১০টি স্টুডেন্ট অনলাইন ইনকাম উপায় ২০২১

স্টুডেন্ট অনলাইন ইনকামঃ স্টুডেন্ট থাকাকালীন বেশিরভাগ সময়ে তাদের উপার্জনের প্রথম মাধ্যম হয়ে থাকে টিউশনি করে আয় । অথবা পড়াশোনার পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরে ছাত্র-ছাত্রী  কাজ করে ইনকাম করে থাকে।

তবে যারা শহর এলাকাতে থাকে তারা প্রাইভেট বা টিউশনী করে তাদের জন্য হয়তোবা কিছু অর্থ উপার্জন হয় ।

অনলাইন স্টুডেন্ট ইনকাম করার উপায়
অনলাইন স্টুডেন্ট ইনকাম করার উপায়

কিন্তু বিশেষ করে যারা গ্রামে থাকে তাদেরকে বেশি বেতন দিয়ে প্রাইভেট অথবা কোচিংয়ে শিক্ষার দায়িত্ব দেয়া হয়ে থাকে না।

কারণ সে সকল মানুষ বেশি বেতন প্রদান করে না।

কথা আজকে টিউশন নিয়ে নয় – আজকে কথা বলবো,  কিভাবে স্টুডেন্ট অনলাইন ইনকাম করা যায় ?

কি বোঝতে পারেন নাই তাইতো? —

আপনি যদি পড়াশুনার পাশাপাশি পার্ট টাইম হিসাবে ইনকাম করতে চান তাহলে এর ভিতরে সবচাইতে উত্তম মাধ্যম হলো অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা।

বর্তমান সময়ে স্টুডেন্টদের জন্য এমন কিছু অনলাইন কাজ যা সহজেই করা যায়। যেগুলো ঘরে বসেই তাদের প্রয়োজনীয় কাজগুলো সম্পন্ন করে মাসে একটি ভাল টাকা আয় করা যায়।

আপনি যদি টিউশনী বা অন্যান্য কাজ করে যে টাকা উপার্জন করে থাকেন সেই টাকার পরিমাণ হয়তোবা সীমিত হবে এবং কখনো বাড়বে না।

কিন্তু আপনি যদি স্টুডেন্ট অনলাইন আয় করার উপায় জানেন তাহলে আপনার ইনকাম করার পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকবে।

পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইনে কিভাবে আয় করা যায় এই বিষয় নিয়ে আজকের বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

তাই সম্পূর্ণ পোস্টটি একটু সময় নিয়ে পড়ুন তাহলে আপনি জানতে পারবেন।

কারা অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন

স্টুডেন্ট অনলাইন আয় করার জন্য তেমন কিছু জানা লাগবে এমন না। প্রথমে আপনাকে অনলাইনের ব্যাসিক বিষয় গুলা জানা থাকলে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।

অনলাইনে আমার আপনার মত মানুষেরা ফ্রিলান্সিং করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতেছে। এমনি কি পড়ালেখার পাশা-পাশি কাজ করে আয় করতেছে।

তবে অনলাইনে ফেসবুক আর ইউটিউব ব্যবহার জানলেই যে আয় করতে পারবেন এমন কিন্তু না। বাস্তব জীবনে যেমন কাজ করা ছাড়া কেউ টাকা দিবে না।

আপনার জন্য আরো লেখা…

ঠিক তেমনি অনলাইনে কাজ না জানলে কেউ টাকা দিবে না। কাজ করার আগে আপনাকে কোন একটি কাজ ভাল ভাবে জানা থাকা লাগবে।

তাই অনলাইন স্টুডেন্ট ইনকাম করার জন্য বেশ কিছু উপায় নিয়ে আলোচনা করব।

কিভাবে অনলাইনে আয় করতে পারবেন এবং অনলাইনে সেই আয় করা টাকা গুলো কিভাবে নিজের পকেট পর্যন্ত আনবেন। এ বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে আমার এই আর্টিকেলে।

#01: ইউটিউব থেকে ইনকাম করে

ইউটিউব এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে ছোট থেকে শুরু করে বড়দের জন্য অসংখ্য ভিডিও আপলোড করা রয়েছে। আপনি যদি একটানা 24 ঘন্টা করে প্রত্যেকদিন ইউটিউব এর ভিডিও গুলো দেখেন তাও শেষ হবে না।

আপনি কি জানেন কেন বা কারা ইউটিউবে এই ভিডিওগুলো আপলোড দেয়?

চলুন যেনে নেওয়া যাক কারা ইউটিউবে ভিডিও আপলোড দেয় এবং কেন আপলোড দেয়।  তাদের লাভ কী ক্ষতি কি ?

ইউটিউব এর ভিডিও গুলো কখনো একা একা আপলোড হয়না । আপনার মত বা আমার মত মানুষেরাই ইউটিউব প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড দিয়ে থাকে।

মানুষেরা ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে থাকে কারণ ইউটিউব থেকে ভিডিওর মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। আর এই টাকাগুলো গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আপনার ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়ে থাকে।

আবার ভাইবেন না যে, একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে ভিডিও আপলোড করলেই আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা চলে আসবে।

ইউটিউব থেকে আয় করতে হলে কিছু ট্রামস এন্ড কন্ডিশন গুলো পূরণ করার পর আপনি ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল থেকে ইনকাম করা যায় এবং কি কি লাগে।

ইউটিউব থেকে আয় করতে কি কি লাগে?

ইউটিউবিং করার জন্য আপনার বড় কোন স্টুডিওর  প্রয়োজন নেই। প্রথম প্রথম আপনি যে অবস্থায় আছেন সে অবস্থা থেকে শুরু করতে পারেন।

আপনার হাতে থাকায় স্মার্টফোন অথবা এন্ড্রয়েড মোবাইল টির ব্যবহার করার মাধ্যমেই ইউটিউবিং করে ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে। ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য অবশ্যই আপনার একটি জিমেইল একাউন্ট খুলতে হবে।

আশাকরি আপনার একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট রয়েছে। জিমেইল একাউন্টের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারবেন।

[Article Note: ইউটিউব চ্যানেল খোলা নিয়ে সম্পন্ন একটি বাংলা আর্টিকেল আমার এই ব্লগের পাবলিশ করা হয়েছে। এখান থেকে পড়ে নিতে পারেন কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হয় ]

ইউটিউব থেকে ইনকাম করার জন্য আমাদের প্রথম টার্গেট থাকবে গুগল এডসেন্স। কেননা গুগল এডসেন্স থেকে খুব ভালো পরিমাণের ইনকাম করা যায়।

ইউটিউব চ্যানেল খোলার পর অবশ্যই আপনার চ্যানেলটিকে ভালো করে কাস্টমাইজেশন করে নেবেন। কাস্টমাইজেশন বলতে বুঝায় আপনার ইউটিউব চ্যানেলের একটি ভালো প্রোফাইল পিকচার দিবেন।

একটি কভার ফটো দিবেন এবং আপনার ডিসক্রিপশন বক্স গুলো সুন্দর করে লিখে দিবেন যে আপনার চ্যানেলটা কি রিলেটেড।

ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে চাইলে প্রথমে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম পূর্ণ করতে হবে। তারপর আপনার চ্যানেলে 1000 সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।

আর অবশ্যই আপনার ইউটিউব ভিডিওর মালিক আপনাকে থাকতে হবে। অর্থাৎ অন্য কারো ভিডিও ডাউনলোড করে অথবা এডিট করে আপনার চ্যানেলে আপলোড করা যাবে না।

কখনোই আপনি ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করতে পারবেন না যদি এভাবে ইউটিউবে কাজ করেন। তাই সব সময় আপনার নিজের বানানো ভিডিওগুলো আপলোড করবেন।

আপনার যখন 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম এবং 1000 সাবস্ক্রাইবার হয়ে যাবে তখন গুগfল অ্যাডসেন্সে আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি এপ্লাই করার পর তারা রিভিউ  করবে।

রিভিউ করার পর যদি দেখে আপনার চ্যানেল সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে আপনার চ্যানেলে মনিটাইজেশন অন করে দিবে। আর মনিটাইজেশন অন হয়ে গেলে আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

#02: ব্লগিং করে ইনকাম করা

আচ্ছা আপনি কি কখনো ব্লগিং করে ইনকাম করার কথা শুনেছেন?  এমন হয়ত শুনেছেন যে ব্লগিং করে ইনকাম করা যায় অথবা আর্টিকেল লিখে ইনকাম করা যায়।

তবে কিভাবে অনলাইন থেকে ব্লগিং করে আয় করা যায় এ বিষয়ে হয়তো ধারণা নেই তো আজকে আমি আপনাকে ধারণা দিব কিভাবে ব্লগিং করে ইনকাম করা যায়।

প্রথমত যারা ব্লগিং করে ইনকাম করতে চায় তাদের টার্গেট থাকে গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম করার । তারপর মুটা-মুটি যখন ব্লগিং সম্পর্কে একটা ধারণা আইডি হয়ে যায়।

তখন অন্যান্য উপায়ে যেমনঃ  এফিলিয়েট, স্পনসর্শিপ এবং অন্যান্য উপায়ে ব্লগিং থেকে আয় করা যায়।

কিভাবে ব্লগিং করে ইনকাম করা যায়

অনলাইনে যেহেতু আপনি নতুন অর্থাৎ অনলাইন ইনকাম রিলেটেড সম্পর্কে ধারনা কম। সেজন্য আমি আপনাকে সাজেস্ট করব ব্লগিং করে অনলাইন থেকে ইনকাম করার ব্যাপারে।

কেননা এটা তুলনামূলকভাবে অন্যান্য কাজের থেকে সহজ হয়।  আপনার যদি মোটামুটি আর্টিকেল অর্থাৎ লেখালিখির অভ্যাস থাকে। তাহলে খুব সহজেই গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ব্লগ সাইট থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

কিভাবে ব্লগিং করে আয় করবেন এ বিষয়ে হয়তো আপনার অনেক প্রশ্ন জেগেছে যে,

  1. ব্লগিং করে আয় করতে হলে প্রথমে আমাকে কি করতে হবে?
  2. ব্লগিং করার জন্য কি কি লাগবে?
  3. কত টাকা খরচ হবে?
  4. আর কিভাবে শুরু করব?

আপনার মনে যদি এই প্রশ্নগুলো জেগে থাকে চলুন এই প্রশ্নের উত্তর জেনে নেয়া যাক স্টেপ বাই স্টেপ।

১# ব্লগিং করে আয় করার জন্য প্রথমে আপনার একটি ব্লগ সাইট বলেন বা ওয়েবসাইট বলেন থাকতে হবে। এবং তারপর সে ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইটে ইউনিক লেখা পোস্ট করতে হবে।

হতে পারে লেখাগুলো বিজ্ঞান সম্পর্কে বা অনলাইন আয় সম্পর্কে বা শিক্ষা বিষয় সম্পর্কে অথবা হেলপ সম্পর্কে যাইহোক ইউনিক লেখা থাকতে হবে।

২# ব্লগিং করার জন্য মূলত আপনাকে একটি ডোমেইন ক্রয় করতে হবে এবং হোস্টিং করে করতে হবে। আপনি যদি চান যে হোস্টিং ক্রয় না করে শুধুমাত্র ডোমেইন ক্রয় করে ব্লগিং করবেন তাহলে তাই করতে পারেন।

কেননা গুগলের একটি সার্ভিস ব্লগার এর মাধ্যমে আপনি একটি ফ্রি ব্লগ সাইট বানাতে পারবেন। এবং সেখানে আপনার ক্রয় কৃত ডোমেইনটি সেটআপ করে খুব সহজেই ফ্রিতে ব্লগিং করতে পারবেন।

৩# ব্লগিং করার জন্য কত টাকা খরচ হবে?  তাহলে শুনুন-  যদি ডোমেইন ক্রয় করে গুগলের ব্লগের মাধ্যমে ব্লগিং করেন। তাহলে  ১০০০ টাকার ভিতরে এক বছরের জন্য একটি ডোমেইন কিনতে পারবেন।

আর আপনি যদি চান blogger  ছাড়া ওয়ার্ডপ্রেস থেকে ব্লগিং করেন তাহলে আপনাকে একটি হোস্টিং প্যাকেজ কিনতে হবে।  একটি হোস্টিং প্যাকেজের দাম বছরে সর্বনিম্ন ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা হয়ে থাকে।

এবং প্রত্যেক বছর আপনাকে ডোমেইন এবং হোস্টিং সেম দামে আবার ক্রয় করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি গুগলের ব্লগার থেকে ব্লগিং করেন। তাহলে শুধুমাত্র ডোমেইন রিনিউ করলে আপনার হয়ে যাবে।

আপনার জন্য আরো…

৪# আচ্ছা এখন আমাদের ওয়েবসাইটে হলো ডোমেইন ক্রয় করা হলো অথবা হোস্টিং কেনা হলো । তাহলে কিভাবে ব্লগিং শুরু করব?

আপনি কোন বিষয় নিয়ে লিখতে চান তা গুগল এ সার্চ করুন।  অন্যরা কি লেখালেখি করেছে সেখান থেকে আইডিয়া জেনারেট করে আপনার নিজের মত করে এসিও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল করে লেখার চেষ্টা করুন।

এবং আপনার ব্লগ সাইটে যখন ৩০-৪০ টি পোস্ট  হবে। তখন গুগল এডসেন্সে এপ্লাই করার পর ওয়েবসাইট এডসেন্সে এক্সেপ্ট করা হলে। ওয়েবসাইটে গুগলের বিজ্ঞাপন বসিয়ে আয় করতে পারবেন।

[Pro Note: আপনি যদি জেনে না থাকেন কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে হয় তাহলে এইখান থেকে লেখার নিয়ম টি করে নিতে পারেন ]

#03: অ্যাপ থেকে ইনকাম করা

ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার অনেক উপায় আছে কিন্তু তার ভিতর থেকে আপনার জন্য পারফেক্ট কাজটি খুজে নিতে হবে। আর সেই কাজ কে গুরত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে।

টাকা আয় করার apps হতে পারে আপনার জন্য অনলাইন থেকে ইনকাম করার উপায়। বর্তমান সময়ে দেশি-বিদেশি অনেক অ্যাপ রয়েছে। সেখান থেকে খুব সহজে ছোট ছোট কাজ করে একটি ভালো পরিমাণের এমাউন্ট ইনকাম করে নিতে পারবেন।

ঘরে বসে মোবাইলে আয় জন্য প্রথমত আমি আপনাকে সাজেস্ট করবো কিছু বাংলাদেশ অ্যাপ দেখান থেকে খুব সহজে আয় করতে পারবেন।

Bkash App থেকে আয়

আপনি চাইলে বিকাশ এপ এর রেফার করে ইনকাম করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার একাউন্টের রেফারেল লিংক থেকে কেউ যদি অ্যাকাউন্ট খুলে এবং লেনদেন করে তাহলে প্রত্যেক একাউন্টের জন্য আপনি 100 টাকা করে পাবেন।

তার মানে হল প্রতিদিন আপনার রেফারেল লিংক থেকে পাঁচটি একাউন্ট খুলে দিতে পারেন তাহলে আপনি পাবেন 500 টাকা। আর এভাবে আপনি যত অ্যাকাউন্ট খুললে দিবেন তত টাকা পাবেন

এছাড়াও আপনি  নগত, উপায়, রকেট একাউন্ট থেকে রেফারেল মাধ্যমে খুব সহজেই করতে পারবেন । আপনাকে শুধু আপনার রেফার লিংক গুলোর সাহায্যে অ্যাপ ডাউনলোড করে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

#04: ফাইবার থেকে  টাকা ইনকাম

বর্তমান বিশ্বে যে সকল বড় বড় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট রয়েছে সেগুলোর মধ্যে ফাইবার অন্যতম। আপনার যদি অনলাইন কাজ সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা থাকে।

যেমন – কনটেন্ট রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন,  ওয়েব ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ডাটা এন্ট্রি এবং ডিজিটাল মার্কেটিং সর্ম্পকে ধারনা থাকে তাহলে খুব সহজেই ফাইবার থেকে আপনার কাংখিত কাস্টমার পেয়ে যাবেন।

ফাইবার হলো একটি তৃতীয় পক্ষ প্রতিষ্ঠানে অর্থাৎ ক্রেতা-বিক্রেতার এরমধ্যে ভালো সম্পর্ক এবং লেনদেন সম্পর্কে দায়িত্ব নিয়ে থাকে।

#05: কনটেন্ট রাইটিং করে ইনকাম

স্টুডেন্ট অনলাইনে ইনকামের জন্য কনটেন্ট রাইটিং একটি ভালো ধরনের পেশা হতে পারে। আপনার যদি লেখালেখির ক্রিয়েটিভিটি থাকে তাহলে আপনার লেখার মাধ্যমে অনলাইনে টাকা আয় করতে পারবেন।

কনটেন্ট মূলত অনেক ধরনের হয়ে থাকে  যেমন-

  • ভিডিও কনটেন্ট
  • অডিও কনটেন্ট
  • ইমেজ কনটেন্ট
  • টেক্সট কন্টেন

যেহেতু আমরা কনটেন্ট রাইটিং করে ইনকাম করার কথা বলেছি তার জন্য টেক্স কনটেন্টের কথা নিয়ে আলোচনা করবো। বর্তমানে অনেক এজেন্সি রয়েছে এবং  ব্লগ সাইটের মালিক রয়েছে যারা কনটেন্ট রাইটার হায়ার করে ।

আপনি যদি সে সকল ওয়েবসাইট খুঁজে বের করতে পারেন এবং আপনার লেখার ক্রিয়েটিভিটি দেখাতে পারেন। তাহলে আপনি লং টাইম এর জন্য সে সকল ওয়েবসাইট বা এজেন্সির মাধ্যমে লেখা জমা দিয়ে আয় করতে পারবেন।

কিছু কিছু ব্লগ সাইটের মালিক রয়েছে যারা লেখালেখি করে আয় করার টাকা বিকাশে পেমেন্ট করে থাকে।

#06: অনলাইনে ছবি বিক্রি করে ইনকাম

আপনি যদি অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় ২০২১ সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমি বলব ঠিক জায়গাতেই এসেছেন। আমরা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে নানা রকম ছবি তুলে থাকি।

যেমন – পাহাড়-পর্বত, নদ্‌ সাগর, গাছপালা ছবিগুলো মোবাইলে ধারণ করে থাকি। আচ্ছা কেমন হয় যদি সে সকল ছবিগুলো বিক্রি করে অনলাইনে আয় করা যায়?

অবাক করার মতো হলেও সত্য যে অনলাইনে ছবি বিক্রি করে ইনকাম করতে পারবেন । আমি বেশ কিছু ওয়েবসাইটের নাম নিচে দেব যেগুলোর মাধ্যমে আপনার তোলা ছবিগুলো বিক্রি করে ইনকাম করতে পারবেন।

আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছবি তুলে অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন সেসকল ওয়েবসাইটের নাম নিম্নে দেওয়া হলঃ

  1. Shutterstock
  2. Adobe Stock
  3. Fotomoto
  4. Crestock
  5. Alamy
  6. Etsy
  7. PhotoShelter
  8. 500px
  9. Snapped4u
  10. TourPhotos

এই সকল ওয়েবসাইটে ছবি উপলোড করে বিক্রি করে ইনকাম করতে পারবেন।

#07: ডাটা ইন্ট্রির কাজ করে আয়

বিভিন্ন তথ্য বা লেখাগুলোকে একসঙ্গে কম্পিউটারে লিপিবদ্ধ করাকেই ডাটা এন্ট্রি বলে । আরও সহজ ভাবে বললে বলা যায়,  যদি আপনার একটি বড় শপিং মল থাকে।

এবং বিভিন্ন প্রকারের হিসাবের লিস্ট বা মালা মালের বিক্রির লিস্ট কম্পিউটারে ফাইল হিসাবে  সংরক্ষন করে রখার প্রয়োজন হয়। কিন্ত ব্যবসার কাজের পাশে ডাটা ইন্ট্রির কাজ গুলা করার জন্য অনেক সময় লেগে যায়।

সে জন্য ডাটা এন্ট্রির করার লোকের প্রয়োজন হয়। আপনার যদি হাতের টাইপ ভাল স্পিড থাকে এবং মাইক্রোসফট ওয়াড এবং মাইক্রোসফট এক্সেলে ভাল দক্ষতা থাকে। তাহলে ঘরে বসে ডাটা এন্ট্রির কাজ করে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

ডাটা এন্ট্রির কাজ গুলা মূলত এরকম হয়ে থাকে…

  • PDF To Docx
  • Docx File To PDF
  • Image To Dicx File
  • Hand Write to PDF

#08: গ্রাফিক ডিজাইন করে ইনকাম

গ্রাফিক ডিজাইন বর্তমান সময়ে একটি বিরাট বড় অনলাইনের এবং অফলাইনের জায়গা দখল করে আছে। প্রায় প্রত্যেকটি কাজে গ্রাফিক ডিজাইন প্রয়োজন হয়ে থাকে।

স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যানার, পোস্টার, লিফলেট, লোগো এবং অন্যান্য অনেক কাজে প্রয়োজন হয়ে থাকে। আপনার যদি গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে মোটামুটি আইডিয়া থাকে তাহলে স্কিল ডেভলপ করতে লেগে পড়ুন।

আর আপনি যদি ব্যাসিকও না বুঝে থাকেন। তাহলে গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে আমার আগের একটি আর্টিকেল ব্লগে পাবলিশ করা হয়েছে। সেই আর্টিকেলে গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে অনেক কিছু যেনে যাবেন।

কিভাবে গ্রাফিক ডিজাইন করে আয় করা যায়?

দেখুন বর্তমানের যুগ কম্পিটিশনের যুগ । আপনি যত বেশি ক্রিয়েটিভিটি দেখাতে পারবেন আপনার তত বেশি অনলাইনে আয় বাড়বে। অর্থাৎ কাজ করলে যেমন বাস্তবে টাকা পাবেন ঠিক তেমন অনলাইনে কাজ করার পরেই টাকা পাবেন।

আপনি যত বেশি সুন্দর করে কাজ করতে পারবেন। আপনার ডিমান্ড তত বেড়ে যাবে। তাই অনলাইনে গ্রাফিক ডিজাইন করে আয় করার আগে অবশ্যই গ্রাফিক ডিজাইন রিলেটেড কাজগুলো শিখে নিতে হবে।

গ্রাফিক ডিজাইন থেকে আয় করার জন্য কি কি কাজ শিখতে হয়?

এবার আপনি সঠিক প্রশ্নটির উত্তর জানবেন যে গ্রাফিক ডিজাইন থেকে ইনকাম করতে হলে আপনাকে কোন কোন ধরনের কাজ গুলো শিখতে হবে বা করতে হবে।

  • ব্যানার ডিজাইন
  • লিফলেট ডিজাইন
  • কভার পেজ ডিজাইন
  • পিএসডি ডিজাইন
  • লোগো ডিজাইন
  • ভেক্টর ডিজাইন
  • পোস্টার ডিজাইন
  • বিজনেস কার্ড ডিজাইন

এছাড়াও আরও অনেক ধরনের গ্রাফিক ডিজাইন রিলেটেড কাজ রয়েছে যেগুলো আপনাকে শিখে নিতে হবে যদি মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অনলাইনে আয় করতে চান।

গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ গুলা করার জন্য কি কি সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়ে থাকে?

  • Adobe Photoshop
  • Adobe Illustrator
  • Adobe InDesign
  • Affinity Designer
  • Gravit Designer
  • Sketch
  • Infinite Design
  • Inkscape
  • Vectr
  • Adobe Comp
  • Genially

এছাড়াও কাজের ধরন হিসেবে আরো অন্যান্য সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়ে থাকে গ্রাফিক ডিজাইন রিলেটেড কাজগুলোর জন্য।

গ্রাফিক ডিজাইন করে আয় করার জন্য অনেক বড় বড় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে ক্লায়েন্ট সংগ্রহ করে কাজ করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট এর ভিতরে-

  • ফাইবার
  • আপওয়ার্ক
  • ফ্রিল্যান্সার
  • পিপল পার আওয়ার

এই ওয়েবসাইটগুলো জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। আমি মনে করি স্টুডেন্ট অনলাইন ইনকামের এই কাজগুলো যদি আপনি শিখতে পারেন। তাহলে একটি ভালো পরিমাণের টাকা ইনকাম করতে পারবেন পড়াশোনার পাশাপাশি।

আমাদের শেষ কথাঃ

পড়াশোনার পাশাপাশি ইসটুডেন অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে একটি সম্পূর্ণ ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছি।  এরপরেও যদি আর্টিকেলে কোন জায়গায় বুঝতে অসুবিধা হয় অবশ্যই কমেন্ট করবেন।

আপনার কমেন্টের যথাযথ মূল্যায়ন করে সঠিক উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব। স্টুডেন্ট অনলাইন ইনকাম ছাড়াও আমাদের ব্লগে আরো অন্যান্য উপায়ে কিভাবে অনলাইনে আয় করা যায়।

আপনি আরো পড়ুন…

এ বিষয়ে অনেক আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়েছে। আপনি চাইলে অনলাইনে ইনকাম ক্যাটাগরি থেকে দেখে নিতে পারেন। নতুন আরো  অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন।

আমাদের বাংলা আইটি ব্লগের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ…

Related article

1 thought on “১০টি স্টুডেন্ট অনলাইন ইনকাম উপায় ২০২১”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখা কপি করবেন না!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap