একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সেরা ৮টি উপায়

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সফল হওয়া মোটেও সহজ কাজ নয়। বরং আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করে সফল হতে চান। তাহলে আপনাকে বেশ কিছু উপায় অনুসরণ করতে হবে।

একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সেরা ৮টি উপায়
সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সেরা ৮টি উপায়

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের মধ্যে এমন অধিকাংশই ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। যারা একজন সকল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় গুলো সম্পর্কে জানে না।

আর সে কারণেই মূলত আজকের এই আর্টিকেল টি লেখা হয়েছে। কারণ আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সেরা কিছু উপায় শেয়ার করার চেষ্টা করব।

আপনি যদি সেই উপায় গুলো সঠিক ভাবে অনুসরণ করতে পারেন। তাহলে আপনিও নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সারে হিসেবে পরিচিত করতে পারবেন।

চলুন আর দেরি না করে সরাসরি সেই সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

আপনি আরোও জনাতে পারবেন…

ফ্রীল্যান্সার মানে কি?

আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে আমি আপনাকে অবশ্যই সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় গুলো সম্পর্কে বলবো।

তবে তার আগে আপনাকে ফ্রিল্যান্সার কি সে সম্পর্কে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করব। তো আমরা সবাই জানি যে, বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়।

আর অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার অন্যতম একটি মাধ্যম হলো, ফ্রিল্যান্সিং করা। যেখানে আপনি বাস্তবিক জীবনের মত কাজ করবেন।

এবং সেই কাজের বিনিময়ে আপনি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর যারা অনলাইন এর বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং রিলেটেড কাজ করে। তাদের কে বলা হয়ে থাকে, ফ্রিল্যান্সার।

ফ্রিল্যান্সার কি চলুন এই বিষয়টি কে আরেকটু উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করি। দেখুন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলো তে দুইটি মাধ্যম থাকে।

তার মধ্যে একটি হল ক্লায়েন্ট। যারা অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কাজ প্রদান করে থাকে। আর এই কাজ গুলো যারা করে, তাদের কে বলা হয়ে থাকে, ফ্রিল্যান্সার।

যেখানে একজন ফ্রিল্যান্সার ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে থাকা ক্লায়েন্টদের কাজ করে।

এবং কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরে ক্লাইন্ট সেই ফ্রিল্যান্সার কে কাজের বিনিময়ে অর্থ প্রদান করে থাকে। যার পুরো প্রক্রিয়া কে বলা হয়ে থাকে, ফ্রিল্যান্সিং।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করা যায় ?

উপরের স্বল্প আলোচনা থেকে আপনি জানতে পেরেছেন যে, ফ্রিল্যান্সিং কি। তো এই বিষয় টি জানার পরে এখন অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকবে।

আর সেই প্রশ্ন টি হল যে, ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করা যায় অথবা ফ্রিল্যান্সার হওয়ার যোগ্যতা কি। তো আপনার মনেও যদি এই ধরনের প্রশ্ন জেগে থাকে। তাহলে আমি আপনাকে এমন অনেক উপায় বলবো।

যে উপায় গুলো কে অনুসরণ করে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক, ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি উপায় অনুসরণ করতে হয়।

  1. সর্বপ্রথম আপনাকে জানতে হবে যে, এই ফ্রিল্যান্সিং আসলে কি?
  2. যখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং কি সে সম্পর্কে জানবেন। তখন আপনি নিজেকে প্রশ্ন করবেন যে। আপনি কি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন কিনা।
  3. যদি আপনার মনে হয় যে, আপনার দ্বারা ফ্রিল্যান্সিং সম্ভব। তাহলে আপনাকে ভাবতে হবে, আপনি আসলে ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মের কোন কাজ গুলো করবেন।
  4. আর যখন আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সিং জব সিলেক্ট করবেন। তখন আপনাকে সেই ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো শিখতে হবে।
  5. যেমন ধরুন, আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন ভালো ভাবে শিখতে হবে। এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনে নিজে কে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
  6. ফ্রিল্যান্সিং জব শেখার পরে যখন আপনার মনে হবে যে। আপনি এখন ফ্রিল্যান্সিং এর জব করার জন্য প্রস্তুত। তখন আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে যেতে হবে।
  7. এবার আপনাকে ভাবতে হবে যে। আপনি যে সকল ফ্রিল্যান্সিং জব এর কাজ শিখেছেন। সেই জব গুলো আসলে কোন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে।
  8. আর যখন আপনি আপনার নির্দিষ্ট ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পাবেন। তখন আপনাকে সেই ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।
  9. এরপর সেই ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে ক্লায়েন্টরা যখন আপনার কাজ রিলেটেড জব পোস্ট করবে। তখন আপনাকে সেই জব গুলো তে এপ্লাই করতে হবে।

উপরে আপনি বেশ কিছু পদ্ধতি দেখতে পাচ্ছেন। মূলত এগুলো হলো ফ্রিল্যান্সিং করার প্রাথমিক পদ্ধতি।

অর্থাৎ আমরা যারা নতুন মানুষ তারা অনেকে বুঝতে পারি না যে, কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়। তো তাদের জন্য উপরের এই কয়েক টি পয়েন্ট ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

যেখানে আপনি জানতে পারবেন যে, নতুন মানুষ হিসেবে কিভাবে আপনি ফ্রিল্যান্সিং জগতে মধ্যে পা রাখতে পারবেন।

ফ্রীল্যান্সার হতে গেলে কি কি করতে হবে ?

সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় গুলো অনুসরণ করে। আপনি নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।

কিন্তু একজন নতুন ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিষয় টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকে না যে। ফ্রিল্যান্সার হতে গেলে কি কি করতে হবে।

অর্থাৎ মনে করুন, আপনার নতুন মানুষ এবং আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান। এক্ষেত্রে আপনার করণীয় কাজ গুলো কি কি সে সম্পর্কে আপনার পরিস্কার ধারণা রাখতে হবে।

আর আপনি যাতে করে এই বিষয় টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন। সে কারণে এবার আমি আপনাকে সেই ধাপ গুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব।

যেগুলো অনুসরণ করে আপনি নিজেকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। আর সেই ধাপ গুলো হলো:

নির্দিষ্ট নিশ সিলেক্ট করুন

আমরা যারা নতুন ব্যক্তি হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করি। তারা অধিকাংশ সময়ে নিশ নির্ধারণ করতে ভুল করি।

কেননা এই বিষয়টি কে আমরা খুব একটা গুরুত্ব দেই না। যার ফলে ফ্রিল্যান্সিং এর মাঝ পথে গিয়ে আমরা হাল ছেড়ে দেই। তাই অবশ্যই যখন আপনি নতুন ব্যক্তি হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন।

তখন আপনি নির্দিষ্ট ফ্রিল্যান্সিং নিশ সিলেক্ট করবেন। কেননা এখন যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে যানম তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের অনলাইন জব দেখতে পারবেন।

এখন আপনাকে ভাবতে হবে যে, আপনি আসলে কোন অনলাইন জব নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে চান। এর পরে আপনাকে সেই ফ্রিল্যান্সিং জব নির্ধারণ করতে হবে।

তারপরে আপনাকে সেই জব সম্পর্কিত বিভিন্ন রকমের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যেমন ধরুন, আপনি যদি কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজ করতে চান।

তাহলে অবশ্যই আপনাকে শুরু থেকেই এই কনটেন্ট রাইটিং এর যাবতীয় বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে হবে। আপনাকে বুঝতে হবে যে, কিভাবে কন্টেন্ট লিখতে হয়।

এবং কোন পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করে কন্টেন্ট লিখলে ক্লাইন্টরা আপনার কনটেন্ট কে মানসম্মত বলে বিবেচিত করবে। 

আপনার পরিষেবা প্রচার করুন

মনে করুন, আপনি একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার। এবং আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজে নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

কিন্তু আপনি যদি আপনার এই দক্ষতা নিজের মধ্যে রেখে বসে থাকেন। তাহলে কিন্তু আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন না।

বরং আপনি যে বিষয়ে দক্ষ, আপনার সেই দক্ষতা কে প্রচার করুন। অন্যের নিকট আপনার সেই অর্জিত দক্ষতার পরিষেবা দিন।

যাতে করে মানুষ জানতে পারে যে, আপনি ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মের গ্রাফিক্স ডিজাইন সেক্টরে যথেষ্ট দক্ষ। এবং আপনাকে দিয়ে যদি কোন কাজ করা হয়।

তাহলে আপনি খুব কোয়ালিটি সম্পন্ন কাজ ডেলিভারি দিতে পারবেন। আর যখন আপনি নিজের এরকম প্রচার বৃদ্ধি করতে পারবেন।

তখন আপনার হাতে প্রচুর পরিমাণে ফ্রিল্যান্সিং জব অফার আসবে। আর আমি সেই জব গুলো করার মাধ্যমে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

বিভিন্ন ক্লায়েন্টদের কাজ করুন

দেখুন যখন আপনি কোন কাজে নিজেকে দক্ষ হিসেবে করে তুলবেন। এবং সেই দক্ষতা কে কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে পা রাখবেন।

তখন আপনি বিভিন্ন প্রকারের ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার চেষ্টা করবেন। কারণ আপনি যখন বিভিন্ন ধরনের ক্লাইন্ট দের সাথে কাজ করবেন।

তখন আপনার এই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আলাদা একটা দক্ষতা অর্জন হবে। যাতে করে আপনি বুঝতে পারবেন যে, কোন ধরনের ক্লায়েন্ট গুলো ভালো।

আর কোন ধরনের ক্লায়েন্ট গুলো খুব বেশি একটা সুবিধার না। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন।

আপনার যে দক্ষতা রয়েছে, সেই দক্ষতা অনুযায়ী আপনি কি পরিমান অর্থ প্রতি মাসে ইনকাম করতে পারবেন।

আর এই বিষয় গুলো বুঝতে হলে অবশ্যই আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন ধরনের ক্লায়েন্ট দের সাথে কাজ করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি প্রয়োজন?

এতক্ষণের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সার হতে গেলে কি কি করতে হয়।

তো এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো জানার পাশাপাশি এবার আমি আপনাকে জানিয়ে দিব যে। ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি প্রয়োজন হয়।

অর্থাৎ আপনি একজন নতুন ব্যক্তি এবং আপনি চাচ্ছেন আপনি এখন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন। তো এক্ষেত্রে আপনার কি কি প্রয়োজন হবে।

আপনার জন্য আরোও লেখা…

সেই বিষয় গুলো এবার আমি আপনাকে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। যাতে করে আপনার আগে থেকেই এই বিষয় টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকে।

  1. সর্বপ্রথম আপনার নিকট একটি ভালো কনফিগারেশন এর কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ থাকতে হবে।
  2. এর পাশাপাশি একটি ভালো ডিভাইস এর মধ্যে অনেক দ্রুত গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে।
  3. মনে রাখবেন, ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে যে সকল ক্লায়েন্ট রয়েছে। তারা অধিকাংশ বিদেশি। তাই অবশ্যই আপনাকে ইংরেজি ভাষা শিখতে হবে।
  4. আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করার পরে যে সকল অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। সেই অর্থ গুলো উত্তোলন করার জন্য আপনার নিকট বিভিন্ন ধরনের ভার্চুয়াল একাউন্ট থাকতে হবে। যেমন, পেপাল, পেওনিয়ার ইত্যাদি।

তো একজন নতুন ব্যক্তি হিসেবে যখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং করবেন। তখন আপনার নিকট যে সকল জিনিসের প্রয়োজন হবে। সে গুলো নিয়ে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

এবং আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান। তাহলে অবশ্যই চেষ্টা করবেন, আপনার ইন্টারনেট কানেকশন টি যেন অনেক দ্রুত গতি সম্পন্ন হয়।

এবং আপনার কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ টি একটু হাই কনফিগারেশন হয়। যাতে করে আপনার ফ্রিল্যান্সিং করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যার সৃষ্টি না হয়।

একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় গুলো

আর্টিকেলের শুরুতেই আমি আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যেমন, সবার শুরুতেই আমি আপনাকে বলেছি যে ফ্রিল্যান্সিং কি।

এবং ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি প্রয়োজন হয়। তো এবার আমি আপনাকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় গুলো জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।

মূলত বর্তমান সময়ে আপনি যাদের কে সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন। তাদের বেশ কিছু গুণাগুণ রয়েছে। আর আপনি যখন সেই গুনাগুন গুলো নিজের মধ্যে প্রয়োগ করবেন।

এবং তাদের মত করে চলতে পারবেন। তখন আপনিও নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তৈরি করতে পারবেন।

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক যে, সেই সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় গুলো কি কি।

কঠোর পরিশ্রম করতে হবে

আমরা যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এর সাথে যুক্ত হই। তারা অনেকেই মনে করি যে, ফ্রিল্যান্সিং শুধুমাত্র কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকা আর টাকা ইনকাম করা।

মূলত এই ধারণা টি সম্পূর্ণ ভুল। বরং বাস্তবিক জীবনে একজন মানুষ যেমন কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে টাকা অর্জন করতে পারে।

ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যখন ফ্রিল্যান্সিং করবেন, তখন আপনার মধ্যেও এই কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে।

কারণ ক্লাইন্ট যখন আপনাকে একটি কাজ দিবে। তখন আপনাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। আর যখন আপনি সময় মতো কাজ করতে পারবেন।

তখন ক্লায়েন্ট আপনাকে অর্থ প্রদান করবে। তবে এই অর্থ পাওয়ার আগে অবশ্যই আপনার কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আর পরিশ্রমের ফল সর্বদাই সুমিষ্ট হয়, সে সম্পর্কে তো আপনি অবশ্যই জানেন।

কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধি করুন

আপনি যদি সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় খুঁজে থাকেন। তাহলে আমি আপনাকে বলব, আপনার মধ্যে থাকা কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধি করার চেষ্টা করুন।

কারণ এটি হলো একজন সফল ফ্রিল্যান্সারের অন্যতম একটি গুণ। যা আপনার মধ্যেও থাকতে হবে। যেমন ধরুন, আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার।

এবং আপনি যদি ক্লায়েন্টদের সাথে ভালোভাবে কথা বলতে পারেন। তাদের কে কনভেন্স করতে পারেন। তাহলে কিন্তু ক্লায়েন্ট খুশি হয়ে তাদের কাজ গুলো আপনাকে করতে দিবে।

কিন্তু আপনি যদি ক্লায়েন্টদের সাথে ঠিকমতো কথা বলতে না পারেন। আপনি যদি তাদের সাথে ঠিকমতো কমিউনিকেশন করতে না পারেন।

সে ক্ষেত্রে কিন্তু ক্লায়েন্টরা আপনার উপর খুব বেশি একটা ভরসা পাবে না। এবং তখন আপনাকে কাজ না দিয়ে ক্লাইন্টরা অন্য কোন ফ্রিল্যান্সার কে তাদের কাজ গুলো প্রদান করবে।

আর এমনটা যাতে করে না হয়। সেজন্য অবশ্যই আপনি ফ্রিল্যান্সিং শেখার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষাকে নিজের মধ্যে রপ্ত করে নিবেন।

এবং আপনার কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধি করার চেষ্টা করবেন।

কাজের মধ্যে পেশাদারিত্ব নিয়ে আসুন

আপনি যদি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনার কাজের মধ্যে পেশাদারিত্ব থাকতে হবে।

তবে আমি আপনার কোর্ট, স্যুট, কিংবা শার্ট এর মাধ্যমে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে বলিনি। বরং যেহেতু আপনি ফ্রিল্যান্সিং করছেন।

সেহেতু অবশ্যই আপনাকে এই অনলাইন প্লাটফর্মের মধ্যে পেশাদারিত্ব নিয়ে আসতে হবে। যেমন, একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে একজন ক্লায়েন্ট এর সাথে কিভাবে কথা বলতে হয়।

তাদের সাথে কিভাবে আচার-আচরণ করতে হয়। সে গুলো তে আপনার পেশাদারিত্ব থাকতে হবে।

যাতে করে একজন ক্লায়েন্ট আপনার সাথে কথা বলেই বুঝতে পারে যে। আপনি এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছেন।

এর পাশাপাশি ক্লায়েন্ট যখন আপনাকে কোন ধরনের কাজ দিবে। তখন তার জন্য একটি নির্ধারিত সময় প্রদান করবে। আর আপনি যখন এই কাজ গুলো করবেন।

তখন অবশ্যই তাদের দেওয়া নির্ধারিত সময়ে কাজ ডেলিভারি দেওয়ার চেষ্টা করবেন। কেননা এটিও কিন্তু পেশাদারিত্বের আওতায় পড়ে।

ফ্রিল্যান্সার হওয়ার আগ্রহ

আপনি যদি নিজে থেকে চেষ্টা না করেন, তাহলে কিন্তু অন্য কেউ আপনাকে জোর করেও কোন কিছু শেখাতে পারবে না। ঠিক তেমনি ভাবে যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার হওয়ার স্বপ্ন দেখবেন।

তখন যদি আপনার মনের মধ্যে এই স্বপ্নকে ভালোভাবে গেঁথে না রাখেন। তাহলে কিন্তু অন্য কোন ব্যক্তি আপনাকে জোর করে ফ্রিল্যান্সিং শেখাতে পারবে না।

সেজন্য প্রথমেই আপনি নিজের মনকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। মনে মনে ভাবুন, আপনি যে করেই হোক নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলেই ছাড়বেন।

আর যখন আপনার মনের মধ্যে এই ধরনের সংকল্প তৈরি হবে। তখন কিন্তু একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার পথ অনেকটাই ছোট হয়ে যাবে।

কিন্তু আপনি যদি নিজে থেকেই এই ফ্রিল্যান্সিং শেখার আগ্রহ তৈরি না করেন। তাহলে কিন্তু আপনার সময় এবং শ্রম দুটোই বৃথা যাবে।

নীতি পরায়ণ হওয়ার চেষ্টা করুন

বাস্তব জীবনে যেমন একজন সৎ মানুষ কখনোই খারাপ কাজ করতে পারে না। ঠিক তেমনি ভাবে অনলাইন এর মধ্যেও কিন্তু এই বিষয়টি বিশেষ ভাবে গুরুত্ব বহন করে।

কারণ একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যখন আপনি আপনার নীতি অনুযায়ী চলবেন। তখন কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে থাকার ক্লায়েন্টরা আপনার ব্যবহারিক দিক থেকে অনেক পছন্দ করবে।

কারন অনলাইন এর মধ্যে বিশ্বস্ততা অর্জন করা সবচেয়ে কঠিন একটি কাজ। আর আপনি যদি একজন নীতিবান ব্যক্তি হয়ে থাকেন।

আপনি যদি সৎ ভাবে কাজ করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনি খুব সহজেই ক্লায়েন্টদের কাছে বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন।

তাই আপনি অনলাইনে কাজ করছেন বলে আপনার নীতির ব্যাঘাত ঘটাবেন, এমনটা ভুলেও চিন্তা করবেন না।

যদি এমন টা মনে করে থাকেন। তাহলে আপনি খুব বেশিদিন পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে টিকে থাকতে পারবেন না।

সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় নিয়ে কিছু কথা

ফ্রিল্যান্সিং হল অনেকের কাছে স্বপ্নের মত। তবে এই স্বপ্ন তখনই আপনার হাতে এসে ধরা দিবে। যখন আপনি নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসাবে তৈরি করতে পারবেন।

আর সে কারণেই আজকের আর্টিকেলে আমি গুরুত্বপূর্ণ কিছু সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায় উল্লেখ করেছি। আর আপনি যদি এই উপায় গুলো অনুসরণ করতে পারেন।

আপনি আরোও জনাতে পারবেন…

তাহলে আপনিও কোন একটা সময় গিয়ে সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন। কারণ আজকে একজন সকল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সেরা কিছু উপায় শেয়ার করা হয়েছে।

আশা করি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি ফ্রিল্যান্সিং রিলেটেড অনেক অজানা বিষয় জানতে পেরেছেন।

তবে আমাদের লেখা সম্পর্কে যদি আপনাদের কোন ধরনের মতামত বা অভিযোগ থাকে।

তাহলে অবশ্যই তা নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। সবশেষে পুরো আর্টিকেল টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি অসংখ্য ধন্যবাদ।

3 thoughts on “একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সেরা ৮টি উপায়”

  1. বর্তমানে কোন নিশ নিয়ে ব্লগিং করলে সফল হওয়া যাবে কোন টপিকের চাহিদা বেশি কম্পিটিশিন কম

      1. ভাই আমি এন্ড্রোয়েড এর বিষয়ে বেশি জানি, কিন্তু আমার ইচ্ছা ব্লগিং রিলেটেড ব্লগ খুলা কিন্তু ব্লগিং এর ব্যপারে মোটামোটি ধারণা আছে যা এন্ড্রোয়েড এর তুলানায় অনেক কম এখন আমার কোনটা নিয়ে ব্লগিং করা উচিত

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top
Share via
Copy link