অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করাটা কতটা সত্যি

অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করাটা কতটা সত্যি : সত্যি বলতে আমরা এমন একটি সমাজে বসবাস করি।

অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করাটা কতটা সত্যি
অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম সত্যি

যে সমাজে শুধুমাত্র চাকরি করে টাকা আয় করার উপায় কে বৈধ বলা হয়ে থাকে। অপরদিকে যখন আপনি অনলাইনে কোন কাজ করবেন।

এবং অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করবেন। তখন অনেকের কাছে এটা অবৈধ বলে মনে হয়। কিন্তু আসলে কি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার কাজটি অবৈধ?

এই প্রশ্নের উত্তরে আমি আপনাকে বলব যে, না। অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা মানেই যে অবৈধ বিষয়টা কিন্তু এমন নয়।

বরং বাস্তবিক জীবনে যেমন ভালো কাজ এবং খারাপ কাজ রয়েছে। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি অনলাইন এর মধ্যে একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করতে পারবেন।

এখন আপনি যদি অনলাইনে খারাপ কাজ করে টাকা ইনকাম করেন। তাহলে সেটা অবশ্যই অবৈধতার কাতারে পড়বে।

কিন্তু যদি আপনি অনলাইনে ভাল কাজ করে টাকা ইনকাম করেন। তাহলে তাকে অবশ্যই বৈধ বলতে হবে। আর যারা মূলত অনলাইন ইনকাম কে অবৈধ বলে থাকেন।

আপনার জন্য আরোও লেখা…

তাদের মনে থাকা ভ্রান্ত ধারণাকে দূর করার জন্য আজকের এই লেখাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

চলুন এবার তাহলে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক আসলে অনলাইন ইনকাম বৈধ নাকি অবৈধ।

অনলাইন অর্থ উপার্জন কি জালিয়াতি বা লোক ঠকানোর ধান্দা ?

এইতো কয়েক দিন আগে আমি আমার মামার বাড়িতে ঘুরতে গেছিলাম। এবং সেখানে গিয়ে মামার বাড়ির লোকদের যখন বললাম যে, আমি অনলাইনে ইনকাম করি।

তখন একজন আমাকে জিজ্ঞেস করল যে, আমি কি অনলাইনে কেসিনো খেলে টাকা ইনকাম করি? নাকি অন্য কোন জুয়া খেলে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করি?

সত্যি বলতে যখন আমি এই প্রশ্ন গুলো শুনছিলাম, তখন রীতিমতো অবাক হয়ে গেছিলাম।

এবং তখনই বুঝতে পেরেছিলাম যে, তাদের মধ্যে অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে।

দেখুন বর্তমান সময়ে আপনি এমন অনেক মানুষকে খুঁজে পাবেন। যারা রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার চিন্তা ভাবনা করে।

আর আপনি বেশ ভালো করেই জানেন যে, সৎ পথে উপার্জন করতে গেলে।

আপনি কোন ভাবেই রাতারাতি কোটিপতি হতে পারবেন না। তবে যারা এমন হওয়ার স্বপ্ন দেখে। তারা অনলাইন এর মধ্যে থাকা ক্যাসিনো কিংবা অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে।

আর যখন আপনি এই ধরনের কাজে আসক্ত হয়ে পড়বেন। তখন আপনি রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার বদলে উল্টো রাতারাতি ফকির হয়ে যেতে পারেন।

তবে অনলাইন শুধুমাত্র ক্যাসিনো কিংবা জুয়ার আড্ডা খানা নয়। বরং বাস্তবিক জীবনে যেমন ভালো খারাপ দুটোই রয়েছে।

ঠিক তেমনি ভাবে আপনি অনলাইন এর মধ্যে ভালো দিক এবং খারাপ দিক দুটোই দেখতে পারবেন। কেননা, অনলাইনে যেমন ক্যাসিনো কিংবা জুয়া খেলা যায়।

ঠিক তেমনি ভাবে  অনলাইন প্লাটফর্মে এমন অনেক কাজ রয়েছে। যে কাজ গুলো করার মাধ্যমে আপনি সৎ পথে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এর পাশাপাশি বাস্তবিক জীবনে আমরা যেমন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে টাকা ইনকাম করি। ঠিক একই ভাবে আপনি অনলাইনে মধ্যে থাকা এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 

যে গুলোতে আপনি নিজের ঘরে বসে অনলাইনে চাকরি করতে পারবেন। এবং সেই চাকরি গুলো করার বিনিময়ে আপনি প্রতি মাস শেষে কিংবা প্রতিটা কাজের শেষে বেতন পাবেন।

যেটা কে বলা হবে, অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম। আর আপনাদের সবার উচিত এই সৎ পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করে অনলাইন থেকে ইনকাম করা।

অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করার সত্যতার পিছনের কারণ গুলো

বাস্তব জীবনে আমরা যেমন চাকরি করে টাকা ইনকাম করতে পারি। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি অনলাইনে কাজ কিংবা চাকরি করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আশা করি এই বিষয় টি সম্পর্কে আপনার মধ্যে আর কোন ধরনের সন্দেহ নেই। তবে আপনার এই সন্দেহ কে আরও দূর করার জন্য এবার আমি আপনাকে।

অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করার সত্যতার কারণ গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করব।

যে কারণ গুলো জানার পরে আপনিও নিজে থেকে বলে উঠবেন যে। বর্তমান সময়ে মানুষের অনলাইন থেকে ইনকাম করা উচিত।

এর পাশাপাশি আপনি যদি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করেন। তাহলে আপনি বেশ কিছু সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

আর এবার আমি এই যাবতীয় বিষয় গুলো কে ধাপে ধাপে আলোচনা করার চেষ্টা করব।

চলুন এবার তাহলে অনলাইন ইনকাম করার সত্যতার কারণ গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

যে কোনো জায়গা থেকে কাজের সুবিধা

এবার একটু বাস্তব জীবনের কথা চিন্তা করে দেখুন। মনে করুন, আপনি কোন একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সুযোগ পেয়েছেন।

এখন কিন্তু আপনাকে প্রতিদিন সেই প্রতিষ্ঠানে যেতে হবে। এবং তাদের নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে কাজ করতে হবে। তাহলে আপনি মাস শেষে সেই প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন পাবেন।

অপরদিকে আপনি যদি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করেন এবং অনলাইনে কাজ করেন। তাহলে কিন্তু আপনাকে আর ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।

কেননা আপনি আপনার পছন্দ মতো জায়গা থেকে অনলাইনে কাজ করতে পারবেন।

যেমন ধরুন, আপনি অনলাইনে একজন আমেরিকার ক্লায়েন্টের আন্ডারে কাজ করেন। এখন তার কাজ করার জন্য আপনাকে কিন্তু আমেরিকা যেতে হবে না।

বরং আপনি বাংলাদেশের নিজের ঘরে বসে থেকে আমেরিকার ক্লায়েন্ট এর কাজ করতে পারবেন। যেটা মূলত অনলাইন থেকে ইনকাম করার দিক থেকে বিশেষ একটা সুবিধা।

যা আপনি অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সময় এই সুবিধা টি ভোগ করতে পারবেন না।

সেই সাথে আমরা অনেকেই ব্যবসা করতে চাই। তো যারা আসলে ব্যবসা করতে চায় তারা চাইলে বাস্তব জীবনে ব্যবসা করার পাশাপাশি।

অনলাইন প্লাটফর্ম কে কাজে লাগিয়েও ব্যবসা করতে পারবে। আর এই ধরনের অনলাইন ব্যবসা করার জন্য আপনার কোন গুদাম ঘরের প্রয়োজন পড়বে না।

কিংবা আপনার কোন মার্কেট ভাড়া নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। বরং আপনি অনলাইন মার্কেটের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার যাবতীয় কার্যাবলী সম্পন্ন করতে পারবেন।

প্রচুর অর্থ রোজগারের সুবিধা

মনে করুন, আপনি একটি কোম্পানি তে চাকরি করেন। এবং সেই কোম্পানি থেকে আপনাকে নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে যে।

প্রতি মাসে আপনি ৩০ হাজার টাকা করে পাবেন। এখন আপনি যতদিন সেই কোম্পানি তে চাকরি করবেন।

ততদিন সেই কোম্পানি থেকে আপনাকে প্রতি মাসে ৩০,০০০ টাকা করে বেতন দেওয়া হবে। কিন্তু এর বাইরে আপনি আর কোন টাকা ইনকাম করতে পারবেন না।

কিন্তু আপনি যখন অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করবেন। তখন কিন্তু আপনার এই ধরনের কোন সীমাবদ্ধতা থাকবে না।

অর্থাৎ একজন ব্যক্তি যখন অনলাইন থেকে ইনকাম করবে। তখন সেই ব্যক্তি এই মাসে যদি ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করে।

তাহলে পরবর্তী মাসের সেই ব্যক্তি এক লাখ টাকাও ইনকাম করতে পারবে। আর সেটা মূলত নির্ভর করবে সেই ব্যক্তি কত দ্রুত এবং কত দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারছে তার উপর।

তবে অনলাইন ইনকামের ক্ষেত্রে এরকম কোন সীমাবদ্ধতা নেই যে। একজন ব্যক্তি শুধুমাত্র ৫০ হাজার কিংবা এক লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবে।

বরং একজন ব্যক্তি চাইলে লক্ষ লক্ষ টাকা অনলাইন থেকে ইনকাম করে নিতে পারবে।

অনলাইন রোজগারের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সুবিধা

একজন শিক্ষক যেমন প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে শিক্ষাদান করার পাশাপাশি নিজের বাসায় টিউশনি করে টাকা ইনকাম করতে পারে।

ঠিক তেমনিভাবে যখন আপনি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করবেন। এবং অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার কাজে নিজে কে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।

তখন কিন্তু আপনি আপনার এই দক্ষতা গুলো অন্যের কাছে শেয়ার করার বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। যেমন টা আমরা বর্তমান সময়ে অনলাইন কোর্সের ক্ষেত্রে দেখতে পাই।

যেমন ধরুন, আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজটি শিখেছেন। এখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলো তে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সার্ভিস প্রদান করে টাকা ইনকাম করার পাশাপাশি।

কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে হয়, গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য কি কি প্রয়োজন হয়। ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় গুলো নিয়ে একটি কোর্স তৈরি করতে পারবে।

এবং সেই কোর্স গুলো আপনি অনলাইনে নতুন ব্যক্তিদের নিকট বিক্রি করতে পারবেন। কেননা এখন কোর্স বিক্রি করেও প্রচুর পরিমাণ টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

অনলাইনে অর্থ উপার্জনের বৈধ উপায় কি কি ?

তো আমাদের মধ্যে যারা ভাবতাম যে, অনলাইন থেকে ইনকাম করা সম্পূর্ণ অবৈধ। আশা করি তারা এবার এই ভ্রান্ত ধারণাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

এবং আজকের পর থেকে আপনি বিশ্বাস করতে শুরু করবেন যে, অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার বৈধতা রয়েছে।

আর সে কারণে এবার অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকতে পারে। সেই প্রশ্নটি হল যে, অনলাইনে অর্থ উপার্জনের বৈধ উপায় কি কি।

চলুন এবার তাহলে অনলাইন ইনকামের বৈধ উপায় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।

Create A Youtube Channel

আমরা ইউটিউবের মধ্যে যে সকল ভিডিও দেখি। সেই ভিডিও গুলো কিন্তু আপনার বা আমার মত মানুষ আপলোড করেছে।

আর তারা কিন্তু বিনা স্বার্থেই youtube এর মধ্যে এই ভিডিও গুলো আপলোড করেনি। বরং ইউটিউব থেকে মনিটাইজেশন নামে একটি ফিচার রয়েছে।

যেখানে আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকলে। আপনি সেই ইউটিউব চ্যানেল কে মনিটাইজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আর আপনি যখন একটি নতুন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে সেটি কে মনিটাইজ করতে চাইবেন। তখন আপনাকে বেশ কিছু শর্ত মেনে নিতে হবে।

আর যখন আপনি সেই শর্ত গুলো সঠিক ভাবে মেনে নিতে পারবেন। তখন আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল কে মনিটাইজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক, ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য কি শর্ত মানতে হয়।

  1. আমরা অনেকেই মনে করি ইউটিউব এর মধ্যে একটি চ্যানেল খুললেই সেই চ্যানেল থেকে টাকা ইনকাম করা যায়।
  2. কিন্তু সত্যটা হলো youtube এর মধ্যে চ্যানেল তৈরি করার পরে সেই চ্যানেলের মধ্যে আপনাকে প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড করতে হবে।
  3. তবে আপনি আপনার ইচ্ছামত ভিডিও আপলোড করলেই হবে না। বরং আপনাকে এসইও সম্পর্কে জানতে হবে।
  4. এর পাশাপাশি আপনার এমন কোন ভিডিও আপলোড করা যাবে না। যে ভিডিও গুলো ইউটিউব কখনোই এলাও করে না।
  5. সবশেষে যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের মধ্যে ১০০০ ফলোয়ার থাকবে হবে। 
  6. এবং আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও তে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম হবে। তখন আপনি ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তো যারা আসলে অনলাইন ইনকাম কে অবৈধ বলে থাকে। এবং ক্যাসিনো কিংবা জুয়ার সাথে তুলনা করে থাকে।

তারা একটু দেখে নিন, যে সৎ পথে ইনকাম করতে গেলে কতটা শ্রম এবং সময় ব্যয় করতে হয়।

যেমন টা আপনি ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করতে পারছেন।

Make A Quality Blog 

আমাদের মধ্যে যাদের লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে। তাদের জন্য উপযুক্ত একটি অনলাইন ইনকাম করার পদ্ধতি হলো, ব্লগিং করা।

কেননা এটি হল এমন একটি মাধ্যম, যেখানে আপনি আপনার মনের মধ্যে থাকা বিষয় গুলো কে লেখার মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন।

যেমনটা বাস্তব জীবনে একজন লেখক কিংবা কবি তাদের কবিতা বা গল্প লিখে টাকা ইনকাম করে।

ঠিক তেমনি ভাবে একজন ব্লগার বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবে।

আপনি আরোও পড়ুন…

কিন্তু এখানেও রয়েছে অনেক শ্রম এবং সময় ব্যয় করার প্রক্রিয়া। কেননা যখন আপনি একজন নতুন ব্যক্তি হিসেবে ব্লগিং করতে যাবেন।

তখন কিন্তু আপনাকে আরো বিভিন্ন বিষয় শিখতে হবে। যেমন ধরুন, প্রথমত আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে হবে।

এর পাশাপাশি আপনাকে জানতে হবে যে, একটি কনটেন্ট কিভাবে লিখলে সেটা এসইও অপটিমাইজ হয়।

আর যখন আপনি এই বিষয় গুলো মেনে আপনার একটি ব্লগ তৈরি করবেন এবং সেই ব্লগে লেখালেখি করবেন।

তখনই কিন্তু আপনার সেই নতুন তৈরি করা ব্লগ টি থেকে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন।

Start Freelancing with carrier 

আলোচনার শুরুতেই আমি আপনাকে একটা কথা বলেছিলাম। আর সেই কথা টি হলো যে, বাস্তব জীবনে আমরা যেমন চাকরি করি এবং মাস শেষে বেতন পাই।

ঠিক একই ভাবে আপনি অনলাইনে চাকরি করতে পারবেন। আর আপনি যখন অনলাইনে চাকরি করবেন।

তখন আপনাকে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং শিখতে হবে। কারণ ফ্রিল্যান্সিং হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে চাকরির মতো কাজ করতে হয়। এবং মাসে বেতন পাওয়ার সুযোগ থাকে।

আর ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য খুব বেশি কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না।

বরং আপনি যদি খুব বেশি ডিগ্রী অর্জন না করেও ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো তে নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।

তাহলে কিন্তু আপনি শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই এই ধরনের ফ্রীলান্সিং কাজ গুলো করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কেননা আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এর দিকে লক্ষ্য করেন। তাহলে দেখতে পারবেন যে, বর্তমান সময়ে প্রচুর পরিমাণে ফ্রিল্যান্সিং জব রয়েছে।

তো এই ধরনের ফ্রিল্যান্সিং জব গুলো করতে হলে সবার আগে আপনাকে সেই জব গুলো শিখতে হবে।

আপনাকে জানতে হবে, কিভাবে সেই কাজ গুলো সঠিক ভাবে করতে হয়।

যেমন ধরুন, আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখেন। তাহলে অবশ্যই আপনার গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারনা থাকতে হবে।

সেই সাথে আপনার ডিজাইন গুলোর মধ্যে যেন সৃজনশীলতা থাকে, সেদিকেও যথেষ্ট নজর রাখতে হবে।

আমার কি অনলাইন ইনকাম করা উচিত?

অনলাইন ইনকাম বৈধ নাকি অবৈধ! আশা করি এই আলোচনার মাধ্যমে আপনি পরিষ্কার ধারণা পেয়েছেন।

তো এই আলোচনা তে আমি আপনাকে বলেছি যে, আপনি যদি সৎ পথে অনলাইন ইনকাম করেন, তাহলে সেটা বৈধ।

আর কিভাবে আপনি সৎ পথে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করবেন। সে সম্পর্কে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

তো এখন যদি আপনি মনে করেন যে, আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। তাহলে আপনার অনলাইন ইনকাম করা উচিত।

কেননা বাস্তবিক জীবনে যেমন আমরা পরিশ্রম না করলে টাকা অর্জন করতে পারিনা। ঠিক তেমনি ভাবে অনলাইনের ক্ষেত্রেও আপনি একই বিষয়ে লক্ষ্য করতে পারবেন।

কেননা অনলাইন প্লাটফর্মে আপনি যদি শ্রম না দেন। তাহলেও কিন্তু আপনি অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন না।

এখন যদি আপনি শ্রম দিতে পারেন, তাহলে আপনার জন্য অনলাইন ইনকাম করা উচিত।

অনলাইন ইনকাম নিয়ে আমাদের কিছু কথা

প্রিয় পাঠক, অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে আমাদের অনেকের মনে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে।

কেননা আমরা মনে করি যে, অনলাইন ইনকাম হয়তোবা জুয়া খেলা কিংবা ক্যাসিনো খেলার সমতুল্য। কিন্তু আদতে বিষয় টি সঠিক নয়।

কেননা অনলাইনে এমন অনেক ভালো কাজ আছে। যে গুলো করে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আর আজকে আমি সেই ভালো কাজ গুলোর কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

আপনি আরোও দেখুন…

যদিও বা আমি দীর্ঘদিন থেকে এই অনলাইন ইনকাম সেক্টরে কাজ করছি। এবং আমার অভিজ্ঞতা থেকে এটাই বলব যে।

আপনারও যদি সময় থাকে, তাহলে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার চেষ্টা করা উচিত।

এবং আপনি চেষ্টা করবেন যেন, সৎ ভাবে অনলাইন ইনকাম করতে পারেন। কেননা অসৎ পথে কোনদিনও সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয় না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap