বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট ২০২১

বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম : আপনি কি বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা ইনকাম করতে চান? তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি শুধুমাএ আপনার জন্যই লেখা হয়েছে।

কারন আজকের আর্টিকেলে আমি বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম নিয়ে আলোচনা করবো। কিভাবে বাংলাদেশি টাকা ইনকাম করার অ্যাপ পাবেন। এবং কোন কোন বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে আয় করা যায়।  

দেখুন বর্তমানে আপনার মতো অনেকেই তাদের হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়ে Online Income করছে। হয়তবা কেউ অনলাইন ইনকাম ওয়েবসাইট এ কাজ করছে। আবার কেউ কেউ বিভিন্ন Mobile Apps এ কাজ করে ইনকাম করছে।

বাংলাদেশি App দিয়ে ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট
বাংলাদেশি App দিয়ে ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট

শুধু তাই নয়, বর্তমানে অনলাইন ইনকাম এর পদ্ধতি গুলো দিনকে দিন সহজ থেকে সহজতর হয়ে উঠছে। আর আপনি এই ইনকাম করার সুযোগ গুলোকে যতো সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।

আপনার অনলাইন ইনকাম এর পথ গুলোও ঠিক ততোটাই প্রসশ্ত হবে। 

ঠিক তেমনি ভাবে বর্তমানে এমন কিছু বাংলাদেশি আয় করার অ্যাপ আছে। যেগুলোতে আপনি সঠিকভাবে কাজ করতে পারলে। প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

শুধু তাই নয়, আপনি যদি বাংলাদেশি আয় করার অ্যাপ গুলো তে কাজ করে টাকা ইনকাম করেন। তাহলে আপনার উপার্জন করা টাকা গুলো আপনার নিজের BKash Payment এর মাধ্যমে উওলন করতে পারবেন।

তো কিভাবে আপনি বাংলাদেশি App দিয়ে টাকা ইনকাম করবেন। এবং তার জন্য আপনার কি কি জানতে হবে। কি কি কাজ করতে হবে ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে আজকে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

তাই আপনার হাতে যদি সময় থাকে, তাহলে আজকের এই মূল্যবান আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। তাহলে মোবাইল বাংলাদেশি এপ থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। 

সত্যি কি বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা ইনকাম করা যায়? 

এই প্রশ্নটি শুধুমাত্র আপনার নয়, বরং প্রত্যেকটা মানুষের মনে এই প্রশ্নটি জেগে থাকে ৷ তাই এই প্রশ্নের উওরটা একটু ক্লিয়ার ভাবে আলোচনা করবো। যেন আপনার মনে কোনো প্রকার সংশয় না থাকে।

দেখুন বর্তমান সময়টা হলো, অলাইন নির্ভর একটা যুগ। যেখানে আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা অনলাইনে সময় ব্যয় করছি।

আবার এমন অনেকেই আছেন, যারা অনলাইনে অযথা সময় ব্যয় না করে ছোটো খাটো কিছু কাজ করে বেশ ভালো পরিমানে ইনকাম জেনারেট করতে পারছে।

অনলাইনে আয় করার আরো উপায়…

তো যদি আমি উদাহরন হিসেবে কয়েক বছর আগে কথা বলি ৷ তাহলে আগের দিন গুলোতেও বিভিন্ন অ্যাপ থেকে ইনকাম করা যেত ৷ কিন্তুু সেই অ্যাপ গুলোতে কাজ করার নানা রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো।

কোথাও বাংলাদেশের আইপি সাপোর্ট করতো না আবার কিছু কিছু ইনকাম করার অ্যাপ গুলোতে কাজ করার পর পেমেন্ট করার সময় নানান ধরনের সমস্যা দেখা দিত ৷

কিন্তুু সেই পুরোনো দিন গুলো ক্রমশ বদলে যেতে শুরু করছে। বিদেশীদের পাশাপাশি বাংলাদেশেও এখন অনেক অ্যাপ চালু হয়ে গেছে। যেখানে আপনি অনেক ছোটো খাটো কাজ করলে বেষ ভালো পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ভাই সত্যি কি বাংলাদেশি টাকা আয় করার অ্যাপ আছে? 

উওরে বলবো, হ্যাঁ! আজকের দিনে বাংলাদেশে এমন অনেক অ্যাপ রয়েছে। কিন্তুু সমস্যা হলো, কোন অ্যাপ গুলোর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে হয়।

তা এখনও অনেকের কাছেই অজানা রয়ে গেছে। যার কারনে আপনি অনলাইন ইনকামের এতো সহজ পদ্ধতি থাকার পরেও কাজে লাগাতে পারছেন না। 

কেন বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে আয় করবেন? 

এবার হয়তবা আপনি ভাবতে পারেন যে, বর্তমানে এতো আয় করার অ্যাপ থাকার পরেও আপনি কিসের জন্য বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে ইনকাম করবেন?

আপনি যদি বাংলাদেশি ইনকাম করার অ্যাপ এ কাজ করেন। তাহলে কি কি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন?

ওয়েল! যখন আপনি দেশীয় কোনো পন্য ব্যবহার করবেন৷ তখন আপনি নানা রকমের সুবিধা ভোগ করবেন। এটা তো আমাদের সবারই জানা আছে, তাইনা?

ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যখন মোবাইল দিয়ে ইনকাম করার কথা ভাববেন। তখন সবার আগে দেশীয় আ্যপ গুলোতে কাজ করা উচিত। এতে করে মোবাইল দিয়ে আয় করার পদ্ধতিতে আপনার ভেতরে পজেটিভ ইফেক্ট ফেলবে।

তো যদি আপনি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার আমাদের Bangladeshi Income App এ কাজ করেন। তাহলে বেশ কিছু সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। যেমন,

#No-1: Trusted For Bangladeshi Income Apps

 হুমমম, আপনি যদি আমাদের দেশী এপস গুলো তে কাজ করেন। তাহলে সবার আগে আপনি যে সুবিধাটি ভোগ করবেন, সেটি হলো বিশ্বশ্ততা। যা আপনি অন্য কোথাও পাবেন না।

দেখুন, কয়েক বছর আগে যখন আমি বিভিন্ন টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট বা টাকা ইনকাম করার অ্যাপ গুলোতে কাজ করতাম। তখন সবচেয়ে বেশিরভাগ সময় বিশ্বস্ততা নিয়ে বেশ টেনশন করতে হতো।

কারন আমি যে ইনকাম এপস গুলোতে কাজ করতাম। তার মধ্যে বেশিরভাগ ই ছিলো প্রতারনার নতুন ফাঁদ। কারন টাকা ইনকাম করার আশায় তো আমি কাজ ঠিকই করতাম।

কিন্তুু কাজ শেষে যখন পেমেন্ট নেয়ার জন্য উইথড্র করতাম। ঠিক তখনি ঘটতো নানা বিপওি।

কারন সেই সময়ে আমি জানতাম না যে, তারা এপস এর মালিকরা আমাকে দিয়ে শুধু কাজ করিয়ে নিচ্ছে। কিন্তুু তাদের পেমেন্ট করার কোনো আগ্রহ নেই। যাকে এক কথায় বলা হয়, বাটপারি লেভেল ম্যাক্স প্রো।

কিন্তুু আপনি যদি টাকা আয় করার জন্য বাংলাদেশি ইনকাম করার এপস কে বেছ নেন। তাহলে কিন্তুু এই প্রতারনা থেকে অনেকটাই রেহাই পাবেন৷ কারন দেশিও এপস গুলো কতটুকু বিশ্বস্ত, তা আপনি খুব সহজেই খুজে নিতে পারবেন।

[💡PRO TIPS: আপনি যেকোনো এপস এ কাজ করুন না কেন। মনে রাখবেন, কাজ করার আগে অবশ্যই Google থেকে সেই এর রিভিউ দেখে নিবেন। এর ফলে প্রতারিত হওয়ার মতো কোনো আশঙ্কা থাকবে না। ]

আর মূলত এই কারন গুলোর জন্য আপনার উচিত যে, বাংলাদেশি ইনকাম করার এপস এ কাজ করা। 

#No-2: Easy Payment Method 

আপনি সবচেয়ে বেশি সুবিধাটি লক্ষ্য করতে পারবেন তা হলো, সহজ পদ্ধতিতে পেমেন্ট নেয়া। যা আপনি অন্যান্য কোনো এপস এ পাবেন না।

দেখুন আপনি যদি এখনও বাইরের কোনো দেশের ইনকাম করার এপস এ কাজ করেন। তাহলে আপনাকে প্রতিনিয়ত যে সমস্যাটিতে পড়তে হবে, তা হলো পেমেন্ট মেথডে।

কারন অন্যান্য দেশের পেমেন্ট মেথড গুলো একটু ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

যেমন, আমি একটা Online Income App এ প্রায় ২ মাস কাজ করছিলাম। এবং এই দুই মাসে ঐ এপস এ আমার টোটাল ডলার জমা হয়েছিলো 30 Dollars. কিন্তুু যখন আমি সেই ডলারকে উইথড্র করতে যাই।

তখনি দেখি যে সেখানে PayPal ছাড়া আর অন্য কোনো উইথড্র করার সিস্টেম নেই।

কিন্তুু আপনি তো জানেন, আমাদের সোনার দেশ বাংলাদেশে পেপাল কে সম্পূর্ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তখন আমি অনলাইনে বিভিন্ন Dollar Exchange Website গুলো তে নক করে আমার উপার্জিত ডলার গুলোকে সেল করে দেই।

কিন্তুু এর পরে তো আমি রীতিমতো অবাক হয়ে যাই।

কারন আমি যে সাইটে গিয়ে ডলার গুলো সেল করছিলাম। তারা আমার ডলার গুলো তো ঠিক ই নিয়েছিলো। কিন্তুু যখন আমার BKash Payment এর সময় আসলো ৷

তখন তারা আর আমার সাথে কোনো যোগাযোগ রাখলো না। যার ফলে ২ মাসের কষ্টের টাকা গুলো জলে চলে যায়।

তবে আপনি যদি Bangladeshi Income Apps গুলোতে কাজ করেন। তাহলে কিন্তুু আপনাকে এই সমস্যা গুলোর সম্মুখীন হতে হবে না।

কারন যেহুতু দেশি অ্যাপ সেহুতু আপনি যখন তখন যেকোনো মাধ্যমে পেমন্ট নিতে পারবেন। যেমন, BKash Payment, Nogod Payment, Mobile Recharge ইত্যাদি মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা উওলন করতে পারবেন। 

বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা আয় করার উপায়

এবার আপনার জানা উচিত যে, আপনি আসলে কোন উপায় অবলম্বন করে বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা ইনকাম করবেন। তো চলুন এবার সে বিষয় সম্পর্কে একটু ক্লিয়ার ধারনা নেয়া যাক।

দেখুন যে এপস গুলো থেকে ইনকাম করা হয়। সেই এপস গুলোতে সচরাচর Micro Job এর পরিমানটা বেশি লক্ষ্যে করা যায়।

[💡PRO TIPS: অনলাইনে যেসব ছোটো খাটো কাজ দেখতে পাওয়া যায়। সেগুলোকে বলা হয় মাইক্রো জব। যেমন, ফেসবুক আইডি তৈরি করা, ফেসবুক লাইক, কমেন্ট, Gmail Id তৈরি করা, ভিডিও দেখা ইত্যাদি।]

কিন্তুু যখন আপনি বাংলাদেশি আয় করার অ্যাপ গুলোতে কাজ করবেন। তখন আপনাকে মাইক্রো জব এর পাশাপাশি রেফার এর কাজ গুলোতে একটু বেশি প্রাধান্য দিতে হবে।

কারন, মাইক্রো জব করার বিনিময়ে আপনি যে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তার প্রায় দ্বিগুন বা তিন গুন বেশি টাকা আয় করতে পারবেন ৷ যদি আপনি তাদের Referrer Programme এ যুক্ত হতে পারেন ৷

যেমন, আপনি যদি একটি মাইক্রো জব করার পরে ১০/- টাকা ইনকাম করতে পারেন। তাহলে অপরদিকে আপনি একটি রেফার করার বিনিময়ে ১০০ থেকে ২০০/- পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।

[💡NOTE: রেফার করার অর্থ হলো, আপনি যে এপস বা সাইটে কাজ করবেন ৷ সেখানে আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষকে যুক্ত করা। যাকে সহজ ভাষায় বলা হয়, রেফারেন্স প্রোগ্রাম।]

তাই আপনিও যদি বেশি পরিমানে ইনকাম করতে চান ৷ তাহলে আপনাকে রেফারেল করার কাজটিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

কোন বাংলাদেশি এপস থেকে টাকা আয় করা যায়? 

এবার আসা যাক মূল টপিকে। আপনি এতোক্ষন ধরে বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা আয় করা নিয়ে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারলেন।

এর পাশাপাশি,  বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা ইনকাম করার কিছু সুবিধা সম্পর্কেও জানতে পেরেছেন ৷

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ভাই সবি তো বুঝলাম। কিন্তুু আমার কোন এপস গুলোতে কাজ করা উচিত?

যেখানে বিশ্বস্ততাও থাকবে এবং এর পাশাপাশি খুব সহজে পেমেন্ট নেওয়া যাবে? তো চলুন এবার সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

[Warning: দেখুন আর্টিকেলের এই পর্যন্ত পড়ার পড় হুটহাট করে যেকোনো দেশীয় এপস এ কাজ করতে যাবেন না। কারন বাঙ্গালীরা যে বিশ্বের মধ্যে সেরা ধোঁকাবাজ সেটা আপনার থেকে আর কেউ ভালো জানে না।]

তাই অন্যান্য দেশীয় এপস এ কাজ করার আগে অবশ্যই নিচে উল্লেখিত এপস গুলোতে আগে কাজ করার চেস্টা করবেন।

তো বিশ্বস্ততার সাথে কাজ করা এবং সহজেই পেমেন্ট পাওয়া যাবে এমন অনেক বাংলাদেশি এপস আছে। যেমন, 

#No-1: BKash Limited (BD Online Income App)

আমরা সবাই জানি যে বর্তমান সময়ে টাকা আদান প্রদান করার জন্য BKash এর জনপ্রিয়তা একেবারে তুঙ্গে রয়েছে।

আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় বেশিরভাগ মানুষ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টাকা পাঠানোর জন্য Bkash App কে ব্যবহার করে থাকে।

তবে বিকাশ শুধু তাদের টাকা আদান প্রদান এর মধ্যেও সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং এর পাশাপাশি আপনি বা আমার মতো মানুষরা যেন ঘরে বসে কম্পিউটার বা মোবাইল থেকে বাড়তি ইনকাম করতে পারে। তার জন্য বিশেষ সুযোগ করে দিয়েছে।

মূলত Bkash এর শুরুর দিকটাতে এমন কোনো পদ্ধতি ছিলো না। যেখান থেকে ইনকাম করা যেত। কিন্তুু যখন বিকাশ তাদের কোম্পানির নতুন একটি Apps কে লন্চ করে।

তারপর থেকেই গ্রাহকদের জন্য টাকা ইনকাম করার একটি নতুন পদ্ধতি বের করেছে।

মূলত, এই এপস থেকে ইনকাম করতে হলে আপনাকে সরাসরি তাদের Refferel Programme এ অংশগ্রহন করতে হবে। যার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন উপায়ে ইনকাম করতে পারবেন।

যেমন, মনে করুন আপনি BKash এর একজন পুরাতন গ্রাহক। এবং আপনি তাদের অফিশিয়াল Mobile App টি ব্যবহার করেন ৷ এবং আপনার রেফার এর মাধ্যমে এমন কাউকে তাদের এপসে যুক্ত করতে পারেন।

যাদের পূর্বে থেকে একাউন্ট আছে কিন্তুু এপস এ Log in করা নেই ৷ তাহলে আপনি সেই মানুষকে রেফার করার বিনিময়ে ৫০ থেকে ১০০/- পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।

এছাড়াও এমন কোনো ব্যক্তিকে আপনি যদি রেফার করতে পারেন। যার পূর্বে থেকে কোনো Bkash Accout নেই। তাহলে আপনি সেই রেফারের বিনিময়ে ১০০/- থেকে ৩০০/- পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।

[Read This: দেখুন, রেফারের বিনিময়ে আপনাকে কত টাকা দেওয়া হবে৷ তা সম্পূর্ন বিকাশ কর্তৃপক্ষের উপর নির্ভর করবে। তারা কখনও বেশি পরিমানে টাকা দেয়। আবার কখনও অনেক কম পরিমানে টাকা দিয়ে থাকে।]

তো সবকিছু বাদ দিয়ে একটু ভেবে দেখুন, বিকাশ যদি প্রতি ১ টি রেফারের বিনিময়ে ৫০ টাকা দেয়। তাহলে আপনি যদি দৈনিক ২০ টি একাউন্ত তৈরি করে দিতে পারেন।

তাহলে দিন শেষে আপনার ইনকাম আসবে ১ হাজার টাকা। আর মাস শেষে আপনার ইনকাম আসবে ৩০,০০০/- টাকা। একবার চিন্তা করে দেখুন।

#No-2: Nagad (Bd Online income app)

মানি ট্রান্সজেকশন এর দিক থেকে BKash এর পাশাপাশি সমান তালে এগিয়ে চলছে নগদ। বর্তমানে Nogod এর প্রায় ৩ কোটির ও বেশি গ্রাহক রয়েছে (২০২১).

আর এতো বেশি গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে, নগদও সাধারন মানুষদের ইনকাম করার সুযোগ করে দিয়েছে। বিকাশের মতো এখানেও আপনাকে রেফার করে ইনকাম করতে হবে।

তো যদি আপনি নগদের পুরাতন গ্রাহক হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি যদি নতুন করে তাদের অফিশিয়াল Apps এ লগ ইন করেন। তাহলে আপনি ওয়েলকাম বোনাস হিসেবে ২০/- থেকে ৫০/- পেয়ে যাবেন।

এছাড়াও এরপর থেকে আপনি যদি কাউকে রেফার করে যুক্ত করতে পারেন। তাহলে আপনি প্রতিটা একাউন্টের বিনিময়ে ১০০/- থেকে ২০০/- পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।

বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম করার এই এপ থেকে অনেকেই আয় করতেছে।

এছাড়াও বর্তমানে নগদ একাউন্টে টাকা রাখলে মুনাফা লাভের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপনি চাইলে সেখান থেকেও বেশ ভালো এমাউন্ট টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

[SEE THIS: মুনাফা বা সুদ সব ধর্মেই খারাপ চোখে তাকানো হয়। তাই মুনাফা বা সুদ নেয়ার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে দেখবেন।]

#No-3: Sheba Bondhu (Bd online income app) 

Sheba Bondhu (সেবা বন্ধু) হলো sheba.xyz এর নিজস্ব একটি প্রোডাক্ট। যেখানে তারা দেশের সর্বস্তরের মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করে থাকে ৷

এখন আপনি যদি চান তাহলে আপনিও তাদের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে ইনকাম করতে পারবেন। আর যদি তাদের সাথে সরাসরি কাজ করতে কোনো প্রকারের সমস্যা হয়, তাহলে আপনি ঘরে বসে Sheba Bondhu থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

আপনারা যেমন বিকাশ, নগদের রেফার করার বিনিময়ে ইনকাম সম্পর্কে জেনেছেন। ঠিক একইভাবে Sheba Bondhu তেও আপনাকে রেফার করে টাকা আয় করতে হবে।

তবে পার্থক্য হলো অন্যান্য এপস গুলোতে আপনি ১০০/- থেকে ২০০/- টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কিন্তুু আপনি যদি Sheba Bondhu তে কাউকে রেফার করতে পারেন।

তাহলে আপনার একটি রেফার থেকে ১০০/- থেকে ১০০০/- পর্যন্ত ইনকাম করতে পাবরেন ৷ 

#No-4: CWork (Bangladesh Online income site)

এটি মূলত অনলাইন ইনকাম করার ওয়েবসাইট। তবে খুব দ্রুত এই ওয়েবসাইট টি তাদের নতুন একটি Income App লন্চ করবে বলে জানিয়েছে। আর এই এপসে বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিরা খুব সহজেই অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবে।

CWork হলো অন্যান্য সাইট গুলোর মতো একটি মাইক্রো জব (Micro Job) ওয়েবসাইট। এখানে আপনি অনলাইনে কাজ করার মতো বিভিন্ন জব পোষ্ট দেখতে পারবেন। যেমন, Facebook Job, Watching Video, Like, Comment ইত্যাদি।

আর আপনার কাজের উপর ভিওি করে এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন। আপনি যদি বেশি সময় দিয়ে কাজ করতে পারেন।

তাহলে আপনার ইনকাম বেশি হবে। আর আপনি যদি কম সময় নিয়ে কাজ করেন। তাহলে আপনার ইনকাম ও অনেক কম হবে। 

আমাদের শেষকথা

আশা করি এই আর্টিকেল থেকে বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ গুলোর সাথে পরিচিত হতে পেরেছেন। আর এই ইনকাম অ্যাপ গুলো থেকে যে  বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন।

সে সম্পর্কেও ক্লিয়ার ধারনা পেয়ে গেছেন। তো সবশেষে আপনার উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলবো। শেষটুকু একটু মনোযোগ দিয়ে পড়বেন ৷

দেখুন টাকা ইনকামের আশা নিয়ে হুট করে Investment Site বা Apps এ কাজ করতে যাবেন না। এতে করে আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি করে বসবেন।

কারন যেখানে ইনভেস্ট করতে হয়, সেখানে অনেক লোভনীয় অফার দেখানো হয়। যাতে করে আপনি ইনভেষ্টমেণ্ট করতে আগ্রহী হন।

কিন্তুু একটা সময় দেখা যাবে, আপনি যেখানে ইনভেস্ট করবেন। তারা কিছুদিন পর উধাও হয়ে যাবে ৷ তখন আপনার দুধও যাবে আর দুধের কৌটাও চলে যাবে। তাই এসব সাইট বা এপস থেকে বিরত থাকার চেস্টা করবেন।

আর আপনি যদি আরও বাংলাদেশি ইনকাম করার অ্যাপ সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে আমাকে কমেন্ট করুন। আমি নেট থেকে খুজে আপনার জন্য পোষ্ট লিখবো ৷

কিন্তুু তারপরও প্রতারনার ফাঁদে পা দিবেন না। সাথে থাকুন বাংলা আইটি ব্লগের। ধন্যবাদ

21 thoughts on “বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট ২০২১”

    1. অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার অনেক গুলা আর্টিকেল আমাদের ব্লগে আছে…আপনি অনলাইন ইনকাম ক্যাটাগরি থেকে লিখাগুলা পড়ে নিন।

  1. Digimart .Com দিয়ে টাকা কিভাবে ইনকাম করা য়ায একটু জানাবেন?

  2. আপনার প্রতিটা লেখা খুব ভালো লাগছে।। কিন্তু ভাবছি বিকাশে টাকা পাবো তো ভাইয়া?? please give your contact number or connection address..

    1. আপনাকে স্বাগতম… অনলাইনে আয় করা নিয়ে নতুন নতুন আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিসিট করুন ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap