হ্যাশট্যাগ কি এবং এর ইতিহাস – (Hashtag meaning in Bengali)

ইন্টারনেট এর এই যুগে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম যেমন, facebook, twitter, instagram ব্যবহার করে না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য।

হ্যাশট্যাগ কি এবং এর ইতিহাস – (Hashtag meaning in Bengali)
হ্যাশট্যাগ কি এবং এর ইতিহাস

বরং আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া গুলো ব্যবহার করে থাকি। আর এই সোশ্যাল মিডিয়া গুলো তে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয় ভাইরাল হয়ে যায়।

হয়তোবা আজকে আপনি যে কোন একটা বিষয় ভাইরাল হওয়া দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু তার ঠিক কয়েক দিন পরে দেখবেন যে আরো নতুন একটা টপিক ট্রেন্ডিং এ চলে আসছে।

আর এই ভার্চুয়াল জগতের মধ্যে অন্যতম একটি টেকনোলজি হলো, হ্যাশট্যাগ (Hashtag). কিন্তু আপনি কি জানেন এই হ্যাশট্যাগ কি (Hashtag meaning in Bengali).

এবং কেন এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হয়। যদি আপনি না জেনে থাকেন তাহলে আজকের আলোচনা টি আপনার জন্য অনেক বেশি প্রয়োজনীয়।

আপনার জন্য আরোও লেখা…

কারণ আজকের আলোচিত আলোচনার মাধ্যমে আমি আপনাকে জানিয়ে দিব যে, হ্যাশট্যাগ কি। এবং হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করার ফলে আমরা কি সুবিধা ভোগ করতে পারছি।

হ্যাশট্যাগ দেখতে কেমন?

আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো যে, হ্যাশট্যাগ কি। কিন্তু আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যারা এখন পর্যন্ত জানে না যে, হ্যাশ ট্যাগ আসলে দেখতে কি রকম হয়।

তো যারা আসলে এই বিষয় টি সম্পর্কে জানেনা। তাদের উদ্দেশ্য করে বলবো যে, হ্যাশট্যাগ দেখতে ‘#‘ এমন হয়ে থাকে।

তবে দেখতে এমনটা হলেও যখন আপনি কোন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোতে এই ধরনের হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করবেন।

তখন আপনাকে এই চিহ্নটি ব্যবহার করার পাশাপাশি যে শব্দ গুলো আপনি ট্যাগ হিসেবে যুক্ত করবেন। সে গুলো ব্যবহার করার সময় কোন ধরনের স্পেস দেওয়া যাবে না।

যেমন ধরুন, আপনি আমাদের বাংলাদেশ নামটি তে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করবেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে #Bangladesh এভাবে লিখতে হবে।

কিন্তু আপনি যদি এইভাবে #  Bangladesh লিখেন। তাহলে কিন্তু সেটা হ্যাশট্যাগ হিসেবে কাউন্ট হবে না।

মূলত সে কারণেই উপরে আমি আপনাকে বলেছি যে, হ্যাশট্যাগ দেখতে এমন টা (‘#’) হলেও। যখন আপনি কোন কিছু কে # দিয়ে ট্যাগ করবেন।

তখন আপনাকে কোন প্রকারের স্পেস দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ আপনাকে স্পেস ছাড়াই আপনার উক্ত বিষয় টি ট্যাগ করতে হবে। তাহলে সেটা হ্যাশট্যাগ হিসেবে কাউন্ট হবে।

আশা করি হ্যাশট্যাগ দেখতে কেমন, সেটা আপনি পরিষ্কার ভাবে বুঝতে পেরেছেন।

হ্যাশট্যাগ মানে কি – (Hashtag meaning in Bengali)

উপরের আলোচনা তে আপনি জানতে পারলেন যে, হ্যাশট্যাগ দেখতে কেমন হয়। তো এখন যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয় যে, হ্যাশট্যাগ মানে কি (হ্যাশট্যাগ মিনিং ইন বাঙ্গালী)।

তাহলে কি আপনি সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন? থাক, আপনাকে কোন প্রকার প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না। বরং আমি আপনাকে বলে দিচ্ছি যে, Hashtag কি।

তো সহজ ভাষায় বলতে গেলে বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মধ্যে। যখন আপনি কোন কিছু কে হাইলাইট করতে যাবেন।

এবং সার্চ রেজাল্ট এর মধ্যে যখন কোন শব্দ কে আপনি আলাদা একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রদান করবেন। তখন এক ধরনের বিশেষ ট্যাগ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। যাকে বলা হয়ে থাকে, হ্যাশট্যাগ।

আবার বিষয়টি কে যদি আমি আরেকটু আলাদাভাবে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করি। তাহলে আমি আপনাকে বলব যে, যখন কোন একটি শব্দের শুরুতে # চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়।

এবং উক্ত চিহ্নের পরে যখন কোন প্রকার স্পেস না দিয়ে কোন শব্দকে ব্যবহার করা হয়। তখন সেই হ্যাশ যুক্ত শব্দটি কে বলা হবে হ্যাশট্যাগ।

এবং যখন আপনি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো তে এই ধরনের হ্যাশ যুক্ত কোন শব্দ লিখবেন। তখন কিন্তু সেই শব্দ টি অন্যান্য শব্দের রঙের থেকে একটু আলাদা হবে।

যেমন, আমরা যদি ফেসবুকের মধ্যে কোন ধরনের হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করি। তখন সেই হ্যাশট্যাগ টি দেখতে অনেকটা নীল রঙের হয়ে থাকে।

ঠিক তেমনি ভাবে আপনি অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম এর ক্ষেত্রেও হ্যাশ ট্যাগ গুলো আলাদা রঙের দেখতে পারবেন।

হ্যাশট্যাগ এর চিহ্ন বা সিম্বল

আলোচনার শুরুতেই আমি আপনাকে জানিয়ে দিয়েছি যে, হ্যাশট্যাগ আসলে দেখতে কেমন হয়। তো এরপরও অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকবে যে, হ্যাশ ট্যাগ এর চিহ্ন বা সিম্বল দেখতে কেমন হয়ে থাকে।

মূলত তাদের উদ্দেশ্যে এবার আমি হ্যাশট্যাগ এর চিহ্ন বা সিম্বল কে আপনার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। যেমন ধরুন, আমি আমার ওয়েবসাইটের নামটি হ্যাশট্যাগ এর মধ্যে রাখবো।

সেক্ষেত্রে আমাকে অবশ্যই আমার ওয়েবসাইট এর নামটি (#Banglaitblog) এভাবে লিখতে হবে।

তাহলে আমার ওয়েবসাইটের নামটি মূলত হ্যাশট্যাগ এর সাথে যুক্ত হবে। অপরদিকে আপনি আরো একটি পদ্ধতি অনুসরণ করে এই হ্যাশ ট্যাগ এর ব্যবহার করতে পারবেন।

যেমন, আমি যদি (#_Banglaitblog) আমার ওয়েবসাইটের নামটি ব্যবহার করি।

তাহলে কিন্তু সেটা হ্যাশট্যাগ এর আওতায় পড়বে। আশা করি এই স্বল্প আলোচনা থেকে আপনি হ্যাশট্যাগের সিম্বল কিংবা চিহ্ন সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন।

চলুন এবার হ্যাশট্যাগ সম্পর্কিত অন্যান্য টপিক নিয়ে আলোচনা করা যাক।

হ্যাশট্যাগের আবিষ্কারক কে ?

এতক্ষণের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, হ্যাশট্যাগ কি। এবং এই হ্যাশট্যাগ এর সিম্বল কি রকম। তো আপনি যদি উপরের আলোচনা টুকু মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন।

তাহলে আমার দীর্ঘ বিশ্বাস যে, আপনি এতক্ষণে হ্যাশ ট্যাগ কি সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়ে গেছেন। আর এবার আপনাকে জানতে হবে যে, হ্যাশট্যাগ এর আবিষ্কার কে করেন।

অর্থাৎ বর্তমান সময়ে আমরা যে সোশ্যাল মিডিয়া গুলো তে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করি। সেটি কিন্তু কেউ না কেউ তৈরি করেছে। আর সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জেনে নেওয়া টা আমাদের জন্য অতি প্রয়োজনীয়।

তো যে ব্যক্তি হ্যাশট্যাগ এর আবিষ্কার করেন সেই ব্যক্তির নাম হল, ক্রিস্টোফার রিভস। আর ভালো লাগার মতো বিষয় হল যে, এই ব্যক্তি একজন ব্লগার।

এবং তিনি মার্কিন এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগারদের একজন। সেই সাথে এই ব্যক্তি বক্তৃতা এবং প্রোডাক্ট কনসাল্টেন্ট হিসেবে কাজ করতেন।

আর তিনি হ্যাশট্যাগের ব্যবহার বৃদ্ধি করার জন্য ২০০৭ সালের মধ্যে টুইট করে বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করেছিলেন।

তিনি বলেছিলেন যে, হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট শব্দ কে গ্রুপিং করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি বলেছিলেন যে, হ্যাশট্যাগ এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি চাইলে সোশ্যাল মিডিয়া গুলো তে।

নির্দিষ্ট শব্দ কে ট্যাগ করে রাখতে পারবে। যেন সে গুলো খুব সহজেই মূল বিষয় বস্তুর সাথে জুড়ে থাকতে পারে। এবং পরবর্তী সময়ে মানুষ যেন হ্যাশট্যাগ করে রাখা বিষয় গুলো খুব দ্রুত খুঁজে নিতে পারে।

আর যখন মানুষ এই ভাবে হ্যাশট্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে। তখন কিন্তু মানুষ এর কাছে এই হ্যাশট্যাগ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছিল।

পৃথিবীর সর্বপ্রথম হ্যাশট্যাগ কি ?

যেহেতু আপনি হ্যাশট্যাগ কি সে সম্পর্কে জানতে এসেছেন। সেহেতু অবশ্যই আপনার মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকবে। আর সেই প্রশ্ন টি হল যে, পৃথিবীর সর্বপ্রথম হ্যাশ ট্যাগ কি।

তো জেনে রাখুন, পৃথিবীর সর্ব প্রথম হ্যাশট্যাগ হলো, #barcamp. মূলত যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেছিল। সেই ব্যক্তির নাম হল, মেসিনা।

আর তিনি মূলত ২০০৭ সালে আগস্ট মাসের ২৩ তারিখে এই ট্যাগ টি টুইটারের মধ্যে ব্যবহার করেছিলেন।

যার মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে মানুষ এখন নির্দিষ্ট শব্দ বা কিওয়ার্ড কে হাইলাইট করতে পারবে।

আর টুইটার এর মধ্যে যখন মানুষ এই হ্যাশটটা কে দেখে। তখন অনেকেই নিজের টুইটের মধ্যে (#) ব্যবহার শুরু করেছিল।

আর পরবর্তী সময়ে মানুষের মধ্যে হ্যাশট্যাগ ব্যাপক পরিমাণ জনপ্রিয় হতে থাকে। তবে এখানে আপনার একটা কথা মাথায় রাখা উচিত যে।

আপনি আরোও পড়ুন…

হ্যাশট্যাগ বর্তমান সময়ের সকল ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া গুলো তে ব্যবহার করা হলেও। সবার শুরুটা কিন্তু টুইটার এর মধ্যে হয়েছিল।

অর্থাৎ টুইটার হলো হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের প্রথম, সোশ্যাল মিডিয়া।

হ্যাশট্যাগের ইতিহাস | History of #hashtag

যা অনেকের মধ্যে অন্যতম, তাকে নিয়ে অবশ্যই ইতিহাস রচিত হবে। ঠিক তেমনি ভাবে আমরা যে পরিমাণ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করি।

সেই পরিমাণ অনুযায়ী হ্যাশট্যাগ এরও একটা ইতিহাস থাকা জরুরী। আর এবার আমি আপনাকে হ্যাশট্যাগ এর ইতিহাস জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।

যেখান থেকে আপনি জানতে পারবেন যে, কিভাবে এই হ্যাশট্যাগ এর জন্ম হলো। এবং মানুষ কেন এখন সোশাল মিডিয়া গুলো তে এই হ্যাশট্যাগ কে ব্যবহার করছে।

২০০৭ সাল এর মধ্যে মেসিনা নামক একজন ব্যক্তি, যিনি মূলত টুইটার ব্যবহার করতেন। এবং সেই বছর অর্থাৎ ২০০৭ সালের আগস্ট এর ১৩ তারিখে একটি টুইট করেছিলেন।

যে টুইট এর মধ্যে তিনি barcamp নামের একটি শব্দ ছিল। তবে শুধু শব্দ থাকলে আজকের এই ইতিহাস রচিত হতো না।

কেননা তিনি এই শব্দের আগে একটি (#) ব্যবহার করেছিলেন।

এবং তিনি সবাইকে জানিয়েছিলেন যে, আমরা যদি আমাদের টুইট এর মধ্যে কোন শব্দ কে # এরপরে বসিয়ে দেই। তাহলে সেই শব্দটি আলাদা একটা বেনিফিট বহন করবে।

আর সেটি হল, আমরা যখন কোন শব্দের শুরুতে (#) লাগিয়ে দেই। তখন সেই শব্দটি একটা গ্রুপিং পদ্ধতি তৈরি করবে। যার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে যখন কেউ ওই শব্দটি লিখে সার্চ করে।

তখন খুব দ্রুত সেই শব্দ রিলেটেড যে সকল পোস্ট রয়েছে। বা যে সকল ভিডিও রয়েছে সে গুলো তাৎক্ষণিক ভাবে শো করবে। আর বর্তমান সময়ে শুধুমাত্র টুইটার এর মধ্যে নয়।

বরং আপনি ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গুলো তে। ব্যাপক পরিমাণে হ্যাশট্যাগের ব্যবহার দেখতে পারবেন।

তবে অবাক করার মত বিষয় হলো যে, হ্যাশট্যাগ সর্বপ্রথম টুইটার এর মধ্যে ব্যবহার করা হয়েছিল। সে কারণে যখন ২০০৭ সালে মেসিনা নামক ব্যক্তি সর্বপ্রথম হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করেছিল।

তারপর পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ ২০০৯ সালের জুলাই মাসে টুইটার তাদের সোশ্যাল মিডিয়া তে আনুষ্ঠানিক ভাবে গ্রহণ করে। এবং অন্যান্য টুইটার ইউজারদের হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে বলে।

কেননা তখন টুইটার ভালোভাবে বুঝতে পেরেছিল যে একটি শব্দের শুরুতে যদি হ্যাশ ব্যবহার করা হয়। তাহলে সেই শব্দটি আলাদা একটা হাইপার লিংক বহন করবে।

হ্যাশট্যাগ এর সুবিধা

যাক এতক্ষণের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম হ্যাশট্যাগ কি এবং হ্যাশট্যাগ এর জনক কে। তো এই বিষয় গুলো জানার পাশাপাশি আপনাকে আরও অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জানতে হবে।

সেটি হলো হ্যাশট্যাগ এর বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। মূলত আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন। তাহলে কিন্তু আপনি এই সুবিধা গুলো ভোগ করতে পারবেন।

তাই চলুন, এবার জেনে নেওয়া যাক হ্যাশট্যাগ এর সুবিধা গুলো কি কি।

  1. যদি আপনার ব্যক্তিগত একটি ব্যবসা থাকে। তাহলে আপনি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম টি হ্যাশট্যাগ এর মাধ্যমে হাইলাইট করতে পারবেন।
  2. যখন কেউ হ্যাশট্যাগ দিয়ে কোন শব্দ লিখে সার্চ করবে। তখন সেই ব্যক্তি উক্ত শব্দ রিলেটেড বিভিন্ন ধরনের পোস্ট ভিডিও কিংবা ছবি দেখতে পারবে।
  3. শুধুমাত্র আপনি নয় বরং আপনার মত যত গুলো ইউজার রয়েছে। তারা সবাই এই হ্যাশট্যাগ কে ব্যবহার করতে পারবে। এবং সবাই এই হ্যাশট্যাগ এর সুবিধা ভোগ করতে পারবে।
  4. নির্দিষ্ট কোন বিষয় কে ট্রেন্ডিং এ নিয়ে আসার জন্য হ্যাশট্যাগ বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
  5. যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়া তে কোন কিছু ভাইরাল করতে চান। সে ক্ষেত্রে হ্যাশট্যাগ হবে আপনার জন্য উপযুক্ত মাধ্যম।
  6. অন্যান্য বিষয় গুলোর তুলনায় Hashtag উন্নত হয়ে থাকে এবং নিয়মিত আপডেট থাকে।
  7. Hashtag ব্যবহার করার ফলে আপনি আপনার ব্যবসার প্রচারের মাধ্যমে প্রসার করতে পারবেন।
  8. বিভিন্ন ধরনের তথ্য খোঁজার জন্য হ্যাশট্যাগ অনেক উপকারী ভূমিকা পালন করে।

তো আপনি যদি বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো তে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন।

তাহলে আপনি কি কি সুবিধা পাবেন সেই সুবিধা গুলো নিয়ে উপরে আলোচনা করা হয়েছে।

আর হ্যাশট্যাগ এর সুবিধা গুলো ভোগ করার জন্য আপনারও উচিত সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো তে নির্দিষ্ট কোন টপিক নিয়ে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা

হ্যাশট্যাগ এর প্রয়োজনীয়তা কি?

আলোচনার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আপনি হ্যাশট্যাগ সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পেরেছেন। যেমন, সর্বপ্রথম আমি আপনাকে জানিয়ে দিয়েছি যে হ্যাশট্যাগ কি।

এবং এর পরে আমি ধাপে ধাপ হ্যাশট্যাগ এর ইতিহাস এবং হ্যাশট্যাগ এর সুবিধা গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। তো এবার অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকতে পারে।

আর সেই প্রশ্নটি হল যে, হ্যাশট্যাগ এর প্রয়োজনীয়তা কি।

অর্থাৎ এমন কোন প্রয়োজন রয়েছে, যে প্রয়োজন মেটানোর জন্য আমরা হ্যাশট্যাগ কে ব্যবহার করব। তো চলুন এবার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

মনে করুন, আপনি ফেসবুক ব্যবহার করেন এবং আপনার ফেসবুক আইডির নাম হল নিলয় হাসান। এখন আপনি একাই একমাত্র ব্যক্তি নন, যার নাম শুধুমাত্র নিলয় হাসান।

বরং আপনার মত এমন হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষের রয়েছেন। যাদের নাম হল নিলয় হাসান। তো যখন ফেসবুকের মধ্যে আপনি আপনার নামটা লিখে সার্চ করবেন।

তখন যেন অন্যান্য প্রোফাইল গুলোর উপরে অর্থাৎ সবার প্রথমে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল টি শো করে। যদি আপনি এমনটা করতে চান, তাহলে আপনাকে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে হবে।

কারণ যদি আপনি আপনার ফেসবুক আইডি থেকে প্রতিটা পোস্ট এর মধ্যে # নিলয়হাসান ব্যবহার করেন। তাহলে কিন্তু পরবর্তী সময়ে যখন কোন মানুষ নিলয় হাসান লিখে ফেসবুকে সার্চ করবে।

তখন কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই আপনার ফেসবুক প্রোফাইল টি সবার উপরেই শো করবে। কেননা এই হ্যাশট্যাগ এক ধরনের হাইপার লিংক ক্রিয়েট করে থাকে।

যার মাধ্যমে ইন্টারনেটের মধ্যে থাকা শত শত তথ্যের মধ্যেও, মূল তথ্য টি খুঁজে পাওয়া যায়। আর সেজন্য সোশ্যাল মিডিয়া গুলো তে হ্যাশট্যাগ ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয় হয়েছে।

ফেসবুকে হ্যাশট্যাগ কিভাবে করতে হয়?

যেহেতু আমরা অধিকাংশ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করি। সেহেতু আমরা অনেকেই জানতে চাই যে, ফেসবুকে হ্যাশট্যাগ কিভাবে করতে হয়।

তো আপনি চাইলে খুব সহজেই ফেসবুক এর মধ্যে হ্যাশট্যাগ করতে পারবেন। যেমন ধরুন, আমি বাংলাদেশ কথাটি কে ফেসবুকের মধ্যে হ্যাশট্যাগ করব।

সেক্ষেত্রে আমাকে ফেসবুকের মধ্যে #Bangladesh কথাটি লিখতে হবে। আর যখন আমি বাংলাদেশ শব্দের শুরুতে হ্যাস (#) ব্যবহার করব।

তখন কিন্তু সেটি ফেসবুকের মধ্যে হ্যাশ ট্যাগে এই পরিণত হয়ে যাবে। আশা করি ফেসবুকে হ্যাশট্যাগ কিভাবে করতে হয় সে সম্পর্কে আপনি পরিষ্কার ধারণা পেয়ে গেছেন।

হ্যাশট্যাগ (Hashtag) নিয়ে আমাদের শেষ কথা

আমরা বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষ বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে থাকি। আর এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো তে যে সকল পোস্ট হয়।

সে গুলো তে অনেক সময় আমরা নির্দিষ্ট শব্দের শুরুতে হ্যাশ ‘#’চিহ্নটিকে দেখতে পাই।

মূলত এটি দেওয়ার কারণ হলো তারা তাদের পোষ্টের মধ্যে একটি শব্দ কে হ্যাশ ট্যাগ এর সাথে যুক্ত করেছে। যার ফলে উক্ত শব্দটি একটি হাইপার লিংক এর সাথে যুক্ত হয়েছে। যাকে এক কথায় বলা হয়ে থাকে হ্যাশট্যাগ।

আপনি আরোও দেখুন…

আর এই বিষয় গুলো সম্পর্কে আজকের বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। যে আলোচনার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, হ্যাশট্যাগ কি এবং Hashtag এর সুবিধা গুলো কি কি।

তো আপনি যদি এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো সবার আগে পেতে চান। তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করার চেষ্টা করবেন।

এবং আমাদের এই লেখা সম্পর্কে যদি আপনার কোন ধরনের মতামত থাকে, কিংবা কোন ধরনের অভিযোগ থাকে। তাহলে সেটিও নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

পুরো লেখা টি পড়ার জন্য আপনার জন্য রইল অসংখ্য ধন্যবাদ। পাশে থাকবেন নতুন কিছু জানার জন্য।

4 thoughts on “হ্যাশট্যাগ কি এবং এর ইতিহাস – (Hashtag meaning in Bengali)”

  1. ভাই আমি কি বাংলায় এন্ড্রোয়েড এর ব্যাপারে মাইক্রো নিশ ব্লগ নিয়ে ব্লগিং করলে কি সফলতা আসতে পারে

      1. আমি সব এন্ড্রোয়েড ফোনের ব্যাপারে কন্টেন্ট পাবলিশ করলে হবে কি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top
Share via
Copy link