা কাপড় গুলো কোন প্লাটফর্মে বেশি কাস্টমার পাওয়া যাবে।

এটি খুজে নেয়ার পর আপনাকে নির্দিষ্ট এক বা একাধিক প্লাটফর্মে মার্কেটিং করতে হবে। 

০৪| কাপড়ের সাইজ ও রং নির্ধারন করা 

যেহুতু আপনি অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম গুলো জানতে এসেছেন।

সেহুতু আপনার জানা থাকবে যে একটি কাপড়ের বিভিন্ন রকমের সাইজ এবং ভিন্ন ভিন্ন কালার হয়ে থাকে।

আর আপনি আসলে কোন বয়সের মানুষদের কে টার্গেট করে ব্যবসা করবেন। সেই টার্গেট অনুযায়ী নির্দিষ্ট সাইজে কাপড় কিনতে হবে।

এর পাশাপাশি মানুষের কোন কালারের কাপড় পছন্দ করে সেটাও কিন্তুু আপনাকে যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে নজর রাখতে হবে। 

উপরের আলোচনায় আপনি অনলাইনে কাপড়ের বিজনেস করার নিয়ম গুলোর প্রাথমিক ধাপ গুলো সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন ৷

কিন্তুু এর বাইরেও Clothing Business করার জন্য আরো অনেক ধরনের বিবেচ্য বিষয় আছে।

যা আপনার জেনে নেয়াটা অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তো চলুন এবার সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার বিবেচ্য বিষয় 

উপরে যেসব অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম গুলোর কথা বলা হয়েছে। এগুলো মূলত কাপড়ের ব্যবসা করার প্রাথমিক ধাপে অনেক কাজে আসবে।

কিন্তুু যখন আপনি কাপড়ের ব্যবসা শুরু করবেন। তখন কিন্তুু বেশ কিছু বিষয়ের দিকে আপনাকে যথেষ্ট খেয়াল রাখতে হবে।

আর এবার আমি সেই বিষয় গুলো কে নিয়ে একেবারে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো।

যেন আপনার বুঝতে কোনো প্রকার অসুবিধা না হয়। 

০১| কাপড়ের ধরন নির্ধারণ করতে হবে 

ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রতিটা পন্যের ক্রেতা হিসেবে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষ কে টার্গেট করা হয়।

আর আপনাকেও এই টার্গেট কে কেন্দ্র করে কাস্টমারদের জন্য কাপড় নির্নয় করে নিতে হবে।

আর এই সময়ে আপনাকে একটু সময় নিয়ে ভাবতে হবে যে কাস্টমার আসলে কোন ধরনের কাপড় কিনতে পছন্দ করে।

এক্ষেত্রে আপনি বেশ কিছু পদ্ধতি অনুসরন করতে পারবেন। যেমনঃ

  1. মনে করুন আপনি মেয়েদের জন্য কাপড় কিনতে চান। সেক্ষেত্রে আপনাকে ভাবতে হবে যে মেয়েরা আসলে কোন কালারের কাপড় কিনতে বেশি পছন্দ করে।
  2. গরমের সময় মানুষ কেমন কাপড় পড়ে, ঠান্ডার সময় কিরকম কাপড় পড়ে ইত্যাদি ইত্যাদি। 
  3. যদি আপনি আবার ছেলেদের জন্য কাপড় কিনতে চান। তবে আপনাকে ভাবতে হবে যে ছেলেরা ফ্যাশন হিসেবে কেমন কাপড় পড়ে,।
  4. তাদের বর্তমান ট্রেন্ডিং হিসেবে কোন ধরনের কাপড় রানিং চলছে। 
  5. আর যদি আপনি শিশুদের জন্য কাপড় কিনতে চান। তবে সেই শিশুদের বয়সের উপর নির্ভর করে মানানসই কাপড় কেনার চেস্টা করবেন ৷ 

মনে রাখবেন, আপনি আপনার ব্যবসার জন্য যেসব কাপড় কিনবেন। পরবর্তী সময়ে কিন্তুু সেই কাপড় গুলোই কাস্টমার এর কাছে সেল করতে হবে।

তাই এই ধাপে আপনি কোনো প্রকার গড়িমসি করবেন না। নাহলে আপনি নিজেই নিজের বিপদ ডেকে আনবেন ৷ 

০২| ব্যবসায় সবকিছু করার অঙ্গীকার করা 

দেখুন সবাই কিন্তুু সবকাজে সফলতা অর্জন করতে পারেনা। বরং প্রত্যেকটা কাজের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম কানুন আছে ৷

আর কোনো কাজের সফলতা পেতে হলে আপনাকেও সেই নিয়ম কানুন গুলো মেনে চলতে হবে।

আর আপনি যখন অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করবেন ৷ তখন আপনার মধ্যেই বেশ কিছু গুনাবলি থাকতে হবে। যেমনঃ

  1. আপনার ব্যবসাকে পরিচালনা করার জন্য প্রতিনিযত নির্দিষ্ট রুটিন মেনে কাজ করতে হবে। এবং পরবর্তী সময়ে এই রুটিন মেনে কাজ করার অঙ্গীকার করতে হবে। 
  2. সময়ের সাথে সাথে মানুষের চাহিদাও বদলে যায়। আর এই চাহিদাকে আপনাকে বেশ গুরুত্ব দিতে হবে।
  3. বর্তমান সময়ে ট্রেন্ডিংয়ে থাকা কাপড় গুলো কিনে সেল করার মতো মানসিকতা থাকতে হবে। 
  4. আপনি ব্যবসা করার জন্য যে অনলাইন প্লাটফর্ম কে বেছে নিবেন। সেই প্লাটফর্ম আপনার নতুন আসা কাপড় গুলোর আপডেট প্রদান করতে হবে।
  5. তাতে করে কাস্টমাররা আপনার আপডেট পন্য সম্পর্কে জানতে পারবে। 
  6. আপনি তখনি কোনো জায়গা থেকে পন্য কিনবেন যখন কোনো কারো প্রতি আপনার ভালোলাগা ও বিশ্বাস জন্মাবে।
  7. ঠিক তেমনিভাবে এখন আপনি যেহুতু কাপড় সেল করবেন সেহুতু আপনারও উচিত ক্রেতাদের কাছ থেকে বিশ্বাস অর্জন করা। 
  8. প্রতিটা ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রসার করার জন্য প্রচার অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি যদি আপনার কাপড় এর ব্যবসাকে প্রসার করতে চান। তাহলে আপনাকে যথেষ্ট প্রচার করতে হবে। 

তো উপরে আপনি যে বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। সেগুলো মূলত কাপড়ের ব্যবসা করার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়।

আর ব্যবসার কাজে এই কাজ গুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত করতে হবে। 

০৩| অনলাইনে স্টোর সেটআপ করা 

যেহুতু আপনি অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করবেন, সেহুতু অবশ্যই আপনার এক বা একাধিক Online store থাকতে হবে।

যে স্টোরে এসে কাস্টমাররা আপনার কাপড় সম্পর্কে জানতে পারবে এবং পছন্দ হলে সেই কাপড় গুলো তারা কিনে নিতে পারবে।

আর অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার জন্য আপনাকে ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি করতে হবে।

আর যখন আপনি আপনার অনলাইন ব্যাবসার ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি করবেন৷ তখন আপনাকে বেশ কিছু বিষয়ের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে ৷ যেমনঃ

  1. প্রথমত আপনার ব্যবসার সাথে সামন্জস্যতা রেখে একটি ডোমেইন (Domain) কিনতে হবে। যদি আপনি আপনার কাপড়ের নামের সাথে মিল রেখে একটি ডোমেইন কিনতে পারেন।
  2. সেক্ষেত্রে আপনি কিছু বাড়তি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন ৷ 
  3. ডোমেইন এর পাশাপাশি আপনার সাইটকে ভালো ভাবে পরিচালনা করার জন্য অনেক ভালো মানের হোস্টিং নিতে হবে। 
  4. যখন নতুন কোনো কাপড়ের আপডেট আসবে, তখন সেই সম্পর্কে কাস্টমারদের অবগত করার জন্য আপনাকে নিয়মিত Boost বা Promote করতে হবে। 
  5. আপনি আপনার Online Cloth Store এ যেসব কাপড় বিক্রি করবেন। সেই কাপড়ের দাম কত তা পরিস্কারভাবে উল্লেখ করতে হবে। 
  6. অবশ্যয় একটি ভালো ক্যামেরা দিয়ে আপনার কাপড়ের ছবিগুলা অনলাইনের দোকানে আপলোড করে দিতে হবে।

এছাড়াও কাস্টমারদের সাপোর্ট দেয়াটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ৷

কারণ আপনার ব্যবসার কাপড় এর দাম, গুনগত মান এবং বিভিন্ন সমস্যার কারনে তারা আপনার কাছে যোগাযোগ করবে।

আর এই কারনে আপনাকে প্রতিনিয়ত কাস্টমারদের সাপোর্ট দিতে হবে। 

আপনি আরো দেখতে পারেন… 

অনলাইন কাপড়ের বিজনেস করার নিয়ম নিয়ে শেষকথা 

আজকের দিনে অনলাইনে ব্যবসা করাটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আর সেইসাথে বাড়ছে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসার চাহিদা।

তবে আপনি যদি এই ব্যবসা করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম গুলো জানতে হবে।

আর আজকের আর্টিকেলে আমি অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম গুলো নিয়ে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করেছি।

তবে এরপরও যদি আপনার মনে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম গুলো সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন থাকে।

তবে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি আপনার সমস্যা সমাধান করতে সর্বদা প্রস্তুুত আছি।

Bangla it blog এর পাশে থাকার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HandsUp! কপি করা যাবে না বস!

Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap