অন পেজ এসইও কি ? কিভাবে অন পেজ এসইও করতে হয় ?

অন পেজ এসইওঃ এসইও এমন একটি বিষয়, যা অসংখ্য টেকনিকের সমন্বয়ে গঠিত। যে টেকনিক গুলো অবলম্বন করে, খুব সহজেই আপনি আপনার টার্গেটেড অডিয়্যান্সের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।

অপরদিকে আপনি যদি এই সেক্টরে উপযুক্ত স্ট্যাডি করে একজন এসইও এক্সপার্ট হতে পারেন। তাহলে এসইও সার্ভিস প্রদান করেই আপনার একটা সফল ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারবেন।

হ্যালো বন্ধুরা, বাংলা আইটি ব্লগের এই আর্টিকেলে আপনাকে স্বাগতম। আজকের আর্টিকেলে আমি “On Page SEO” সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

অন পেজ এসইও কি
অন পেজ এসইও

যদি আপনার On Page SEO সম্পর্কে জানার ইচ্ছা থাকে। তাহলে অবশ্যই পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। নাহলে এমন অনেক খুঁটিনাটি বিষয় আছে ৷ যেগুলো আপনার অজানা থেকে যাবে। 

Search Engine Optimization- কে সংক্ষেপে বলা হয় এসইও। যখন আপনি কোনো সার্চ ইন্জিনকে টার্গেট করে আপনার কোনো প্রোডাক্টকে অপটিমাইজ করবেন ৷ সেই অপটিমাইজের কাজ গুলোকে এক কথায় বলা হয় এসইও

সাধারনত এসইও কে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। একটি হলো, On page SEO আর অন্যটি হলো Off Page SEO. তবে এই দুইটি ভাগের মধ্যে আরও এক প্রকার এসইও রয়েছে। যাকে বলা হয়, Technical SEO.

ইতিমধ্যে আমার ওয়েবসাইটে এসইও এবং অফ পেজ এসইও সম্পর্কে বিষদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। যদি আপনার প্রয়োজন হয়। তাহলে আপনি সেই আর্টিকেল গুলো পড়ে নিতে পারবেন। আজকের আর্টিকেলে আমি অন পেজ এসইও কে কভার করবো ৷

তো সবার আগে আপনাকে জানতে হবে যে, অন পেজ এসইও আসলে কি এবং কিভাবে অন পেজ এসইও করতে হয়। 

অন পেজ এসইও কি ?

আমরা জানি যে, যখন কোনো সার্চ ইঞ্জিনকে টার্গেড করে যেসব অপটিমাইজেশন এর কাজ করা হয়। সেই কাজ গুলোকে বলা হয় এসইও।

একইভাবে যখন আপনি এই অপটিমাইজেশন এর কাজ গুলো আপনার ওয়েবসাইট থেকে করবেন। তখন তাকে বলা হবে On Page SEO.

এখন প্রশ্ন আসতে পারে যে, ওয়েবসাইটের ভিতর থেকে কাজ বলতে কি বুঝায়?

দেখুন, আপনি কিসের জন্য এসইও করবেন? – নিশ্চই আপনার একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট আছে। যেখানে আপনি ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য এসইও করতে চান।

অথবা আপনার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে। যেখানে সেল (বিক্রি)  বৃদ্ধির জন্য আপনি এসইও করতে চান, তাইতো!

এখানে একটু বোঝার বিষয় আছে, মনে করুন আপনি একটি নতুন টেকনোলজি রিলেটেড ব্লগ তৈরি করলেন। এবং সেই ব্লগে কন্টেন্ট পাবলিশ করলেন।

এখন আপনি যে টেকনোলোজি নিয়ে কনটেন্ট পাবলিশ করলেন, সেটা গুগল কিভাবে বুঝবে? ঠিক এই সময়ে অন পেজ এসইও এর প্রয়োজন পড়বে।

আপনার জন্য আরো আর্টিকেল…

আপনার পাবলিশ করা কন্টেন্টে যে Title, Tag, Description, url ইত্যাদি বিষয়গুলো থাকবে। মূলত সেই বিষয় গুলোর মাধ্যমে গুগল ডিটেক্ট করতে পারবে যে আপনি আসলে কোন টপিক নিয়ে কাজ করছেন।

আর ওয়েবসাইটের ভেতরের কাজ বলতে মূলত এই বিষয় গুলোকেই বোঝায়। যে কাজ গুলোর মাধ্যমে গুগল আপনার নিশ/টপিক সম্পর্কে ডিটেক্ট করতে পারবে। আর ওয়েবসাইটটের ভেতরের এইসব কাজকেই বলা হয় On Page SEO.

অন পেজ এসইও কেন করবেন? 

এটি কমন একটি প্রশ্ন এবং এই প্রশ্নের উওর অবশ্যই আপনার জানা উচিত। কেননা আপনি On Page SEO সম্পর্কে আর্টিকেল পড়ছেন। অথচ ‘অন পেজ এসইও’- এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে না জানেন।

তাহলে এই আর্টিকেলটি পড়ার কোনো মানে হয়না। তো চলুন এবার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে হালকা আলোকপাত করি।

মনে করুন আপনার একটি মোবাইল রিভিউয়ের ওয়েবসাইট আছে। সেখানে আপনি ‘iphone 11’ নিয়ে একটি আর্টিকেল পাবলিশ করলেন।

এখন একটু চিন্তা করুন, আপনি কি একজন ব্যক্তি ‘iphone 11’ নিয়ে আর্টিকেল লিখেছেন? – অবশ্যই না!  বরং আপনার মতো এমন হাজার হাজার আর্টিকেল পাবলিশ হয়েছে।

যারা আপনার পাবলিশ করা সেম টপিক নিয়ে আর্টিকেল লিখেছে।  এখন যারা আপনার সেম টপিক নিয়ে আর্টিকেল পাবলিশ করছে। মূলত এরাই হলো আপনার প্রতিযোগী।

আপনাকে এইসব প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে সবার উপরের সারিতে আসতে হবে ৷ আর সেজন্য আপনার On Page SEO এর প্রয়োজন পড়বে।

অনেক সময় লক্ষ্যে করলে দেখবেন যে, আপনি একটা  আর্টিকেল পাবলিশ করলেন। কিন্তুু সেই আর্টিকেলটি সার্চ ইন্জিনের 2-3 পেজে শো করে।

আবার অনেক সময় সেই আর্টিকেলটি সার্চ করলে খুজেই পাওয়া যায়না। এর কারন কি! তা আপনি বলতে পারবেন?

এর মূল কারন হলো, আপনি যে টপিক নিয়ে আর্টিকেল লিখেছেন। তা আপনি সার্চ ইঞ্জিনকে বোঝাতে ব্যার্থ হয়েছেন সঠিক ভাবে আর্টিকেল অন পেজ এসইও করে লিখতে পারেন নাই।

অর্থ্যাৎ সার্চ ইঞ্জিনের ক্রলার যখন আপনার কন্টেন্টকে ইনডেক্স করছে। তখন সেই ক্রলার আপনার আর্টিকেলের সারসংক্ষেপ সম্পর্কে কিছুই বুঝতে পারেনি ৷ যার কারনে আপনার আর্টিকেলটি সার্চ ইঞ্জিনে খুজেই পাওয়া যায়নি।

তো সার্চ ইঞ্জিন যেন আপনার ওয়েবসাইট কিংবা কন্টেন্টের সারসংক্ষেপ সম্পর্কে বুঝতে পারে। সেজন্য মূলত On Page SEO এর প্রয়োজন হয়।

কিভাবে অন পেজ এসইও করবেন?

যেহুতু আপনি আর্টিকেলের এই পর্যন্ত চলে এসেছেন। এরমানে আপনার, “অন পেজ এসইও”- সম্পর্কে জানার যথেষ্ট আগ্রহ আছে। সত্যি বলতে, এই আর্টিকেলটি মূলত আপনার জন্যই লেখা।

তো চলুন, এবার আমরা আসবো মূল টপিকে। আর সেই টপিক এর নাম হলো,” কিভাবে On page SEO”- করবেন। 

[Note:  আমি দীর্ঘ ৩ বছর ধরে SEO নিয়ে স্ট্যাডি করেছি।এই সময়ে আমি যা কিছু শিখেছি, সেই টিপস & ট্রিকস গুলো শেয়ার করবো আপনার সাথে]

দেখুন আমার দৃষ্টিকোন থেকে On Page SEO কে ২ টি ভাগ করা যেতে পারে। যেমন, 

  1. Optimize Content 
  2. Optimize Website 

কেন আমি অনপেজ এসইও কে এই দুইটি ভাগে ভাগ করলাম। সে বিষয়ে বিতর্কে না গিয়ে। একটু মন দিয়ে বোঝার চেস্টা করুন যে, Optimize Content এবং Optimize Website বলতে কি বুঝায়। 

Optimze Content (On Page SEO)

দেখুন, আপনার ওয়েবসাইটের প্রান হলো “কন্টেন্ট”। তাই আপনার কন্টেন্টকে এমনভাবে অপটিমাইজ করতে হবে। যেন সার্চ ইঞ্জিন গুলোর TOP Position এ থাকে।

কারন যতোক্ষণ না আপনার কন্টেন্ট Google এর টপ পজিশনে না আসবে। ততোদিন আপনি কাঙ্খিত ভিজিটর পাবেন না।

[Note: মনে রাখবেন, যদি On Page SEO ঠিকমতো না করেন। তাহলে অফ পেজ এসইও কোনো কাজে আসবে না]

এমন অনেকেই আছেন, যারা ব্লগিং সেক্টরে নতুন। তারা না জেনেই শুধু কন্টেন্ট পাবলিশ করতেই থাকে। একটা সময়ে সে দেখে,পর্যাপ্ত কন্টেন্ট দেয়ার পরও তার ওয়েবসাইটে আশানুরূপ ভিজিটর পাচ্ছে না। আপনি বলতে পারবেন, এর কারন কি?

এর প্রধান কারন হলো, সেই ব্লগার On Page SEOএর কোনো টেকনিক ফলো না করে। শুধু কন্টেন্ট পাবলিশ করেই গেছেন। যার কারনে সেই নতুন ব্লগার, তেমন ভিজিটর পাননি।

তো কন্টেন্ট কে অপটিমাইজ করতে হলে, আপনাকে কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন, 

কিওয়ার্ড (Keyword Optimization)

একটা কথা মনে রাখবেন, কিওয়ার্ড হলো এসইও এর প্রান। এসইও এক্সপার্ট Brean Dean বলেছেন, ” SEO is nothing, without keyword research “.আর এই কথাটির সাথে আমিও একমত।

আপনার এসইও সম্পূর্ণ বৃথা যাবে, যদি আপনি Keyword নিয়ে স্ট্যাডি না করেন।

[Note:  “কিওয়ার্ড ছাড়া এসইও অচল”- [প্রমানিত]

আপনি জানেন, ‘Keyword’ কি? কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয়?

কিওয়ার্ড কি
কিওয়ার্ড মানে কি

সাধারনত, মানুষ যা কিছু লিখে সার্চ করে। সেই গুলোর প্রত্যেকটি এক একটা Keyword. বলা যায়, On Page SEO এর প্রথম ধাপ হলো, Keyword Research.  যখন আপনি On Page SEO করবেন। তখন কিওয়ার্ড রিসার্চে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিবেন। 

কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন? 

অনপেজ এসইও করার সময় যখন আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন। তখন বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেমন,

  • লং টেইল কিওয়ার্ড
  • শর্ট টেইল কিওয়ার্ড
  • সার্চ ভলিউম 
  • কিওয়ার্ড লেনথ
  • LSI কিওয়ার্ড

আমি পরবর্তী আর্টিকেলে Keyword Research নিয়ে বিষদভাবে আলোচনা করবো। আপাততো এইটুকু জেনে রাখুন যে, যখন আপনি অনপেজ এসইও করার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন। তখন উপরোক্ত বিষয় গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করে আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন। তবে এই কাজটি ম্যানুয়ালি করা যায়, কিন্তুু তা বেশ সময় সাপেক্ষ। কারন আপনার যে কাজ করতে ৩-৫ ঘন্টা লাগবে।

আপনি সেই কাজ কোনো টুলস এর সাহায্য করলে, তা কয়েক মিনিটেই সম্পন্ন করতে পারবেন। 

টাইটেল (Title Optimization)

অনপেজ এসইও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো কন্টেন্ট Title. যদি আপনি এই বিষয়টি সম্পর্কে না জেনে থাকেন। তাহলে ধরে নিবেন আপনি এসইও সম্পর্কে এখনও শতভাগ দক্ষতা অর্জন করতে পারেননি।

কি অবাক হলেন? তাহলে শুনুন,

আমরা গুগলে কোনো কিছু সার্চ করার পর, কি দেখতে পাই? সর্বপ্রথম আমরা যে তথ্য জানার জন্য সার্চ করি। সেই তথ্যের রিলেটেড বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর টাইটেল দেখতে পাই, তাইনা? নিচের পিকচারটি একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। 

কন্টেন্ট অপটিমাইজেশন
কন্টেন্ট টাইটেল অপটিমাইজেশন

তো ধরে নিন যে, আমি গুগলে ‘অনপেজ এসইও’ সম্পর্কে সার্চ করছি। এখন গুগল সর্বপ্রথম এসইও রিলেটেড যে অপটিসাইজ কন্টেন্ট রয়েছে। সেই কন্টেন্ট গুলোর টাইটেলকে শো করে। 

এখন আপনি একটু চিন্তা করে দেখুন। পিকচারে এসইও রিলেটেড অনেক গুরো ওয়েবসাইট শো করছে। কিন্তুু আপনি সর্বপ্রথম কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন?

নিশ্চই যে ওয়েবসাইটের Title দেখে আপনার ভালো লাগবে৷ সেই ওয়েবসাইটেই তো ক্লিক করবেন, তাইনা?

তো বিষয়টি এমন-ই যে, আপনি এসইও এর সকল টেকনিক অবলম্বন করে গুগলের ফাস্ট পজিশনে তো আসতে পারবেন। কিন্তুু জোর করে তো কাউকে আপনার লিংকে ক্লিক করাতে পারবেন না।

সেজন্য আপনার কন্টেন্টের টাইটেলকে এমন মধু মেশাতে হবে। যেন ভিজিটররা দেখামাএই আপনার লিংকে ক্লিক করে।

তো এখন জানার বিষয় হলো যে, Title এ এমন কি টেকনিক অবলম্বন করতে হবে। যেন ভিজিটররা আপনার লিংক দেখামাএই ক্লিক করে। চলুন এবার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। 

টাইটেল অপটিমাইজ করার উপায়

যদি আপনি লিগ্যাল ওয়েতে আপনার কন্টেন্ট এর টাইটেল কে অপটিমাইজ করতে চান। তাহলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয়ের উপর নজর রাখতে হবে। যেমন, 

  • Title এ কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে 
  • একাধিকবার Keyword ব্যবহার করা যাবে না
  • টাইটেলে আর্কষনীয় শব্দ চয়ন করতে হবে 
  • প্রয়োজনে (-) , (|) এই চিন্হগুলো ব্যবহার করতে পারবেন
  • অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। আপনার সর্বোচ্চ ৫০-৫৫ ওয়ার্ড ব্যবহার ব্যবহার করা উচিত 
  • আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড টাইটেল এর শুরুতে ব্যবহার করার চেস্টা করবেন। 

আপাততো এই ট্রিকস গুলো অনুসরণ করলে আপনি আপনার কন্টেন্ট এর Title কে অপটিমাইজ করতে পারবেন। 

কিওয়ার্ড ডেনসিটি (Keyword Density)

এতোক্ষণে আমি, Keyword Research এবং কন্টেন্ট এর Title Optimizetion সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এবার আলোচনা করবো,  ‘কিওয়ার্ড ডেনসিটি’ সম্পর্কে।

তবে আলোচনা করার আগে আপনাকে জানতে হবে যে, ‘কিওয়ার্ড ডেনসিটি’ কি?

দেখুন, কোনো কন্টেন্ট লিখার আগে Keyword সিলেক্ট করতে হয়। তারপর সেই কিওয়ার্ডের উপর বেজ করে কনটেন্ট লিখতে হয়।

আপনার লেখা সম্পূর্ন কন্টেন্টে আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডকে মোট কতবার ব্যবহার করছেন৷ মূলত কিওয়ার্ড ব্যবহার করার সেই পরিমানকে বলা হয়, Keyword Density.

তো যারা এসইও এক্সপার্ট, তাদের মতে আপনার কন্টেন্টকে প্রোপার ওয়েতে অপটিমাইজ করার জন্য অবশ্যই কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। 

demo content
demo content

উপরের পিকচারে আপনাকে একটি Demo Content দেখানো হয়েছে৷ যার টার্গেটেড কিওয়ার্ড হলো, ‘Learn English’.

আপনি একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন যে, এই কন্টেন্ট এ টার্গেটেড কিওয়ার্ডকে বেশ কৌশলে প্লেসমেন্ট করা হয়েছে।

যাতে করে সার্চ ইঞ্জিন বোট আপনার কন্টেন্টের মূল টপিক সম্পর্কে সহজেই বুঝতে পারে। এবং এই Keyword এ যেন আপনার আর্টিকেলটি সার্চ ইঞ্জিনে Rank করে।

এখন আপনার মনে একটা ভাবনা আসতে পারে যে, যদি টার্গেটেড কিওয়ার্ড প্লেসমেন্ট করলে আর্টিকেলকে Rank করা যায়।তাহলে ইচ্ছামতো Keyword বসিয়ে তো যেকোনো আর্টিকেলকে Rank করানো সম্ভব।

তবে বিভিন্ন এসইও এক্সপার্টরা অলরেডি এই বিপদের সঠিক সমাধান দিয়েছে। তাদের মতামত অনুযায়ী, আপনার লেখা আর্টিকেলে অবশ্যই Keyword থাকতে হবে। তবে Keyword Density এর Ratio মেনে চলতে হবে।

যেমন, একটি 3K Word এর আর্টিকেলে কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ বার আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড ব্যবহার করলে তেমন কোনো সমস্যা হবে না।

তবে মনে রাখবেন, আপনি কতবার আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডকে ব্যবহার করতে পারবেন। সেটি সম্পূর্ন নির্ভর করে আসলে আপনি কত শব্দের আর্টিকেল লিখছেন।

অর্থ্যৎ, আপনি যদি ১ হাজার শব্দের কোনো আর্টিকেল লিখে থাকেন। তাহলে সেই আর্টিকেলে আপনি টার্গেটেড কিওয়ার্ডকে সর্বোচ্চ ৩-৪ বার ব্যবহার করতে পারবেন।

মনে রাখবেন, Keyword Density ঠিক রাখার জন্য Content ratio এবং Keyword ratio এর ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। বলে রাখা ভালো যে, আপনার কন্টেন্টের প্রথম ১৫০ শব্দের মধ্যে অবশ্যই আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড থাকতে হবে। 

ইমেজ (Image Optimization)

আমরা জানি যে, এমন কোনো বিষয় নেই যা গুগল বুঝতে পারেনা। ওয়েট! ওয়েট!! আপনার এই ধারনা আজ থেকে সম্পূর্ন পাল্টে যাবে। কারন গুগল সবকিছু বুঝতে পারলেও, কোনো ইমেজের উপরে যে Text থাকে।

গুগল কোনোভাবেই সেই Text গুলোকে ডিটেক্ট করতে পারেনা। কি অবাক হলেন? হ্যাঁ এটাই সত্য। যখন এই কথাটি প্রথম শুনেছিলাম, তখন আমিও আপনার মতোই অবাক হয়েছিলাম।

আপনি আরো পড়ুন…

আবার আপনি যদি গুগল এর Content Optimization এর গাইডলাইন গুলো দেখেন। তাহলে সেখানে বলা আছে, আপনি আপনার কন্টেন্টে যতো বেশি ইমেজ ব্যবহার করবেন। সেই কন্টেন্ট ততো বেশি Proper Optimize হিসেবে গন্য করা হবে।

তবে প্রশ্ন হলো, গুগল ইমেজে ব্যবহার করা টেক্সট কে ডিটেক্ট করতে না পারলেও, আমরা আমাদের কন্টেন্টে কেন ইমেজ ব্যবহার করি? আর গুগল কেন আমাদের কন্টেন্টে ইমেজ ব্যবহার করতে বলেছে?

হ্যাঁ এটা সত্য যে, গুগল ইমেজে থাকা Text কে ডিটেক্ট করতে পারেনা। তবে গুগলকে আপনার ইমেজ এর মূল বিষয়বস্তুু সম্পর্কে বোঝাতে পারেন।

সেজন্য বেশ কিছু উপায় রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম উপায় হলো, Image Caption এবং Image alt tag.

যারা আমার মতো অলস টাইপের ব্লগার আছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ এই বিষয়টিকে স্কিপ করে থাকে। কিন্তুু মনে রাখবেন, Image Caption এবং Image alt tag অন পেজ এসইও এর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।

তবে প্রশ্ন হলো, কিভাবে কন্টেন্টে ব্যবহার করা ইমেজকে অপটিমাইজ করা সম্ভব? 

কিভাবে ইমেজ অপটিমাইজ করবো? 

মনে রাখবেন, একটি কন্টেন্টকে অপটিমাইজ করতে হলে ৷ সেই কন্টেন্টে ব্যবহার করা ইমেজ কে অপটিমাইজ করা উচিত।

ইমেজ এসইও করার উপায়
ইমেজ এসইও

উপরের পিকচারটি একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। এখানে আপনি দুটি অপশন দেখতে পারবেন, একটি হলো Alt text এবং অপরটি Title/Caption. সাধারণত এই অপশন দুটিতে মূল কিওয়ার্ডকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

আপনি যদি ব্লগার ব্যবহার করেন তাহলে ইমেজের উপরে ক্লিক করলেই এই সকল অপশন পেয়ে যাবেন।

কিন্তুু এখানে একটু বোঝার বিষয় আছে। মনে করুন আমি এই আর্টিকেলটি ‘অন পেজ এসইও’ সম্পর্কে লিখছি। তাই বলে কি এই আর্টিকেলে যতোগুলো ইমেজ ব্যবহার করবো ৷

সেই সবগুলো ইমেজের alt tag হিসেবে ‘অন পেজ এসইও ‘ এই কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করবো?

না, কারন আপনার মূল টার্গেট হলো আপনার ব্যবহার করা ইমেজে কি আছে। সেই সম্পর্কে গুগলকে ধারনা দেওয়া। এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে বোঝার জন্য নিচের ইমেজটি লক্ষ্য করুন। 

উপরের পিকচারে আপনি দেখতে পাচ্ছেন, ইমেজের alt tag এ আমি ইমেজের মূল বিষয়টিকে তুলে ধরার চেস্টা করছি। এরপর যে Title text নামের অপশনটি রয়েছে, সেখানে আমার আর্টিকেলের ফোকাস কিওয়ার্ডকে ব্যবহার করেছি।

মূলত, Alt tag এবং Title Text এর আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা ইমেজ সম্পর্কে গুগলকে ধারনা দেয়া সম্ভব। আর এভাবেই কোনো একটি ইমেজকে অপটিমাইজ করা হয়ে থাকে। 

ডেসস্ক্রিপশন (Description Optimize)

অন পেজ এসইও এর দ্বিতীয় ধাপ হলে, Description. সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য, ডেসস্ক্রিপশন খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিষয়টি একটু ক্লিয়ার করে বলি….

ডিস্ক্রিপশন এসইও
ডিস্ক্রিপশন এসইও

উপরের পিকচারটি একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। মার্ক করা অংশ গুলোকে বলা হয়, ডেসস্ক্রিপশন

যখন আমরা গুগল এ কোনো কিছু লিখে সার্চ দেই। তখন সবার আগে আমরা আর্টিকেল এর Title দেখতে পাই। এরপর আমার সেই টাইটেলের Description এর দিকে তাকাই।

এরপর যে লিংকের টাইটেল এবং ডেসস্ক্রিপশন পড়ে আপনার কাছে ভালো মনে হবে। আপনি তো সেই লিংককে ক্লিক করবেন, তাইনা।

তাই আপনার কন্টেন্ট এর Description কে এতোটাই ক্লিকবেট করতে হবে। যেন ভিজিটর আপনার লিংক দেখা মাএই, সেখানে ক্লিক করে।

কিভাবে ক্লিকবেট ডেসস্ক্রিপশন লিখতে হয়। এবার সে বিষয়ে জানবো। 

ডেসস্ক্রিপশন (Optimise Description)

ওকে!  এবার আমরা ক্লিকবেট ডেসস্ক্রিপশন লেখার কিছু কৌশল সম্পর্কে জানবো।

  • ডেসস্ক্রিপশন এর সর্বোচ্চ 100-150 Word লেখার চেস্টা করবেন। গুগর বেশি শব্দ ব্যবহার করা পছন্দ করে না। 
  • আপনার ডেসস্ক্রিপশনে এমন কিছু বাক্য লিখুন। যেগুলো আপনার Focus Keyword এর সাথে মিল থাকে। যেমন,”Latest Mobile” যদি আপনার Keyword হয়। তাহলে অবশ্যই ‘latest mobile’ এই শব্দটি আপনার Description এ থাকতে হবে। প্রয়োজন হলে সিমিলার কিছু ওয়ার্ড যুক্ত করতে পারবেন। 
  • ডেসস্ক্রিপশনে Hi/Hello/Welcome এই জাতীয় শব্দ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন। এখানে সরাসরি মূল টপিক নিয়ে কথা লিখতে হবে। 

আমি কয়েকদিনের মধ্যে, Description Optimise নিয়ে, আলাদা একটা আর্টিকেল পাবলিশ করবো। আপাততো আপনি বোঝার চেস্টা করুন যে,অন পেজ এসইও করার জন্য কি কি কাজ করতে হয়। 

পার্মালিংক (Optimise Permalink)

একটি কন্টেন্ট এর Title এবং Description যেমন গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক তেমন গুরুত্বপূর্ণ হলো, Permalink. দেখুন আমরা যদি গুগল SERP এর দিকে ফোকাস রাখি।

তাহলে দেখতে পারবেন, আমরা গুগল এ কোনো কিছু সার্চ করার পর সবার আগে টাইটেলকে দেখতে পাই। টাইটেল এর ঠিক নিচে যে অংশটি থাকে। তাকে বলা হয়, পার্মালিংক।

আর্টিকেল পারমালিংক
আর্টিকেল পারমালিংক

উপরের মার্ক করা অংশ গুলোকে বলা হয়,  Permalink. তো এ থেকে বলা যেতে পারে Title, Description এবং Permalink কোনো একটি কন্টেন্ট এর ভ্যালু প্রোভাইড করতে সহায়তার করে থাকে।

তবে পার্মালিংক গুগল SERP এ ভ্যালু প্রদান করার পাশাপাশি ব্রাউজারের Tab এর ক্ষেএেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। দেখুন আমরা যখন ব্রাউজিং করি, তখন একই তথ্য ভিন্ন ভিন্ন ভাবে পাওয়ার জন্য অনেক গুলো Tab Open করে থাকি।

তো আপনি আসলে কোনো Tab এ কোন লিংক গুলো Open করে রেখেছেন। তা খুব সহজেই ডিটেক্ট করতে পারবেন, পার্মালিংক এর মাধ্যমে। এছাড়াও Permalink এমন একটা বিষয়, যা আপনার সম্পূর্ন কন্টেন্ট কে ছোট্ট একটা লিংকের মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকে।  

কিভাবে Permalink অপটিমাইজ করবেন?

ছোটো খাটো কিছু বিষয়ের দিকে নজর রাখলে,আপনি আপনার পার্মালিংককে অপটিমাইজ করতে পারবেন। সেই বিষয় গুলো হলো, 

  • Short url ব্যবহার করা 
  • পার্মালিংকে Keyword ব্যবহার করা 
  • Permalink এ কোনো ধরনের সংখ্যা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা 
  • প্রতি শব্দের পরে (-) এই চিহ্নটি ব্যবহার করতে হবে 

ব্যাস এই কয়েকটি বিষয়ের উপর নজর রাখলেই আপনি আপনার Permalink কে অপটিমাইজ করতে পারবেন। 

ইন্টারন্যাল লিংকিং কি? (Internal Linking)

কোনো একটি কন্টেন্ট কে অপটিমাইজ করার জন্য, Internal Linking খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনি internal linking এর বাস্তব উদাহরণ দেখতে চান। তাহলে Wikipedia হলো ইন্টারন্যাল লিংকিং এর উপযুক্ত উদাহরন।

যখন আপনি আপনার কোনো কন্টেন্ট এ আপনার অন্য কোনো কন্টেন্ট কে লিংক করেন। তখন সেই লিংকিং করার পদ্ধতিকে বলা হয়,  internal linking. 

যখন আপনি আপনার কোনো কন্টেন্ট কে অপটিমাইজ করার জন্য এই কাজটি করবেন ৷ তখন আপনি বেশ কিছু বেনিফিট পাবেন।

যেমন প্রথমত আপনার Bounch Rate এর পরিমান কমে যাবে। কারন ভিজিটররা যখন আপনার একটি কন্টেন্ট থেকে আরেকটি কন্টেন্টে যাবে।

তখন সেই ভিজিটরকে বেশ কিছুটা সময় ব্যয় করতে হবে। এর ফলে আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্স রেটের পরিমান অনেক অংশে কমে যাবে। 

[Note: ইন্টারন্যাল লিংক আপনার Focus Keyword এর anchor text এ করবেন।তাহলে এসইও তে একটি বেশি ভ্যালু পাবেন ]

Optimise Website For On page SEO

আপনি এতোক্ষন জানলেন, “কিভাবে কন্টেন্টকে অপটিমাইজ করতে হয়”। তবে On Page SEO করার সময়, Content Optimise করার পাশাপাশি ওয়েবসাইট কে অপটিমাইজও করতে হয়। 

কারন যখন কোনো ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসবে৷ তখন যদি আপনার ওয়েবসাইট শুধু Loading নেয়। কিংবা আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর ডিজাইন এমন করে তৈরি করেছেন।

যা ভিজিটরদের কাছে সহজ না হয়।তাহলে Content Optimise করেও কোনো প্রকার বেনিফিট পাবেন না। সেজন্য আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর কে ধরে রাখার জন্য। ওয়েবসাইট কে অবশ্যই অপটিমাইজ করতে হবে।

ওয়েবসাইট কে অপটিমাইজ করার পদ্ধতিকে আমি ৩ (তিন) টি ভাগে ভাগ করছি। যথাঃ

Google search console ওয়েবসাইট জমা দেওয়া

সবার আগে আপনাকে Google search console ভেরিফাই করে নিতে হবে। কারন ভেরিফাই না করলে আপনার কোন আর্টিকেল গুগলে ইন্ডেক্স হবে না।

আর আর্টিকেল ইনডেক্স না হলে আপনি ভিজিটর পাবেন না আর র‍্যাঙ্ক করা দূরের কথা। তাই আপনাকে ওয়েবসাইট ভেরিফাই করে সাইট্ম্যাপ যুক্ত করতে হবে।

কিভাবে Google search console এ আপনার ওয়েবসাইট যুক্ত করবেন এবং সাইট ম্যাপ যুক্ত করবেন জানতে এই আর্টিকেল পড়ুন।

লোডিং স্পিড অপটিমাইজেশন

আপনি কোনো একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর। সেই ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণ Load নিতে যতক্ষণ সময় নেয়। সেই সময়কে বলা হয়, Loading Speed. আর একেকটি ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড একেক রকম হয়ে থাকে।

যেমন, আমরা ফেসবুক কিংবা গুগলে খুব দ্রুত প্রবেশ করতে পারি। আবার এমন কিছু ওয়েবসাইট আছে, যেগুলোতে লোড নিতে অনেক সময় নেয়।

আপনার জন্য আরো আর্টিকেল… 

কিন্তুু এটা আপনাকে মানতে হবে যে,যদি আপনার ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড কম থাকে। তাহলে আপনি আপনার ভিজিটর হারাবেন।

সাধারনত একটি ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড ২-৪ সেকেন্ড হওয়া ভালো।

আপনার ওয়েবসাইট কত সেকেন্ড লোডিং নেয়৷ যদি তা চেক করতে চান। তাহলে নিচের লিংকটিতে ক্লিক করুন। 

Website Loading Speed Checker

উপরের লিংকে ক্লিক করে, আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড সম্পর্কে জানতে পারবেন।

আপনার ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড চেক করার আরও বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে। তার মধ্যে কিছু বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট হলো, 

👉  Google Speed Checker

👉   GT Matrix 

👉   PingDom

উপর উল্লেখিত ওয়েবসাইট গুলো খুব বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয়। আপনি এই টুলস গুলো একেবারে ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। 

ওয়েবসাইট ডিজাইন

অন পেজ এসইও করার সময় ওয়েবসাইট এর ডিজাইনের দিকে নজর রাখতে হয়। কোনো ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসার পর যদি আপনার ওয়েবসাইটের ডিজাইন বুঝতে না পারে।

তাহলে সেই ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে বেশিক্ষন স্থায়ী হবেনা। যেমন ধরুন, ফেসবুক আর গুগল এর ডিজাইন যদি মানুষের বোধগম্য না হতো। তাহলে এই ওয়েবসাইট গুলো আজ এতোটা জনপ্রিয়তা পেতো না।

যখন আপনি আপনার ওয়েবসাইটের ডিজাইন করবেন। তখন একটি কথা মনে রাখবেন। আপনার ডিজাইন যেন সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস হয়। 

আমাদের শেষকথা

তো বন্ধুরা এই ছিলো আজকের আর্টিকেল এর মূল বিষয়বস্তু। আশা করি এই স্বল্প আলোচনা থেকে “On Page SEO “- সম্পর্কে মোটামুটি একটা আইডিয়া পেয়ে গেছেন। 

পরবর্তীতে আর্টিকেলে ” অন পেজ এসইও “- এর প্রত্যেকটি পার্ট আলোচনা করার চেষ্টা করবো। আশা করি সে পর্যন্ত আমার সাথেই থাকবেন। ইউটিউব এসইও কি ? Youtube ভিডিও এসইও করার উপায়.

আর আমাদের আর্টিকেল গুলা ভাল লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন এবং কোথায় বোঝতে না পারলে কমেন্ট করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap