Paypal Account কিভাবে খুলতে হয় | Paypal একাউন্ট খোলার নিয়ম

পেপাল একাউন্ট খোলার নিয়ম 2022 : আজকে আপনি জানতে পারবেন  paypal account কিভাবে খুলতে হয়। এবং paypal একাউন্ট খোলার নিয়ম গুলো কি কি।

Paypal Account কিভাবে খুলতে হয় | Paypal একাউন্ট খোলার নিয়ম
Paypal Account কিভাবে খুলতে হয়

যদি আপনিও বাংলাদেশ থেকে একটি ভেজাল বিহীন পেপাল একাউন্ট খুলতে চান। তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন ৷

তাই গোপন এই টিপস গুলো জানতে হলে অবশ্যই পুরো লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন ৷

দেখুন, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির কল্যানে আমরা অনেক কঠিন কাজ গুলোকে খুব কম সময়ের মধ্যে করতে পারছি। তার একটা বাস্তব উদাহরন হলো, আজকের দিনে আর্থিক লেনদেন করার প্রক্রিয়া গুলো।

কেননা, আজকের দিনে যারা উন্নত দেশ। তারা হাতে টাকা না রেখে এই টাকা গুলো ভার্চুয়াল একাউন্ট এর মাধ্যমে লেনদেন করে থাকে।

তো পেপাল হলো টাকা লেনদেন করার এমন একটি মাধ্যম। যেখানে আপনি আপনার নিজের জমানো টাকা গুলোকে ভার্চুয়াল একাউন্টে যুক্ত করতে পারবেন ৷

এবং সেই টাকা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই পাঠিয়ে দিতে পারবেন। কিন্তুু গোটা বিশ্বের কাছে PayPal দিয়ে লেনদেন করা গেলেও।

আপনি আরোও দেখতে পারেন…

পেপাল একাউন্ট ইন বাংলাদেশ, আমাদের বাংলাদেশে পেপাল সাপোর্ট করেনা। তবে কি কারনে বাংলাদেশ থেকে পেপাল কে বিছিন্ন করা হয়েছে। পেপাল বাংলাদেশে কবে আসবে ?

সে ব্যাপার নিয়ে অন্য কোনো আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

তবে বাংলাদেশ থেকে পেপাল বন্ধ থাকার পরও আপনি কিভাবে Paypal Account খুলবেন অথবা বাংলাদেশে পেপাল একাউন্ট খোলার নিয়ম গুলা কি?

পেপাল একাউন্ট খুলুন বাংলাদেশ থেকে 2022 এ বিষয়ে আজ স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো। 

পেপাল কি ? (What is PayPal)

পেপাল একাউন্ট কি ? আপনি হয়তবা এটিএম কার্ড এর নাম শুনে থাকবেন ৷ এই কার্ডগুলো এতোটাই উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি যে আপনি এই ছোট্ট কার্ড ডিভাইস দিয়ে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করতে পারবেন।

তো এই এটিএম কার্ড এর মতো একই পদ্ধতিতে কাজ করে পেপাল। যার মাধ্যমেও আপনি বিশ্বের যেকোনো দেশের সাথে টাকা লেনদেন করতে পারবেন ৷

তবে পেপাল কিন্তুু এটিএম কার্ড এর থেকে অনেকটা ভিন্ন। যেমন, পেপালে আপনি কার্ড ছাড়াই একটি ভার্চুয়াল একাউন্ট এর মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে পারবেন।

এবং আপনার সেই Virtual Account টি একটি ব্যাংক একাউন্ট এর সাথে যুক্ত করে দিতে হবে। যেখানে আপনি প্রয়োজনে টাকা জমিয়ে রাখতে পারবেন ৷

আবার প্রয়োজন অনুসারে টাকা উওলন করতে পারবেন ৷ 

পেপাল এর কাজ কি ?

আপনি উপরে জানতে পারলেন যে, পেপাল দিয়ে যে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা যায়। তবে এর পাশাপাশি আপনার ধারনা থাকা উচিত৷ সেটি হলো, পেপাল একটি ডুয়েল কারেন্সি যুক্ত একাউন্ট।

যাকে দিয়ে আপনি একদেশের কারেন্সি কে অন্য দেশের কারেন্সি তে রুপান্তর করতে পারবেন। যেমন, আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে টাকা পাঠান। তাহলে সেই টাকা ইন্ডিয়াতে গিয়ে রুপিতে কনভার্ট করতে পারবেন ৷

তবে এর পাশাপাশি আপনি পেপাল দিয়ে আরও অনেক ধরনের কাজ করতে পারবেন। যেমন, আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন ৷

তাহলে আপনি নিজের ঘরে বসে PayPal একাউন্ট এর মাধ্যমে যেকোনো অনলাইন শপে পেমেন্ট করতে পারবেন৷ যা আপনার মতো মানুষ এর অনেক বেশি হেল্পফুল হবে।

বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করা যাবে কি ?

যেহুতু আজকের আর্টিকেল এর মূল টপিক হলো, paypal account কিভাবে খুলতে হয়। সেহুতু আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করা যাবে কিনা ?

তো চলুন এবার সে বিষয়ে একটু পরিস্কার ধারনা নেয়া যাক। এতে করে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

তো কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে যে, আমাদের উন্নত দেশ বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করা যাবে কিনা। তাহলে আমি এক কথায় বলবো যে, না।

কারন বাংলাদেশের সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ এখন থেকে আর পেপাল কে সম্মতি দিবে না। আর সেই থেকে এখন অবধি পেপাল কে আর বাংলাদেশে খুজে পাওয়া যায়নি।

কিন্তুু সরকারি ভাবে বাংলাদেশ থেকে পেপাল বন্ধ থাকলেও এখনও অনেক মানুষ আছেন। যারা কোনো প্রকার সমস্যা ছাড়াই আমাদের দেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করে আসছে।

এবার আপনার মনে প্রশ্ন জেগে থাকতে পারে যে, সেই মানুষ গুলো কিভাবে এই দেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করে।

তো এমন বেশ কিছু পদ্ধতি আছে। যেই পদ্ধতি গুলো অনুসরন করে আপনি খুব সহজেই বাংলাদেশ থেকে পেপাল একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন ৷

চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক, paypal account কিভাবে খুলতে হয়। এবং paypal একাউন্ট খোলার নিয়ম গুলো কি কি।

বাংলাদেশে পেপাল ব্যবহারের নিয়ম

স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে যেমন রক্ষা করা কঠিন ৷ ঠিক তেমনি ভাবে পেপাল একাউন্ট খুলতে পারলেও আমাদের দেশ থেকে পেপাল একাউন্ট ব্যবহার করা খুবই কষ্টকর।

কারণ আপনি যখন বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করবেন। তখন কোন সময়ে যে আপনার শখের একাউন্টটি ব্যান হয়ে যাবে। তা আপনি বুঝতেও পারবেন না।

তবে কিছু কিছু পেপাল ব্যবহারের নিয়ম আছে। যদি আপনি সর্তকতার সহিত সেই নিয়ম গুলো মেনে চলেন। তাহলে আপনাকে আর বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করতে কোনো প্রকার ঝামেলা হবে না।

বরং আপনি কোনো প্রকার ব্যান খাওয়ার ভয় ছাড়াই পেপাল ব্যবহার করতে পারবেন। তো যদি আপনার একটু টেকনিক্যাল ধারনা থাকে।

তাহলে ছোটো একটা বিষয় চিন্তা করে দেখুন। সেটি হলো আমাদের দেশ থেকে পেপালকে ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। এখন আপনাকে চিন্তা করে দেখতে হবে যে, বাংলাদেশ পেপাল কে কোনো জায়গাতে ব্লক করে রেখেছে।

তো বাংলাদেশ সরকার আমাদের দেশের আইপি থেকে অনলাইন এই প্লাটফর্ম কে ব্লক করে দিয়েছে। যার কারনে বাংলাদেশ আইপি থেকে কেউ যদি পেপাল এর এক্সেস নিতে চায়।

তাহলে কিন্তুু তারা কোনো ভাবেই এই সার্ভিসটি গ্রহন করতে পারবে না।

আর সেই কারনে যখন আপনি আপনার PayPal Account টি ব্যবহার করবেন ৷ তখন লক্ষ রাখবেন যেন পেপাল আপনার অরজিনাল আইপিকে ট্রাক করতে না পারে।

কেননা, যখন এক বা একাধিক বার পেপাল বোট জানতে পারবে যে, আপনি বাংলােদশি মানুষ। ঠিক তখনি Region Violation দেখিয়ে আপনার শখের একাউন্ট কে ব্লক করে দেবে। 

paypal account খোলার নিয়ম

তো আর্টিকেল এর শুরু থেকে শেষ অবধি আপনি পেপাল সম্পর্কিত অনেক বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। যেমন, শুরুতে আপনি জেনেছেন পেপাল কাকে বলে, পেপাল এর কাজ কি এবং বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করা যাবে কিনা।

আশা করি সেই বিষয় গুলো বেশ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন।

এখন আপনি জানতে পারবেন মূল টপিক সম্পর্কে। কেননা এবার আমি আপনাকে স্টেপ বাই স্টেপ দেখিয়ে দিবো যে, paypal account কিভাবে খুলতে হয়। তো আর দেরি কেন! চলুন একবারে মূল টপিকে ফিরে যাওয়া যাক। 

1st step for create paypal account 

  1. সবার আগে আপনাকে একটি ব্রাউজার চালু করতে হবে। আপনি আপনার পছন্দের যে কোনো ব্রাউজার চালু করতে পারবেন।
  2. তবে আমার মতে আপনার Google Chrome ব্রাউজারটি চালু করা উচিত। তাহলে আপনার কাজ করতে অনেক সুবিধা হবে। 
  3. এরপর আপনাকে সরাসরি গুগল সার্চ বারে চলে যেতে হবে। 
  4. যখন আপনি গুগল সার্চ বারে ক্লিক করবেন ৷ তখন আপনাকে টাইপ করতে হবে “Create A PayPa Account”- এটা লেখার পর সরাসরি সার্চ করবেন। 
  5. এরপর আপনি সবার উপরে একটি লিংক দেখতে পারবেন। যেখানে লেখা থাকবে, “Create a paypal account|Sign up free |Paypal| CA”- আপনাকে সেই লিংকে ক্লিক করতে হবে। 
  6. যদি উপরের ধাপটি আপনার একটু কঠিন মনে হয়। তাহলে আপনি এখানে ক্লিক করে সরাসরি ঐ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবেন। 
  7. তো আপনি যদি উপরের সবগুলো ধাপ সঠিক ভাবে অনুসরন করেন। তাহলে আপনি কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই পেপাল এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবেন ৷ 

আমি paypal account কিভাবে খুলতে হয় সে নিয়ে যে প্রথম ধাপের কাজ আছে। সেগুলোকে স্টেপ বাই স্টেপ বুঝিয়ে দেয়ার চেস্টা করি।

আশা করি উপরে উল্লেখ করা স্টেপ গুলো আপনি বেশ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। চলুন এবার পরবর্তী ধাপে চলে যাওয়া যাক। 

2nd Step: Registration interface 

এবার আপনাকে পরবর্তী ধাপ গুলো অনুসরন করতে হবে। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, আমি আপনাকে যে যে ধাপ গুলো বলবো এবং যেভাবে কাজ করবো।

আপনাকেও সেই নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। নাহলে আপনি সঠিকভাবে বাংলাদেশ থেকে Paypal Account Create করতে পারবেন না। 

  1. তো যখন আপনি উপরের লিংক থেকে পেপাল এর মূল ওয়েবসাইটে যাবেন। তখন আপনার প্রধান কাজ হবে Registration করা। তো এবার  আপনি Sign up for a Business account লেখা দেখতে পাবেন।
  2. তবে মাঝে মাঝে Personal Account এবং আরেকটি হলো Business Account লেখা দেখতে পারবেন।
  3. তো এই সময় আপনি ভুলেও Personal account এ ক্লিক করবেন না। বরং আপনাকে সেই দ্বিতীয় অপশন Business Account এ ক্লিক করতে হবে।
  4. তার পর আপনি ইমেইল দেওয়া যাবে এমব একটি খালি বক্স দেখতে পারবেন যেখানে আপনার ইমেইলটি দিয়ে Continue দিতে হবে।

তো যখন আপনি দ্বিতীয় লিংকে ক্লিক করবেন। তখন আপনার ব্রাউজারে কিছুক্ষন লোড নিবে। এবং সেই লোড নেয়ার সময়টুকু আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।

3rd Step: Sign up for a Business account

তো এবার আপনি Paypal Account খোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে চলে এসেছেন। এবং এরপর থেকে আপনার বিভিন্ন রকমের ডিটেইল দেয়ার দরকার হবে।

তবে মনে রাখবেন, আপনি এখানে যেসব ইনফরমেশন দিবেন। সেগুলো তে যেন কোনো প্রকার ভুল না থাকে। নাহলে পরবর্তী সময়ে আপনি নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হবেন ৷

  • সবার আগে আপনি একটা ইমেইল বক্স দেখতে পারবেন। যেখানে আপনার একটা Valid Gmail দিতে হবে। এবং পরবর্তী সময়ে এই জিমেইল দিয়ে পেপাল ব্যবহার করতে পারবেন। 
  • যখন আপনি আপনার জিমেইল বক্সে একটি ভ্যালিড জিমেইল দিবেন। তখন আপনাকে পুনরায় পরবর্তী অপশনে যেতে হবে।
  • এরপর আপনাকে একটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে। যেই পাসওয়ার্ড টি ব্যবহার করে আপনি আপনার পেপাল একাউন্ট এর এক্সেস নিতে পারবেন।
পেপাল একাউন্ট খুলুন বাংলাদেশ থেকে
বাংলাদেশ থেকে পেপাল একাউন্ট
  • পাসওয়ার্ড দেয়ার সময় কিছু বিষয়ের দিখে খেয়াল রাখবেন। সেগুলো হলো, পাসওয়ার্ড এর প্রথম অক্ষরি বড় হবে। এর পাশাপাশি আপনার পাসওয়ার্ডে অবশ্যই সংখ্যা ব্যবহার করতে হবে। যেমনঃ [email protected]@77++00

জিমেইল এবং পাসওয়ার্ড দেয়ার পর আপনার ব্রাউজার টি পুনরায় আরেকবার রিফ্রেশ নিবে। এবং আপনাকে সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

তারপর আপনি ” Tell us about your Business”- নামের আরও একটি নতুন ফর্ম দেখতে পারবেন। আপনাকে সেই ফর্মটি মনোযোগ দিয়ে নির্ভুলভাবে পূরন করতে হবে। 

4th Step: Tell us about your Business

তো এবার পেপাল আপনাকে একটি ফর্ম দিবে। যেখানে আপনার বিজনেস রিলেটেড অনেক তথ্য দিতে হবে। তাই আপনি এখানে দেওয়া তথ্য গুলো পূরন করার সময়। একটু সতর্কতা অবলম্বন করবেন যেন কোনো প্রকার ভুল না হয়। 

  1.  সবার উপরে লেখা দেখতে পারবেন Will this account be used for registered business এখানে যা আছে তাই থাকবে।
  2. Business Contact নামের একটি অপশন দেখতে পারবেন। যেখানে আপনার নাম দেয়ার জন্য দুইটি খালি ঘর দেখতে পারবেন।
  3. এবার First name অপশনে আপনার নামের প্রথম অংশটি বসিয়ে দিবেন। এবং 2nd namd অপশনে আপনার নামের শেষের অংশটুকু বসিয়ে দিবেন। 
  4. এবারের শেষের অবশনে আপনার বিজনেস ডিটেইলস দেয়ার জন্য একটা খালি ঘর দেখতে পারবেন। 
  5. এখন আপনার যদি কোনো বড় ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল কিংবা একটি ভালো মানের ওয়েবসাইট থাকে। তাহলে সেগুলোর লিংক এই বক্সে দিতে পারবেন। 
  6. কিন্তুু উপরের কোনো কিছুই যদি আপনার নিকট না থাকে। তাহলে আপনি আপনার যে কোনো পছন্দের একটা নাম দিয়ে দিবেন। 
  7. সেই নামের সাথে ফরমালিটি মেইনটেইন করার জন্য LLC,LTD এই জাতীয় শব্দের ব্যবহার করবেন। 
পেপাল একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন
পেপাল একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন

তো যখন আপনি এই ধাপের কাজ গুলো সঠিক ভাবে সম্পন্ন করবেন। তখন আপনার সামনে যে বাধাটি আসবে। সেটি হলো মোবাইল নম্বর সেটআপ।

এবার আমি আপনাকে দেখাবো যে, Mobile Number দেয়ার অপশনে আপনাকে কি কি কাজ করতে হবে।

  1. তো মজার বিষয় হলো, ফোন নম্বর নিয়ে যে আমাদের মনে ভয় কাজ করতো যে, এই নম্বর গুলো একসেপ্ট করবে কিনা। তাদের জন্য খুশির খবর এই যে, এখানে আপনি আপনার নিজের নম্বরটি ব্যবহার করতে পারবেন। 
  2. হুমম! আপনি এখন যে মোবাইল নম্বর দেয়ার বক্সটি দেখতে পাচ্ছেন। সেখানে আপনার নিজের পারসোনাল Phone Number টি দিলেও কোনো প্রকার সমস্যা হবেনা। 
  3. তবে একটা বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখবেন। সেটি হলো আপনার নম্বরের ফরম্যাটটি যেন এরকম হয়, +88————-.

আশা করি একেবারে শুরু থেকে মোবাইল নম্বর দেয়ার ধাপগুলো আপনি একেবারে সঠিকভাবে অনুসরন করতে পেরেছেন।

তো এবার আপনার সামনে আরও কিছু নতুন অপশন আসবে। চলুন এবার সেই ধাপ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

  1. এবার আপনার সামনে আরও ৫ টি খালি বক্স আসবে। যেখানে আপনার নিজস্ব ঠিকানা দিতে হবে। 
  2. তো প্রথম ২ ঘরে আপনাকে ঠিকানা দিতে হবে। এখানে আপনি আপনার নিজের বাসার অরজিনাল ঠিকানা ব্যবহার করার চেস্টা করবেন। 
  3. এবং প্রথম ঘরে যদি আপনার ঠিকানা লেখার জায়গা না থাকে। তাহলে আপনি দ্বিতীয় ফাকা ঘরটি ব্যবহার করতে পারবেন। 
  4. তবে আমার মতে প্রথম বক্সে আপনি আপনার গ্রামের বা বাড়ির ঠিকানা দিবেন। এবং পরবর্তী ঘরে আপনার থানা, জেলা এবং পোষ্ট অফিসের ঠিকানা দিবেন। 
  5. এরপর আপনাকে আপনার City নির্বাচন করতে হবে। তো এখানে আপনার সিটি কে সিলেক্ট করে দিবেন। 
  6. এরপর আপনি Providence নামের আরও একটি ফাকা বক্স দেখতে পারবেন। এখানে আপনাকে Alberta সিলেক্ট করতে হবে। 
  7. এবার আপনাকে আপনার পোষ্টাল কোড দিতে হবে। এই বক্সে আপনি আপনার নিজের পোষ্ট অফিসের কোডটি দিতে পারবেন। এতে কোনো সমস্যা হবেনা।

উপরে আমি যেভাবে বলেছি, আপনাকেও ঠিক ঐ ভাবে কাজ করে যেতে হবে। তবে আপনি যদি আমার উল্লেখ করা ধাপ গুলো অনুসরন না করেন।

তাহলে আপনার কোনো ভুল হলে আমি কোনো ভাবে দায়ী থাকবো না। চলুন এবার পরবর্তী ধাপে যাওয়া যাক। 

5th Step: Describe Your Business

যখন আপনি উপরে আলোচিত সব গুলো ধাপ সঠিক ভাবে অনুসরন করবেন। তখন আপনি কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই আরও একটি নতুন পেজে চলে যাবেন।

সেটি হলো Describe Your Business. যেখানে আপনার বিজনেস সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত তথ্য জমা দেয়ার প্রয়োজন পড়বে। যেমনঃ

  1. তো সবার প্রথমে আপনি যে খালি বক্সটি দেখতে পারবেন ৷ সেখানে আপনাকে আপনার Business Type সিলেক্ট করতে হবে। তো আপনি অবশ্যই এখানে individual সিলেক্ট করবেন। 
  2. এরপর আপনি “Product or Service Keyword”- নামের আরও একটি বক্স দেখতে পারবেন। এখানে আপনাকে Business Service নামের অপশনে ক্লিক করতে হবে। 
  3. এবার আপনি ” what are your monthly sales”- নামের একটি নতুন বক্স দেখতে পারবেন। যেখানে আপনি মাসিক কি পরিমান টাকা সেল করতে পারেন। তা আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে ।
  4. তো এই বক্সে আপনাকে Up to $5000 CAD সিলেক্ট করতে হবে। 
  5. যখন আপনি উপরের ফর্মে থাকা বক্স গুলো পূরন করেন। তাহলে এবার আপনাকে পেপাল একাউন্ট তৈরি করার Data & Time দিতে হবে। 
  6. সবশেষে আপনি Website নামের আরও একটি অপশন দেখতে পারবেন। যদি আপনার কোনো পারসোনাল ওয়েবসাইট থাকে। তাহলে আপনি সেই সাইটের লিংক দিবেন।
  7. আর যদি আপনার কোনো সাইট না থাকে। তাহলে এই বক্সটি ফাঁকা রেখে দিবেন।

আশা করি উপরের ধাপ গুলো আপনি আমার নিয়ম মতো সম্পন্ন করতে পেরেছেন। এবং আপনি যদি এই ধাপ গুলোকে সঠিকভাবে অনুসরন করতে পারেন।

তাহলে আপনি Tell us more about you নামের আরও একটি নতুন ধাপে পৌঁছে যাবেন। চলুন এবার সেই ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

এই ধাপে আপনার বিজনেস রিলেটেড আরও কিছু ইনফরমেশন দেয়ার দরকার হবে। আপনি যদি কোনো ঝামেলা ছাড়াই পেপাল একাউন্ট খুলতে চান। তাহলে নিচের ধাপ গুলোতে একটু নজর দিবেন।

  1. সবার উপরে আপনি যে খালি ঘরটি দেখতে পারবেন৷ সেটিতে আপনার নিজের Data of Birth দিতে হবে। এখানে আপনি আপনার আসল অর্থ্যাৎ সার্টিফিকেটে থাকা জন্ম তারিখ টি বসিয়ে দিবেন। 
  2. What is your occupation নামের ঐ বক্সে আপনি Business অপশনটি সিলেক্ট করবেন। 
  3. এবার আপনাকে পুনরায় আপনার ঠিকানা দিতে বলবে। কিন্তুু আপনি এর আগেও একবার ঠিকানা দিয়েছেন।
  4. সেই কারনে আপনাকে এখন home address is the same as business address এখানে ক্লিক করতে হবে। 
  5. এবং এই লেখার বামপাশে যে একটি টিক মার্ক বক্স দেখছেন। সেখানে একটা ক্লিক করে টিক চিহ্ন টি দিতে হবে।

তো এরপর যখন আপনি পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য ক্লিক করবেন। তখন আপনি সরাসরি আপনার নিজের তৈরি করা Paypal Account এ প্রবেশ করতে পারবেন।

কেননা, আপনি কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই একটি Paypal একাউন্ট খুলে ফেলেছেন। 

পেপাল ভেরিফাই করার নিয়ম | Verify Paypal Account Form Bangladesh 

তো আপনি যখন paypal একাউন্ট খোলার নিয়ম গুলো অনুসরন করে একটি একাউন্ট তৈরি করবেন। তখন আপনার প্রধান কাজ হবে, আপনার তৈরি করা একাউন্ট কে ভেরিফাই করা।

আপনি আরোও জানতে পারেন…

কেননা, যতোক্ষণ আপনি আপনার পেপাল একাউন্টকে ভেরিফাই করবেন না। ততোক্ষন আপনি সঠিকভাবে ঐ একাউন্ট কে ব্যবহার করতে পারবেন না।

আর সদ্য তৈরি করা একটি পেপাল একাউন্ট কে তৈরি করার পর ভেরিফাই করতে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এর দরকার হবে। যেমনঃ 

  1. Phone Number Verification 
  2. Two-Step Authorization 
  3. Nid Card 

এগুলো দেয়ার পর যখন আপনি ভেরিফিকেশন এর কাজ শেষ করবেন। তখন আপনাকে আপনার ডেবিট কার্ড অথবা ক্রেডিড কার্ড যুক্ত করে নিতে হবে।

এবং এরপর থেকে আপনি আপনার পেপাল একাউন্ট দিয়ে টাকা লেনদেন করতে পারবেন। 

বাংলাদেশ থেকে পেপাল একাউন্ট ব্যবহার নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর

এবার আমি আপনাকে বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিবো। যেগুলো গুগলে অনেক মানুষ সার্চ করে।

কিন্তুু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই প্রশ্নের সঠিক উওর বাংলা ব্লগ গুলোতে নেই। তাই নিজের চেস্টায় এবার সেই প্রশ্নের উওর দেয়ার চেস্টা করবো। যেমনঃ

Q: কিভাবে পেপাল থেকে টাকা তুলব?

উত্তর – আপনি আপনার পেপাল একাউন্টের সাথে যে মাধ্যমটি যুক্ত করবেন। সেই মাধ্যমে আপনি টাকা উইথড্র করতে পারবেন।

যেমন, আপনার একাউন্টে যদি ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড থাকে৷ তাহলে আপনি এই এটিএম কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। আবার আপনার একাউন্টে যদি ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করা থাকে।

তাহলে আপনি Bank Account এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন।  

Q: বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহারের অসুবিধা সমূহ কি কি? 

উত্তর – যেহুতু এটি বাংলাদেশ এর জন্য নিষিদ্ধ। সেহুতু এই সার্ভিস ব্যবহার করতে আপনার নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

যেমন, একাউন্ট তৈরি করতে কোনো সমস্যা না হলেও ভেরিফাই করতে অনেক ঝামেলা হবে। এবং পরবর্তী সময়ে একাউন্ট ব্যবহার করার সময় যে কোনো মুহুর্তে আপনার একাউন্ট Banned হওয়ার অনেক চান্স থাকবে। 

পেপাল একাউন্ট নিয়ে আমাদের শেষকথা 

paypal account কিভাবে খুলতে হয় সে নিয়ে আমি paypal একাউন্ট খোলার নিয়ম গুলোকে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করেছি।

আশা করি আজকে আলোচিত paypal একাউন্ট খোলার নিয়ম গুলো আপনি বেশ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন।

তবে এরপরও যদি আপনি না বুঝেন যে, paypal account কিভাবে খুলতে হয়। তাহলে প্লিজ একটা কমেন্ট করবেন। আমি যথাসাধ্য আপনার সমস্যার সমাধান করার চেস্টা করবো। 

আর এমনসব ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে হলে অবশ্যই বাংলা আইটি ব্লগের সাথে থাকবেন৷ ধন্যবাদ। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HandsUp! কপি করা যাবে না বস!

Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap