Keyword density কি? আর্টিকেলের কিওয়ার্ড ডেনসিটি দেখার নিয়ম

Keyword density কি : একজন ব্লগারের জন্য কিওয়ার্ড ডেনসিটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভীষন জরুরি একটি বিষয়। কেননা, Density হলো সেনসিটিভ একটি দিক। যদি আপনি এই বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব না দেন।

তাহলে আপনার এসইও অপটিমাইজেশনে হিতে বিপরীত হয়ে পড়বে। 

keyword density কি - কিওয়ার্ড ডেনসিটি দেখার নিয়ম
কিওয়ার্ড ডেনসিটি দেখার নিয়ম

হয়তবা আপনি বিভিন্ন ব্লগ বা ইউটিউব এর ভিডিও থেকে জেনেছেন যে, আর্টিকেলের মধ্যে ফোকাস কিওয়ার্ডকে রাখতে হয়। তবে এটা কোনো ভুল তথ্য নয় বরং আপনার আর্টিকেলে অবশ্যই Focus Keyword থাকাটা অত্যন্ত জরুরী।

কারন আপনি যে টপিককে কেন্দ্র করে আর্টিকেল লিখবেন। সেই টপিক সম্পর্কে সার্চ ইঞ্জিনকে বোঝানোর জন্য Targeted Keyword Placement এর কোনো বিকল্প নেই।

কিন্তুু যতো সময় অতিবাহিত হচ্ছে, সার্চ ইঞ্জিন গুলো ঠিক ততোই Advanced লেভেলে পৌঁছানোর চেস্টা করছে।

কিন্তুু গত কয়েক বছর আগে এই সার্চ ইঞ্জিন গুলো ঠিক ততোটা এডভান্স ছিলো না। যতোটা আজকের দিনে আমরা লক্ষ্য করতে পাচ্ছি। সেই সময়ে কিওয়ার্ড ডেনসিটি নিয়ে তেমন কোনো টেনশন করার লাগতো না।

সেই সময়ে যে কিওয়ার্ডে আর্টিকেল লেখা হতো। সেই আর্টিকেলে Focus Keyword কে অতিরিক্ত মাএায় ব্যবহার করা হতো। যাকে বলা হয়, Keyword Stuffing. যার ফলে উক্ত কিওয়ার্ডে খুব সহজেই সার্চ ইঞ্জিন গুলো যে কোনো আর্টিকেলকে Rank করানো যেতো।

আপনি আরো পড়ুন…

কিন্তুু আজকের দিনের ব্লগারদের জন্য Keyword Density সম্পর্কে জ্ঞান রাখাটা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। যদি আপনি এই কিওয়ার্ড ডেনসিটি কে তেমন গুরুত্ব না দেন।

তাহলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন গুলোর কাছে Black Hat SEO এর আওতায় পড়ে যাবেন।

আর এটা তো আপনি নিশ্চই জানেন যে, যে ওয়েবসাইট গুলো ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর আওতায় পড়ে। সেই সাইট গুলো কখনোই সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে Rank করেনা। উল্টো পেনাল্টি খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তাই যেহুতু আপনি এই আর্টিকেলে চলে এসেছেন।  সেহুতু ধরে নিবো যে আপনিও আমার মতো একজন ব্লগার। এবং একজন ব্লগার হিসেবে আপনার জন্য আজকের আর্টিকেল ভীষন গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

তাই অনুরোধ করবো, একটু সময় নিয়ে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার। তাহলে আজকে আপনি অনেক অজানা বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। 

Keyword density কি?

তো সবার আগে আপনাকে Keyword এবং Density এর মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে জানতে হবে। তাহলে পরবর্তী আলোচনা গুলো আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

প্রথমে আমরা পরিচিত হবো, কিওয়ার্ড এর সাথে। কারন যদি আপনি Keyword কি, সে সম্পর্কে না জানেন। তাহলে ডেনসিটি সম্পর্কে কিছুই বুঝবেন না।

সাধারনত, মানুষ অনলাইনে যা কিছু লিখে সার্চ করে। মূলত মানুষের সার্চ করা প্রত্যেকটি শব্দ হলো এক একটি কিওয়ার্ড। যেমন, আপনি যদি গুগলে গিয়ে সার্চ করেন যে, “What is SEO” তাহলে এটি হবে একটি কিওয়ার্ড।

[💡NOTE: আপনি যদি কিওয়ার্ড সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চান। তাহলে আমার ওয়েবসাইটে Keyword নিয়ে অন্য একটি আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে। কিওয়ার্ড রিসার্চ কি ? এই আর্টিকেল পড়ুন]

এখন আপনি যদি কিওয়ার্ড এর সাথে ডেনসিটি শব্দটিকে যুক্ত করেন। তাহলে সংঙ্গাটি একটু ভিন্ন রকমের হবে। এবার সংঙ্গাটি হবে,

কোনো একটি আর্টিকেলে Focus Keyword এর মোট ব্যবহার এর পরিমানকে বলা হবে, কিওয়ার্ড ডেনসিটি। দাড়ান, আরেকটু উদাহারন দিয়ে বিষয়টা ক্লিয়ার করে নেই।

মনে করুন, আপনি OFF Page SEO নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখছেন। এখন সেই আর্টিকেলে আপনি মোট কতবার Off page seo কে ম্যানশন করছেন। তার একটা পরিমানকে বলা হবে, কিওয়ার্ড ডেনসিটি। 

[⚠️Alart: ব্যাপারটা বোঝেন নাই? যদি না বুঝেন তাহলে পুনরায় একবার পড়ে নিন বস। নাহলে পরবর্তী আলোচনা গুলোর কিছু বুঝতে পারবেন না

কিওয়ার্ড ডেনসিটি কেন ঠিক রাখতে হয়?

এখন আপনার মনে হতে পারে যে, ধুর! ভাই। আমি আমার আর্টিকেলে কতবার কিওয়ার্ড ব্যবহার করবো নাকি করবো না। সেটা নিয়ে এতো মাথা ঘামানোর কি আছে।

আমার ওয়েবসাইট, আমার আর্টিকেল, আমি যতোখুশি ততো বেশি Keyword ব্যবহার করবো।

যদি আপনি এমনটা ভেবে থাকেন। তাহলে জেনে রাখুন, এই কাজ করা মানে আপনি নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মারছেন। কারন এটি কখনই আপনার জন্য সুফল বয়ে আনবে না।

দেখুন, আমি ব্লগিং সেক্টরের সাথে বেশ কয়েক বছর যাবত কাজ করে আসছি। সেই সুবাদে ব্লগিং রিলেটেড অনেক অভিজ্ঞতাও হয়েছে আমার।

যদি আমি কয়েক বছর আগের কথা বলি, তাহলে সেই সময়ে কিন্তুু এই বিষয় গুলোকে নিয়ে এতো বেশি ভাবতে হতো না। সে সময়ে এই বিষয় গুলোকে খুব ইজিলি নেয়া হতো।

যেহুতু সার্চ ইঞ্জিন কে আপনার আর্টিকেলের মূল টপিক সম্পর্কে ধারনা দেয়ার জন্য Keyword ব্যবহার করতে হতো।

আর এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই তাদের আর্টিকেলকে খুব সহজেই Rank (Top Position) এ নিয়ে আসতে পারতো।

যেমন, আপনি Make Money Online কিওয়ার্ডকে ফোকাস রেখে আর্টিকেল লিখছেন। এবার আর্টিকেলের মধ্যে সেই কিওয়ার্ডকে উরাধুরা ম্যানশন দিন। ব্যাস! আপনার সেই আর্টিকেল সহজেই টপ পজিশনে চলে আসলো।

কিন্তুু পরিস্থিতি অনেক বদলে গেছে বস। সেই সময়ের Google Algorithm আর আজকের দিনের গুগল এলগরিদম এর মধ্যে আসমান জমিন তফাৎ হয়ে গেছে।

এই স্বল্প সময়ের মধ্যে গুগল তার এলগরিদমে এতো বেশি Update নিয়ে এসেছে। যার কারনে আপনি যদি আগের থিওরি মেনে কাজ করেন। তাহলে আপনার কপালে শনি নেমে আসবে।

পূর্বের থিওরি মেনে যেভাবে আমরা আর্টিকেল কে টপ পজিশনে নিয়ে আসতাম। আজকের দিনে সেই থিওরিকে বলা হয়, Keyword Stuffing.  যা কিনা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর একটি অংশ।

[💡PRO TIPS: ব্ল্যাক হ্যাট এসইও হলো সেই সব টেকনিক এর অংশ বিশেষ। যার মাধ্যমে গুগলকে বোকা বানিয়ে কোনো আর্টিকেলকে Rank করানোর চেস্টা করার একটি প্রক্রিয়া মাএ]

আর আপনি গুগলকে বোকা বানাতে চাইবেন। আর গুগল মামা আপনাকে জামাই আদর করবে না, তা কি করে সম্ভব?

দেখুন যারাই এব কাজ করে টপ পজিশনে আসার চেস্টা করে। গুগল কিন্তুু সেই ওয়েবসাইট গুলোকে ক্রমে ক্রমে Ranking থেকে নিচের দিকে নামিয়ে দেয়।

আর এই কাজের পরিমান যখন অতিরিক্ত মাএায় হয়ে যায়। তখন কিন্তুু গুগল উক্ত ওয়েবসাইট কে সরাসরি পেনাল্টি দিয়ে দেয়।

[💡NOTE: এই গুগল পেনাল্টি শব্দটা শোনার পর আপনি মনে হয় চিন্তায় পড়ে গেছেন, তাইনা? আপনার এই চিন্তাকে দুর করার জন্য আমি ইতিমধ্যেই এই ওয়েবসাইটে একটা আর্টিকেল পাবলিশ করেছি।

যদি আপনি গুগল পেনাল্টি কি জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেল টি পড়ুন

কিভাবে কিওয়ার্ড ডেনসিটি ঠিক রাখবেন?

আর্টিকেলের এই পর্যন্ত আসার পর এখন আপনি হয়তবা উভয় সংকটে পড়ে যাবেন। কারন একদিকে যেমন এসইও এক্সপার্ট রা বলে যে কোনো আর্টিকেলকে গুগলের টপ পজিশনে নিয়ে আসতে হলে।

উক্ত আর্টিকেলে অবশ্যই মূল কিওয়ার্ডের ব্যবহার করতে হবে।

আবার অপরিদকে আপনি এখন জানলেন যে, অতিরিক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার করার কারনে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। যদি আপনি মাএাতিরিক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার করেন ৷

তাহলে গুগলের চোখে আপনি ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর আওতায় পড়বেন। আর গুগল যখন জানতে পারবে যে, আপনি কোনো আর্টিকেল বা ওয়েবসাইট কে টপ পজিশনে নিয়ে আসার জন্য ব্ল্যাক হ্যাট টেকনিক অবলম্বন করছেন ৷

তখন গুগল আপনাকে পেনাল্টি দিয়ে দিবে।

আপনি আরো দেখুন…

তাহলে এখন উপায় কি? এখন কিভাবে আপনি আর্টিকেলে কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন?  আর একটি আর্টিকেলে মোট কতবার কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে?

হুমমম, মূলত যারা নতুন করে এই কিওয়ার্ড এবং ডেনসিটি সম্পর্কে ধারনা পায়। তাদের সবার মনে এই প্রশ্ন গুলো জেগে থাকে।

মনে করুন, আপনি একটা ৩০০০ শব্দের আর্টিকেল লিখলেন। এখন আপনি কি করে বুঝবেন যে, এই আর্টিকেলে মোট কতবার কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে?

এটি বোঝার জন্য আপনাকে একটি ফর্মুলা মেনে কাজ করতে হবে। যদি আপনি এই ফর্মুলা মেনে কাজ করেন।

তাহলে আশা করা যায়, আপনাকে কোনোদিন Google পেনাল্টি নিয়ে ভাবতে হবে না।

মূলত পরবর্তী আলোচনা থেকে আপনি যে Formula টি জানতে পারবেন। সেখান থেকে আপনি বেশ কিছু প্রশ্নের উওর পাবেন। যেমন, 

  • নির্দিষ্ট পরিমান শব্দের আর্টিকেল এ মোট কতবার Focus Keyword এর ব্যবহার করা উচিত। 
  • কোনো একটি আর্টিকেলে (ছোট / বড়) মোট কতবার টার্গেটেড কিওয়ার্ডকে ব্যবহার করা যাবে। 
  • SEO তে যেন কোনো প্রকার ইফেক্ট না পড়ে৷ সেজন্য একটি আর্টিকেলে তুলনামূলক টার্গেটেড কিওয়ার্ড ব্যবহার করার নিয়ম। 
  • Keyword Stuffing মানে তো অতিরিক্ত পরিমানে কিওয়ার্ড ব্যবহার করা৷ কিন্তুু মোট কত গুলো কিওয়ার্ড ব্যবহারের ফলে তা Stuffing এর আওতায় পড়বে।

[⚠️ Note For You: দেখুন গুগল সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদম মেনে কিওয়ার্ড প্লেসমেন্ট হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর একটি অংশ। এটা তো আপনি জানেন। কিন্তুু গুগল প্রতিনিয়ত তাদের এলগরিদম কে আপডেট করে থাকে ৷

তাই আপনাকেও সেই এলগরিদম আপডেট এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। ]

তো আপনি যদি Keyword Stuffing থেকে বাঁচতে চান। তাহলে আপনাকে কিওয়ার্ড ডেনসিটি সম্পর্কে সঠিক ধারনা নিতে হবে।

আর এ সম্পর্কে সঠিক ধারনা পেতে হলে আপনাকে, Keyword Density এর সঠিক Formula অনুসরন করতে হবে।

এর এই সঠিক ফর্মূলা মেনে কাজ করতে হলে আপনাকে Keyword Calculation সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা রাখতে হবে। তো চলুন এবার সেই কিওয়ার্ড ফর্মূলা ক্যালকুলেশন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

কিওয়ার্ড ডেনসিটি ক্যালকুলেট করার নিয়ম 

তো যখন আপনি কোনো আর্টিকেল থেকে কিওয়ার্ড এর ডেনসিটি সম্পর্কে সঠিক ধারনা নেয়ার চেস্টা করবেন। তখন আপনাকে বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে। যেমন,

  • আপনি যে আর্টিকেলের ডেনসিটি নির্ধারন করতে চান। উক্ত আর্টিকেলটি মোট কত শব্দ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তা আপনাকে জেনে নিতে হবে। 
  • এরপর আপনাকে খুজে নিতে হবে যে উক্ত আর্টিকেলে মোট কতবার আপনার Focus Keyword কে ব্যবহার করা হয়েছে। 
  • এবার আপনাকে নিচে আলোচিত ফর্মূলার প্রয়োগ করতে হবে। 

Keyword Density Calculation Formula

যখন কোনো কোনো একটি আর্টিকেলের কিওয়ার্ড ডেনসিটি খুজে বের করার চেস্টা করবেন। তখন আপনাকে ছোটো খাটো একটা অংক করতে হবে। আর এই অংকের একটা সূএ আছে। সেটি হলো,

(Total Number of Times Use Keyword / Total Number of Word in The Article × 100)

অর্থ্যাৎ, সবার আগে আপনাকে মোট ফোকাস কিওয়ার্ড এর পরিমানকে খুজে নিতে হবে। এরপর সেই পরিমানকে আর্টিকেলটি মোট কত শব্দের লেখা হয়েছে, সেই সংখ্যাটি বের করতে হবে।

বিষয়টি গোলমেলে লাগছে, তাইনা? ওয়েট এবার আরও একটু সহজ করে আলোচনা করি। যেন বিষয়টা আপনার কাছে আরও সহজ মনে হয় ৷

মনে করুন, আপনি ১২০০ শব্দের একটি আর্টিকেল লিখলেন। এবার আপনি ক্যালকুলেট করে দেখলেন যে উক্ত আর্টিকেলে সর্বমোট ১২ বার Focus Keyword এর ব্যবহার করা হয়েছে।

তো এবার আপনি এই পরিমান কে উক্ত ফর্মূলাতে প্রয়োগ করলে দুটি বিষয় পাবেন। যেমন,

  • Number of times keyword used = 12
  • Total number of words in article = 1200

এবার উপরোক্ত পরিমান গুলোকে Keyword Density Formula তে প্রয়োগ করা যাক। 

(12 / 1200) × 100

12 / 1200 = 0.01

0.01 × 100 = 1

এর মানে হলো, উক্ত আর্টিকেলে কিওয়ার্ড ডেনসিটির পরিমান হলো 1%.

তো এভাবে আপনি যেকোনো আর্টিকেলের মোট কিওয়ার্ড ডেনসিটিকে বের করতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে উপরোক্ত ফর্মূলাটি মেনে কাজ করতে হবে।

কিন্তুু আপনি যদি আমার মতো অংকে একটু কাঁচা হয়ে থাকেন। তাহলে আপনার জন্য আরও অন্য একটি ব্যবস্থা আছে।

তাই চেস্টা করবেন কোনো ফলাফল পাওয়ার জন্য একের অধিক Tools ব্যবহার করার]

তবে আপনি যদি Wp User (ওয়ার্ডপ্রেস) হয়ে থাকেন। তাহলে আপনি খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে Yoast SEO Plugin ব্যবহার করতে হবে।

কারন এই টুলসটিতে আপনার আর্টিকেলের এসইও স্কোর দেখতে পারবেন। যেখানে আপনি আপনার আর্টিকেলের কিওয়ার্ড ডেনসিটি সম্পর্কেও সঠিক তথ্য পেয়ে যাবেন। 

Keyword density কত % হলে ভাল

এখন এতোকিছু জানার পর আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ভাই সব তো বুঝলাম। কিন্তুু আপনি তো বললেন না যে, একটি আর্টিকেলে কত পার্সেন্ট Keyword Density থাকা ভালো।

তো এবার সে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।

তো এটা আসলে নির্ভর করবে আপনার ভিজিটররা আর্টিকেলকে কিভাবে নিচ্ছে। ভিজিটররা আপনার আর্টিকেলকে পছন্দ করছে কিনা, তার উপর ডিপেন্ড করবে। যাকে বলা হয়, User Experience.

এখন ভিজিটর যদি আপনার আর্টিকেলে আসার পর পরই চলে যায়। তাহলে কিন্তুু তা গুগলের চোখে নেগেটিভ ইফেক্ট ফেলবে। কারন সেক্ষেএে উক্ত আর্টিকেলের Bounch Rate এর পরিমান অনেক গুন বৃদ্ধি পাবে।

[💡NOTE: বাউন্স রেট কি এবং কিভাবে বাউন্স রেট কমানো যায়? সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন]

বর্তমানে সময়েও এমন অনেক ব্লগার আছে। যারা মনে করে আর্টিকেলে যতো বেশি কিওয়ার্ড ব্যবহার করবো। সেই আর্টিকেল ততো দ্রুত Rank করবে। আসলে এটি ভ্রান্ত ধারণা ছাড়া কিছুই নয়।

আপনার জন্য আরো লেখা…

তাছাড়া কোনো একটি আর্টিকেলে প্রয়োজন এর অধিক কিওযার্ড ব্যবহার করা হলে ৷ সেই আর্টিকেলের মাধুর্যতা হারিয়ে ফেলে। আপনাকে সে দিকটাও মাথায় রাখতে হবে।

তবে চেস্টা করবেন যেন, আপনার কিওয়ার্ড ডেনসিটি ১% থেকে ৩% এর মধ্যে থাকে। এতে করে User Experience ও বজায় থাকবে। এর পাশাপাশি আপনার আর্টিকেলের মাধুর্যতাও বিরাজমান থাকবে।

[Note: অনেক বড় বড় ব্লগার বলেছে যে নেচার‍্যাল ভাবে আর্টিকেলেকিওয়ার্ড যত বার আসে আসুক। তবে জোর করে আর্টিকেলে  কিওয়ার্ড যুক্ত করা যাবে না]

আর্টিকেলের কোন অংশতে কিওয়ার্ড এর ব্যবহার জরুরি ?

যেহুতু আমি আর্টিকেলের মাধুর্যতা নিয়ে কথা বলেছি। সেহুতু এটি নিয়ে একটু আলোচনা করা উচিত বলে আমি মনে করি।

দেখুন, আপনি যে কিওয়ার্ড কে ফোকাসে রাখবেন ৷ সেই কিওয়ার্ডকে আর্টিকেলের মূল মূল অংশ গুলোতে ব্যবহার করার চেস্টা করবেন।

এর ফলে আপনার আর্টিকেলটি কে সঠিকভাবে SEO Optimize করতে পারবেন। এর পাশাপাশি আপনি ইউজার Experience এর দিক থেকেও পজেটিভ ফিডব্যাক পাবেন।

[💡PRO TIPS: কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে হয়। সে সম্পর্কে ইতিমধ্যে আমার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়েছে। এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখার নিয়ম জানতে এই আর্টিকেল পড়ুন ] 

তো একটি আর্টিকেলের বেশ কিছু অংশতে আপনাকে মূল কিওয়ার্ড কে ব্যবহার করা উচিত। যেমন, 

  • আর্টিকেলে যে Permalink থাকবে, সেখানে মূল কিওয়ার্ডের ব্যবহার করতে হবে। 
  • আর্টিকেলের Title এ Focus Keyword ব্যবহার করতে হবে। 
  • H1,  H2, H3 এই ধরনের tag গুলোতে একবার হলেও ব্যবহার করতে হবে।
  • আর্টিকেলের meta description এ কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। 
  • আর্টিকেলের শেষ প্যারাগ্রাফে কীওয়ার্ড এর ব্যবহার করা ভালো।
  • কোনো আর্টিকেলের শুরুর ১০০-২৫০ শব্দের মধ্যে কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। 

এছাড়াও আপনি আমার এই আর্টিকেলটি যদি ভালোভাবে লক্ষ্য করেন। তাহলে আপনি আসলে মিলিয়ে নিতে পারবেন যে, আমি আসলে কোথায় কোথায় মূল কিওয়ার্ড এর ব্যবহার করেছি। 

আমাদের শেষকথা

দেখুন, সবশেষে আমি আবারও বলবো যে, কিওয়ার্ড ডেনসিটি কে কখনই অবহেলা করা ঠিক না। কারন হয়তবা আজকের দিনে আপনি Keyword Stuffing করে যেকোনো আর্টিকেলকে টপ পজিশনে নিয়ে আসতে পারবেন।

কিন্তুু তার মানে এই নয় যে, আপনি আর কোনোদিন গুগলের চোখে ধরা পড়বেন না। আপনি অবশ্যই একদিন ধরা পড়বেন। আর সেদিন কিন্তুু কেউ আপনাকে বাঁচাতে পারবে না।

তাই আপনাকে অবশ্যই Keyword Density কে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যথায় আপনার অসফলতার জন্য আপনি নিজেই দায়ি থাকবেন।

আর কিওয়ার্ড ডেনসিটি নিয়ে আরও কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি সর্বদা প্রস্তুুত আছি আপনার প্রশ্নের উওর দেয়ার জন্য।

বাংলা আইটি ব্লগের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ

আমি নিলয় হাসান-এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি লেখালেখির কাজটাও করি। অনলাইনে প্রযুক্তির বিষয় নিয়ে যা জানি তা মানুষের মাঝে শেয়ার করার ইচ্ছায় এ ব্লগ টি তৈরি করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap