Blogger নাকি WordPress কোনটি ব্যবহার করবেন?

Blogger নাকি WordPress: এখনকার সময়ে ব্লগিং একটি জনপ্রিয় ইনকামের মাধ্যম। ব্লগিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার মত প্রকাশের সাথে সাথে বাড়তি আয়ও করতে পারবেন খুব সহজেই।

ব্লগিং এত জনপ্রিয় হওয়ার কারনে অনেকেই ঝুকছে এই পেশায়, নতুনদের থেকে সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্ন পাওয়া যায় সেটা হলো, ব্লগিং কিভাবে শিখবো

Blogger নাকি WordPress
Blogger নাকি WordPress

বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আপনারা ব্লগিং করতে পারেন। কিন্তু ব্লগিং এর জন্য জনপ্রিয় দুইটি প্ল্যাটফর্ম হলো ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেস। এদুটোর যেকোনো একটা ব্যবহার করেই আপনি আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

দুইটি প্ল্যাটফর্মই  ফ্রি, খুব সহজেই ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারবেন। তবে ওয়ার্ডপ্রেসের ভিতরে দুইটি আলাদা প্ল্যাটফর্ম আছে। যার একটি ফ্রি আরেকটি পেইড।

এছাড়াও আপনারা কিছু ব্লগ তৈরির টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন বিস্তারিতভাবে শেখার জন্য। এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে কোন প্ল্যাটফর্মটি আমার জন্য ভালো হবে?

চলুন যেনে নেওয়া যাক কোন প্ল্যাটফর্মটি দিয়ে শুরু করবেন কিন্তু তার আগে প্ল্যাটফর্ম গুলা নিয়ে জেনে নেই।

Blogger নাকি WordPress কোনটি ব্যবহার করবেন?

এখন দেখতে হবে আপনার কোন ধরনের, কোন ডিজাইনের ওয়েবসাইট প্রয়োজন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি প্ল্যাটফর্ম বাছাই করবেন।

একেক জনের একেক রকম প্রয়োজন থাকতেই পারে। ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ওয়ার্ডপ্রেস হলো বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বিল্ডার। এই সফটওয়্যারটি বিশ্বজুড়ে কয়েক মিলিয়ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে।

আপনি আরো পড়ুন…

গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার হলো WordPess.com ব্লগ হোস্টিং সার্ভিসের সাথে  WordPress.org কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস) গুলিয়ে ফেলবেন না। এই দুইটা সাইট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

WordPress.com কি?

ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম একটি প্ল্যাটফর্ম যা ব্লগিং এবং অন্যান্য কাজের জন্য জনপ্রিয়। WordPress.com একটি স্বতন্ত্র ব্লগ হোস্টিং সেবা সরবরাহকারী। এটি Automattic, Inc. এর মালিকানাধীন এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত।

এটি ওয়ার্ডপ্রেসের পরিবর্তিত সংস্করণে চালিত হয়। এটি ওয়েবসাইটের নিবন্ধিত ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে ব্লগ হোস্টিং সরবরাহ করে। তবে ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম একটি  প্রিমিয়াম পণ্য।

কারন বেশ কিছু ফিচার আছে যা ব্যবহার করতে টাকা বা ডলার খরচ করতে হয়।

WordPress.com এর সুবিধা কি?

  • একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য সেরা কিছু মাধ্যমের মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস.কম একটি। 
  • আপনার ব্লগটিকে সফল করতে নির্দিষ্ট কিছু টেম্পলেট এবং ফিচার সুবিধা রয়েছে এখানে। যার মাধ্যমে খুব সহজেই একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। 
  • আপনি আপনার ব্লগটি একদম বিনামুল্যে তৈরি করতে পারবেন এবং সেই ব্লগ সাইটটি প্রকাশ করতে পারবেন। 
  • উন্নতমানের ফিচার এবং টেমপ্লেটের জন্য আপনি টাকা খরচ করে আপনার ফ্রি প্ল্যানকে আপগ্রেড করে নিতে পারেন।

WordPress.com এর অসুবিধা কি?

  • টেমপ্লেটগুলি বিশেষ করে ব্লগিংকে কেন্দ্র করে বানানো হয়ে থাকে। যার ফলে, আপনি যদি ব্লগ ব্যতীত অন্য কোনও ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান যেমন বিজনেজ ওয়েবসাইট, পোর্টফলিও, ই-কমার্স ওয়েবসাইট ইত্যাদি তবে আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। 
  • আপনি WordPress.com এ কাস্টম থিম ব্যবহার করতে পারবেন না।
  • আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস.কম সাইটে প্লাগইনও ইনস্টল করতে পারবেন না।
  • আপনি এটি ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করলে সেখান তবেকে অর্থ উপার্জনের জন্য গুগল অ্যাডসেন্সের মতো বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করতে পারবেন না।

WordPress.com এ খরচ কত লাগে?

সাধারনত ও WordPress.com এ বিনামূল্যে ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু উন্নতমানের সাইট বানাতে গেলে আপনাকে কিছু টাকা খরচ করা লাগবে, আপনাকে আপনার ফ্রি প্ল্যান থেকে আপগ্রেড করে নিতে হবে। 

ওয়ার্ডপ্রেসে বেশ কিছু পেইড প্ল্যান আছে, আপনি আপনার প্রয়োজন মত সেখান থেকে যেকোনো প্ল্যান পছন্দ করে নিতে পারবেন।

প্রিমিয়াম প্ল্যান গুলোর নাম যথাক্রমে – Personal, Premium, Business এবং eCommerce. আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো প্ল্যানে আপনার একাউন্ট আপগ্রেড করে নিতে পারবেন।

Personal প্ল্যানের প্যাকেজটি ব্যবহার করতে প্রতি মাসে আপনাকে ৪ ডলার পে করতে হবে। প্যাকেজটিতে আপনি যা যা পাচ্ছেন: 

  • এক বছরের জন্য বিনামূল্যে একটি ডোমেইন পাবেন।
  • সেরা শ্রেণির হোস্টিং পাবেন, 
  • ওয়ার্ডপ্রেসের নিজস্ব এডভার্টাইজমেন্ট গুলো রিমুভ করতে পারবেন।
  • আনলিমিটেড ইমেইল সাপোর্ট পাবেন।

Premium প্ল্যানের প্যাকেজটি ব্যবহার করতে প্রতি মাসে আপনাকে ৮ ডলার পে করতে হবে। প্যাকেজটিতে আপনি যা যা পাচ্ছেন:

  • এক বছরের জন্য বিনামূল্যে একটি ডোমেইন পাবেন।
  • সেরা শ্রেণির হোস্টিং, 
  • WordPress.com এর নিজস্ব বিজ্ঞাপনগুলি রিমুভ করতে পারবেন।
  • পেমেন্ট সংগ্রহ করা,
  • আনলিমিটেড ইমেল সাপোর্ট,
  • লাইভ চ্যাট সাপোর্ট পাবেন,
  • আপনার নিজস্ব বিজ্ঞাপন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।
  • প্রিমিয়াম থিম ইনস্টল করতে পারবেন।
  • ভিডিও আপলোড করতে পারবেন,
  • আপনার ওয়েবসাইটে গুগল অ্যানালিটিক্স যুক্ত করতে পারবেন।

Business প্ল্যানের প্যাকেজটি ব্যবহার করতে প্রতি মাসে আপনাকে ২৫ ডলার পে করতে হবে। প্যাকেজটিতে আপনি যা যা পাচ্ছেন:

  • এক বছরের জন্য বিনামূল্যে একটি ডোমেইন
  • সেরা শ্রেণির হোস্টিং 
  • WordPress.com এর নিজস্ব বিজ্ঞাপনগুলি রিমুভ করতে পারবেন
  • পেমেন্ট সংগ্রহ করা,
  • আনলিমিটেড ইমেল সাপোর্ট, 
  • লাইভ চ্যাট সাপোর্ট, 
  • আপনার নিজস্ব বিজ্ঞাপন থেকে উপার্জন করতে পারবেন
  • প্রিমিয়াম থিম ইনস্টল করতে পারবেন 
  • ভিডিও আপলোড করা
  • গুগল অ্যানালিটিক্স সংযুক্ত করতে পারবেন
  • ৫০,০০০ এরও বেশি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন অ্যাক্সেস সহ আপনার সাইটের জন্য অন্যান্য প্লাগইন ইনস্টল করতে পারবেন আপনার প্রয়োজন অনুসারে। 
  • এডভান্স লেভেলের এসইও করতে পারবেন (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন)।
  • অটোমেটেড সাইটের ব্যাকআপ এবং এক-ক্লিকে রিস্টোর করতে পারবেন এবং ডাটাবেজ অ্যাক্সেস পাবেন।

eCommerce প্ল্যানের প্যাকেজটি ব্যবহার করতে প্রতি মাসে আপনাকে ৪৫ ডলার পে করতে হবে।

এই প্ল্যানটা বিশেষত অনলাইন স্টোর বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয় এবং সেভাবেই এটাকে সাজানো হয়েছে। Business প্ল্যানে যেগুলো ছিল সেগুলো সহ আরো যা যা এখানে আপনি পাবেন:

  • ৬০+ দেশ থেকে পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন,
  • আপনার ওয়েবসাইটে শীর্ষ শিপিং ক্যারিয়ারের সংযুক্ত করতে পারবেন। 
  • অনলাইন স্টোরের জন্য প্রিমিয়াম ডিজাইনের ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন এবং কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

WordPress.org কি?

wordpress.org হলো একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস) যা পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের মাধ্যমে লেখা এবং একটি মাইএসকিউএল ডাটাবেসে যুক্ত।

২০০৩ সালের ২৭ মে, ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রতিষ্ঠাতা আমেরিকান ডেভেলপার ম্যাট মুলেনওয়েগ এবং ইংরেজ ডেভেলপার মাইক লিটল এটি প্রকাশিত করেন।

২০২১ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত হিসেবে, শীর্ষ ১০ মিলিয়ন ওয়েবসাইটের ৪০.৫% এরও বেশি ওয়েবসাইটে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহৃত হয়। ওয়ার্ডপ্রেস একটি সর্বাধিক জনপ্রিয় কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

ওয়ার্ডপ্রেস অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন ডোমেইন, যেমন পার্ভেসিভ ডিসপ্লে সিস্টেম (পিডিএস) এর জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে। 

আপনার জন্য আরো আর্টিকেল…

একটি সিএমএস হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা আপনি ওয়েবসাইট তৈরি এবং পরিচালনা করতে ব্যবহার হয়।  WordPress.org বলতে লোকেরা সাধারণত ‘WordPress’কেই বুঝায়।

ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে, ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যারটি একটি ওয়েব সার্ভারে ইনস্টল করতে হবে। একটি লোকাল কম্পিউটারকে কিছু থার্ড-পার্টি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সার্ভারে পরিনত করে কেউ শেখার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবে। 

আপনি যদি চিন্তা করেন যে কিভাবে ব্লগ সাইট বানাবো? বা কিভাবে ব্লগ সাইট ডিজাইন করা যায়? তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস একটি উপযোগী প্ল্যাটফর্ম আপনার জন্য।

হাজার হাজার ফ্রি এবং প্রিমিয়াম থিমের সমারোহ এই ওয়ার্ডপ্রেসে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি তৈরি করতে পারবেন ও আপনার ইচ্ছামত ডিজাইন করতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইট।

আর ওয়ার্ডপ্রেস নতুনদের জন্য উপযোগী একটি প্ল্যাটফর্ম তাই ওয়ার্ডপ্রেসকেই আপনার প্রথম প্রায়োরিটি দেয়া উচিত।

WordPress.org এর সুবিধা:

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারের সুবিধা গুলো হলো:

  • ওয়ার্ডপ্রেস একদম ফ্রি একটি সফটওয়্যার। 
  • ওয়ার্ডপ্রেস আপনাকে বিনামুল্যে আপনার ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা করে দেয়। 
  • আপনি নিজের ওয়েবসাইটের ফাইলের এবং ডেটাগুলোর মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেস নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই উপযোগী একটি সফটওয়্যার, খুব সহজেই কোনো কোডিং ছাড়াই থিম কাস্টমাইজেশনের মাধ্যমে ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব।
  • আপনি কোনও ওয়েব হোস্টিং সংস্থার সাথে আবদ্ধ থাকবেন না। যার ফলে আপনি এক হোস্টিং থেকে অন্য হোস্টিং এ যেকোনো সময় স্থানান্তর করতে পারবেন।
  • আপনার ওয়েবসাইটটি আপনি যে কোনও জায়গায় যেমন এক ডোমেইন থেকে অন্য ডোমেইনে স্থানান্তর করতে পারবেন এবং এক সিএমএস থেকে অন্য সিএমএসেও।
  • এটি আপনার ওয়েবসাইটকে সুন্দর ভাবে সাজানোর জন্য এক বিশাল সংগ্রহের এক্সটেনশান, অ্যাড-অন এবং প্লাগইনগুলোর অ্যাক্সেস দেয়। প্রোফেশনালভাবে ওয়েবসাইট বানাতে এই বিশাল অ্যাক্সেস আপনাকে যা খুশি তাই করতে দেয়।
  • এর জনপ্রিয়তার কারণে, প্রায় সকল জনপ্রিয় থার্ড পার্টি টুলগুলোতে ওয়ার্ডপ্রেসে সংযুক্ত হওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

WordPress.org ব্যবহারের অসুবিধা সমূহ

ওয়ার্ডপ্রেস নিখুঁত নয়। এটির কিছু অসুবিধা রয়েছে যা আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করার সময় প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করার ব্যাপারে মনে রাখতে পারেন।

  • আপনি আপনার ওয়েবসাইটের দায়িত্বে আছেন। এর অর্থ আপনার ওয়েবসাইটের সুরক্ষা, ব্যাকআপ তৈরি করা এবং কোনো নতুন আপডেট আসলে সেটা ইনস্টল করার জন্যও আপনি দায়বদ্ধ থাকবেন। মানে আপনাকে ম্যানুয়ালি করতে হবে।
  • ওয়ার্ডপ্রেস একটি সর্বাধিক জনপ্রিয় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এই বাস্তবতাই ওয়ার্ডপ্রেস সব সময় হ্যাকারদের জন্য একটি প্রধান লক্ষ্য হিসাবে থাকে। প্রকৃতপক্ষে, একটি সিকিউরিটি রিপোর্ট অনুসারে, ওয়ার্ডপ্রেস হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হ্যাক করা সিএমএস প্ল্যাটফর্ম।
  • যদিও ওয়ার্ডপ্রেস নিজে একটি ফ্রি সিএমএস, কিন্তু পুরো চিত্রটির দিকে তাকালে দেখা যায়, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যয় হয়। যেমন, ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশনের জন্য প্লাগইন এবং থিমগুলির উপর নির্ভর করে এবং যদিও কিছু বিনামূল্যে থাকে তবে সেগুলি সর্বদা নির্ভরযোগ্য বা নিরাপদ হয় না।
  • অন্যদিকে, যদি আপনি চান যে আপনার ওয়েবসাইটটি অন্যদের থেকে একটু আলাদা হোক এবং আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের ভাল অভিজ্ঞতা দিতে হলে আপনাকে একটি থিম কিনতে হবে।
  • আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে নির্দিষ্ট কোনো পরিবর্তন আনতে হলে আপনার এইচটিএমএল, সিএসএস এবং পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের জ্ঞান থাকতে হবে।

WordPress.org ব্যবহার করতে খরচ কত লাগে?

WordPress.org একটি ফ্রি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। একটি ব্যবহার করতে কোনো খরচ নেই, কিন্তু একটু ওয়েবসাইট তৈরি করতে ডোমেইন ও ওয়েব হোষ্টিং কিনতে হবে সেটার জন্য খরচ করতে হবে।

একটি ডোমেইন কিনতে ৮০০-১০০০ টাকা লাগে এবং হোস্টিং কিনতে ২০০০ থেকে শুরু করে আপনার যে প্লান্টি নিতে চান সেই অনুযায়ী দাম হয়।

এছাড়া, আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার পর প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন ব্যবহার করলে সেগুলো জন্য কিছু টাকা খরচ করতে হবে।

থিম বিভিন্ন দামের হতে পারে, নির্দিষ্ট করে বলা যায় না এটা। একেক থিমের একেক মুল্য, মুটামুটি একটি থিম ২৯$ থেকে ৬৯$ এর মধ্যে হয়। এর থেকে কম বা বেশি দামেরও থিম রয়েছে।

ব্লগার (Blogger) বা ব্লগস্পট (blogspot) কি?

আমরা আরও কিছু করার আগে, আসুন ব্লগার এবং ব্লগস্পট সম্পর্কিত বিভ্রান্তি পরিষ্কার করে নেই। ব্লগার আর ব্লগস্পট কি একই জিনিস? এই দুইটা কি?

ব্লগার হলো একটি বিনামূল্যে কন্টেন্ট পাবলিশ করার প্ল্যাটফর্ম, অন্যদিকে ব্লগস্পট হচ্ছে বিনামূল্যে ডোমেইন পরিষেবা সরবরাহকারী। এগুলি উভয়ই গুগলের মালিকানাধীন এবং দুটোই ব্লগার প্ল্যাটফর্মে একসাথে ব্যবহৃত হয়।

আপনি যদি এই লিংকে প্রবেশ করতে চান : blogspot.com 

আপনি অটোমেটিক এই URL- এ গিয়ে শেষ হবেন: blogger.com

আপনি যখন ব্লগারে আপনার ব্লগ তৈরি করেন, আপনি অটোমেটিক একটি ব্লগস্পট ডোমেন পাবেন।

ব্লগার হলো একটি আমেরিকান ব্লগ-প্রকাশনা পরিষেবা। ব্লগারকে ডেভেলপ করেছিল পাইরা ল্যাবস। যা ২০০৩ সালে গুগল কিনে নিয়েছিল।

আপনার জন্য আরো পোস্ট…

এই ব্লগারের ব্লগগুলো গুগল হোস্ট করে থাকে এবং ওয়েবসাইট গুলো সাধারণত ব্লগস্পট.কমের একটি সাবডোমেন থেকে অ্যাক্সেস করা হয়। একজন ব্যবহারকারীর প্রতি অ্যাকাউন্টে ১০০ টি পর্যন্ত ব্লগ থাকতে পারে।

আপনি যদি কোনো ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরি করতে চান তাহলে ব্লগার হতে পারে আপনার ওয়েবসাইট তৈরির প্ল্যাটফর্ম। 

গুগলের সার্ভারে কোনও ডোমেইন যুক্ত করার জন্য ডিএনএস সুবিধাগুলি ব্যবহার করে blogspot.com সাবডোমেইন পরিবর্তন করে ব্যবহারকারীরা তাদের নিজস্ব কাস্টম ডোমেন (যেমন www.example.com) যুক্ত করতে পারবেন।

(www.example.blogspot.comwww.example.com) এভাবে ডোমেইন পরিবর্তন করা সম্ভব।

ব্লগার হলো গুগলের ব্লগ-কেন্দ্রিক একটি প্ল্যাটফর্ম যা সহজে অ্যাক্সেস করা যায়, নতুনদের জন্য ব্যবহারের সহজতা এবং দামের কথা বললে একদমই বিনামূল্যে এই সেবাটি আমরা ব্যবহার করতে পারি।

এটি খুব দ্রুত এবং সহজেই শুরু করা যায়। আপনি কয়েক মিনিটের মধ্যে একটি ব্লগ তৈরি করতে পারেন এবং এটি ১০০% বিনামূল্যে।

Google Blogger এর সুবিধা কি?

  • ব্লগার *.blogspot.com সাবডোমেনের যেকোনো ওয়েবসাইটের জন্য বিনামূল্যে সেবা দেয়। 
  • আপনার কোনো হোস্টিং প্ল্যান কেনার দরকার নেই।
  • আপনার ব্লগটি চালানোর জন্য আপনি মূলত আনলিমিটেড রিসোর্স পাবেন। 
  • আপনি বিনামূল্যে একটি এসএসএল সার্টিফিকেটও পাবেন যা অটোমেটিক-ইনস্টল করা থাকে।
  • আপনি একটি কাস্টম ডোমেইন (যেমন, yournameblog.com) কিনতে পারবেন এবং এটিকে আপনার ব্লগে বিনা মূল্যে যুক্ত করতে পারেন।
  • কোনও সেটআপ ফি বা আপগ্রেড ঝামেলা নেই। 
  • আপনি না চাইলে বা আপনার ওয়েবসাইটে আপনার নিজস্ব বিজ্ঞাপন না যুক্ত করলে আপনার ব্লগে ব্লগারের কোনও বিজ্ঞাপন দেখাবে না।
  • ব্লগার ব্যবহার করা সত্যই অনেক সহজ। আপনি যদি জিমেইল বা ইউটিউব বা গুগলের অন্য কোনও কিছু ব্যবহার করেন তবে আপনাকে সাইন আপও করতে হবে না। আপনি ব্লগারে যাবেন এবং আপনার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করবেন।
  • ব্লগার নিজেই সমস্ত কিছু পরিচালনা করে যেমন ওয়েবসাইটের স্পিড, সুরক্ষা এবং প্রযুক্তিগত ওয়েব হোস্টিংয়ের বিষয়গুলি। 
  • এটির ডিজাইন এবং ফাংশনালিটি নতুনদের জন্য সহজ।
  • ব্লগার এত কিছু সাথে এসইও বান্ধবও।
  • আপনার প্রয়োজন হলে আপনি ওয়েবসাইটের সকল কন্টেন্ট এক্সপোর্ট বা ডাওনলোড করে রাখতে পারবেন।

Blogger এর অসুবিধা সমূহ?

এত এত সুবিধা থাকা সত্বেও বেশ কিছু অসুবিধাও আছে গুগলের ব্লগার প্ল্যাটফর্মটির। তন্মধ্যে বেশ কিছু অসুবিধা তুলে ধরা হলো:

  • ব্লগার এর কোনো গ্রাহক সাপোর্ট বা কাস্টমার সাপোর্ট নেই। তাদের একটি ফোরাম রয়েছে যেখানে অন্যান্য ব্যবহারকারীরা প্রশ্ন করলেও গুগল কর্মীরা মাঝে মধ্যে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।
  • আপনি পিডিএফ ফাইল, টেক্সট ফাইল ইত্যাদি আপলোড করতে পারবেন না।
  • ব্লগারের ফিচারগুলো সীমাবদ্ধ হওয়ায় আপনাকে নিজস্ব-হোস্টেড ওয়েবসাইটের মত যেমন খুশি তেমন কাস্টমাইজ করতে দিবে না। 
  • আপনার ব্লগটিকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।

Blogger প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে খরচ লাগবে কত?

ব্লগারের সব থেকে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি পুরোপুরি ফ্রি। গুগলের এই সেবাটি আপনি বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন কোনো প্ল্যান আপগ্রেডের ঝামেলা নেই এখানে।

কিন্তু কাষ্টম ডোমেইন যুক্ত করতে চাইলে তখন সেই ডোমেইনটা আপনাকে কিনতে হবে। কাস্টম ডোমেইন ছাড়া সাবডোমেইনে থাকা কালীন আপনাকে কোনো টাকা ব্যয় করতে হবে না।

Blogger ও WordPress এর মধ্যে পার্থক্য কি?

Blogger এর ক্ষেত্রে, আপনার সাইটের কন্টেন্টগুলো তাদের সার্ভারে হোস্ট করা থাকবে এবং তারা যেকোনো সময় যা ইচ্ছা তা করতে পারে।

কিন্তু WordPress এ নিজস্ব হোষ্ট হওয়ার ফলে, আপনার ওয়েবসাইট ও সাইটের কন্টেন্টগুলোর উপর আপনার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

নিয়ন্ত্রণের দিক থেকে পার্থক্য

Blogger একটি সাধারণ ব্লগিং টুল হিসাবে ডিজাইন করা হয়েছে। তার মানে আপনার ব্লগস্পট ব্লগে আপনি সীমাবদ্ধ কাজ করতে পারবেন।

ব্লগারে “গ্যাজেট” নামে একটি ফিচার রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি বিজ্ঞাপন, সাবস্ক্রিপশন লিঙ্ক, একটি কনটাক্ট ফর্ম এবং আরও অনেক কিছু যুক্ত করতে পারবেন। তবে এই গ্যাজেটের কার্যকারিতা খুবই সীমিত এবং আর কোনো বিকল্পও নেই।

অন্যদিকে WordPress একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার, তাই আপনি সহজেই আপনার ওয়েবসাইটে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নতুন নতুন সকল ফিচার যুক্ত করতে পারবেন।

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের প্লাগইন এবং থার্ড পার্টি ফিচার ইনস্টল করার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ সাইটে কল্পনাযোগ্য প্রায় সব ফিচার বা অপশনই যুক্ত করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেসে হাজার হাজার ফ্রি এবং প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগইন রয়েছে যা আপনাকে ডিফল্ট ডিজাইন ও ফিচারগুলিকে ব্যাপকভাবে পরিবর্তন করতে সাহায্য করবে।

যার ফলে আপনি সহজেই আপনার ইচ্ছামতো ডিজাইন কাস্টমাইজ করতে পারবেন এবং তৈরি করতে পারবেন আপনার কাঙ্খিত ওয়েবসাইট।

এসইও (SEO) এর দিক থেকে পার্থক্য

আমি এটি অনেকবার পড়েছি যে, “ব্লগার একটি গুগলের পণ্য যার অর্থ গুগল ব্লগারকে বেশি এসইও সুবিধা দেয়।” কিন্তু এটা সত্য নয়।

আপনি ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার বা অন্য কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন তা বিবেচ্য নয়, কীভাবে আপনি সার্চ ইঞ্জিনগুলির জন্য আপনার সম্পূর্ণ সাইটটি কনফিগার করেছেন সেটাই বিবেচ্য।

এসইও এর ব্যাপারে ব্লগস্পটের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ব্লগার প্ল্যাটফর্মে, আমাদের সাইটে আমাদের খুবই অল্প নিয়ন্ত্রণ থাকে। যদিও তারা কিছু নতুন এসইও ফিচার যুক্ত করেছে তবুও, ব্লগস্পট প্ল্যাটফর্মটিতে এখনও এসইও অপ্টিমাইজেশনের জন্য ফিচারের অভাব রয়েছে।

অপর দিকে, ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress.org) আপনাকে আপনার ব্লগ সাইটের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দেয় এবং আপনি প্রযুক্তিগতভাবে যেমন ইচ্ছা তেমন করতে পারেন।

আপনি নিজের ফাইলগুলি হোস্ট করতে পারবেন, আপনার পছন্দ মতো ডিজাইন করতে পারবেন এবং এটি যেকোন উদ্দেশ্যে (ব্যক্তিগত বা পেশাদার) ব্যবহার করতে পারেন।

আপনার ব্লগকে আরও এসইও বান্ধব করে তুলতে এসইও প্লাগইন যুক্ত করা সহ এসইও অপটিমাইজেশন এর উপর আপনি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পেতে পারেন এই ওয়ার্ডপ্রেস প্ল্যাটফর্মটিতে।

কাস্টমাইজেশনের এর দিক থেকে পার্থক্য

ব্লগার গ্রাহকদেরকে ব্যবহারের জন্য খুব অল্প সংখ্যক টেম্পলেট সরবরাহ করে। এই টেমপ্লেটগুলো একদম বেসিক এবং হাজার হাজার ব্লগে ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলো। 

আপনি ব্লগারের বিল্ট-ইন-টুল ব্যবহার করে এই টেম্পলেটগুলির রঙ এবং লে-আউট পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে আপনি নিজের টেম্পলেট তৈরি করতে বা কাস্টমাইজ করতে পারবেন না। 

কিছু ব্লগার টেম্পলেট রয়েছে, তবে মানসম্মত ফিচারগুলো খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন হতে পারে, এছাড়াও আপনাকে সেগুলো টাকা ব্যয় করে টেমপ্লেট কিনে তারপর ব্যবহার করতে হবে।

অন্যদিকে, ওয়ার্ডপ্রেসে (WordPress.org), হাজার হাজার ফ্রি এবং প্রিমিয়াম থিম রয়েছে যা আপনার ব্লগের জন্য নিখুঁত থিম নির্বাচন করা সহজ করে তোলে। আপনি যেমন থিমের কল্পনা করবেন আপনি তেমন থিমই পাবেন একটু খুজলেই।

ওয়ার্ডপ্রেসের এরকম বিশাল থিমের সংগ্রহ রয়েছে। আপনার ওয়েবসাইটের বিষয় যা-ই হোক না কেন, আপনি প্রচুর পরিমাণে উচ্চ-মানের ভালো থিম খুঁজে পাবেন যা পরিবর্তন এবং কাস্টমাইজ করা সহজ।

আপনি অফিসিয়াল WordPress.org সাইটের থিম পেইজে ৭,৪০০+ ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস থিম খুঁজে পাবেন।

আপনি যদি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডের Appearance » Themes এ যান তবে আপনি ব্লগগুলির জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা থিমগুলি দেখতে সার্চবারে ‘Blog’ সার্চ লিখে অনুসন্ধান করতে পারেন।

হাজারের উপরে থিম পেয়ে যাবেন শুধু মাত্র ব্লগের জন্যই। সেখান থেকে আপনার ওয়েবসাইটের টপিক অনুযায়ী আপনি ফ্রি থিম ইনস্টল করে নিতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটে।

শুধু তা-ই নয়, আপনি ওয়ার্ডপ্রেসে সহজেই আপনার প্রয়োজনীয় পেইজগুলো ড্র‍্যাগ এবং ড্রপ এর মাধ্যমে ডিজাইন করতে পারেন ওয়ার্ডপ্রেস পেইজ বিল্ডার সফটওয়্যার ব্যবহার করে।

আবার ফিরে আসি সেই প্রথম প্রশ্নে, আপনার জন্য কোনটা ভালো হবে? Blogger নাকি WordPress কোনটা ব্যবহার করবেন?

আপনি অবশ্যয় পড়ুন…

ব্যবহারযোগ্যতা একটি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারে আবার ভাঙ্গতেও পারে। বেশিরভাগ ব্লগারদের প্রচুর কোডিং জ্ঞান নেই। যার ফলে, কিছু জটিল সিস্টেমগুলিকে মোকাবেলা করতে একটি বিশাল ঝামেলা তৈরি করতে পারে।

এমনকি ওয়েবসাইটের ছোট কোনো সমস্যাও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করতে পারে। আপনার উচিত হবে ব্র্যান্ড তৈরি এবং ভিজিটর বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করা, তাই ব্যবহার করা সহজ হবে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করাই  ভাল।

ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেস উভয়েরই যার যার নিজস্ব জায়গা রয়েছে এবং একেকটি একেক ধরনের ব্যবহারকারীদের জন্য দরকারী। তা হলো আপনার কোনটি বেছে নেওয়া উচিত।

আপনি যদি এক টাকাও ইনভেস্ট করতে না চান, একদম শুন্য টাকা বিনিয়োগ করে ব্লগিং শুরু করতে চান তাহলে আপনার উচিত হবে ব্লগার বা ব্লগস্পটকে বেছে নেওয়া।

কারন WordPress.com এর তুলনায় Blogger ভালো সেবা দেয়। যদিও ব্লগারে অনেক রেস্ট্রিকশন কিন্তু WordPress.com এ আরো বেশি রেস্ট্রিকশন। সুতরাং যদি ফ্রি ব্লগ সাইট বানাতে চান তাহলে আপনার জন্য ব্লগারই সেরা হবে।

অন্যদিকে, আপনি যদি কিছু টাকা ইনভেস্ট করতে পারেন তাহলে WordPress.org হবে বেস্ট অপশন।

ভালোমানের ডোমেইন হোস্টিং কেনার জন্য কিছু টাকা ইনভেস্ট করলে ওয়ার্ডপ্রেস প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি খুব সুন্দর প্রোফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন খুব সহজেই।

ভালো ডোমেইন বলতে টপ লেভেল ডোমেইনকে বুঝাচ্ছি যেমন .com, .org, .net ইত্যাদি। কিন্তু আপনি চেষ্টা করবেন .com ডোমেইন নেয়ার জন্য।

কারন, আমরা যখন গুগলে কোনো কিছু সার্চ দেই তাহলে প্রথমে *.com, .org, .net ইত্যাদি ডোমেইনের ওয়েবসাইটগুলোই আসে, যদি এসব টপ লেভেল ডোমেইন না থাকে গুগলের কাছে বা ভালো কন্টেন্ট না থাকে, তখনই শুধু মাত্র সাবডোমেইনের ওয়েবসাইট সামনে আনে।

সুতরাং, কিছু টাকা খরচ করে একটি ভালো ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ব্লগিং শুরুর আগে একটা কথা মনে রাখতে হবে ব্লগারই হোক বা ওয়ার্ডপ্রেস, আপনার ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করতে চাইলে সাইটে অনেক ভালো মানের কন্টেন্ট দিতে হবে, ভালো মানের আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে।

আপনি ব্লগার ব্যবহার করবেন নাকি ওয়ার্ডপ্রেস অগে সেটা আপনার ব্যাপার কিন্তু পরামর্শ থাকবে কিছু টাকা খরচ করে হলেও ডোমেইন হোস্টিং কিনে ওয়ার্ডপ্রেস প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা।

আমাদের শেষ কথাঃ

ব্লগিং নিয়ে একটা ধারনা বা গাইডলাইন দেয়ার চেষ্টা করেছি। Blogger এবং WordPress নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

এছড়া blogger নাকি wordpress এই নিয়ে আপনার যদি কোনো প্রশ্ন, মতামত বা পরামর্শ থাকে তাহলে নির্দ্বিধায় কমেন্ট বক্সে লিখে ফেলুন, যত দ্রুত সম্ভব আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো।

নিয়মিত আমাদের বাংলা আইটি ব্লগ ভিজিট করুন কেননা এখানে আমরা প্রতিনিয়ত অনলাইন ইনকাম , ব্লগিং গাইড নতুন নতুন আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। হ্যাপি ব্লগিং

আমি নিলয় হাসান-এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি লেখালেখির কাজটাও করি। অনলাইনে প্রযুক্তির বিষয় নিয়ে যা জানি তা মানুষের মাঝে শেয়ার করার ইচ্ছায় এ ব্লগ টি তৈরি করা।

1 thought on “Blogger নাকি WordPress কোনটি ব্যবহার করবেন?”

  1. অনেক কিছু জানতে পারলাম এই আর্টিকেল থেকে যা আগে কখনো জানতাম না। ধন্যবাদ বাংলা আইটি ব্লগ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap