নতুন ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায় – বাংলা আইটি ব্লগ

একটা ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট ভাল থাকার পাশা-পাশি ভিজিটর থাকাও জ্রুরি। কন্টেন পাবলিশ করার সাথে ভিজিটরদের প্রতি টার্গেট থাকা দরকার। আজকে আমি নতুন ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর কিছু উপায় বলব।

যে উপায় গুলা ফলো করলে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বেড়ে যাবে।

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায়
ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায়

প্রিয় বন্ধুরা! আশা করছি সবাই ভলো আছেন। আপনাদের ভালো থাকার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে আমাদের আজকের আর্টিকেলটিতে আপনাকে স্বাগতম।

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে অনলাইন (online) প্লাটফর্ম (platforms) এ অর্থ উপার্জন করা একটি ফলপ্রসূ মাধ্যম। এর মধ্যে ওয়েবসাইট একটি কার্যকরী মাধ্যম এবং এর জনপ্রিয়তা দিনদিন অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে আমাদের অনেকেরই হয়তো এক বা একাধিক ওয়েবসাইট (website) রয়েছে যার মাধ্যমে আমরা আয়ের প্রচেষ্টা করে থাকি। কিন্তু ওয়েবসাইটে ভিজিটর (visitor) বা ট্রাফিকের (traffic) সংখ্যা কম থাকার কারণে আশানুরূপ টাকা ইনকাম করতে পারছেন না।

কেননা ভিজিটরই কিন্তু একটি ওয়েবসাইটের প্রাণ। সাইটে ভিজিটর যত আসবে টাকা ইনকামের পথ তত বেশি সুগম হবে।

তাই ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায় সম্বন্ধে আমাদের একটি ক্লিয়ার ধারণা থাকা উচিত। তাই আজকের আর্টিকেলটিতে ওয়েবসাইটে ভিজিটর (visitor) বাড়ানোর কিছু কার্যকরী উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক।

ডিটেইলে (detail) এ যাওয়ার আগে আমরা কিছু ছোটো খাটো বিষয় সম্পর্কে জেনে নেব। তাহলে আশা করি আমাদের মূল বিষয়টি শিখতে ও বুঝতে সহজ হবে।

ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক কি?

প্রথমত আপনাদের খুবই কমন (common) একটি প্রশ্ন থাকতে পারে যে, ওয়েবসাইটে ট্রাফিক(traffic) বা ভিজিটর কি কিংবা ট্রাফিক বা ভিজিটর বলতে কি বুঝায়।

খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে আমাদের ওয়েবসাইটের ট্রাফিক (traffic) বা ভিজিটর হলো আমাদের বাড়ির মেহমান বা গেস্ট (guest) এর মত। অর্থাৎ আপনার বাড়িতে যারা বেড়াতে আসেন তারা যেমন আপনার মেহমান তেমনি আপনার ওয়েবসাইটে যারা ভিজিট (visit) করে বা প্রবেশ করে তারাই আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক (traffic)

সুতরাং এককথায় যে বা যারা আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে এবং সেবা গ্রহণ করবে তারাই আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বা ভিজিটর হিসেবে গণ্য হবেন।

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিকের প্রয়োজন কেন?

এখন দ্বিতীয়ত আপনাদের মনে যে প্রশ্নটি আসতে পারে তা হলো , ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিকের প্রয়োজন কেন বা এর ভূমিকাই বা কি। এটি যেমনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ তেমনি অতি সহজ একটি বিষয়।

আমরা সবাই জানি যে, আমাদের প্রায় সবারই একটি ওয়েবসাইট পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য হয়ে থাকে অর্থ উপার্জন কর। এবং অনলাইনে সফল হওয়া। কিন্তু চাইলেই এর দ্বারা ইনকাম করা সম্ভব নয় বা আপনি রাতারাতি সফলও হয়ে যেতে পারবেন না।

অবশ্য পরবেন…

কারণ সব কিছুর জন্যই কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম নীতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ওয়েবসাইটের বেলায়ও ঠিক তেমনটিই। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্থ আয় করার টার্মস ও কন্ডিশন গুলোর মধ্যে ভিজিটর বা ট্রাফিকের সংখ্যাটা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এর ভূমিকা অনেক বিশাল।

আপনার ওয়েবসাইটে প্রতিদিন যত বেশি পরিমাণ ভিজিটর আসবে আপনার ওয়েবসাইটের মান ততই বৃদ্ধি পাবে এবং সেইসঙ্গে আপনার আয়ও বাড়বে। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের পাবলিসিটি (publicity) বৃদ্ধি পাবে।

এককথায় আপনার ট্রাফিকই আপনাকে টাকা এনে দেবে। যদি আপনার ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিজিটর না থাকে কিংবা তারা রেগুলার না হন তো আপনার আয়ের পথটি স্বাভাবিকভাবেই হুমকির মুখে পরে আপনি আশাহত হবেন।

সুতরাং আপনার আয়ের পথটি মসৃণ করার জন্য আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে অবশ্যই জানতে 

আপনাদের বোধগম্য হওয়ার জন্য অত্যন্ত সহজভাবে ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায় সম্বন্ধে ধারাবাহিক আলোচনা করা হলো।

কীভাবে ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানো যায়?

আপনারা যারা ওয়েবসাইট জগতে নতুন তাদের মনের খুব কমন একটি প্রশ্ন হলো, কীভাবে ওয়েবসাইটে ভিজিটর (visitor) বা ট্রাফিক বাড়ানো যায়। কেননা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক না হলে আপনি আশানুরূপ আর্নিং (earning) পাচ্ছেন না।

তো চলুন ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোর কিছু অব্যর্থ উপায় সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

সার্চ ইঞ্জিন (search engine)

আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকরী ও গুরুত্বপূর্ণ উপায়টি হলো সার্চ ইঞ্জিন(search engine).

বর্তমানে ইন্টারনেটে অনেক সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। তাদের মধ্যে গুগল (Google) বিং (Bing), ইয়াহু (Yahoo) অধিক ব্যবহৃত ও জনপ্রিয়। এই সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে ও সফলতার সাথে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

তবে গুগল সার্চ ইঞ্জিনটিই (Google Search Engine) হবে আপনার জন্য সবথেকে বেশি কার্যকরী মাধ্যম। কেননা গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বা ট্রাফিক আসার সম্ভাবনা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের তুলনায় ৯৫% বেশি থাকে।

অর্থাৎ প্রতিদিন একটি উল্ল্যেখযোগ্য সংখ্যক ভিজিটর আপনি গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে নিতে পারবেন।

তবে চাইলেই আপনি গুগল সার্চ ইঞ্জিন (Google Search Engine) থেকে ভিজিটর বা ট্রাফিক পাবেন না। এর জন্য আপনাকে একটি পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সেটি হলো আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটটিকে গুগল সার্চ কনসোল (Google Search Console) এ ভেরিফাই করিয়ে নিতে হবে।

গুগল সার্চ কনসোল এ আপনার ওয়েবসাইট যুক্ত করার পর গুগলে আপনার ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শো (show) করবে।অর্থাৎ আপনার আর্টিকেল বেজড কোনো সার্চ আসলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসা শুরু করবে। তবে হ্যাঁ, আপনাকে এ ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে যে, আপনার আর্টিকেলগুলো যেন SEO friendly হয়।

এসইও(SEO) ফ্রেন্ডলি রাইটিংস

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর আরেকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) বেজড আর্টিকেল পোস্ট করা।

SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো এমন একটি কৌশল যাতে আপনার পোস্ট করা আর্টিকেলটি গুগল রাংকে (rank) এ সবার উপরে থাকে। অর্থাৎ আপনার আর্টিকেলগুলো গুগলের হোমপেজে থাকবে।

তাহলে আপনার নিশ রিলেটেড কোন সার্চ আসলে আপনার পেইজটি সবার উপরে শো করবে এবং আপনি অনেক বেশি পরিমাণে ভিজিটর পেতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে আর্টিকেল লেখার পূর্বেই SEO সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করে নিতে হবে।

এতে করে আপনার সাইটে ভিজিটর এর সংখ্যা ক্রমাগত খুব দ্রুত বাড়তে থাকবে। মনে রাখবেন আপনার আর্টিকেল SEO friendly হওয়া কিন্তু অত্যন্ত জরুরি। নতুবা আপনি গুগল সার্চ কনসোল এ রেজিস্ট্রেশন করলেও ভিজিটর পাবেন না।

সুতরাং এসইও (SEO) ফ্রেন্ডলি রাইটিংস পোস্ট করে আপনি খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়াতে পারবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া 

আপনারা ঠিকই শুনছেন। ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া হতে পারে অত্যন্ত কার্যকরী একটি মাধ্যম। বর্তমান যুগে আমাদের প্রায় সকলেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকি।

যেমন-ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার ইত্যাদি। দিনের একটি লম্বা সময় উল্ল্যেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে এসব সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় ব্যায় করে থাকে।

এগুলো হতে পারে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর বিশেষ সহায়ক। যেমন আপনার যদি একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে তো আপনি খুব সহজেই সেখানে একটি ব্যাক্তিগত ফেসবুক পেইজ বা গ্রুপ খুলে নিতে পারেন।

সেখানে নিয়মিতভাবে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যে আর্টিকেল গুলি পোস্ট  করবেন তার লিংক শেয়ার দিতে পারেন। এতে করে আপনার পেইজে যত জন ফলোয়ার্স (Followers) থাকবে তাঁরাও আপনার ওয়েবসাইটে লিংকের মাধ্যমে ভিজিট করবে।

এতে করে প্রতিদিনই আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিকের সংখ্যা উল্ল্যেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। তাছাড়া আরও কিছু উপায়ে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) ব্যবহার করে সাইটে ভিজিটর বাড়াতে পারেন।

যেমন- আপনি আপনার সাইটের প্রতিটি পেইজে এক বা একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ারিং অপশন রাখতে পারেন। এতে করে আপনি যেমন আপনার পোস্টগুলি চাইলে শেয়ার করতে পারেন।

তেমনি যেই ভিজিটররা আপনার পেইজে আসবেন তারাও আপনার পোস্টগুলি শেয়ার করতে পারবে। এভাবে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর এর সংখ্যা বাড়তে থাকবে।

ফোরাম সাইটের ব্যবহার / প্রশ্ন উত্তর সাইট

ফোরাম সাইটের ব্যবহার আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়াতে অনেক সাহায্য করতে পারে। ফোরাম সাইটগুলি মূলত এরকম একটি প্লাটফর্ম যেখানে কেউ তার দরকারি প্রশ্নটি  জিজ্ঞাসা করে এবং অন্য  কেউ জেনে থাকলে তার উত্তরটি দিয়ে দেবার চেষ্টা করে।

তো আপনি এরকম কোনো সাইটে জইন হতে পারেন। যেখানে হয়তো এরকম কোনো প্রশ্ন দেখলেন যেটির উত্তর আপনার সাইটে কোনো পোস্টে রয়েছে। তখন আপনি আংশিক উত্তরটি দিয়ে আপনার সাইটের লিংকটি দিয়ে দিতে পারেন।

এতে করে সে ব্যক্তি আপনার সাইটে যাবে এবং উত্তরটি সংগ্রহ করবে।যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর এর সংখ্যাও বাড়বে।

ওয়েবসাইটটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি ডিজাইন করা

সারা বিশ্বে বর্তমানে অসংখ্য ইন্টারনেট (Internet) ব্যবহারকারী রয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ৬০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলের মাধ্যমে ডেটা চালিয়ে থাকেন।

অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের সম্ভাব্য ভিজিটরদের সিংহভাগই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকেন। যার জন্য আপনার ওয়েবসাইটের পেইজগুলো অবশ্যই মোবাইল ফ্রেন্ডলি হতে হবে। যেন তারা আপনার সাইট থেকে সহজেই সেবা গ্রহণ করতে পারে।

নতুবা তারা কোনোভাবেই আপনার সাইট থেকে সেবা নিতে পারবে না এবং যার ফলে আপনার সাইটে ভিজিটর বাড়ার সম্ভাবনাও কমে যাবে।

তাই ওয়েবসাইটের প্রতিটি পেইজ মোবাইল ফ্রেন্ডলি (Mobile Friendly) করা আবশ্যক।এ জন্য আপনার সাইটটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি কিনা তা মোবাইল ফ্রেন্ডলি টেস্ট (Mobile Friendly Test Tool) টুল দিয়ে চেক করে নিন। যদি দেখেন সাইটটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি নেই তাহলে অবশ্যই ওয়েবসাইটটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি করে নিতে হবে।

ওয়েবসাইট রেস্পন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি ডিজাইন করা

ওয়েবসাইটের প্রতিটি পেইজকে রেস্পন্সিভ (Responsive)বা ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তৈরি করতে হবে। তো ইউজার ফ্রেন্ডলি ডিজাইন কি?

একদম সহজ বাক্যে বলতে গেলে ইউজার ফ্রেন্ডলি ডিজাইন (User Friendly Design) হলো আপনার ওয়েবসাইটকে এমনভাবে ডিজাইন করা যাতে ইউজারদের অর্থাৎ ভিজিটরদের তা অনেক পছন্দ হয়।

তারা যেন সেখানে সেবা গ্রহণে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এবং ঝামেলা মুক্ত সেবা গ্রহণ করতে পারেন। অর্থাৎ আপনার সাইটে যেন কোনো জটিলতা না থাকে। এটি যেন ভিজিটরদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়। এতে করে ভিজিটররা নিয়মিতভাবে আপনার সাইটে আসা শুরু করবে এবং এভাবে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর এর সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকবে।

সুতরাং ওযেবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়াতে হলে ওয়েবসাইট ডিজাইনের সময় তা ইউজার ফ্রেন্ডলি কিনা সে ব্যপারে সচেতন হন।

ওয়েবসাইটে নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করা

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ক্ষেত্রে আরও একটি কার্যকরী মাধ্যম হলো নিয়মিত ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করতে থাকা। অর্থাৎ আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে বিরতিহীন আর্টিকেল পোস্ট করতে হবে।

এতে আপনার অনাগ্রহ কিংবা অলসতার মনোভাব তৈরি হলে কোনোদিনই আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন না এবং আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর এর সংখ্যা বাড়ার পরিবর্তে কমতে থাকবে।

সুতরাং ওযেবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সাইটে নিয়মিত আর্টিকেল পোস্ট করুন।

ভিডিও শেয়ারিং (Video Sharing) করা

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য ভিডিও শেয়ারিং (Video Sharing) হতে পারে একটি অন্যতন ফলপ্রসূ মাধ্যম। বর্তমানে ইন্টারনেটে অসংখ্য ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট রয়েছে।

আপনি সে সকল ওয়েবসাইটে আপনার ওয়েবসাইটের নিশ রিলেটেড  ভিডিও শেয়ার করে তার ডেসক্রিপশন বক্সে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক (Link) শেয়ার করতে পারেন।

এতে করে সেখানকার ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইটটি ভিজিট করতে পারবে এবং আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

ব্লগ কমেন্ট করা

ব্লগ কমেন্ট ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোর অন্যতম কার্যকরী ও জনপ্রিয় মাধ্যম। এক্ষেত্রে আপনাকে যেটি করতে হবে তা হলো, আপনার সাইটের নিশ রিলেটেড কোনো ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যেয়ে তার যে কমেন্ট বক্স রয়েছে সেখানে কমেন্ট করে আপনার নিজের ওয়েবসাইটের লিংক(Link) দিয়ে দেয়া।

তাহলে ঐ ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যে সকল ভিজিটররা রয়েছেন তাঁরাও আপনার সাইটে ভিজিট করবে এবং আপনার সাইটে ভিজিটরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। ব্লগ কমেন্টের এই পদ্ধতিটিকে SEO (search engine optimization)- এর ভাষায় বলা হয় ব্যাকলিংক (Back link)।

ব্যাকলিংক আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত সহায়ক একটি পন্থা। তবে আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি যেখানে কমেন্ট করবেন সেটি যেন অবশ্যই আপনার নিশ রিলেটেড হয়। নতুবা আপনার ব্যাকলিংকটি কোনো কাজে আসবে না।

তাছাড়া ব্যাকলিংকের আরও কিছু কার্যকারিতা রয়েছে। যেমন-ব্যাকলিংক ব্যবহার করলে আপনার ওয়েবসাইটের পেইজগুলো গুগল সার্চ ইঞ্জিনে (Google Search Engine) একদম টপ রাংকে চলে আসতে পারে। এতে করেও আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর এর সংখ্যা বাড়তে পারে।

বাউন্স রেট এর ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য বাউন্স রেটে এর দিকে লক্ষ্য রাখা অত্যন্ত জরুরি। আপনাদের প্রশ্ন থাকতে পারে যে, বাউন্স রেট কি বা বাউন্স রেটের কাজ কি?

বাউন্স রেট হলো এমন একটি পার্সেন্টিজ (%)পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর দের মধ্যে কত পার্সেন্ট হোম পেইজ ভিজিক করেই ওয়েবসাইটটি ত্যাগ করেছে। অর্থাৎ অন্য কোনো পেইজে আর প্রবেশ করেনি।

বাউন্স রেট কে সবসময় পার্সেন্টিজ আকারে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটে বাউন্স রেট যত কম হবে ওয়েবসাইটের স্টান্ডার্ড তত বেশি হিসেবে গণ্য করা হয়।

এর ফলে আপনার ওয়েবসাইটের মান যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি আপনার সাইটটি গুগল এর হোম পেইজে খুব দ্রুত জায়গা করে নিতে সক্ষম হবে।

আরো পড়ুন…

একটি উদাহরণ এর মাধ্যমে বাউন্স রেট ব্যাপারটা একদম ক্লিয়ার করে দিচ্ছি। ধরুন আপনার ওয়েবসাইটে টোটাল ভিজিটর এর সংখ্যা ১০০০। সেখান থেকে ৫০০ জন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটের কেবল মাত্র হোম পেইজ ভিজিট করেই ত্যাগ করলেন।

এখান থেকে আপনার অন্য কোনো পেইজে প্রবেশ করল না। তাহলে আপনার সাইটের বাউন্স রেট হবে ৫০%। এই পার্সেন্টিজ এর ওপর ভিত্তি করেই আপনার সাইটের স্টান্ডার্ড নির্বাচন করা হয়ে থাকে।

পার্সেন্টিজ এর অনুপাতে আপনার সাইটের স্টান্ডার্ড কেমন হবে তা নিচের ছকটির মাধ্যমে আপনাদের ক্লিয়ার করে বুঝিয়ে দেয়া হল:

    বাউন্স রেট   স্টান্ডার্ড
৩০%এর নিচে খুবই ভালো
৪১%-৫৫% ভালো
৫৬%-৭০% তেমন ভালো নয়
৭০% এর উপরে খুবই খারাপ

 

সুতরাং আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়াতে হলে সাইটের বাউন্স রেট ধারাবাহিকভাবে কমানোর চেষ্টা করতে হবে।

এ পর্যায়ে আমাদের জেনে নেয়া প্রয়োজন যে ঠিক কি কারণে সাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যায়। যদি আমরা এর সঠিক কারণগুলো বুঝতে পারি তাহলে এর সমাধান করতেও সহজ হবে। তাহলে চলুন এবার কারণগুলো জেনে নেয়া যাক।

ভিজিটরদের চাহিদা পূরণ না হওয়া

ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট (Bounce Rate) বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো ভিজিটরের চাহিদা পূরণ না হওয়া।

এখানে ভিজিটরের চাহিদা বলতে বুঝায় একজন ভিজিটর যে উদ্দেশ্যে নিয়ে আপনার পেইজে প্রবেশ করে বা যে ধরনের সেবা গ্রহণের জন্য সে আপনার পেইজে ভিজিট করে।

এখন যদি ভিজিটর আপনার সাইটে প্রবেশ করে তার চাহিদা পূরণ করতে না পারে অর্থাৎ প্রয়োজনীয় তথ্য সেবাটি না পান তাহলে অবশ্যই ভিজিটর আপনার সাইটে আর সময় ব্যয় করবেন না। এতে করে সাইটের ভিজিটর কমে যাওয়ার সাথে সাথে বাউন্স রেট বেড়ে যায়।

সঠিকভাবে ওয়েবসাইট ম্যানেজ (manage) করতে না পারা

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করতে হলে অবশ্যই এর সঠিক পরিচালনা পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।অনেকসময় ওয়েবসাইটের ভুল পরিচালনার জন্য ভিজিটররা সাইটটি বন্ধ করে দেন এবং যে কারণে সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি পায়।

প্রথমত সাইট ওপেন করার পূর্বেই এর ডিজাইন সম্পর্কে সঠিক পরিকল্পনা করে নিতে হবে। প্রতিনিয়ত সাইটের ডিজাইন চেঞ্জ (change) করা ভিজিটরদের বিরক্তির কারণ হতে পারে।

ভিজিটররা সাইটটি ভিজিট করা বন্ধ করে দিতে পারে। তাছাড়া সাইটে দুই বা ততোধিক নিশের আর্টিকেল পোস্ট করলে তাও ভিজিটরদের অনেক ক্ষেত্রে জটিলতার মধ্যে ফেলে দেয়।

এ সমস্ত জটিলতার জন্য তারা আর হয়তো ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার আগ্রহ প্রকাশ করবেনা। অর্থাৎ ওয়েবসাইটটি ভিজিটররা বন্ধ করতে শুরু করবে এবং সাইটে বাউন্স রেট বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

পোস্টে আকর্ষণীয় টাইটেল বা শিরোনাম ব্যবহার করা

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোর আরেকটি সহজ উপায় হলো সাইটের পোস্টগুলিতে আকর্ষণীয় টাইটেল বা শিরোনাম ব্যবহার করা। কেননা ভিজিটর মূলত আপনার দেওয়া টাইটেল টি দেখেই পেইজে প্রবেশ করার আগ্রহ প্রকাশ করবে।

আমরা যখন সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সার্চ করি তখন আমরা সার্চ রেজাল্টগুলোর টাইটেল দেখেই কোনোটির মধ্যে প্রবেশ করি আবার কোনোটির মধ্যে করি না।

এমনি করে আপনার পেইজের আর্টিকেল এর টাইটেল যত বেশি আর্ষণীয় হবে ইউজাররা তত বেশি আপনার পেইজে প্রবেশ করতে আগ্রহী হবে। সুতরাং পেইজে এমন টাইটেল ব্যবহার করুন যা ভিজিটরদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়।

আর্টকেলের গুণগতমান বজায় রাখা

ওয়েবসাইটে বা ব্লগসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল আর্টিকেলের গুনগতমান বজায় রাখা। গুগল সার্চের বর্তমান প্রাইভেসি পলিসি অনুযায়ী আর্টিকেলের কোয়ালিটির ওপর অনেক গুরুত্ব প্রদান করা হয়।

অর্থাৎ আপনার আর্টিকেলটি হতে হবে কোয়ালিটি সম্পন্ন। আপনার আর্টিকেল যত বেশি প্ল্যাগারিজম বা স্প্যাম ফ্রি হবে তা তত বেশি মানসম্পন্ন আর্টিকেল হিসেবে গণ্য হবে এবং তা আপনাকে দুইভাবে ভিজিটর বাড়াতে সাহায্য করবে।

প্রথমত, আপনার আর্টিকেলের কোয়ালিটি যত ভালো হবে গুগল রাংকে তা তত বেশি উপরে উঠবে। ফলে সাইটে ভিজিটরের সংখ্যা বাড়বে। দ্বিতীয়ত, আপনার সাইটের আর্টিকেলের কোয়ালিটি যত ভালো হবে তা তত বেশি ভিজিটরদের আকৃষ্ট করবে।

যার ফলে সাইটে ভিজিটরের সংখ্যাও বাড়বে।

বেশি বেশি গেস্ট পোস্ট (guest post) করা

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোর আরেকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হলো গেস্ট পোস্ট। গেস্ট পোস্ট কি? গেস্ট পোস্ট হলো জনপ্রিয় কোনো ওয়েব বা ব্লগসাইটে গিয়ে একজন অতিথি হিসেবে তাদের জন্য আর্টিকেল লিখে দেয়া।

এতে আপনার লাভ? এতে আপনার লাভ হলো আপনি যখন সেখানে একটি আর্টিকেল লিখবেন সেই আর্টিকেলে আপনার সাইটের লিংক দিয়ে দিতে পারবেন। তাহলে ঐ সাইটে যারা ভিজিট করবেন তাদের কিছু অংশ আপনার দেয়া লিংকের মাধ্যমে আপনার সাইটেও ঢু মারবে।

ফলাফল স্বরূপ আপনার সাইটে ভিজিটর এর সংখ্যা বাড়বে।

ডেটা অ্যানালাইসিস করা

ডেটা অ্যানালাইসিস করা সাইটে ভিজিটর বাড়ানোর একটি অন্যতম সেরা মাধ্যম। এ প্রক্রিয়ায় কোন তারিখ বা সময়ে কিংবা কোন ধরনের বা বয়সের ভিজিটর সাইটে বেশি পরিমাণে থাকে তা বুঝা যায়।

এর ফলে সেই সময় অনুযায়ী সাইটে পোস্ট করলে ভিজিটর বেশি পাবার সম্ভাবনা থাকে। এ কাজের জন্য আপনি গুগল অ্যানালাইটিকস এর থেকে সাহায্য নিতে পারেন।

এতক্ষণ আমরা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোর উপায় সম্বন্ধে জানার চেষ্টা করলাম। কিন্তু কেবল মাত্র ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়িয়েই আমরা ওয়েবসাইটকে কার্যকরী করে গড়ে তুলতে পারবো না।

এর জন্য সাইটে ভিজিটর বাড়ানোর পাশাপাশি ভিজিটর ধরে রাখার কৌশলও জানতে হবে। নতুবা পূর্বে যেমনটি বলেছি সাইটের বাউন্স রেট বেড়ে গিয়ে এর মান কমে যাবে।

ওয়েবসাইটে ভিজিটর ধরে রাখার উপায়

সাইটে ভিজিটর বাড়ানোর সাথে সাথে ভিজিটর ধরে রাখার ওপর সমান গুরুত্ব দিতে হব। যেমনটি আমরা বলে থাকি “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন”,এমনিভাবে “সাইটে ভিজিটর বাড়ানোর চেয়ে ভিজিটর ধরে রাখা কঠিন”।

ভাবনার কিছু নেই। চলুন জেনে নেয়া যাক সাইটে ভিজিটর ধরে রাখার কিছু মূল্যবান কৌশল সম্পর্কে।

১. ইউনিক(unique) কন্টেন্ট পোস্ট করা

মূলত একটি ওয়েবসাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এর কন্টেন্ট। অর্থাৎ কন্টেন্ট এর উপর ভিত্তি করেই কিন্তু একটি সাইট চলতে থাকে এবং ভিজিটর দের গেদার করে।

সুতরাং আপনার কনটেন্ট যত বেশি ইউনিক ক্রিয়েটিভ এবং ইনফরমেটিভ হবে তা তত বেশি ভিজিটর দের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে। তাই সাইটে ভিজিটর ধরে রাখতে কন্টেন্ট ইউনিক ও ক্রিয়েটিভ করার চেষ্টা করুন।

২. সাইটে কমেন্ট বক্স রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া।

ভিজিটর দের ধরে রাখার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসেস হল সাইটের প্রতিটি পেইজে ভিজিটর দের কমেন্ট করার সুযোগ দেয়া।আপনি যখন সাইটে কোনো আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন এর রিডারদের জন্য কমেন্ট করার অপশন রাখা ভাল।

কারণ সেখানে তারা প্রয়োজনীয় কমেন্ট করতে পারে এবং আপনাকে যত দ্রুত সম্ভব এর উত্তর প্রদান করতে হবে। তাহলে ভিজিটর আপনার সাইটে ভিজিট করা কন্টিনিউ করবে।

৩. আকর্ষণীয় ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা

আপনার সাইটে ভিজিটরের মনোযোগ ও আকর্ষণ ধরে রাখার জন্য পেইজে নিশ রিলেটেড আকর্ষণীয় ও ইনফরমেটিভ (informative) ছবি ও ভিডিও পাবলিশিং এর অভ্যাস করুন।

এতে করে ভিজিটর আপনার সাইটে ভিজিট করে আনন্দ পাবে এবং নিয়মিত ভিজিট করার আগ্রহ প্রকাশ করবে।

৪. রেসপন্সিভ (responsive) সাইট তৈরি করুন

আমরা প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট থেকে সেবা নিয়ে থাকি তাদের সকলেই কিন্তু মোবাইল ফোন দিয়ে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস (access) করি না। কেউ মোবাইল ফোনে,কেউ কম্পিউটার বা ল্যাপটেপ আবার কেউবা ট্যাব দিয়ে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করে থাকি।

এদের সবার স্ক্রিন কিন্তু একই রকম হয় না। সে জন্য ইউজারের চাহিদা পূরণে একটি রেসপনসিভ সাইট ওপেন করতে হবে। যেটা সব ধরনের স্ক্রিনে রেসপন্স করতে সক্ষম হবে। তাহলে আপনি সব ধরনের সেট ব্যবহারকারীদের ভিজিটর হিসেবে পাবেন।

৫. হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করা

ইন্টারনাল (Internal) বা হাইপার লিংকের ব্যবহার সাইটে ভিজিটর ধরে রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন ধরুন আপনি ব্লগ সাইট ওপেনিং নিয়ে একটি আর্টিকেল পোস্ট করলেন।

আপনার জন্য আরো…

কিন্তু এর পূর্বে জিমেইল অ্যাকাউন্ট ওপেন করা নিয়ে একটি আর্টিকেল পোস্ট করছেন। এখন আপনি নতুন আর্টিকেলটিতে যদি আগের এই আর্টিকেল এর লিংক হাইপার বা ইন্টারনাল লিংক হিসেবে প্রদান করেন তাহলে একটা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সাইটে ভিজিটর ধরে রাখার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

আমাদের শেষ কথাঃ

আশা করছি পুরো আর্টিকেলটি পড়ার শেষে ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে আর কোনো প্রশ্ন থাকবে না।

প্রদত্ত উপায় গুলো যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করেন তাহলে বলতে পারি অবশ্যই আপনি আপনার লক্ষ্য পৌঁছাতে পারবেন। নতুবা তা কখনোই সম্ভব হবে না।

মনে রাখবেন ভিজিটরই কিন্তু একটি ওয়েবসাইটের প্রাণ। আপনার সাইটে ভিজিটর যত বাড়বে আপনার পকেটে ইনকামও তত বাড়বে। সুতরাং সাইট ভিজিটর বাড়াতে সচেতন হন এবং আমাদের দেয়া উপায় গুলো ফলো করুন। সফলতা আপনার কাছে আসবেই।

আমি নিলয় হাসান-এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি লেখালেখির কাজটাও করি। অনলাইনে প্রযুক্তির বিষয় নিয়ে যা জানি তা মানুষের মাঝে শেয়ার করার ইচ্ছায় এ ব্লগ টি তৈরি করা।

1 thought on “নতুন ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায় – বাংলা আইটি ব্লগ”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap