ব্যবসা করার টিপস, নতুন কৌশল এবং নিয়ম গুলো জেনে নিন (মোট ৯ টি)

ব্যবসা করার টিপস : যদি আপনি ব্যবসা করেন তাহলে অবশ্যই আপনার ব্যবসা করার টিপস গুলো জেনে রাখতে হবে।

ব্যবসা করার টিপস, নতুন কৌশল এবং নিয়ম গুলো জেনে নিন
ব্যবসা করার টিপস

কেননা ইসলামে ব্যবসা করার নিয়ম এবং ব্যবসায় সফলতা পাওয়ার জন্য বেশ কিছু কৌশল রয়েছে।

সেই সাথে আপনি বেশ কিছু নিয়ম দেখতে পারবেন। আর একজন ব্যবসায়ী হিসেবে সেই কৌশল এবং নিয়ম গুলো সম্পর্কে অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে।

আর আপনি যদি সেই ব্যবসা করার টিপস এবং ব্যবসা করার আইডিয়া গুলো সম্পর্কে জানতে চান।

তাহলে আপনি একবারে সঠিক জায়গা তে চলে এসেছেন। কারণ অন্যান্য দিনের মতো আজকে আমি আপনাকে চমৎকার সব ব্যবসা করার টিপস এবং ব্যবসা পরিকল্পনা প্রদান করব।

যে গুলো আপনি আপনার ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারলে। আপনিও একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে পারবেন।

আর আজকের দিনে যারা সফল ব্যবসায়ী। তারা আসলে যে সকল কৌশল অনুসরণ করে। সে গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বলাই হবে আজকের মূল উদ্দেশ্য।

দেখুন ব্যবসা করার ধরন একেক জনের কাছে এক এক রকম হতে পারে। যেমন আপনি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে যে Business idea গুলো অনুসরন করবেন।

অন্য কোন ব্যবসায়ী আবার ভিন্ন ভিন্ন Business Tips অনুসরণ করবে। আর এটা হলো স্বাভাবিক একটি বিষয়।

কিন্তু এই ব্যবসার ক্ষেত্রে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস রয়েছে। যে গুলো মূলত সকল ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য যে, যারা আজকের দিনের সফল ব্যবসায়ী।

তারা কখনোই এই ধরনের ব্যবসা করার টিপস গুলো অন্য কারো সাথে শেয়ার করে না।

যার ফলে আমরা অনেকেই সেই ব্যবসা করার কৌশল গুলো সম্পর্কে জানতে পারি না। কিন্তু সময় পরিবর্তন এর সাথে সাথে ব্যবসায়িক ক্ষেত্র এর অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে।

আপনি আরোও দেখতে পারেন…

আর ইন্টারনেটের বদৌলতে আমরা এখন সেই ব্যবসা করার গোপন টিপস গুলো সম্পর্কে খুব সহজেই জেনে নিতে পারছি।

যে গুলো আজকের এই আর্টিকেলে বিস্তারিত বলা হবে সাথে অনলাইনে ব্যবসা করার নিয়ম

তো আপনি যদি একজন নতুন ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন। এবং আপনি যদি সেই ব্যবসা করার টিপস গুলো সম্পর্কে জানতে চান।

তাহলে আজকের এই আর্টিকেল টি আপনার জন্য অনেক বেশি প্রয়োজনীয়। তাই অবশ্যই আপনি আজকের পুরো আর্টিকেল টি মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করবেন।

যাতে করে আপনিও সেই ব্যবসা করার কৌশল গুলো সঠিক ভাবে সম্পর্কে জানতে পারেন। তাহলে আর দেরি না করে চলুন সরাসরি মূল আলোচনা তে ফিরে যাওয়া যাক।

মার্কেটিং ব্যবসার কৌশল সমুহ সহ গোপন সব ব্যবসা করা টিপস জেনে নেওয়া যাক।

ব্যবসা করার টিপস, কৌশল এবং নিয়ম (মোট ৯ টি)

যদিও বা ব্যবসা করার অনেক গুলো গোপন টিপস এবং কৌশল রয়েছে। তবে আজকে আমি আপনাকে কার্যকরী মোট ৯ টি ব্যবসা করার টিপস শেয়ার করব।

এবং আপনি যদি একজন নতুন ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন। তাহলে অবশ্যই এই গুরুত্বপূর্ণ টিপস গুলো আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার চেষ্টা করবেন।

যদি আপনি সঠিক ভাবে এই টিপস গুলো অনুসরণ করতে পারেন। তাহলে আমার দীর্ঘ বিশ্বাস যে, আপনিও খুব দ্রুত তার সাথে একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করবেন।

তো এবার আমি আপনাকে পর্যায়ক্রমে সেই ব্যবসা করার টিপস গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করব। আপনি সে গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

1- সঠিক পরিকল্পনা করুন

দেখুন আপনি যখন স্বাধীন ভাবে ব্যবসা করবেন। তখন আপনার এই স্বাধীন ভাবে ব্যবসা করাকে একটি খোলা মাঠে যুদ্ধের ময়দানের সাথে তুলনা করা হবে।

আর যুদ্ধের ময়দানে যেমন সঠিক পরিকল্পনা করে যুদ্ধ করতে হয়। ঠিক তেমনি ভাবে যখন আপনি ব্যবসা করবেন।

তখনও আপনাকে একই ভাবে সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে। আর যাদের পরিকল্পনা ভালো ভাবে কার্যকর হয়। তারাই একমাত্র শেষ অবধি টিকে থাকতে পারে।

তো একজন নতুন ব্যবসায়ী হিসেবে যখন আপনি কোন ব্যবসা করার কথা চিন্তা করবেন। তখন অবশ্যই পূর্বে থেকেই আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিকল্পনা করতে হবে।

এবং বর্তমানের শুরু করা সেই ব্যবসার ভবিষ্যৎ কি হবে। সে সম্পর্কে আপনাকে আজকেই ভাবতে হবে। কারণ আপনাকে সুদূর প্রসারী চিন্তা নিয়েই সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে।

যেমন ধরুন, একটি ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রথমত মূলধন এর প্রয়োজন হয়ে থাকে।

কেননা আপনি যতক্ষণ না পর্যন্ত ইনভেস্ট করতে পারবেন। ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি কোন ধরনের ব্যবসা করতে পারবেন না। আর আপনাকে মূলত সেই ব্যবসার ক্ষেত্রে ইনভেস্ট করতে হবে।

যে ব্যবসার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল রয়েছে। কেননা বর্তমান সময়ে আপনি যে প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন। ভবিষ্যৎ সময়ে যদি সেই প্রোডাক্টের চাহিদা কমে যায়।

তাহলে কিন্তু আপনাকে মুখ থুবড়ে পড়তে হবে। আর যখন আপনার ব্যবসাতে লস খাবেন। তখন কিন্তু আপনাকে সহায়তা করার মত পাশে কেউ কাউকে পাবে না।

সে জন্য আপনি আসলে আপনার ব্যবসা কে কিভাবে পরিচালনা করবেন। সে সম্পর্কে আপনাকে পূর্ব পরিকল্পিত পরিকল্পনা করতে হবে।

2- অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করুন

কথায় আছে অভিজ্ঞতার কোন শেষ নেই। বরং আপনি যত শিখবেন তত নতুন কিছু জানতে পারবেন। আর এই বিষয় টি আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন।

যখন আপনি কোন ব্যবসার সাথে যুক্ত থাকবেন। কেননা আপনার এই ব্যবসার ক্ষেত্রে নিজের অভিজ্ঞতা কে যত বেশি মজবুত করতে পারবেন।

আপনি এই ব্যবসা চলা কালীন সময়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে পারবেন। সে জন্য আপনাকে এই ব্যবসা রিলেটেড বিভিন্ন কেস স্টাডি সলভ করতে হবে।

সেই সাথে বর্তমান সময়ে যারা সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। তাদের কে পূর্ণাঙ্গভাবে খুঁটিয়ে খুটিয়ে দেখতে হবে। যে তারা আসলে শুরুর দিকে কি করেছিল।

বর্তমানে কি করছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি কি রয়েছে। এভাবে আপনাকে আপনার ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে নিতে হবে।

কারণ আপনি যদি সফল ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেন। তাহলে তারা অবশ্যই একটা কথা বলবে। আর সেটি হল, অভিজ্ঞতাই হলো ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রের প্রধান শিক্ষক।

অর্থাৎ আপনি যত বেশি অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন। আপনি তত বেশি লাভবান হতে পারবেন। আর যখন আপনি ব্যবসা রিলেটেড বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।

তখন আপনি আপনার নিজের ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে সেই অর্জন করা অভিজ্ঞতা গুলো কে প্রয়োগ করতে পারবেন। এতে করে আপনার ব্যবসার অনেক সুফল বয়ে আসবে।

যা আপনার কল্পনার বাইরে চলে যাবে। তাই অবশ্যই আপনাকে ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।

3- ধৈর্য ধারণ করুন

আপনি যে কোনো কাজ করুন না কেন, আপনার মধ্যে যদি ধৈর্য না থাকে। তাহলে আপনি কখনোই সেই কাজে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।

বরং আপনার মধ্যে যদি ধৈর্য থাকে। তবে আপনার সব ক্ষেত্রে সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। ঠিক একই ভাবে আপনি যদি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এর দিকে লক্ষ্য করেন।

তাহলে এই ব্যবসা করার জন্য অবশ্যই একজন ব্যক্তির মধ্যে ধৈর্য থাকতে হবে। কারণ একটি ব্যবসা রাতারাতি জনপ্রিয় করা সম্ভব নয়।

বরং আপনাকে ধাপে ধাপে সামনের দিকে অগ্রসর হবে। আর আপনি যখন প্রতিটা ধাপ সফল ভাবে অতিক্রম করতে পারবেন।

তখন আপনি আপনার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি তার আগেই ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন। তাহলে কিন্তু আপনাকে মুখ থুবড়ে পড়ে যেতে হবে।

আপনি একটা সফল চাষীর কথা চিন্তা করে দেখুন। একজন চাষী প্রথমত ফসল ফলায়। তারপরে তার সেই ফসল ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।

এবং একটা সময় সেই ফসল গুলো কাটার জন্য উপযুক্ত হয়। ঠিক একই ভাবে যখন আপনি কোন ব্যবসা করবেন। তখন সেই চাষীর মতো ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে।

চলার পথে হয়তোবা আপনি অনেক সময় ব্যবসা করার ক্ষেত্রে লস খেতে পারেন। কিন্তু তাই বলে কখনোই হতাশ হয়ে পরবেন না।

বরং আপনাকে ধৈর্য ধরে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। আর এভাবে যদি আপনি ধৈর্য ধরে কাজ করতে পারেন।

তাহলে অবশ্যই আপনি একটা সময় সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে পারবেন।

4- মার্কেট নির্ধারণ করুন

কোন একটি ব্যবসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মার্কেট নির্ধারণ করা। কেননা আপনি আপনার ব্যবসায়ীক প্রোডাক্ট গুলো যতক্ষণ পর্যন্ত কাস্টমারদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন না।

ততক্ষণ আপনি আপনার সেই ব্যবসা থেকে লাভবান হতে পারবেন না। আর সে কারণে প্রথমে আপনাকে সঠিক ভাবে মার্কেটে নির্ধারণ করতে হবে।

এবং আপনার ব্যবসায়িক যে সকল প্রোডাক্ট রয়েছে। সে প্রোডাক্ট এর জন্য সঠিক কাস্টমারদের খুঁজে নিতে হবে।

আর এই কাজ টি করার জন্য অবশ্যই আপনাকে আপনার ব্যবসায়িক প্রোডাক্ট এর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এবং ভাবতে হবে যে, আপনার যে সকল প্রোডাক্ট রয়েছে।

আপনি আরোও পড়তে পারেন…

সেই প্রোডাক্ট গুলো কেনার জন্য কোন মার্কেটে কাস্টমারদের পাওয়া যাবে।

এর পাশাপাশি আপনার যেসব কাস্টমার থাকবে। তাদের চাহিদা, তাদের শখ, জাতীয়তা এবং বৈবাহিক অবস্থা ইত্যাদি বিশেষ ভাবে বিবেচনা করতে হবে।

আর যখন আপনি আপনার কাস্টমারদের সঠিক ভাবে বুঝতে পারবেন। তখন আপনি এটা সহজেই খুঁজে নিতে পারবেন।

যে, কিভাবে এবং কোন পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করে আপনার ব্যবসায়িক প্রোডাক্ট গুলোর প্রচার করতে হবে।

এবং সেই প্রোডাক্ট গুলো থেকে কি পরিমাণ লাভ করতে পারবেন।

আর এইসব কিছু করার আগে অবশ্যই আপনাকে মার্কেট নির্ধারণ করতে হবে। তাহলে আপনি এই কাজ গুলো সঠিক ভাবে করতে পারবেন।

5- পর্যাপ্ত মূলধন ব্যয় করুন

প্রবাদে সর্বদাই মিতব্যয়ী হওয়ার কথা উল্লেখ আছে। যখন আপনি কোন ব্যবসা শুরু করবেন। তখন আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে মূলধন ব্যয় করতে হবে।

কেননা আপনি হয়তো বা জেনে থাকবেন যে। কোন একটি ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে অবশ্যই মূলধনের প্রয়োজন হবে।

কেননা একটি ব্যবসায়ীক কার্যক্রম শুরু করা থেকে পরিচালনা করা পর্যন্ত। যাবতীয় ক্ষেত্রে ইনভেস্ট করার প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আর এই ইনভেস্ট করার ক্ষেত্রে আপনাকে কোন প্রকার কার্পণ্যতা করা যাবে না। বরং আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে যতটুকু অর্থ ইনভেস্ট করার প্রয়োজন হবে।

ততটুকু অর্থ আপনাকে সঠিক ভাবে ইনভেস্ট করতে হবে। তবে হ্যাঁ! আপনি যখন আপনার ব্যবসা কে শুরু করা থেকে পরিচালনা পর্যন্ত।

মোট যতোটুকু মূলধন ব্যয় করবেনম লক্ষ রাখবেন যেন সেই ব্যয় করা অর্থ গুলো সঠিক সঠিক স্থানে খরচ হয়।

আর যখন আপনি এই বিষয় গুলোর দিকে লক্ষ্য করবেন। তখন আপনি আপনার ইনভেস্ট করা অর্থ গুলো সঠিক ভাবে ব্যয় করতে পারবেন।

এবং আপনার ব্যবসায়িক অবকাঠামো কে আরো অনেক বেশি মজবুত করতে পারবেন। তবে একটা কথা বলে রাখা ভালো যে।

যখন আপনি আপনার ব্যবসায়িক কাজে সফলতা পাওয়ার জন্য মূলধন ব্যয় করবেন। তখন অবশ্যই হিসেব নিকেশ করে রাখবেন।

যাতে করে আপনি পরবর্তী সময়ে বুঝতে পারেন যে। আপনার কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে।

এবং সবশেষে আপনি কি পরিমাণ অর্থ লাভ করতে পেরেছেনম এ থেকে আপনি এই ব্যবসা থেকে লাভ করেছেন নাকি লস করেছেন তা বুঝতে পারবেন।

6- ঝুঁকি নিতে শিখুন

দেখুন একটা মানুষ যেমন নদীতে না নামা পর্যন্ত সাঁতার শিখতে পারে না। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যদি ব্যবসার ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে চান।

তাহলে অবশ্যই আপনাকে ঝুঁকি নেওয়া শিখতে হবে। তবে আপনি আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ কে খুজে পাবেন। যারা মূলত মনের মধ্যে ভয় নিয়ে থাকে।

এবং তারা ভাবে যে, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে যখন ঝুঁকি নেওয়া হয়। তখন যদি লস হয় তাহলে অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলবে। আসলে বিষয়টা এমন নয়।

বরং এটা হল বোকামির একটি রুপ। কেননা যখন আপনি কোন প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা করবেন। তখন হাজার হাজার মানুষ থাকবে।

যারা আপনার মত একই প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা করবে। আর আপনাকে তাদের সাথে সমান ভাবে প্রতিযোগিতা করে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে।

আর আপনি যদি তাদের সাথে প্রতিযোগিতায় পেড়ে উঠতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনার ঝুঁকি নেওয়ার মতো মানসিকতা থাকতে হবে।

যেমন ধরুন, আপনি একটি ব্যবসা শুরু করার সময় প্রচুর পরিমাণ টাকা ইনভেস্ট করেছেন।

কিন্তু সেই ব্যবসা তে আপনি সফল হবেন নাকি ব্যর্থ হবেন সেটা কিন্তু সেই সময় ঘূরুণাক্ষরেও চিন্তা করেন নি।

ঠিক তেমনি ভাবে ব্যবসা চলাকালীন সময়ে আপনাকে এরকম অনেক ঝুঁকি নিতে হবে। এবং যখন এরকম ঝুঁকি নেওয়ার মতো পরিস্থিতি আসবে।

তখন আপনাকে নিশ্চিন্তে সেই ঝুঁকি গুলো কে পার করে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। তাহলে আপনি সফল ব্যবসায়ীদের কাতারে নিজের নাম লেখাতে পারবেন।

7- যথাযথ প্রচার ও মার্কেটিং করুন

আপনি আপনার ব্যবসা কে যখন প্রসার করতে চাইবেন। তখন অবশ্যই সেই ব্যবসার প্রচার করতে হবে। কেননা প্রবাদে আছে প্রচারেই প্রসার।

আর যখন আমরা কোন টিভি তে অনুষ্ঠান দেখি। তখন আমাদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। এর মূল কারণ হলো মানুষ যাতে তাদের প্রোডাক্ট গুলো সম্পর্কে জানতে পারে।

মানুষ যাতে তাদের প্রোডাক্ট এর গুনাগুন জানতে পারে। সে কারণে মূলত এই ধরনের বিজ্ঞাপন গুলো দেখানো হয়ে থাকে। এখন আপনি যদি কোন ব্যবসা করেন।

তাহলে অবশ্যই আপনার কোন না কোন প্রোডাক্ট থাকবে। এবং নতুন অবস্থায় আপনার সেই প্রোডাক্ট গুলো সম্পর্কে কাস্টমার জানতে পারবে না।

আর তাদের কে জানিয়ে দেওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে যথাযথ ভাবে প্রচার করতে হবে।

সে ক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে ভাবতে হবে যে। আপনার ব্যবসার যে সকল প্রোডাক্ট রয়েছে। সেই প্রোডাক্ট গুলো কেনার মত মানুষ আসলে কোথায় রয়েছে।

যদি আপনি বুঝতে পারেন যে, আপনার এই প্রোডাক্ট কেনার মত কাস্টমার বিভিন্ন প্রকারের অনলাইনে সোশ্যাল মিডিয়া তে আছে।

তাহলে আপনাকে অবশ্যই অনলাইনে থাকা সেই সোশ্যাল মিডিয়া গুলো তে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে।

তো প্রথমত আপনাকে ভাবতে হবে যে, আপনার প্রোডাক্ট রিলেটেড কাস্টমাররা কোন স্থানে বেশি সময় ব্যয় করে।

এবং আপনাকে সেই স্থান গুলো তে আপনার প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন সঠিক ভাবে প্রচার করতে হবে।

তাহলে আপনি আপনার টার্গেট করা কাস্টমারদের নিকট আপনার প্রোডাক্ট এর পরিচিতি বৃদ্ধি করতে পারবেন।

8- প্রোডাক্টের সব ঠিক মূল্য নির্ধারণ করুন

অতিরিক্ত লাভ করার আশায় কখনোই আপনি আপনার ব্যবসার পণ্যের দাম বেশি নির্ধারণ করবেন না।

মনে রাখবেন আপনি যত কম মূল্যে আপনার পণ্য গুলো কাস্টমারদের হাতে পৌঁছে দিতে পারবেন। কাস্টমার ঠিক তত বেশি আপনার পণ্যের প্রতি আগ্রহী হবে।

তবে আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন। যারা মূলত অধিক পরিমাণ লাভ করতে চায়। সে ক্ষেত্রে তারা তাদের ব্যবসায়িক পণ্য গুলোর দাম অনেক বেশি করে রাখে।

আর যেহেতু তাদের পণ্য গুলোর দাম অনেক বেশি হয়। সেহেতু কাস্টমারদের কাছে তাদের সেই পণ্য গুলো কেনার মতো আর সামর্থ্য থাকে না।

যার ফলে তারা একই ধরনের প্রোডাক্ট অন্য কোন কোম্পানির কাছ থেকে কিনে নেয়।

আর আপনি যদি ক্রমগত ভাবে এই কাজটি করতে থাকেন। তাহলে কিন্তু আপনি একটা সময় আর কোন কাস্টমারদের আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারবেন না।

তাই শুরু থেকেই আপনাকে এই প্রোডাক্ট এর মূল্য নির্ধারণ করার দিক থেকে একটু হলেও সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে।

এবং আপনাকে ভাবতে হবে যে, আপনার প্রোডাক্ট কেনার জন্য যে সকল কাস্টমার রয়েছে। তারা আসলে কোন শ্রেণীর বা কত বয়সের।

তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার প্রোডাক্ট এর সঠিক দাম নির্ধারণ করতে পারবেন।

9- আত্মবিশ্বাসী হওয়ার চেষ্টা করুন

যতক্ষন পর্যন্ত আপনার মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকবে না। ততক্ষণ আপনি কোন কাজ সফল ভাবে করতে পারবেন না।

সে জন্য সবাই বলে যে, নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস রাখার চেষ্টা করুন। ঠিক তেমনি ভাবে যখন আপনি ব্যবসা করবেন। তখন আপনাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

কিন্তু আপনাকে ধৈর্য সহকারে সেই সব সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। তবে আপনি যখন কোন একটি সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন।

তখন আপনার মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণে আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। কেননা আপনি আপনার এই আত্মবিশ্বাসের শক্তিতে অনেক দূর পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারবেন।

আপনার জন্য আরোও লেখা আছে…

তবে আপনার মধ্যে যদি এই আত্মবিশ্বাসের কমতি থাকে। তাহলে আপনি ব্যবসা চলাকালীন সময়ে যে সকল সমস্যা আসবে।

সেই সমস্যা গুলো আসা মাত্রই আপনি একবারে হতাশ হয়ে পড়বেন। এবং আপনার পক্ষে কোন ভাবেই সেই সমস্যা গুলোর সমাধান করা সম্ভব হবে না।

কারণ আত্মবিশ্বাস হীন মানুষ গুলো সর্বদাই ভীরু হয়ে থাকে।

তাই ভয় কে জয় করে নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস রেখে আপনি আপনার ব্যবসায়ী কার্যক্রম গুলো চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।

তাহলে আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

আমাদের শেষ কথা

যারা মূলত ব্যবসা করার টিপস গুলো সম্পর্কে জানতে চান। তাদের জন্য আজকের এই আলোচনা টি অনেক বেশি হেল্পফুল হবে।

কারণ আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে আমি আপনাকে গোপন সব ব্যবসা করার টিপস শেয়ার করার চেষ্টা করেছি।

এবং আপনি আপনার ব্যবসা সঠিক ভাবে পরিচালনা করার জন্য অবশ্যই এই টিপস এবং কৌশল গুলো কে অনুসরণ করার চেষ্টা করবেন।

আর ব্যবসা রিলেটেড আরও কোন অজানা বিষয় থাকলে। অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব আপনার কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়ার জন্য।

আজকের মত এখানেই শেষ, দেখা হবে পরবর্তী আর্টিকেলে। সে পর্যন্ত সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap