ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন করার নিয়ম – বাংলা আইটি ব্লগ

ইউটিউব চ্যানেল (Customize) কাস্টমাইজ করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আপনি একেবারে সঠিক জায়গাতে চলে এসেছেন। আজকের আর্টিকেলে আমি ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজড করার যাবতীয় বিষয়গুলো স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো।

আমরা সবাই জানি, YouTube এমন একটি প্লাটফর্ম। যেখানে আপনার চেস্টা এবং প্রতিভা থাকলে, আপনি এখান প্রচুর পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজ করার নিয়ম
ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজ করার নিয়ম

আপনার বন্ধুমহলে এমন অনেকেই আছে, যারা এই ইউটিউব সেক্টরে শ্রম দিয়ে নিজের একটা সফল ক্যারিয়ার গড়তে পেরেছে। তারা যদি ইউটিউবে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারে। তাহলে আপনি কেন পিছিয়ে আছেন? কেন আপনি এই সেক্টরে নিজেকে যুক্ত করছেন না?

আপনিও যেন ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারেন, সেজন্য  “ইউটিউব থেকে ইনকাম“- নিয়ে আমি বেশ কিছু আর্টিকেল পাবলিশ করেছি।

এছাড়াও একজন নতুন ইউটিউবার কিভাবে তার YouTubing Journey শুরু করবে, কিভাবে ইউটিউব এসইও করার মাধ্যমে তার চ্যানেলকে জনপ্রিয় করবে। এসব কিছু নিয়ে অনেক গুলো আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়েছে।

সেই ধারাবাহিকতায় আজকে আরও একটি নতুন আর্টিকেল নিয়ে হাজির হয়েছি। কিভাবে একটি ইউটিউব চ্যানেলকে Professionally Customize করতে হয়। সে সম্পর্কে আজকে বিষদভাবে আলোচনা করবো।

যদি আপনি একজন সফল ইউটিউবার হতে চান। YouTube সেক্টরে কাজ করে নিজের একটা সফল ক্যারিয়ার গড়তে চান। তাহলে অবশ্যই এই আর্টিকেলের প্রতিটা পয়েন্ট মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

কারন, এই আর্টিকেল গুলো আমার জন্য লিখছি না। বরং আপনি যাতে কিছু একটা করে ইনকাম করতে পারবেন। সেই তাগিদেই এই আর্টিকেল গুলো লেখা হয়।  

কাস্টমাইজ বা কাস্টমাইজেশন কি?

সবার আগে আপনাকে জানতে হবে যে, YouTube Channel Customize আসলে কি? কারন আপনি যে বিষয়টি নিয়ে কাজ করবেন। যদি সেই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত না জানেন। তাহলে সেই কাজটি সঠিকভাবে করতে পারবেন না।

সাধারনত Customize শব্দটির অর্থ হলো, কোনো কিছুকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নেয়া। যেমন, একটি এন্ড্রয়েড ফোনকে যখন Launcher, Wallpaper ইত্যাদির মাধ্যমে সাজিয়ে নেন। মূলত সেটিই হলো কাস্টমাইজেশন। 

ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন কি?

আশা করি Customize কাকে বলে, সে সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন। এবার যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয় যে,” ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন কি”? -তাহলে এর উওরে আপনি কি বলবেন?

থাক আপনাকে বলতে হবেনা বরং আমিই বলছি। যখন আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিবেন। তখন তাকে বলা হবে, YouTube Channel Customization.

তবে এখন প্রশ্ন হলো যে, একটি ইউটিউব চ্যানেলের কোন কোন বিষয় গুলোকে সাজিয়ে নিতে হয়?

আপনি আরো পড়ুন…

একটি ইউটিউব চ্যানেলকে প্রফেশনালি কাস্টমাইজড করার জন্য আপনাকে বেশ কিছু বিষয়কে সাজিয়ে নিতে হবে।

যেমন, আপনার চ্যানেল এর Logo কেমন হবে, আপনার চ্যানেলের Cover Picture/Channel Art কেমন হবে, এছাড়াও আপনার চ্যানেল এর Homepage এবং Playlists কিভাবে রাখবেন ইত্যাদি বিষয় গুলোকে সাজিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়াকেই বলা হয়, ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন।  

কেন ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন করবেন?

এবার আসা যাক মূল বিষয়ে, আমরা এতোক্ষণ ধরে যে ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজ নিয়ে আলোচনা করছি। কিন্তুু কেন আমাদের এই কাজটি করতে হবে? আর এই কাজটি করলে আমরা কিরকম বেনিফিট পাবো সে সম্পর্কে জেনে নেয়াটা অতি আবশ্যক।

কারন, একজন ইউটিউবার হিসেবে আপনাকে অবশ্যই এই কাজটি করতে হবে। কিন্তুু আপনি যদি চ্যানেল কাস্টমাইজ করার সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কেই না জানেন ৷ তাহলে এই কাজের প্রতি আপনার তেমন আগ্রহ কাজ করবে না।

তো একটি YouTube Channel হলো একজন ইউটিউবার এর স্বপ্নের মতো। এই কথাটি শুধুমাত্র সেই মানুষ গুলো গভীরভাবে অনুভব করতে পারবে। যারা কোনো না কোনোভাবে ইউটিউব সেক্টরে একজন Content Creator হিসেবে কাজ করে।

মূলত যারাই এই সেক্টরে যুক্ত আছেন, তারা সবাই সফলতা অর্জন করতে চায়। আর এই সফলতার পেছনে YT Channel Customization খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দেখুন, একজন দর্শক কিন্তুু বিনা কারনে আপনার চ্যানেলকে Subscribe করবে না। তারা বিভিন্ন দিক দিয়ে বিবেচনা করার পরেই আপনার চ্যানেলকে সাবস্ক্রাইব করবে।

তো ইউটিউব এলগরিদম অনুযায়ী বলা যায়, যখন কোনো দর্শক আপনার চ্যানেলের কোনো একটি ভিডিও দেখার যদি তার ভালো লাগে। তখন সেই দর্শক পুনরায় আপনার চ্যানেলের আরও একটি ভিডিও দেখবে।

অর্থ্যাৎ, যখন ইউটিউ বট (Bot) লক্ষ্য করবে যে একজন দর্শক আপনার পুরো ভিডিওটি দেখছে। তখন ইউটিউব বট আপনার চ্যানেলের আরও একটি ভিডিও সেই দর্শককে দেখানোর চেস্টা করবে।

এখন সেই দর্শকের যদি পরবর্তী ভিডিওটিও ভালো লাগে। তখন সে সরাসরি আপনার YouTube Channel এর ভেতরে প্রবেশ করবে। এরপর আপনার চ্যানেলের ভেতরের অংশটি যদি তার কাছে ভালো মনে হয়। তখন সেই দর্শক আপনার চ্যানেলটিকে Subscribe করবে। 

কিন্তুু সমস্যা হলো, সেই দর্শক যদি আপনার চ্যানেলের ভেতরে গিয়ে দেখে সবকিছু এলোমেলো হয়ে আছে। আপনার চ্যানেলটি সঠিকভাবে কাস্টমাইজড করা নেই। তাহলে কি সেই দর্শক আপনার Channel কে সাবস্ক্রাইব করবে?

না, কখনই না। কারন আপনার কাছে ভালো লাগা বা না লাগাতে কোনো যায় আসবে না। দর্শকদের কাছে কেমন লাগবে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আর সেজন্যই আপনাকে ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশনে যথেস্ট গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যথায় আপনি পরিশ্রম করবেন ঠিকই, কিন্তুু আশানুরূপ ফল পাবেন না।  

ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজ করতে কি কি লাগে ?

এটি বেশ গভীর একটা প্রশ্ন, যা প্রায় সব নতুন ইউটিউবার এর মনে জেগে থাকে। যদি আপনিও নতুন YouTuber হয়ে থাকেন। তাহলে আমি শিওর, আপনার মনেও কোনো না কোনো সময় এই প্রশ্নটি জেগে থাকবে।

তাই এবার চলুন জেনে নেয়া যাক যে, একটি ইউটিউব চ্যানেল Customize করার জন্য কি কি প্রয়োজন হয়। 

তো সবার আগে আপনার একটি Device এর প্রয়োজন হবে। অর্থ্যাৎ, আপনার কাছে অবশ্যই কম্পিউটার / ল্যাপটপ / মোবাইল এর প্রয়োজন হবে। যেহুতু আপনি ইউটিউবিং করছেন, সেহুতু আশা করা যায় আপনার কাছে এমন একটি ডিভাইস আছে। 

এরপর আপনাকে Dimension সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, Dimension আবার কি জিনিস! তাহলে শুনুন…

আমরা যখন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করি, সেই চ্যানেলে একটি Profile Picture এবং Cover Picture ব্যবহার করতে হয়। কিন্তুু এটা আপনার জেনে নেয়া উচিত যে, আপনি চাইলেও সব ধরনের পিকচার ব্যবহার করতে পারবেন না ৷ কারন ইউটিউব আগে থেকেই একটি নির্দিষ্ট Size এর পিকচার ব্যবহার করার নিয়ম করে দিয়েছে ৷

অর্থ্যাৎ, আপনি যদি চ্যানেলের প্রোফাইল পিকচার বা লোগো সেট করতে চান ৷ তাহলে আপনাকে ইউটিউব এর নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট Size এর লোগো সেট করতে হবে। ঠিক একইভাবে আপনার চ্যানেল এর কভার পিকচারটিও নির্দিষ্ট একটি সাইজ বা Dimension এর হতে হবে।

এখন কোন পিকচার গুলোর Dimension কিরকম হতে হবে ৷ সে সম্পর্কে আপনাকে বিস্তারিত জানতে হবে। নাহলে আপনি আশানুরূপ কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন না। 

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন করবেন?

এবার আমরা মূল পর্বে চলে এসেছি। এতোক্ষন থেকে আমরা কাষ্টমাইজ কি, ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন কি এবং এর সুফল সম্পর্কে জেনেছি। আশা করি এসব নিয়ে আপনার মনেও একটা ক্লিয়ার ধারনা চলে এসেছে।

তো এতোক্ষন ধরে আমরা যে কাস্টমাইজড সম্পর্কে ধারনা নিলাম। কিন্তুু সেই Customization কিভাবে করতে হয়, সে সম্পর্কে কোনো ধারনা পাইনি। তো চলুন, এবার সেই বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক।

একটি ইউটিউব চ্যানেল কাষ্টমাইজেশন করতে হলে সবার আগে যে বিষয়টি আসবে সেটি হলো, উক্ত চ্যানেল এর Logo বা Profile Picture.

সত্যি বলতে একটি লোগো (Logo) কোনো ইউটিউব চ্যানেলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারন সেই লোগো মাধ্যমে কোনো YT Channel বা প্রতিষ্ঠান তার পরিচয় বহন করে। তাহলে বুঝতেই পারছেন যে একটি লোগো কোনো চ্যানেল এর জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

তো লোগো এর সংঙ্গাকে আর দীর্ঘায়িত না করে বরং এবার আমরা জানবো যে, “কিভাবে একটি Professional YouTube Logo তৈরি করা যায়” এবং কিভাবে সেই লোগো’কে আপনার চ্যানেল এর মধ্যে সেটআপ করবেন। 

How To Create A Professional YouTube Channel Logo

দেখুন কোনো চ্যানেলের Logo তৈরি করার আগে আপনাকে জানতে হবে যে, আপনার চ্যানেলটি আসলে কোন ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে। যদি আপনার চ্যানেলটি নিউজ রিলেটেড হয়।

তাহলে আপনার চ্যানেল এর Logo টি যেমন হবে আর অপরদিকে টেক রিলেটেড চ্যানেলের লোগোটি কিন্তুু আরেক রকমের হবে। তো আপনি মোট তিনভাবে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের লোগো তৈরি করতে পারবেন। যথাঃ

  • Manually 
  • Create From Online Website এবং
  • Hire A Professional Designer 

হ্যাঁ!  আপনি এই তিনটি উপায়ে আপনান চ্যানেল এর জন্য লোগো তৈরি করতে পারবেন। যদি আপনার ডিজাইন সম্পর্কে হালকা ধারনা থাকে। তাহলে আপনি নিজেই আপনার চ্যানেল এর জন্য লোগো তৈরি করতে পারবেন। অথবা অনলাইনে এমন অনেক সোর্স আছে, যেখান থেকে আপনি Free অথবা Paid Service এর মাধ্যমেও তৈরি করতে পারবেন। 

Manually Create Youtube Channel Logo

তো যদি আপনি কোনো প্রকার অর্থ ব্যয় না করে আপনার নিজের প্রতিভাতার মাধ্যমে YT Logo তৈরি করতে চান। তাহলে সেটা নেহাৎ মন্দ হবে না।

আর যদি আপনার এই বিষয় গুলো সম্পর্কে তেমন কোন ধারনা না থাকে। তাহলেও কোনো সমস্যা নেই, কারন বর্তমানে Youtube বা Google এর মতো অনেক সোর্স আছে।যেখান থেকে আপনি ক্লিয়ার ধারনা নিতে পারবেন।

তো আপনার হাতের কাছে যদি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকে। তাহলে Logo তৈরি করার জন্য Photoshop বা Illustrator নামের সফটওয়্যার গুলো আপনার জন্য অনেক হেল্পফুল হবে।

কিন্তুু আপনার কাছে যদি শুধুমাএ একটি মোবাইল থাকে তাহলেও কোনো টেনশন করার প্রয়োজন নেই। কারন মোবাইল থেকেও কিন্তুু প্রফেশনালি লোগো তৈরি করা সম্ভব।

যদি আপনি মোবাইল থেকে এই কাজটি করতে চান। তাহলে আপনার কাছে Picsart বা Pixlab এর মতো ইমেজ এডিটিং এপস গুলোর প্রয়োজন পড়বে। কারন এই এপস গুলোর মাধ্যমে ফটো এডিটিং রিলেটেড যাবতীয় কাজগুলো খুব ভালোভাবে করা যায়। 

[💡PRO TIPS: যখন আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য লোগো তৈরি করবেন। তখন Colour Combination দিকে ফোকাস রাখবেন। মনে রাখবেন, কোনো পিকচারের Background যদি Dark হয়। তাহলে সেই পিকচারের উপরে যে টেক্সট গুলো থাকবে ৷

সেগুলো Light Colour এর হতে হবে। আবার Background যদি Light হয়, তাহলে টেক্সট কালার Dark হওয়া ভালো]

Dimension For YT Channel Logo

আমি উপরে একটা কথা বলেছিলাম যে, যখন আপনি কোনো চ্যানেলকে কাস্টমাইজ করবেন। তখন আপনাকে Dimension সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে। আর Dimension কাকে বলে, সে সম্পর্কে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

তো এবার আমরা জানবো যে, আপনি যখন আপনার চ্যানেলের জন্য Profile Picture বা Logo সেট করবেন। তখন সেই পিকচারের Demension কত হবে? অর্থ্যাৎ সেই পিকচারের সাইজ কত হবে? 

ইউটিউব প্রফাইল লগো সাইজ
ইউটিউব প্রফাইল লগো সাইজ ৮০০x৮০০

তো আপনি উপরে একটি পিকচার দেখতে পাচ্ছেন ৷ মূলত এটিই হলো আপনার চ্যানেলের লোগো এর Dimension হতে হবে ৮০০x৮০০.

যার অর্থ হলো, আপনি যতো বড়ো পিকচার আপলোড করেন না কেন। ইউটিউব কিন্তুু এই ৮০০×৮০০ পিক্সেলের মধ্যে যে অংশটুকু থাকবে। সেই অংশটুকুই ইউটিউব কাউন্ট করবে।

তাই আপনি যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য লোগো তৈরি করবেন ৷ তখন এই বিষয়টির দিকে বিশেষভাবে নজরে রাখবেন।

How To Set A Youtube Channel Logo?

কিভাবে একটি লোগো তৈরি করতে হয় এবং তার জন্য আপনার কোন কোন বিষয় গুলো মাথায় রাখতে হবে। আশা করি সে সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পেয়ে গেছেন। তাই এবার আমরা জানবো যে, কিভাবে সেই লোগো কে আপনার চ্যানেল এর মধ্যে সেটআপ করবেন।

তো যদি আপনি মোবাইল থেকে আপনার চ্যানেলের লোগো সেটআপ করতে চান। তাহলে নিচের স্টেপ গুলো ফলো করুন। 

  • Step-1: Go to your youtube app
  • Step-2: Sign Up your channel 
  • Step-3: Then go “Edit Channel”
  • Step-4: Click on your channel logo
  • Step-5: Find your logo and select this

ব্যাস! মাএ পাঁচটি স্টেপ ফলো করলেই আপনি আপনার চ্যানেলের লোগো সেট করতে পারবেন। 

কিন্তুু আপনি যদি কম্পিউটার থেকে এই কাজটি করতে চান। তাহলে আপনাকে নিচের স্টেপগুলো ফলো করতে হবে। 

  • Step-1: Go to youtube studio Or click here
  • Step-2: Now go customization option 
ইউটিউব চ্যানেল সাজানোর নিয়ম
ইউটিউব চ্যানেলে লগো আপ্লোড দেওয়া

Customization এ ক্লিক করার পর আপনি নিচের ছবির মত ইন্টারপেজ দেখতে পারবেন। তার পর আপনাকে Branding লেখাতে যেতে হবে।

ইউটিউব চ্যানেল সাজানোর উপায়
Branding এ ক্লিক করুন

তার পর আপনার চ্যানেল জন্য লোগো বা প্রফাইলে ছবি দেওয়ার জন্য  Upload লেখাতে ক্লিক করে আপনার লগোটি সিলেক্ট করে নিন। আমি আমার চ্যানেলের জন্য বানানো লোগোটি অপলোড করেছি । এখন ডান পাশের Publish লেখাতে ক্লিক দিলেই কাজ শেষ।

ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন
ইউটিউব চ্যানেলে লোগো দেওয়ার নিয়ম

কম্পিউটার থেকে মাএ এই কয়েকটি স্টেপ ফলো করে আপনার চ্যানেলের জন্য কাঙ্ক্ষিত লোগো সেট করতে পারবেন। উপরের দেখানো নিয়মে।

What is Youtube Channel art?

আপনার ইউটিউব চ্যানেলের লোগো তৈরি করার পরে যে বিষয়টি সামনে আসবে সেটি হলো, YouTube Channel Art.

সাধারনত কোনো একটি চ্যানেলে প্রবেশ করার পরে প্রফাইল পিকচারের পেছনে যে আরও একটি পিকচার দেখা যায়। মূলত তাকেই বলা হয়, Channel art. যাকে আমরা Cover Picture বলে থাকি।

সত্যি বলতে যখন কোনো দর্শক আপনার চ্যানেলের ভিতরে প্রবেশ করবে। তখন সবার আগে আপনার সেই চ্যানেল আর্টে তার চোখ পড়বে। তাই এই বিষযটি খুব গুরুত্বের সাথে খেয়াল রাখতে হবে। 

Youtube Channel Art Dimension

আমরা যখন প্রোফাইল পিকচার নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। সেখানে মাএ একটি সাইজের কথা বলা হয়েছিলো। অর্থ্যাৎ, আপনি যেকোনো ধরনের পিকচার আপলোড করুন না কেন৷ ইউটিউব শুধুমাএ ৮০০×৮০০ পিক্সেলকে কাউন্ট করবে।

কিন্তুু যখন আপনি Channel art কে সেট করতে যাবেন। তখন আপনার সামনে আরও বেশ কিছু বিষয় চলে আসবে। এবং আপনাকে এই প্রত্যেকটি বিষয়ের দিকে যথেষ্ট খেয়াল রাখতে হবে।

আপনার জন্য আরো আর্টিকেল…

ইউটিউব এর নিয়ম অনুযায়ী, যখন কেউ মোবাইল থেকে আপনার চ্যানেলকে ভিজিট করবে। তখন সে আপনার চ্যানেল এর Cover Picture এর ১৫৪৬×৪২৩ পিক্সেলে যে অংশটুকু থাকবে। সে শুধুমাএ সেই অংশটুকু দেখতে পারবে।

আবার কেউ যদি Tablet থেকে আপনার চ্যানেলকে ভিজিট করে৷ তাহলে সে ১৮৫৫×৪২৩ পিক্সেলে যে অংশটুকু থাকবে। সে শুধুমাএ সেই অংশটুকু দেখতে পারবে।

কিন্তুু সমস্যা হলো, শুধু চ্যানেল আর্ট তৈরি করলেই তো হবেনা। বরং সেই পিকচারটি যেন দর্শকদের কাছে ভালো লাগে, তাদের কাছে আর্কষনীয় মনে হয়, সেই দিকেও বেশ নজর রাখতে হবে।

Mistake For Making Channel Art

সবকাজেই যেমন মানুষ কোনো না কোনো ভুল করে থাকে৷ ঠিক তেমনি একটি চ্যানেল আর্ট বা কভার পিকচার তৈরি করার সময়েও মানুষ বেশ কিছু ভুল করে থাকে। সেই ভুল গুলো আসলে কি, এবার সে সম্পর্কে ছোট্ট পরিসরে জেনে নেয়া যাক। 

আমার দেখা এমন অনেক Youtube Channel আছে। যারা তাদের মেইন লোগো কে বেশ বড় করে কভার পিকচারে বসিয়ে দেয়। আবার অনেকেই আছে যারা তারা চ্যানেল এর নামকে বড় সাইজ করে কভার পিকচারে বসিয়ে দেয়।

কিন্তুু আপনার জেনে নেয়া উচিত যে, এই কাজটি করা মোটেও ঠিক না। যা অনেক নতুন ইউটিউবার করে থাকে।

তবে প্রশ্ন হলো যে, তাহলে আমরা কভার পিকচারে কি দিবো?

গুড, যখন আপনি এই কাজটি করবেন তখন আপনার চ্যানেল এর যে স্লোগান আছে। সেই Slogan টিকে আপনার চ্যানেলের কভার পিকচারে বসিয়ে দিবেন। এর পাশাপাশি আপনার চ্যানেল এর টপিক রিলেটেড কিছু আইকন অথবা আপনার Social Media এর কিছু আইকন বসিয়ে দিতে পারেন।

এই কাজটি করার ফলে, আপনার তৈরি করা পিকচারটি একটু প্রফেশনাল লুক পাবে। এর পাশাপাশি দর্শকদের কাছেও ভালো লাগবে।

[💡PRO TIPS:আপনার নিশ রিলেটেড বাকি যে চ্যানেল গুলো আছে।আপনি সেই চ্যানেল গুলোকে ফলো করবেন৷ তারা কিভাবে তাদের চ্যানেলকে সাজিয়েছে তা ভালোভাবে পর্যবেক্ষন করবেন]

How To Set A Youtube Channel Art?

যাক, কিভাবে একটি প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল আর্ট তৈরি করা যায়। আশা করি সে সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পেয়ে গেছেন। তাই এবার আমরা জানবো যে, কিভাবে আপনি সেই পিকচারকে আপনার চ্যানেল এর মধ্যে সেট করবেন।

[⚠️NOTE:যাদের কাছে কম্পিউটার কিংবা ডেক্সটপ আছে তারা এই কাজটি সহজেই করতে পারবেন ৷ কিন্তুু যাদের কাছে মোবাইল আছে, তারা যেকোনো একটি ব্রাউজারে গিয়ে Desktop Mode চালু করার পরে এই কাজটি করতে পারবেন ]

তো এই কাজের জন্য আপনাকে নিচের স্টেপ গুলো ফলো করতে হবে। 

  • Step-1: First go to youtube studio OR click here
  • Step-2: Go to customization option
  • Now Click On Branding
  • Step-3: Now find the “Banner image” option
  • Step-4: Click UPLOAD
  • Step-5: Select your photo & Click Publish
  • Step-6: Well done 

আশা করি উপরে আলোচিত এই স্টেপ গুলো ফলো করলে আপনি খুব সহজেই আপনার চ্যানেলে Cover Picture সেটআপ করতে পারবেন ৷ কেননা ইউটিউব চ্যানেলের প্রফাইলের মতই ব্যানার আপলোড করতে পারবেন।

Set-up Your Channel Homepage

যখন কোনো দর্শক আপনার চ্যানেলের ভিতরে প্রবেশ করবে। তখন সেই দর্শক যা কিছু দেখতে পারবে, সেটিই হলো আপনার চ্যানেলের হোমপেজ।

তো এই হোমপেজে আপনি অনেক কিছুই রাখতে পারবেন। যেমন, আপনার পছন্দের কোনো ভিডিও রাখতে পারবেন আবার আপনার যদি অন্য কেনো চ্যানেল থাকে ৷ তাহলে সেই চ্যানেলকেও যুক্ত করে হাইলাইট করতে পারবেন।

তো কিভাবে আপনার চ্যানেল এর হোমপেজকে কাস্টমাইজ করবেন। তা সম্পূর্ন নির্ভর করবে আপনার উপর। তবে আমার দৃষ্টিকোন থেকে এখানে আপনার কিছু টেকনিক অবলম্বন করা উচিত।

[💡PRO TIPS: হোমপেজের শুরুর দিকে আপনার Recent Upload করা ভিডিও গুলোকে রাখবেন। এরপর আপনার Popular video গুলোকে রাখবেন। এরপর আপনার পছন্দমতো সাজিয়ে নিবেন। যা বড় বড় প্রফেশনাল ইউটিউবার করে থাকে]

Create Playlist For More View

একটি চ্যানেলে প্লে-লিষ্ট থাকতেই হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে আপনি যদি Playlists তৈরি করেন। তাহলে অন্যদের থেকে আপনি একটু বেশি পরিমানে বেনিফিট পাবেন। 

মনে করুন, আপনি অনলাইন ইনকাম নিয়ে ভিডিও তৈরি করেন। তো এখন যদি আপনি মোবাইল থেকে ইনকাম করার ভিডিও গুলো একটা আলাদা প্লেলিষ্টে রাখেন। আবার ডেক্সটপ থেকে ইনকাম করার ভিডিও গুলো অন্য একটি প্লে লিষ্টে রাখেন।

আপনি আরো পড়তে  পারেন… 

  • ইউটিবের সুন্দর থাম্বনাইল বানানোর উপায়
  • ইউটিবের নতুন নিয়ম কানুন
  • ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করার নিয়ম

তাহলে মোবাইল ব্যবহারকারীরা আপনার মোবাইল থেকে ইনকাম করার প্লে লিস্টে যে ভিডিও গুলো থাকবে। তাহলে তারা একনাগাড়ে বেশ কয়েকটি ভিডিও দেখার সম্ভাবনা থাকবে। ঠিক একইভাবে আপনি আরও ভিন্নভাবে বেনিফিট পাবেন।

তাই চেস্টা করবেন, যেন আপনার ভিডিও গুলো নির্দিষ্ট কোনো প্লে-লিস্টে জমা করার। 

How To Verify YouTube Channel?

ইউটিউব চ্যানেল কাষ্টমাইজেশন এর মধ্যে ভেরিফাই না থাকলেও আপনি যদি আপনার চ্যানেলকে Verify করেন ৷ তাহলে চ্যানেল কাস্টমাইজেশন করার অনেক গুলো ফিচারের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

তো বেশিকিছু না বলে চলুন সরাসরি জেনে নেয়া যাক কিভাবে আপনি আপনার চ্যানেলকে Verify করবেন। 

  • Step-1: Go To This Link By Click Here
  • Step-2: You will see an enterpage
  • Step-3: select Text me the verification code
  • Step-4: Select Your Cointry Name
  • Step-5: Write your phone number and youtube will send you an OTP Code.

এরপর আপনার নম্বরে পাঠানো OTP Code খালি বক্সে দিয়ে ভেরিফাই করে নিন।

আমাদের শেষকথা

কিভাবে একটি ইউটিউব চ্যানেলকে কাষ্টমাইজ করতে হয়। আশা করি সে সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পেয়ে গেছেন। এরপরও যদি কোনো প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। 

ইউটিউব এর সকল গাইডলাইন নিয়ে আমার বাংলা আইটি ব্লগে আরো আর্টিকেল আছে। আপনি চাইলে পড়তে পাড়েন।

বাংলা আইটি ব্লগের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ

আমি নিলয় হাসান-এই ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি লেখালেখির কাজটাও করি। অনলাইনে প্রযুক্তির বিষয় নিয়ে যা জানি তা মানুষের মাঝে শেয়ার করার ইচ্ছায় এ ব্লগ টি তৈরি করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap